
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৫৮
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও একটি ৮ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সাথে ভেসে আসা ডলফিনটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে গেছে। দড়ি দিয়ে লেজ বাঁধা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয় উপরা সদস্য আব্দুল জলিল প্রথম ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের উপরা যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, বারবার মৃত্যু ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা প্রমাণ করে যে আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশ হুমকির মুখে। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ ও নৌযানের অসচেতন চলাচল এর জন্য দায়ী হতে পারে।
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ডলফিনটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে তা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও একটি ৮ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সাথে ভেসে আসা ডলফিনটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে গেছে। দড়ি দিয়ে লেজ বাঁধা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয় উপরা সদস্য আব্দুল জলিল প্রথম ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের উপরা যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, বারবার মৃত্যু ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা প্রমাণ করে যে আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশ হুমকির মুখে। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ ও নৌযানের অসচেতন চলাচল এর জন্য দায়ী হতে পারে।
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ডলফিনটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে তা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৪
সারাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়লেও পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে দেখা মিলেছে স্বস্তির চিত্র। সরকারি উদ্যোগে ডিজেল সরবরাহ পাওয়ায় আবারও গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করেছে উপকূলের জেলেরা।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য বন্দর হিসেবে পরিচিত এই বন্দরের অধিকাংশ মানুষ জেলে পেশার ওপর নির্ভরশীল। তবে গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি সংকটের কারণে সমুদ্রগামী ট্রলার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো জেলে ও সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষ।
জেলেদের এই সংকট বিবেচনায় নিয়ে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের মাঝে সরকারি মূল্যে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক এ কার্যক্রম তদারকি করেন।
সরকারি এই সহায়তা পাওয়ার পর রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বন্দর থেকে শত শত ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে পুরো মৎস্য বন্দরে।
জেলে মো. মিজান মাঝি বলেন, কয়েকদিন ধরে তেলের অভাবে ট্রলার নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি দামে তেল পেয়ে আমরা আবার সমুদ্রে যেতে পারছি, এতে অনেক স্বস্তি লাগছে।
আরেক জেলে রবিউল মাঝি বলেন, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে কিছুদিন মাছ ধরতে পারলে পরিবার নিয়ে একটু স্বস্তিতে থাকতে পারব।
ট্রলার মাঝি আলমগীর হোসেন বলেন, বাজারে তেলের দাম বেশি হওয়ায় সমুদ্রে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। সরকারি মূল্যে তেল পাওয়ায় এখন অন্তত কয়েকটা ট্রিপ দিতে পারব। এটা আমাদের জন্য বড় সহায়তা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে জেলেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সীমিত পরিসরে সরকারি মূল্যে ডিজেল সরবরাহ করেছি। সামনে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এর আগে তারা যেন কিছুটা স্বস্তিতে মাছ ধরতে পারে—সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী জেলেদের সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ শিকার নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে সরকারি সহায়তায় সমুদ্রে যেতে পেরে খুশি উপকূলের জেলেরা।
সারাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়লেও পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে দেখা মিলেছে স্বস্তির চিত্র। সরকারি উদ্যোগে ডিজেল সরবরাহ পাওয়ায় আবারও গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করেছে উপকূলের জেলেরা।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য বন্দর হিসেবে পরিচিত এই বন্দরের অধিকাংশ মানুষ জেলে পেশার ওপর নির্ভরশীল। তবে গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি সংকটের কারণে সমুদ্রগামী ট্রলার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো জেলে ও সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষ।
জেলেদের এই সংকট বিবেচনায় নিয়ে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের মাঝে সরকারি মূল্যে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক এ কার্যক্রম তদারকি করেন।
সরকারি এই সহায়তা পাওয়ার পর রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বন্দর থেকে শত শত ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে পুরো মৎস্য বন্দরে।
জেলে মো. মিজান মাঝি বলেন, কয়েকদিন ধরে তেলের অভাবে ট্রলার নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি দামে তেল পেয়ে আমরা আবার সমুদ্রে যেতে পারছি, এতে অনেক স্বস্তি লাগছে।
আরেক জেলে রবিউল মাঝি বলেন, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে কিছুদিন মাছ ধরতে পারলে পরিবার নিয়ে একটু স্বস্তিতে থাকতে পারব।
ট্রলার মাঝি আলমগীর হোসেন বলেন, বাজারে তেলের দাম বেশি হওয়ায় সমুদ্রে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। সরকারি মূল্যে তেল পাওয়ায় এখন অন্তত কয়েকটা ট্রিপ দিতে পারব। এটা আমাদের জন্য বড় সহায়তা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে জেলেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সীমিত পরিসরে সরকারি মূল্যে ডিজেল সরবরাহ করেছি। সামনে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এর আগে তারা যেন কিছুটা স্বস্তিতে মাছ ধরতে পারে—সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী জেলেদের সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ শিকার নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে সরকারি সহায়তায় সমুদ্রে যেতে পেরে খুশি উপকূলের জেলেরা।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
পটুয়াখালীর মহিপুরে অভিযান চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী সহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে মহিপুর থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃতরা হলেন- মহিপুর থানার বিপিনপুর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের মৃত হাসেম হাওলাদারের দুই ছেলে মো. রফিক হাওলাদার ও মো. কুদ্দুস হাওলাদার। এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে মৃত আলম গাজীর ছেলে মো. শাহ আলম ও তার বোন মোসা. শারমিন বেগমকে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় মামলা একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ) ধারায় রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো মূল্যে মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে অভিযান চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী সহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে মহিপুর থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃতরা হলেন- মহিপুর থানার বিপিনপুর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের মৃত হাসেম হাওলাদারের দুই ছেলে মো. রফিক হাওলাদার ও মো. কুদ্দুস হাওলাদার। এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে মৃত আলম গাজীর ছেলে মো. শাহ আলম ও তার বোন মোসা. শারমিন বেগমকে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় মামলা একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ) ধারায় রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো মূল্যে মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৭
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫০
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৭