
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৭
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে মানহানির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল শনিবার দুপুরে কলেজ মোড়স্থ বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার।
তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন দলীয় কর্মকাণ্ডের সুবাদে তার বাসায় যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী ও শরীফ সুমনের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে আমার স্ত্রী নিশাত জাহান ছবির সাথে গভীর রাতে ও বিভিন্ন সময় সুমন শরীফের সাথে ফোনালাপ হতো।
যা পরিবারের আপন লোকজনের নিকট সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এভাবে সুমন শরীফের সাথে তার স্ত্রীর সাথে একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমন শরীফ তার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত এবং ৫/৭ দিন পর ফিরে আসতো।
এভাবে আমার স্ত্রী এক বছর পর্যন্ত স্বেচ্ছাচারী জীবন যাপন করে। যা আশেপাশের লোকজন জানে। সর্বশেষ রমজানের ৪/৫ দিন আগে আমি বাসায় না থাকায় আমার স্ত্রী, আমার ও আমার বোনের এন আই ডি কার্ড, আমার কৃষি ব্যাংকের চেক বহি, ব্যবহারের সোনা গহনা, কাপড় চোপড় ও নগদ তিন লাখ টাকা এমনকি সাংসারিক জিনিস পত্র নিয়া চলে যায়।
আমি বাসায় ফিরে তাকে না পেয়ে ফোন দিলে সে জানায় আমার সাথে সংসার করবে না । এ পরিস্থিতিতে আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শ করে ১৫ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ দায়ের করি। লিগ্যাল এইড অফিসের নোটিশে সে সাড়া না দেয়ায় আমি তাকে আমি ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাক দেই।
এদিকে সুমন শরীফ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চাঁদাবাজি ও সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বহিষ্কার হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
আমার স্ত্রী-কে ফুঁসলিয়ে এবং কুবুদ্ধি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিকট অসত্য মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে আমাকে রাজনৈতিকভাব হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। "
এ বিষয়ে শরীফ সুমন বলেন," আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।" নিশাত জাহান ছবি বলেন," আজ আমার ছেলেকে নিয়ে রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছি। আমার কষ্টের কথা সাংবাদিকদের বলেছি। "
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে মানহানির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল শনিবার দুপুরে কলেজ মোড়স্থ বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার।
তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন দলীয় কর্মকাণ্ডের সুবাদে তার বাসায় যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী ও শরীফ সুমনের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে আমার স্ত্রী নিশাত জাহান ছবির সাথে গভীর রাতে ও বিভিন্ন সময় সুমন শরীফের সাথে ফোনালাপ হতো।
যা পরিবারের আপন লোকজনের নিকট সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এভাবে সুমন শরীফের সাথে তার স্ত্রীর সাথে একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমন শরীফ তার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত এবং ৫/৭ দিন পর ফিরে আসতো।
এভাবে আমার স্ত্রী এক বছর পর্যন্ত স্বেচ্ছাচারী জীবন যাপন করে। যা আশেপাশের লোকজন জানে। সর্বশেষ রমজানের ৪/৫ দিন আগে আমি বাসায় না থাকায় আমার স্ত্রী, আমার ও আমার বোনের এন আই ডি কার্ড, আমার কৃষি ব্যাংকের চেক বহি, ব্যবহারের সোনা গহনা, কাপড় চোপড় ও নগদ তিন লাখ টাকা এমনকি সাংসারিক জিনিস পত্র নিয়া চলে যায়।
আমি বাসায় ফিরে তাকে না পেয়ে ফোন দিলে সে জানায় আমার সাথে সংসার করবে না । এ পরিস্থিতিতে আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শ করে ১৫ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ দায়ের করি। লিগ্যাল এইড অফিসের নোটিশে সে সাড়া না দেয়ায় আমি তাকে আমি ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাক দেই।
এদিকে সুমন শরীফ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চাঁদাবাজি ও সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বহিষ্কার হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
আমার স্ত্রী-কে ফুঁসলিয়ে এবং কুবুদ্ধি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিকট অসত্য মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে আমাকে রাজনৈতিকভাব হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। "
এ বিষয়ে শরীফ সুমন বলেন," আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।" নিশাত জাহান ছবি বলেন," আজ আমার ছেলেকে নিয়ে রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছি। আমার কষ্টের কথা সাংবাদিকদের বলেছি। "

২৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.