Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ জুলাই, ২০২৫ ২০:০১
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার ও সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় পুলিশ।
ডাকাত চারজন হলেন- নগরকান্দা উপজেলার শ্রীরাঙ্গাল গ্রামের আলিম শেখের ছেলে ও দ্য ন্যাশনাল ইসলামিক প্রি ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক মোক্তার হুসাইন ওরফে মোকা (৪৫), পূর্বসদরদী গ্রামের মান্নান শেখের ছেলে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি কিবরিয়া শেখ (৩৫), গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চরবাহাড়া গ্রামের মৃত সেকের শেখের ছেলে শহিদুল ওরফে শহিদ (৪৫) ও ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শ্রীনগর গ্রামের পরিতোষ রায়ের ছেলে পার্থ রায় (৪২)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামে দুই প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা করে ভুক্তভোগীরা। ডাকাতরা গৃহকর্তা ও নারীদের পাঁচজনকে কুপিয়ে আহত করেন। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মূল পরিকল্পনাকারী মোক্তার ও কিবরিয়াকে গ্রেপ্তার করে। মোক্তার স্কুল পরিচালনার অন্তরালে এবং কিবরিয়া ইলেকট্রিক মিস্ত্রির অন্তরালে ডাকাতি করে।
অন্যদিকে গত ৩০ মে উপজেলার আলগি ইউনিয়নের শাহামুল্লুকদী গ্রামে একই রাতে দুই বাড়িতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি করে। সেই মামলায় অপর আসামি শহিদুল ও পার্থ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এদের তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়।
ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ বলেন, পূর্ব সদরদী গ্রামে ক্যাডেট স্কুল পরিচালনাকারী মোক্তার ও ইলেকট্রিক মিস্ত্রি কিবরিয়া বিভিন্ন এলাকা থেকে ডাকাত দলকে হায়ার করে নিজেরাই ডাকাতি সংঘটিত করে।
তিনি আরও জানান, ডাকাতরা ভাঙ্গা অঞ্চলে প্রবেশের বিষয়টি গোপন সংবাদ পেয়েছিলাম। সেই আলোকে আমাদের পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। ডাকাতদল পাটক্ষেতে লুকিয়ে থাকার কারণে ধরতে পারিনি। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি। অন্য ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার ও সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় পুলিশ।
ডাকাত চারজন হলেন- নগরকান্দা উপজেলার শ্রীরাঙ্গাল গ্রামের আলিম শেখের ছেলে ও দ্য ন্যাশনাল ইসলামিক প্রি ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক মোক্তার হুসাইন ওরফে মোকা (৪৫), পূর্বসদরদী গ্রামের মান্নান শেখের ছেলে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি কিবরিয়া শেখ (৩৫), গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চরবাহাড়া গ্রামের মৃত সেকের শেখের ছেলে শহিদুল ওরফে শহিদ (৪৫) ও ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শ্রীনগর গ্রামের পরিতোষ রায়ের ছেলে পার্থ রায় (৪২)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামে দুই প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা করে ভুক্তভোগীরা। ডাকাতরা গৃহকর্তা ও নারীদের পাঁচজনকে কুপিয়ে আহত করেন। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মূল পরিকল্পনাকারী মোক্তার ও কিবরিয়াকে গ্রেপ্তার করে। মোক্তার স্কুল পরিচালনার অন্তরালে এবং কিবরিয়া ইলেকট্রিক মিস্ত্রির অন্তরালে ডাকাতি করে।
অন্যদিকে গত ৩০ মে উপজেলার আলগি ইউনিয়নের শাহামুল্লুকদী গ্রামে একই রাতে দুই বাড়িতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি করে। সেই মামলায় অপর আসামি শহিদুল ও পার্থ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এদের তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়।
ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ বলেন, পূর্ব সদরদী গ্রামে ক্যাডেট স্কুল পরিচালনাকারী মোক্তার ও ইলেকট্রিক মিস্ত্রি কিবরিয়া বিভিন্ন এলাকা থেকে ডাকাত দলকে হায়ার করে নিজেরাই ডাকাতি সংঘটিত করে।
তিনি আরও জানান, ডাকাতরা ভাঙ্গা অঞ্চলে প্রবেশের বিষয়টি গোপন সংবাদ পেয়েছিলাম। সেই আলোকে আমাদের পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। ডাকাতদল পাটক্ষেতে লুকিয়ে থাকার কারণে ধরতে পারিনি। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি। অন্য ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৭
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অননুমোদিতভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, জ্বালানি তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে মোতায়েন কার্যক্রম একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিট সদর থেকে দূরবর্তী স্থানে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নিরাপদ স্থানে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।
গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে ঢাকা জেলায় ১টি, কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি, রংপুর জেলায় ৩টি, রাজশাহী জেলায় ৩টি, সিলেট জেলায় ২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ৩টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১টি এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপোসহ সর্বমোট ৯টি জেলায় ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে।
মোতায়েনকৃত সদস্যরা অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্পে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিয়মিত তদারকি, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছে।
যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রয় প্রতিরোধ এবং নাশকতা প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দায়িত্বাধীন ডিপো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করছে।
সংশ্লিষ্ট ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে আস্থা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বিজিবি।
এছাড়াও, সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে অতিরিক্ত টহল পরিচালনা, নৌটহল জোরদার, চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী আইসিপি ও এলসিপিগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত ট্রাক-লরিসহ বিভিন্ন যানবাহনে নিয়মিতভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৯
পদ্মা সেতুর ওপর রেললাইনের (র্যাম) নাট চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেন চলছে ঝুঁকি নিয়ে। জানা গেছে, পদ্মা সেতুর রেল ব্রিজের ৩৭নং পিলারের কাছে ওপরে ওঠার একটি সিঁড়ি রয়েছে। একটু ওপরে উঠলে এটি লোহার গেট ও গ্রিল দিয়ে আটকানো রয়েছে। তাই ওপরে যাওয়ার আর সুযোগ নেই।
কিন্তু এরই মধ্যে রেললাইনের বেশ কিছু নাট খুলে নিয়েছে চোর। ড্রেনের ওপর তৈরি বেশ কিছু লোহার গ্রিল খুলে নিয়েছে তারা। এতে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলরত ট্রেনগুলো রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। যে কোনো সময় এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
পদ্মা সেতু রেললাইনের নিরাপত্তা কিম্যান ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে কোনো চুরি যেন না হতে পারে তা পাহারা দেওয়া। ঈদের আগে চুরির অভিযোগে আমরা দুই ব্যক্তিকে ধরে রেল পুলিশে হস্তান্তর করেছি। তবে ২৭ নম্বর বক্সপিলারের ভেতরে যাওয়ার আমাদের কোনো সুযোগ নেই। এটি তালাবন্ধ থাকে। আমাদের কাছে চাবি থাকে না। তাই এ বিষয়ে আমরা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো), ঢাকার মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে সেটি রিসিভ হয়নি।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০৩
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়ল এবার ব্যক্তিগত জীবনে। জ্বালানি তেল সংকটের কারণে গাড়ি ভাড়া করতে না পেরে অবশেষে ইজিবাইকেই বিয়ে করতে গেলেন এক তরুণ।
জানা গেছে, খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মধ্য বেতছড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. শাহিন আলমের বিয়ে ঠিক হয় জেলা সদরের গঞ্জপাড়ায়, যা তার বাড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে নির্ধারিত দিনে কোনো কার বা মাইক্রোবাস ভাড়া পাননি তিনি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে বিয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সময় শাহিন আলম জানান, বাধ্য হয়েই তিনি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক- স্থানীয়ভাবে ‘টমটম’ নামে পরিচিত- নিয়ে বরযাত্রা শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, ‘কয়েকজন স্বজন মোটরসাইকেলে যাচ্ছেন। কিন্তু তেলের সংকটের কারণে কোনো গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ইজিবাইকেই যেতে হচ্ছে। অটো গিয়ার থাকায় পাহাড়ি রাস্তায় চলতে সমস্যা হবে না।’
দীঘিনালার উঁচু-নিচু পাহাড়ি সড়কে সাধারণত ইজিবাইক চলাচল খুব একটা দেখা যায় না। তবুও নির্ধারিত সময়ে বিয়ে সম্পন্ন করতে প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন শাহিন।
স্থানীয়দের কাছে ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ হয়ে উঠেছে। তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যে এমন ভিন্নধর্মী বরযাত্রা এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
এদিকে, ঈদের ছুটি ঘিরে খাগড়াছড়ি সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় জ্বালানি সংকটকে অজুহাত করে গণপরিবহণে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকায় পরিবহন সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অননুমোদিতভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, জ্বালানি তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে মোতায়েন কার্যক্রম একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিট সদর থেকে দূরবর্তী স্থানে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নিরাপদ স্থানে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।
গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে ঢাকা জেলায় ১টি, কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি, রংপুর জেলায় ৩টি, রাজশাহী জেলায় ৩টি, সিলেট জেলায় ২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ৩টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১টি এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপোসহ সর্বমোট ৯টি জেলায় ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে।
মোতায়েনকৃত সদস্যরা অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্পে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিয়মিত তদারকি, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছে।
যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রয় প্রতিরোধ এবং নাশকতা প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দায়িত্বাধীন ডিপো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করছে।
সংশ্লিষ্ট ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে আস্থা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বিজিবি।
এছাড়াও, সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে অতিরিক্ত টহল পরিচালনা, নৌটহল জোরদার, চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী আইসিপি ও এলসিপিগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত ট্রাক-লরিসহ বিভিন্ন যানবাহনে নিয়মিতভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে।
পদ্মা সেতুর ওপর রেললাইনের (র্যাম) নাট চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেন চলছে ঝুঁকি নিয়ে। জানা গেছে, পদ্মা সেতুর রেল ব্রিজের ৩৭নং পিলারের কাছে ওপরে ওঠার একটি সিঁড়ি রয়েছে। একটু ওপরে উঠলে এটি লোহার গেট ও গ্রিল দিয়ে আটকানো রয়েছে। তাই ওপরে যাওয়ার আর সুযোগ নেই।
কিন্তু এরই মধ্যে রেললাইনের বেশ কিছু নাট খুলে নিয়েছে চোর। ড্রেনের ওপর তৈরি বেশ কিছু লোহার গ্রিল খুলে নিয়েছে তারা। এতে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলরত ট্রেনগুলো রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। যে কোনো সময় এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
পদ্মা সেতু রেললাইনের নিরাপত্তা কিম্যান ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে কোনো চুরি যেন না হতে পারে তা পাহারা দেওয়া। ঈদের আগে চুরির অভিযোগে আমরা দুই ব্যক্তিকে ধরে রেল পুলিশে হস্তান্তর করেছি। তবে ২৭ নম্বর বক্সপিলারের ভেতরে যাওয়ার আমাদের কোনো সুযোগ নেই। এটি তালাবন্ধ থাকে। আমাদের কাছে চাবি থাকে না। তাই এ বিষয়ে আমরা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো), ঢাকার মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে সেটি রিসিভ হয়নি।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়ল এবার ব্যক্তিগত জীবনে। জ্বালানি তেল সংকটের কারণে গাড়ি ভাড়া করতে না পেরে অবশেষে ইজিবাইকেই বিয়ে করতে গেলেন এক তরুণ।
জানা গেছে, খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মধ্য বেতছড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. শাহিন আলমের বিয়ে ঠিক হয় জেলা সদরের গঞ্জপাড়ায়, যা তার বাড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে নির্ধারিত দিনে কোনো কার বা মাইক্রোবাস ভাড়া পাননি তিনি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে বিয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সময় শাহিন আলম জানান, বাধ্য হয়েই তিনি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক- স্থানীয়ভাবে ‘টমটম’ নামে পরিচিত- নিয়ে বরযাত্রা শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, ‘কয়েকজন স্বজন মোটরসাইকেলে যাচ্ছেন। কিন্তু তেলের সংকটের কারণে কোনো গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ইজিবাইকেই যেতে হচ্ছে। অটো গিয়ার থাকায় পাহাড়ি রাস্তায় চলতে সমস্যা হবে না।’
দীঘিনালার উঁচু-নিচু পাহাড়ি সড়কে সাধারণত ইজিবাইক চলাচল খুব একটা দেখা যায় না। তবুও নির্ধারিত সময়ে বিয়ে সম্পন্ন করতে প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন শাহিন।
স্থানীয়দের কাছে ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ হয়ে উঠেছে। তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যে এমন ভিন্নধর্মী বরযাত্রা এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
এদিকে, ঈদের ছুটি ঘিরে খাগড়াছড়ি সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় জ্বালানি সংকটকে অজুহাত করে গণপরিবহণে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকায় পরিবহন সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।