বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর জোটের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির শায়খ চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম স্ত্রীর ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকার রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। এর পাশাপাশি তার স্ত্রীর ৭ লাখ ২০ হাজার নগদ টাকা ও বিভিন্ন খাতে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে।
হলফনামায় ফয়জুল করিম নিজের পেশা হিসেবে শিক্ষকতা ও দাওয়াত উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তার স্ত্রীর পেশা গৃহিণী ও ব্যবসা বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ফয়জুল করিম অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে হাতে নগদ ৩১ লাখ ১২ হাজার ৪৭ টাকা থাকলেও তার ব্যাংকে জমা রয়েছে মাত্র ১ হাজার ১৭৬ টাকা। পাশাপাশি তার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই দেখিয়েছেন। স্ত্রীর ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় দেখা গেছে, ফয়জুল করিমের নামে ৩টি মামলা ছিল। এছাড়া আয়ের উৎস হিসেবে দেশের ভেতরে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২২ হাজার টাকা। মাহফিল থেকে বছরে ৪ লাখ টাকা ও শিক্ষকতা পেশা থেকে বছরে ৭ লাখ ৬ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন।
এছাড়াও আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে তিনি ২২ বোরোর ১টি রাইফেল ও উত্তরাধিকার সূত্রে ১ হাজার ৬০ শতাংশ কৃষি জমি ও ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অকৃষি জমি দেখিয়েছেন। অস্থাবর এসব সম্পত্তির মূল্য তিনি ৩৩ লাখ ১৩ হাজার ২২৩ টাকা দেখিয়েছেন।
শায়খ চরমোনাই হলফনামায় স্থাবর সম্পদ হিসেবে দেখিয়েছেন, তার ২ হাজার ৪৩৬ শতাংশ কৃষি জমি রয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ১ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৬০ টাকা। অকৃষি জমি দেখিয়েছেন ২ দশমিক ৪০ শতাংশ। যার মূল্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১৪৮ টাকা। পাশাপাশি তার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমির পরিমাণ ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।
এর পাশাপাশি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া বাণিজ্যিক ভবন (দোকান) দেখিয়েছেন ৬৬১ বর্গফুট ও অ্যাপার্টমেন্ট (ফ্লাট) দেখিয়েছেন ২ হাজার ১৩ বর্গফুটের। এসব সম্পত্তির মূল্য অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ১ কোটি ৫ লাখ ৬ হাজার ৭০৮ টাকা হলেও বর্তমান মূল্য ৩ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার ১২৪ টাকা।
ফয়জুল করিম ২০২৫-২৬ সালে তার আয়ের পরিমাণ ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা ও সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৬৪ লাখ ৯ হাজার ৯৩১ টাকা দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৭৫ টাকা। পাশাপাশি তার স্ত্রীর ২০২৫-২৬ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ টাকা ও সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ৬০ হাজার ২০০ টাকা দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ১৫ হাজার টাকা।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১১
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৩৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৯
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৮
বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর জোটের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির শায়খ চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম স্ত্রীর ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকার রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। এর পাশাপাশি তার স্ত্রীর ৭ লাখ ২০ হাজার নগদ টাকা ও বিভিন্ন খাতে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে।
হলফনামায় ফয়জুল করিম নিজের পেশা হিসেবে শিক্ষকতা ও দাওয়াত উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তার স্ত্রীর পেশা গৃহিণী ও ব্যবসা বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ফয়জুল করিম অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে হাতে নগদ ৩১ লাখ ১২ হাজার ৪৭ টাকা থাকলেও তার ব্যাংকে জমা রয়েছে মাত্র ১ হাজার ১৭৬ টাকা। পাশাপাশি তার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই দেখিয়েছেন। স্ত্রীর ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় দেখা গেছে, ফয়জুল করিমের নামে ৩টি মামলা ছিল। এছাড়া আয়ের উৎস হিসেবে দেশের ভেতরে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২২ হাজার টাকা। মাহফিল থেকে বছরে ৪ লাখ টাকা ও শিক্ষকতা পেশা থেকে বছরে ৭ লাখ ৬ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন।
এছাড়াও আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে তিনি ২২ বোরোর ১টি রাইফেল ও উত্তরাধিকার সূত্রে ১ হাজার ৬০ শতাংশ কৃষি জমি ও ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অকৃষি জমি দেখিয়েছেন। অস্থাবর এসব সম্পত্তির মূল্য তিনি ৩৩ লাখ ১৩ হাজার ২২৩ টাকা দেখিয়েছেন।
শায়খ চরমোনাই হলফনামায় স্থাবর সম্পদ হিসেবে দেখিয়েছেন, তার ২ হাজার ৪৩৬ শতাংশ কৃষি জমি রয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ১ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৬০ টাকা। অকৃষি জমি দেখিয়েছেন ২ দশমিক ৪০ শতাংশ। যার মূল্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১৪৮ টাকা। পাশাপাশি তার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমির পরিমাণ ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।
এর পাশাপাশি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া বাণিজ্যিক ভবন (দোকান) দেখিয়েছেন ৬৬১ বর্গফুট ও অ্যাপার্টমেন্ট (ফ্লাট) দেখিয়েছেন ২ হাজার ১৩ বর্গফুটের। এসব সম্পত্তির মূল্য অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ১ কোটি ৫ লাখ ৬ হাজার ৭০৮ টাকা হলেও বর্তমান মূল্য ৩ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার ১২৪ টাকা।
ফয়জুল করিম ২০২৫-২৬ সালে তার আয়ের পরিমাণ ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা ও সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৬৪ লাখ ৯ হাজার ৯৩১ টাকা দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৭৫ টাকা। পাশাপাশি তার স্ত্রীর ২০২৫-২৬ সালে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ টাকা ও সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ৬০ হাজার ২০০ টাকা দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ১৫ হাজার টাকা।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০