
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৮
রাজধানীর গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরমান আলী আসামি রিয়াদসহ চারজনের পাঁচদিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।
অন্য আসামিরা হলেন—প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রিয়াদুল হাওলাদার, আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার। ওইদিন আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
শুনানির সময় চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে রাজ্জাকের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। অন্য তিন আসামির রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের করা রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিষয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন এবং প্রাথমিক তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে আসামিদের নাম-ঠিকানা পিসি/পিআর যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাতনামা আসামিদের পূর্ণ পরিচয় শনাক্তকরণ এবং তাদের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড অপরিহার্য।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ এই চার আসামিকে গ্রেফতার করে। পরদিন শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুলশান থানায় এই হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ২২ জনকে সেখানে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের সঙ্গে নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্বশত্রুতা ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে নির্জনের সঙ্গে আসামিদের দেখা হয়। সেখানে তাকে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বলা হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শের সময় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
এজাহারে বলা হয়েছে, রিয়াদের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনের ওপর হামলা চালান, এতে তার পিঠ ও বুকে আঘাত লাগে। পরে রিয়াদ একটি সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনের মুখমণ্ডলে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে তার নাকে আঘাত লেগে ওপরের অংশ কেটে যায় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এসময় তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে নির্জনের সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা তখন নির্জনকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসভবনে চাঁদা দাবির একটি মামলায় রিয়াদ গ্রেফতার হয়েছিলেন। সে মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
রাজধানীর গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরমান আলী আসামি রিয়াদসহ চারজনের পাঁচদিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।
অন্য আসামিরা হলেন—প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রিয়াদুল হাওলাদার, আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার। ওইদিন আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
শুনানির সময় চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে রাজ্জাকের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। অন্য তিন আসামির রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের করা রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিষয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন এবং প্রাথমিক তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে আসামিদের নাম-ঠিকানা পিসি/পিআর যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাতনামা আসামিদের পূর্ণ পরিচয় শনাক্তকরণ এবং তাদের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড অপরিহার্য।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ এই চার আসামিকে গ্রেফতার করে। পরদিন শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুলশান থানায় এই হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ২২ জনকে সেখানে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের সঙ্গে নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্বশত্রুতা ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে নির্জনের সঙ্গে আসামিদের দেখা হয়। সেখানে তাকে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বলা হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শের সময় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
এজাহারে বলা হয়েছে, রিয়াদের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনের ওপর হামলা চালান, এতে তার পিঠ ও বুকে আঘাত লাগে। পরে রিয়াদ একটি সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনের মুখমণ্ডলে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে তার নাকে আঘাত লেগে ওপরের অংশ কেটে যায় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এসময় তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে নির্জনের সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা তখন নির্জনকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসভবনে চাঁদা দাবির একটি মামলায় রিয়াদ গ্রেফতার হয়েছিলেন। সে মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৯

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৯
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে কাউকে না পেয়ে তিন কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৪ মার্চ) ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারীসহ তিনজনকে বদলি করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় অবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক এবং অফিস সহকারী জান্নাতী। নাসির উদ্দিন ও ওমর ফারুককে আড়াইহাজার উপজেলায় এবং অফিস সহকারী জান্নাতীকে বন্দর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।
এর আগে, বুধবার সকাল ৯টার দিকে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হঠাৎ সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি অফিসে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে উপস্থিত না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে অনিয়মের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:০৮
আসন্ন ঈদুল ফিতরে নাড়ির টানে বাড়িফেরা মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে এক দিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে।
সরকারি ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হবে বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ঈদের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি রয়েছে। ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পরেও টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা বন্ধ করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখতে যান। এ সময় এক সাংবাদিকের ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে সরকারি দায়িত্ব পালন না করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনাটি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তিন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথমত, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না— সে বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসা সেবা প্রদান থেকে তাকে বিরত রাখতে তার চিকিৎসা লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
এখন থেকে যদি কোন সরকারি চিকিৎসক সরকারি সময়ে, বেসরকারিভাবে চিকিৎসা দেয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেম আমরা একই ধরনের ব্যবস্থা সবার জন্য গ্রহণ করব। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কোনো চিকিৎসক যদি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের কাজের নজরদারি করার জন্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, সব জায়গায় এটা কিছু গোপন ব্যাপারে আছে, কীভাবে উদ্যোগ নিচ্ছি এটা ডিসকাস করবো না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গোয়েন্দা কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা বাড়ানো। এ ঘটনা থেকে অন্যরা শিক্ষা নেবেন এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন না।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশেই বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠছে এবং প্রতিনিয়ত সরকারি হাসপাতালে কর্মচারীরা রোগী ভাগিয়ে (তাড়িয়ে) দেয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারদের সঙ্গে তাদের একটা সংযোগ আছে। এগুলো বন্ধে আপনারা কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি কারো ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারবো না। আমরা চিন্তা করতেছি কি করা যায়, কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য কীভাবে বন্ধ করা যায়। এজন্য আমাদের সার্ভিসটা বেটার করে কীভাবে রোগী আটকে রাখা যায়, অল্প খরচে সেবা দেওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামো ও জনবল সংকটের কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যা এখনো কম। এই সংকট কাটাতে সরকার পর্যায়ক্রমে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছে এবং আরও জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা বন্ধ করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখতে যান। এ সময় এক সাংবাদিকের ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে সরকারি দায়িত্ব পালন না করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনাটি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তিন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথমত, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না— সে বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসা সেবা প্রদান থেকে তাকে বিরত রাখতে তার চিকিৎসা লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
এখন থেকে যদি কোন সরকারি চিকিৎসক সরকারি সময়ে, বেসরকারিভাবে চিকিৎসা দেয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেম আমরা একই ধরনের ব্যবস্থা সবার জন্য গ্রহণ করব। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কোনো চিকিৎসক যদি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের কাজের নজরদারি করার জন্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, সব জায়গায় এটা কিছু গোপন ব্যাপারে আছে, কীভাবে উদ্যোগ নিচ্ছি এটা ডিসকাস করবো না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গোয়েন্দা কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা বাড়ানো। এ ঘটনা থেকে অন্যরা শিক্ষা নেবেন এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন না।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশেই বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠছে এবং প্রতিনিয়ত সরকারি হাসপাতালে কর্মচারীরা রোগী ভাগিয়ে (তাড়িয়ে) দেয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারদের সঙ্গে তাদের একটা সংযোগ আছে। এগুলো বন্ধে আপনারা কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি কারো ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারবো না। আমরা চিন্তা করতেছি কি করা যায়, কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য কীভাবে বন্ধ করা যায়। এজন্য আমাদের সার্ভিসটা বেটার করে কীভাবে রোগী আটকে রাখা যায়, অল্প খরচে সেবা দেওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামো ও জনবল সংকটের কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যা এখনো কম। এই সংকট কাটাতে সরকার পর্যায়ক্রমে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছে এবং আরও জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে কাউকে না পেয়ে তিন কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৪ মার্চ) ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারীসহ তিনজনকে বদলি করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় অবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক এবং অফিস সহকারী জান্নাতী। নাসির উদ্দিন ও ওমর ফারুককে আড়াইহাজার উপজেলায় এবং অফিস সহকারী জান্নাতীকে বন্দর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।
এর আগে, বুধবার সকাল ৯টার দিকে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হঠাৎ সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি অফিসে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে উপস্থিত না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে অনিয়মের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।
আসন্ন ঈদুল ফিতরে নাড়ির টানে বাড়িফেরা মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে এক দিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে।
সরকারি ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হবে বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ঈদের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি রয়েছে। ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পরেও টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ০২:১৪
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২২:২৪
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৩
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪