জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশবাসীর প্রত্যাশা প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, আমরা ভেবেছিলাম দেশে সংস্কার হবে, দুর্নীতি রোধ হবে। কিন্তু এক শ্রেণির ক্ষমতালোভীরা দেশ সংস্কারের পরিবর্তে আবার ক্ষমতার অলিতে-গলিতে ছুটছে। তারা শুধু পাগল নয়-ডাবল পাগল।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রংপুর নগরীর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে আন্দোলনরত জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল করিম বলেন, ক্ষমতা প্রেমিকরা বারবার ক্ষমতায় গেছে। কিন্তু জাতিকে তারা কী দিয়েছে? দিয়েছে শুধু পুরান বউ, নতুন শাড়ির মতো উপহার-ধোঁকা ছাড়া আর কিছু নয়। নতুন শাড়িতে পুরান বউ উপহার দিয়ে আর মানুষকে প্রতারিত করা যাবে না। ধোঁকা দেওয়ার দিন শেষ।
চরমোনাই পীর বলেন, হাজার হাজার ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে কেবল ক্ষমতা বদলের জন্য নয়। তারা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে সেই শক্তিকে উৎখাত করতে, যারা বিদেশি প্রভুত্বের কাছে জাতিকে জিম্মি করে রেখেছিল। কিন্তু আজও যদি কেউ মনে করে ওয়ান-টু করে আবার ক্ষমতায় যাবে-তাহলে জানিয়ে দিচ্ছি, সেই দিন আর নেই।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন অপেক্ষা করছে কবে নির্বাচনের বাক্স আসবে। ইসলামের পক্ষে ও মানবতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া জনগণ ভোট বাক্স ভরে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। জনগণ এবার অন্যায়, দুঃশাসন আর কালো টাকার রাজনীতিকে ‘না’ বলবে।
চরমোনাই পীর উদাহরণ টেনে বলেন, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে দেশকে ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। তার সেই ত্যাগ কোনো চাঁদাবাজ-কালো টাকাওয়ালাদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়। ক্ষমতালোভীদের বলছি-ক্ষমতা দেখিয়ে, দাপট দেখিয়ে বা টাকার বুলি ঝরিয়ে আর ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। জনগণ এবার তাদের দেশ থেকে উৎখাত করবে, ইনশাআল্লাহ।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যের পাশাপাশি বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম।
এর আগে সমাবেশে বক্তব্য দেন রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল হুদা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগর সেক্রেটারি আমিরুজ্জামান পিয়াল, জামায়াতে ইসলামীর নগর আমির এটিএম আজম খান ও জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৭
কক্সবাজারের টেকনাফে শাহপরী দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তবে অভিযানের সময় নৌকায় থাকা মাদক পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
কোস্ট গার্ড জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহপরী দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী।
অভিযানের সময় নদীতে একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা দেখতে পেয়ে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়।
পরে সন্দেহজনক নৌকাটির গতিপথ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান কোস্ট গার্ড সদস্যরা। একপর্যায়ে নদীতে ভাসমান একটি ব্যাগের সন্ধান পাওয়া যায়।
ব্যাগটি উদ্ধার করে তল্লাশি চালালে এর ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দ করা মাদকের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কক্সবাজারের টেকনাফে শাহপরী দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তবে অভিযানের সময় নৌকায় থাকা মাদক পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
কোস্ট গার্ড জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহপরী দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী।
অভিযানের সময় নদীতে একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা দেখতে পেয়ে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়।
পরে সন্দেহজনক নৌকাটির গতিপথ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান কোস্ট গার্ড সদস্যরা। একপর্যায়ে নদীতে ভাসমান একটি ব্যাগের সন্ধান পাওয়া যায়।
ব্যাগটি উদ্ধার করে তল্লাশি চালালে এর ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দ করা মাদকের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২৮
জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশবাসীর প্রত্যাশা প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, আমরা ভেবেছিলাম দেশে সংস্কার হবে, দুর্নীতি রোধ হবে। কিন্তু এক শ্রেণির ক্ষমতালোভীরা দেশ সংস্কারের পরিবর্তে আবার ক্ষমতার অলিতে-গলিতে ছুটছে। তারা শুধু পাগল নয়-ডাবল পাগল।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রংপুর নগরীর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে আন্দোলনরত জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল করিম বলেন, ক্ষমতা প্রেমিকরা বারবার ক্ষমতায় গেছে। কিন্তু জাতিকে তারা কী দিয়েছে? দিয়েছে শুধু পুরান বউ, নতুন শাড়ির মতো উপহার-ধোঁকা ছাড়া আর কিছু নয়। নতুন শাড়িতে পুরান বউ উপহার দিয়ে আর মানুষকে প্রতারিত করা যাবে না। ধোঁকা দেওয়ার দিন শেষ।
চরমোনাই পীর বলেন, হাজার হাজার ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে কেবল ক্ষমতা বদলের জন্য নয়। তারা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে সেই শক্তিকে উৎখাত করতে, যারা বিদেশি প্রভুত্বের কাছে জাতিকে জিম্মি করে রেখেছিল। কিন্তু আজও যদি কেউ মনে করে ওয়ান-টু করে আবার ক্ষমতায় যাবে-তাহলে জানিয়ে দিচ্ছি, সেই দিন আর নেই।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন অপেক্ষা করছে কবে নির্বাচনের বাক্স আসবে। ইসলামের পক্ষে ও মানবতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া জনগণ ভোট বাক্স ভরে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। জনগণ এবার অন্যায়, দুঃশাসন আর কালো টাকার রাজনীতিকে ‘না’ বলবে।
চরমোনাই পীর উদাহরণ টেনে বলেন, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে দেশকে ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। তার সেই ত্যাগ কোনো চাঁদাবাজ-কালো টাকাওয়ালাদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়। ক্ষমতালোভীদের বলছি-ক্ষমতা দেখিয়ে, দাপট দেখিয়ে বা টাকার বুলি ঝরিয়ে আর ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। জনগণ এবার তাদের দেশ থেকে উৎখাত করবে, ইনশাআল্লাহ।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যের পাশাপাশি বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম।
এর আগে সমাবেশে বক্তব্য দেন রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল হুদা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগর সেক্রেটারি আমিরুজ্জামান পিয়াল, জামায়াতে ইসলামীর নগর আমির এটিএম আজম খান ও জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।