বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে লাইসেন্সবিহীন সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতির জমজমাট ব্যবসা।হাতে গোনা দু,একটি সমিতির উপজেলা সমবায় অফিস থেকে লাইসেন্স থাকলেও অধিকাংশ সমিতিরই লাইসেন্স, নিবন্ধন, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর কিছুই নেই।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন সহ পৌরসভার পাড়া মহল্লায় নামে বেনামে সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতির সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত সুদ ও দাদন ব্যবসায় জড়িত হচ্ছে। এই সব সমিতির গলাকাটা সুদের খপ্পরে নিঃস্ব হওয়ার পথে অনেক দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত,পরিবার।
এসব সমিতির আর্থিক লেনদেনের পাস বইয়ের পাতায় সমবায় সমিতির নীতি আদর্শ লেখা থাকলেও এরা মুলত সরাসরি সুদের ব্যবসার সাথে জড়িত এক একটি চক্র।দৈনিক সঞ্চয় , মাসিক ডিপি এস,স্হায়ী আমানত সংগ্রহের আড়াল সুদের ব্যবসা এসব প্রতিষ্ঠানের মুল লক্ষ্য।
সুদের টাকা লেনদেন ও আদায়ের জন্য এসব সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতির মাঠ পর্যায়ে রয়েছে কর্মী ।এসব কর্মীরা দৈনিক ঋনের কিস্তি আদায়ের পাশাপাশি মাসিক, সাপ্তাহিক হারে সুদে দেওয়া টাকা উত্তোলন করে।
শতকরা ১০ টাকা সুদে এসব প্রতিষ্ঠান দরিদ্র, মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে ঋন দিয়া থাকে। ঋনের জামানত হিসাবে অলিখিত সাদা স্ট্যাম্প,রেফ, এবং স্বাক্ষর যুক্ত অলিখিত চেকের পাতা নিয়ে থাকে।
যার ফলে অলিখিত সাদা চেকের কারনে সুদ কারবারির ভুয়া, মিথ্যা মামলার শিকার হচ্ছেন অনেক নিরীহ মানুষ। গলাকাটা এসব সুদ ব্যবসায়ীর থাপ্পরে পড়ে অনেক পরিবার ইতিমধ্যে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় এসব অনিবন্ধিত সমিতির সুদ কারবারীদের চক্রবৃদ্ধি সুদের খাঁচা থেকে সহজে কেউ বের হতে পারছে না।
শতকরা ১০ টাকা হারে সুদে কেউ যদি সুদী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে তবে প্রতি মাসে তাকে এক হাজার টাকা দিতে হয়। যদি কোন কারনে তিনি সেই মাসের টাকা দিতে না পারে তবে তার সুদ আসল মিলে ১১০০০( এগার) হাজার টাকা হয়ে যায়। এভাবে টাকার অংক নিয়মিত বেড়ে যাওয়ার ফলে এক সময় সুদ গৃহীতার ভিটে মাটি সম্বল হারানোর উপক্রম হয়ে যায়।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল সহ খোদ পৌরসভার ভিতরে রয়েছে একাধিক সুদি ব্যবসায়ীদের কারবার। তাই সুশীল সমাজের দাবি এসব মহাজনদের প্রশাসনিক ভাবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা।
কেননা স্থানীয় কৃষি পন্য উৎপাদনেও এই সুূদ কারবারি চক্রের দাদন ব্যবসা বিরুপ প্রভাব ফেলেছে। দেখা যায় অনেক কৃষক ফসল ফলানোর সময় চাষবাসের জন্য বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কেনার তাগিদে এ সব সুদ কারবারীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে থাকে। যা তাদের উৎপাদিত ফসলের মূল্যের দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে ফসল বিক্রির টাকায় দেনা পরিশোধ করতে না পারায় কৃষি কাজ ছেড়ে শহরে পাড়ি জমায়।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২০:১৬
বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে লাইসেন্সবিহীন সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতির জমজমাট ব্যবসা।হাতে গোনা দু,একটি সমিতির উপজেলা সমবায় অফিস থেকে লাইসেন্স থাকলেও অধিকাংশ সমিতিরই লাইসেন্স, নিবন্ধন, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর কিছুই নেই।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন সহ পৌরসভার পাড়া মহল্লায় নামে বেনামে সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতির সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত সুদ ও দাদন ব্যবসায় জড়িত হচ্ছে। এই সব সমিতির গলাকাটা সুদের খপ্পরে নিঃস্ব হওয়ার পথে অনেক দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত,পরিবার।
এসব সমিতির আর্থিক লেনদেনের পাস বইয়ের পাতায় সমবায় সমিতির নীতি আদর্শ লেখা থাকলেও এরা মুলত সরাসরি সুদের ব্যবসার সাথে জড়িত এক একটি চক্র।দৈনিক সঞ্চয় , মাসিক ডিপি এস,স্হায়ী আমানত সংগ্রহের আড়াল সুদের ব্যবসা এসব প্রতিষ্ঠানের মুল লক্ষ্য।
সুদের টাকা লেনদেন ও আদায়ের জন্য এসব সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতির মাঠ পর্যায়ে রয়েছে কর্মী ।এসব কর্মীরা দৈনিক ঋনের কিস্তি আদায়ের পাশাপাশি মাসিক, সাপ্তাহিক হারে সুদে দেওয়া টাকা উত্তোলন করে।
শতকরা ১০ টাকা সুদে এসব প্রতিষ্ঠান দরিদ্র, মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে ঋন দিয়া থাকে। ঋনের জামানত হিসাবে অলিখিত সাদা স্ট্যাম্প,রেফ, এবং স্বাক্ষর যুক্ত অলিখিত চেকের পাতা নিয়ে থাকে।
যার ফলে অলিখিত সাদা চেকের কারনে সুদ কারবারির ভুয়া, মিথ্যা মামলার শিকার হচ্ছেন অনেক নিরীহ মানুষ। গলাকাটা এসব সুদ ব্যবসায়ীর থাপ্পরে পড়ে অনেক পরিবার ইতিমধ্যে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় এসব অনিবন্ধিত সমিতির সুদ কারবারীদের চক্রবৃদ্ধি সুদের খাঁচা থেকে সহজে কেউ বের হতে পারছে না।
শতকরা ১০ টাকা হারে সুদে কেউ যদি সুদী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে তবে প্রতি মাসে তাকে এক হাজার টাকা দিতে হয়। যদি কোন কারনে তিনি সেই মাসের টাকা দিতে না পারে তবে তার সুদ আসল মিলে ১১০০০( এগার) হাজার টাকা হয়ে যায়। এভাবে টাকার অংক নিয়মিত বেড়ে যাওয়ার ফলে এক সময় সুদ গৃহীতার ভিটে মাটি সম্বল হারানোর উপক্রম হয়ে যায়।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল সহ খোদ পৌরসভার ভিতরে রয়েছে একাধিক সুদি ব্যবসায়ীদের কারবার। তাই সুশীল সমাজের দাবি এসব মহাজনদের প্রশাসনিক ভাবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা।
কেননা স্থানীয় কৃষি পন্য উৎপাদনেও এই সুূদ কারবারি চক্রের দাদন ব্যবসা বিরুপ প্রভাব ফেলেছে। দেখা যায় অনেক কৃষক ফসল ফলানোর সময় চাষবাসের জন্য বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কেনার তাগিদে এ সব সুদ কারবারীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে থাকে। যা তাদের উৎপাদিত ফসলের মূল্যের দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে ফসল বিক্রির টাকায় দেনা পরিশোধ করতে না পারায় কৃষি কাজ ছেড়ে শহরে পাড়ি জমায়।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪