
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৫১
মুম্বাইয়ের ভার্সোভা পুলিশ অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ বছরের সবচেয়ে বড় অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভার্সোভা এলাকার শাকুলশাহ দরগাহ থেকে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়, এদের মধ্যে ২১ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভার্সোভা পুলিশ স্টেশনের অ্যান্টি-টেররিজম সেল (এটিসি) বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।
অন্ধেরি ওয়েস্টের ইয়ারি রোড এলাকায় অবস্থিত শাকুলশাহ দরগাহের আশপাশে এই ব্যক্তিরা লুকিয়ে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের, যারা সমাজের সংবেদনশীল অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে পুলিশের দাবি, তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলায় প্রভাব পড়ছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই গ্রুপটি ভারতে প্রবেশ করেছে কলকাতা ও মিজোরামের পথ ধরে। সীমান্তের ছিদ্র ব্যবহার করে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ বা উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পৌঁছে, এরপর ধাপে ধাপে মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে আসে। মুম্বইয়ের মতো মহানগরীতে কাজের সুযোগ, ভিড়ের আড়াল এবং নেটওয়ার্কের সাহায্যে তারা লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হয়।
পুলিশের মতে, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা প্রায়শই জাল নথি ব্যবহার করে আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করে। কেউ কেউ ছোটখাটো ব্যবসা বা দৈনন্দিন কাজে নিযুক্ত থাকেন, আবার কেউ কেউ সমাজের প্রান্তিক অংশে মিশে যান।
এই অভিযানকে মুম্বই পুলিশ এ বছরের সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত কয়েক মাসে মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ভার্সোভা এলাকায় ১২-১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এই অভিযানগুলো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। যারা সহায়তা করছে তাদের নেটওয়ার্কও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
আটককৃতরা। ছবি: সংগৃহীত
মুম্বাইয়ের ভার্সোভা পুলিশ অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ বছরের সবচেয়ে বড় অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভার্সোভা এলাকার শাকুলশাহ দরগাহ থেকে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়, এদের মধ্যে ২১ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভার্সোভা পুলিশ স্টেশনের অ্যান্টি-টেররিজম সেল (এটিসি) বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।
অন্ধেরি ওয়েস্টের ইয়ারি রোড এলাকায় অবস্থিত শাকুলশাহ দরগাহের আশপাশে এই ব্যক্তিরা লুকিয়ে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের, যারা সমাজের সংবেদনশীল অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে পুলিশের দাবি, তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলায় প্রভাব পড়ছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই গ্রুপটি ভারতে প্রবেশ করেছে কলকাতা ও মিজোরামের পথ ধরে। সীমান্তের ছিদ্র ব্যবহার করে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ বা উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পৌঁছে, এরপর ধাপে ধাপে মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে আসে। মুম্বইয়ের মতো মহানগরীতে কাজের সুযোগ, ভিড়ের আড়াল এবং নেটওয়ার্কের সাহায্যে তারা লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হয়।
পুলিশের মতে, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা প্রায়শই জাল নথি ব্যবহার করে আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করে। কেউ কেউ ছোটখাটো ব্যবসা বা দৈনন্দিন কাজে নিযুক্ত থাকেন, আবার কেউ কেউ সমাজের প্রান্তিক অংশে মিশে যান।
এই অভিযানকে মুম্বই পুলিশ এ বছরের সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত কয়েক মাসে মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ভার্সোভা এলাকায় ১২-১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এই অভিযানগুলো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। যারা সহায়তা করছে তাদের নেটওয়ার্কও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা মানববন্ধন এবং বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এ কর্মসূচি ঘিরে দুপক্ষের মধ্যে হট্টগোল হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আইনজীবী সমিতির সামনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন আইনজীবী মানববন্ধন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর, আইনজীবী সুব্রত কুন্ডু, চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, কুমার দেবুল দে প্রমুখ। তারা বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন।
অন্যদিকে, বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট চত্বর এবং আইনজীবী সমিতির নিচতলা ও দ্বিতীয়তলা প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলে অংশ নেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল, সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজি মো. তৌহিদুল ইসলাম, কাজী জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।
অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলের একপর্যায়ে সেখান থেকে মানববন্ধনরত আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের ব্যানার ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সাবেক আইন সম্পাদক আবু সাঈদ সাগরের রুমে গিয়ে (দ্বিতীয় তলায় ২০২১ নম্বর কক্ষ) শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করা হয়।
আবু সাঈদ সাগর বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতিতে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জনপ্রিয়তা দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে একদল আইনজীবী আমার রুমে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে। আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক কতিপয় আইনজীবী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটূক্তি করেছিল। এ ঘটনায় সাধারণ আইনজীবীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। ছবি ভাঙচুরের ঘটনা জানা নেই।’

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০০

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২৯
মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে আঘাত হেনেছে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। যার কম্পন বাংলাদেশেও অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত প্রায় ১১টার দিকে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
ভূমিকম্পটি মাটির ১০১ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হেনেছে। যা মিয়ানমার ছাড়াও ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাকে কাঁপিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা মানববন্ধন এবং বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এ কর্মসূচি ঘিরে দুপক্ষের মধ্যে হট্টগোল হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আইনজীবী সমিতির সামনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন আইনজীবী মানববন্ধন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর, আইনজীবী সুব্রত কুন্ডু, চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, কুমার দেবুল দে প্রমুখ। তারা বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন।
অন্যদিকে, বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট চত্বর এবং আইনজীবী সমিতির নিচতলা ও দ্বিতীয়তলা প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলে অংশ নেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল, সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজি মো. তৌহিদুল ইসলাম, কাজী জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।
অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলের একপর্যায়ে সেখান থেকে মানববন্ধনরত আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের ব্যানার ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সাবেক আইন সম্পাদক আবু সাঈদ সাগরের রুমে গিয়ে (দ্বিতীয় তলায় ২০২১ নম্বর কক্ষ) শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করা হয়।
আবু সাঈদ সাগর বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতিতে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জনপ্রিয়তা দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে একদল আইনজীবী আমার রুমে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে। আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক কতিপয় আইনজীবী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটূক্তি করেছিল। এ ঘটনায় সাধারণ আইনজীবীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। ছবি ভাঙচুরের ঘটনা জানা নেই।’
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছাত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছাত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।
মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে আঘাত হেনেছে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। যার কম্পন বাংলাদেশেও অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত প্রায় ১১টার দিকে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
ভূমিকম্পটি মাটির ১০১ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হেনেছে। যা মিয়ানমার ছাড়াও ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাকে কাঁপিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০০
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২৯
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৮