আটককৃতরা। ছবি: সংগৃহীত
মুম্বাইয়ের ভার্সোভা পুলিশ অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ বছরের সবচেয়ে বড় অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভার্সোভা এলাকার শাকুলশাহ দরগাহ থেকে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়, এদের মধ্যে ২১ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভার্সোভা পুলিশ স্টেশনের অ্যান্টি-টেররিজম সেল (এটিসি) বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।
অন্ধেরি ওয়েস্টের ইয়ারি রোড এলাকায় অবস্থিত শাকুলশাহ দরগাহের আশপাশে এই ব্যক্তিরা লুকিয়ে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের, যারা সমাজের সংবেদনশীল অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে পুলিশের দাবি, তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলায় প্রভাব পড়ছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই গ্রুপটি ভারতে প্রবেশ করেছে কলকাতা ও মিজোরামের পথ ধরে। সীমান্তের ছিদ্র ব্যবহার করে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ বা উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পৌঁছে, এরপর ধাপে ধাপে মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে আসে। মুম্বইয়ের মতো মহানগরীতে কাজের সুযোগ, ভিড়ের আড়াল এবং নেটওয়ার্কের সাহায্যে তারা লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হয়।
পুলিশের মতে, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা প্রায়শই জাল নথি ব্যবহার করে আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করে। কেউ কেউ ছোটখাটো ব্যবসা বা দৈনন্দিন কাজে নিযুক্ত থাকেন, আবার কেউ কেউ সমাজের প্রান্তিক অংশে মিশে যান।
এই অভিযানকে মুম্বই পুলিশ এ বছরের সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত কয়েক মাসে মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ভার্সোভা এলাকায় ১২-১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এই অভিযানগুলো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। যারা সহায়তা করছে তাদের নেটওয়ার্কও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫১
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৬
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৫১
মুম্বাইয়ের ভার্সোভা পুলিশ অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ বছরের সবচেয়ে বড় অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভার্সোভা এলাকার শাকুলশাহ দরগাহ থেকে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়, এদের মধ্যে ২১ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভার্সোভা পুলিশ স্টেশনের অ্যান্টি-টেররিজম সেল (এটিসি) বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।
অন্ধেরি ওয়েস্টের ইয়ারি রোড এলাকায় অবস্থিত শাকুলশাহ দরগাহের আশপাশে এই ব্যক্তিরা লুকিয়ে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের, যারা সমাজের সংবেদনশীল অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে পুলিশের দাবি, তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলায় প্রভাব পড়ছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই গ্রুপটি ভারতে প্রবেশ করেছে কলকাতা ও মিজোরামের পথ ধরে। সীমান্তের ছিদ্র ব্যবহার করে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ বা উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পৌঁছে, এরপর ধাপে ধাপে মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে আসে। মুম্বইয়ের মতো মহানগরীতে কাজের সুযোগ, ভিড়ের আড়াল এবং নেটওয়ার্কের সাহায্যে তারা লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হয়।
পুলিশের মতে, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা প্রায়শই জাল নথি ব্যবহার করে আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করে। কেউ কেউ ছোটখাটো ব্যবসা বা দৈনন্দিন কাজে নিযুক্ত থাকেন, আবার কেউ কেউ সমাজের প্রান্তিক অংশে মিশে যান।
এই অভিযানকে মুম্বই পুলিশ এ বছরের সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত কয়েক মাসে মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ভার্সোভা এলাকায় ১২-১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এই অভিযানগুলো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। যারা সহায়তা করছে তাদের নেটওয়ার্কও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস