
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৯
বাজারের চাপ সামাল দিতে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রির সরবরাহ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আজ থেকে অকটেন ২০ শতাংশ এবং ডিজেল ও পেট্রোল ১০ শতাংশ বাড়তি সরবরাহ করা হবে।
বিপিসির জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে বিপিসির অধীন কোম্পানিগুলোকে বর্ধিত হারে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বর্তমান জ্বালানি তেলের ‘চাহিদা বিবেচনায়’ ডিলার ও ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিপিসির বণ্টন ও পরিবীক্ষণ অধিশাখা থেকে জারি করা এ আদেশে বলা হয়, ডিজেলের দৈনিক বরাদ্দ ১৩ হাজার ৪৮ টন, অকটেন ১ হাজার ৪২২ টন এবং পেট্রোল ১ হাজার ৫৪৭ টন ধরা হয়েছে। কোম্পানিভিত্তিক শেয়ারও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ থেকে বর্ধিত হারে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে।
বাজারের চাপ সামাল দিতে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রির সরবরাহ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আজ থেকে অকটেন ২০ শতাংশ এবং ডিজেল ও পেট্রোল ১০ শতাংশ বাড়তি সরবরাহ করা হবে।
বিপিসির জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে বিপিসির অধীন কোম্পানিগুলোকে বর্ধিত হারে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বর্তমান জ্বালানি তেলের ‘চাহিদা বিবেচনায়’ ডিলার ও ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিপিসির বণ্টন ও পরিবীক্ষণ অধিশাখা থেকে জারি করা এ আদেশে বলা হয়, ডিজেলের দৈনিক বরাদ্দ ১৩ হাজার ৪৮ টন, অকটেন ১ হাজার ৪২২ টন এবং পেট্রোল ১ হাজার ৫৪৭ টন ধরা হয়েছে। কোম্পানিভিত্তিক শেয়ারও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ থেকে বর্ধিত হারে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে।

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
দেশের কয়েকটি অঞ্চলে সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাত ১১টা ২০ মিনিট থেকে পরবর্তী সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকাতেও বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৭
নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। এর আগে, সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সঙ্গে আছেন। বগুড়ায় পৌঁছালে ডা. জুবাইদা রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার।
জানা গেছে, দিনব্যাপী এই সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ‘বগুড়া সিটি করপোরেশন’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ জেলাজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
এদিকে কর্মসূচি অনুসারে সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়ার সার্কিট হাউসে উপস্থিত হবেন তিনি। এরপর বেলা ১১টায় জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন, বেলা সোয়া ১১টায় জজ আদালতের ই-বেইল বন্ড উদ্বোধন, বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়া পৌরসভাকে নবসৃষ্ট বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন, দুপুর পৌনে ১২টায় বগুড়া শহর থেকে গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে যাত্রা, দুপুর পৌনে ১টায় বাগবাড়ীর জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে হামের টিকা ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করবেন।
এছাড়া বিকেল ৪টায় শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। জনসভা শেষে তিনি বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন ও বায়তুর রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।
দিনভর এসব কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে যাত্রাবিরতি করবেন তিনি।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
দেশের কয়েকটি অঞ্চলে সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাত ১১টা ২০ মিনিট থেকে পরবর্তী সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকাতেও বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। এর আগে, সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সঙ্গে আছেন। বগুড়ায় পৌঁছালে ডা. জুবাইদা রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার।
জানা গেছে, দিনব্যাপী এই সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ‘বগুড়া সিটি করপোরেশন’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ জেলাজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
এদিকে কর্মসূচি অনুসারে সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়ার সার্কিট হাউসে উপস্থিত হবেন তিনি। এরপর বেলা ১১টায় জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন, বেলা সোয়া ১১টায় জজ আদালতের ই-বেইল বন্ড উদ্বোধন, বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়া পৌরসভাকে নবসৃষ্ট বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন, দুপুর পৌনে ১২টায় বগুড়া শহর থেকে গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে যাত্রা, দুপুর পৌনে ১টায় বাগবাড়ীর জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে হামের টিকা ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করবেন।
এছাড়া বিকেল ৪টায় শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। জনসভা শেষে তিনি বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন ও বায়তুর রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।
দিনভর এসব কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে যাত্রাবিরতি করবেন তিনি।
অপরিশোধিত (ক্রুড) তেলের তীব্র সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার বিকেলে (১২ এপ্রিল) শেষবারের মতো উৎপাদন চালানোর পর কার্যক্রম স্থগিত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার জেরে সৃষ্ট অস্থিরতায় গত প্রায় দুই মাস ধরে দেশে ক্রুড তেল আমদানি কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ইআরএল সংশ্লিষ্টরা। তবে জ্বালানি বিভাগ বলছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
ডেডস্টক দিয়ে শেষ চেষ্টা
ইআরএল কর্মকর্তারা জানান, উৎপাদন সচল রাখতে সর্বশেষ পর্যায়ে মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন এবং ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা (ডেডস্টক) ক্রুড তেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এই ডেডস্টক সরাসরি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে ময়লা ও বর্জ্য জমে থাকে।
এক কর্মকর্তা বলেন, ডেডস্টকের তেলে থাকা বর্জ্য পাম্পে আটকে যেতে পারে, এতে যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। আরেক কর্মকর্তা জানান, ট্যাংকের তলানির ব্যবহারযোগ্য সীমা ১ দশমিক ৫ মিটার হলেও তা রোববার এক মিটারের নিচে নেমে আসে। ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি।
উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছিল আগেই
ইআরএল সাধারণত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে। তবে সংকট শুরুর পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে দৈনিক সাড়ে তিন হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য মজুত দুই হাজার টনের নিচে নেমে যায়।
আমদানি বন্ধের প্রভাব
দেশে সর্বশেষ ক্রুড তেলের চালান আসে ১৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে সৌদি আরবের রাস তানুরা ও আবুধাবি থেকে নির্ধারিত দুটি চালান বাতিল করতে হয়েছে। ফলে টানা ৫৪ দিন কোনো ক্রুড তেল দেশে আসেনি, যা ইআরএলের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিকল্প পথে নতুন চালান
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল চালানটি জাহাজীকরণের কথা রয়েছে। এই চালান পারস্য উপসাগর এড়িয়ে সরাসরি আরব সাগর হয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সীমিত সক্ষমতা, নির্ভরতা বেশি
ইআরএলে মূলত সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান লাইট’ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মারবান’ ক্রুড পরিশোধন করা যায়। অন্য ধরনের ক্রুড প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা নেই। এ কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সরকার মালয়েশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, তবে এর ব্যয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
মজুতেই ভরসা
বিপিসির তথ্যমতে, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড তেল, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। বাকি প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয় ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে।
মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭টি জাহাজে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আসে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই লাখ ৩১ হাজার টনের বেশি ডিজেল আমদানি করা হয়। এপ্রিলেও কয়েকটি চালান এসে পৌঁছেছে।
তাৎক্ষণিক সংকট নেই
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ হলেও আপাতত জ্বালানি সরবরাহে কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে না। কারণ, যুদ্ধ শুরুর পর বেশি দামে হলেও সরকার আগাম পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি বাড়িয়ে মজুত নিশ্চিত করেছে।
তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
অপরিশোধিত (ক্রুড) তেলের তীব্র সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার বিকেলে (১২ এপ্রিল) শেষবারের মতো উৎপাদন চালানোর পর কার্যক্রম স্থগিত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার জেরে সৃষ্ট অস্থিরতায় গত প্রায় দুই মাস ধরে দেশে ক্রুড তেল আমদানি কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ইআরএল সংশ্লিষ্টরা। তবে জ্বালানি বিভাগ বলছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
ডেডস্টক দিয়ে শেষ চেষ্টা
ইআরএল কর্মকর্তারা জানান, উৎপাদন সচল রাখতে সর্বশেষ পর্যায়ে মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন এবং ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা (ডেডস্টক) ক্রুড তেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এই ডেডস্টক সরাসরি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে ময়লা ও বর্জ্য জমে থাকে।
এক কর্মকর্তা বলেন, ডেডস্টকের তেলে থাকা বর্জ্য পাম্পে আটকে যেতে পারে, এতে যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। আরেক কর্মকর্তা জানান, ট্যাংকের তলানির ব্যবহারযোগ্য সীমা ১ দশমিক ৫ মিটার হলেও তা রোববার এক মিটারের নিচে নেমে আসে। ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি।
উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছিল আগেই
ইআরএল সাধারণত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে। তবে সংকট শুরুর পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে দৈনিক সাড়ে তিন হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য মজুত দুই হাজার টনের নিচে নেমে যায়।
আমদানি বন্ধের প্রভাব
দেশে সর্বশেষ ক্রুড তেলের চালান আসে ১৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে সৌদি আরবের রাস তানুরা ও আবুধাবি থেকে নির্ধারিত দুটি চালান বাতিল করতে হয়েছে। ফলে টানা ৫৪ দিন কোনো ক্রুড তেল দেশে আসেনি, যা ইআরএলের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিকল্প পথে নতুন চালান
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল চালানটি জাহাজীকরণের কথা রয়েছে। এই চালান পারস্য উপসাগর এড়িয়ে সরাসরি আরব সাগর হয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সীমিত সক্ষমতা, নির্ভরতা বেশি
ইআরএলে মূলত সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান লাইট’ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মারবান’ ক্রুড পরিশোধন করা যায়। অন্য ধরনের ক্রুড প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা নেই। এ কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সরকার মালয়েশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, তবে এর ব্যয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
মজুতেই ভরসা
বিপিসির তথ্যমতে, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড তেল, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। বাকি প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয় ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে।
মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭টি জাহাজে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আসে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই লাখ ৩১ হাজার টনের বেশি ডিজেল আমদানি করা হয়। এপ্রিলেও কয়েকটি চালান এসে পৌঁছেছে।
তাৎক্ষণিক সংকট নেই
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ হলেও আপাতত জ্বালানি সরবরাহে কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে না। কারণ, যুদ্ধ শুরুর পর বেশি দামে হলেও সরকার আগাম পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি বাড়িয়ে মজুত নিশ্চিত করেছে।
তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।