
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি জয় পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোট গ্রহণের পর, গণনা শেষে রাতে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসন থেকে মোট ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ২৯১ ভোট পয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ ভোট। এতে মোট ৪ হাজার ১৪৬ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ।
অপর দিকে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও তালতলী) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি ভোট পয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫ ভোট। এতে ৬ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি জয় পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোট গ্রহণের পর, গণনা শেষে রাতে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসন থেকে মোট ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ২৯১ ভোট পয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ ভোট। এতে মোট ৪ হাজার ১৪৬ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ।
অপর দিকে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও তালতলী) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি ভোট পয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫ ভোট। এতে ৬ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:৫৫
বরগুনা পৌরসভার একটি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের আগের রাতে রেজাল্ট শিটে প্রার্থীর এজেন্টদের স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে। এসময় বিষয়টি বুঝতে পেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর এজেন্টরা প্রতিবাদ জানালে তাৎক্ষণিকভাবে রেজাল্ট শিটটি ছিঁড়ে ফেলেন ওই কর্মকর্তা।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসার হলেন গুদিঘাটা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর এজেন্টরা অভিযোগ করে বলেন, অনেকগুলো কাগজে স্বাক্ষর করতে হবে বলে প্রিজাইডিং অফিসার আমাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেন। কিন্তু পরে আমরা বুঝতে পারি, সেটি ছিল রেজাল্ট শিট। বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে কাগজটি ছিঁড়ে ফেলেন। আমরা এ ঘটনায় নির্বাচনকে প্রভাবিত করার আশঙ্কা করছি। দ্রুত তার অপসারণ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।
তারা আরো বলেন, ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পরে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মাদ সিফাত বিন সাদেক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
অভিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসার মাওলানা ইলিয়াস বলেন, আমি কাজ এগিয়ে রাখতে স্বাক্ষর নিয়েছিলাম।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৫
বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনি আহত হয়েছেন।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসার সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম সরোয়ার হিরু দুপুরের খাবার খেয়ে বাসা থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হলে বাসার সামনেই ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়।
হামলার সময় লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল উপস্থিত হলে তারা তাকে উদ্ধার করে বাসায় পৌঁছে দেয়। দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত গোলাম সরোয়ার হিরু বলেন, ‘পাথরঘাটা বাজারে যাওয়ার সময় তিন-চারজন দুর্বৃত্ত এসে আমাকে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করে। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়েছি। নিরাপত্তার স্বার্থে বাসায় চিকিৎসক এনে চিকিৎসা নিচ্ছি।’
এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
এদিকে, পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সজিবসহ একাধিক নেতাকর্মী দাবি করেন, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং রয়েছে এবং নিজেদের দ্বন্দ্ব আড়াল করতে বিএনপির ওপর দোষ চাপানো হতে পারে।
অন্যদিকে, পাথরঘাটা কে.এম. মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় দলের একাধিক নেতাকর্মী গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, গোলাম সরোয়ার হিরু বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ১৯৯৬ সালে ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২০১৩ সালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের সৃষ্টি করেন। দল পরিবর্তন ও নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর রাজনৈতিক জীবন বরাবরই আলোচিত।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০১
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ইসলামের পতাকা উড়লে তা দক্ষিণাঞ্চলের সাগরপাড় থেকেই প্রথম উড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের কোথাও যদি হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী নাও হয়, বরগুনা-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার আমতলী পৌরসভা ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠনের আশায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, কেউ সোনার বাংলা, কেউ সবুজ বা ডিজিটাল বাংলার কথা বলে। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতিরিক্ত আশ্বাস না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বিজয়ী হলে আল্লাহর রহমতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো কোনো পথ বেছে নেওয়া যাবে না।
তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সভ্য মানুষ। আমাদের বিরক্ত করবেন না, ভালো থাকতে দেন, আপনারাও ভালো থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী হলে বরগুনাকে দেশের একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরগুনা পৌরসভার একটি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের আগের রাতে রেজাল্ট শিটে প্রার্থীর এজেন্টদের স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে। এসময় বিষয়টি বুঝতে পেরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর এজেন্টরা প্রতিবাদ জানালে তাৎক্ষণিকভাবে রেজাল্ট শিটটি ছিঁড়ে ফেলেন ওই কর্মকর্তা।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের কড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসার হলেন গুদিঘাটা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর এজেন্টরা অভিযোগ করে বলেন, অনেকগুলো কাগজে স্বাক্ষর করতে হবে বলে প্রিজাইডিং অফিসার আমাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেন। কিন্তু পরে আমরা বুঝতে পারি, সেটি ছিল রেজাল্ট শিট। বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে কাগজটি ছিঁড়ে ফেলেন। আমরা এ ঘটনায় নির্বাচনকে প্রভাবিত করার আশঙ্কা করছি। দ্রুত তার অপসারণ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।
তারা আরো বলেন, ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পরে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মাদ সিফাত বিন সাদেক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
অভিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসার মাওলানা ইলিয়াস বলেন, আমি কাজ এগিয়ে রাখতে স্বাক্ষর নিয়েছিলাম।
বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনি আহত হয়েছেন।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসার সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম সরোয়ার হিরু দুপুরের খাবার খেয়ে বাসা থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হলে বাসার সামনেই ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়।
হামলার সময় লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল উপস্থিত হলে তারা তাকে উদ্ধার করে বাসায় পৌঁছে দেয়। দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত গোলাম সরোয়ার হিরু বলেন, ‘পাথরঘাটা বাজারে যাওয়ার সময় তিন-চারজন দুর্বৃত্ত এসে আমাকে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করে। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়েছি। নিরাপত্তার স্বার্থে বাসায় চিকিৎসক এনে চিকিৎসা নিচ্ছি।’
এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
এদিকে, পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সজিবসহ একাধিক নেতাকর্মী দাবি করেন, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং রয়েছে এবং নিজেদের দ্বন্দ্ব আড়াল করতে বিএনপির ওপর দোষ চাপানো হতে পারে।
অন্যদিকে, পাথরঘাটা কে.এম. মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় দলের একাধিক নেতাকর্মী গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, গোলাম সরোয়ার হিরু বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ১৯৯৬ সালে ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২০১৩ সালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের সৃষ্টি করেন। দল পরিবর্তন ও নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর রাজনৈতিক জীবন বরাবরই আলোচিত।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ইসলামের পতাকা উড়লে তা দক্ষিণাঞ্চলের সাগরপাড় থেকেই প্রথম উড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের কোথাও যদি হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী নাও হয়, বরগুনা-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার আমতলী পৌরসভা ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠনের আশায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, কেউ সোনার বাংলা, কেউ সবুজ বা ডিজিটাল বাংলার কথা বলে। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতিরিক্ত আশ্বাস না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বিজয়ী হলে আল্লাহর রহমতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো কোনো পথ বেছে নেওয়া যাবে না।
তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সভ্য মানুষ। আমাদের বিরক্ত করবেন না, ভালো থাকতে দেন, আপনারাও ভালো থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী হলে বরগুনাকে দেশের একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।