
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৪৪
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।

১২ মে, ২০২৬ ২০:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রাম আদালত কার্যক্রম অগ্রগতি বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় বাউফল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করেন।
গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী নাজমা বেগম এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহমেদ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন আমরা গ্রাম আদালতে যাবো, গ্রাম আদালত কিভাবে গ্রামের জনগনকে সহায়তা করতে পারে ও গ্রাম আদালত কি কি ধরনের বিরোধ নিস্পত্তি করতে পারে সে বিষয়ে সভায় অংশগ্রহণ কারীদের ধারনা দেন।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদলত সম্পর্কে ধারনা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক কক্ষে বসে ফৌজদারি কার্যক্রম বিশেষ করে চুরি,দাঙ্গা, প্রতারণা ঝগড়া বিবাদ,মূল্যবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ও অন্যায় আটক ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আয়োজিত সভায় ১৫টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরগন অংশ গ্রহন করেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রাম আদালত কার্যক্রম অগ্রগতি বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় বাউফল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করেন।
গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী নাজমা বেগম এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহমেদ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন আমরা গ্রাম আদালতে যাবো, গ্রাম আদালত কিভাবে গ্রামের জনগনকে সহায়তা করতে পারে ও গ্রাম আদালত কি কি ধরনের বিরোধ নিস্পত্তি করতে পারে সে বিষয়ে সভায় অংশগ্রহণ কারীদের ধারনা দেন।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদলত সম্পর্কে ধারনা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক কক্ষে বসে ফৌজদারি কার্যক্রম বিশেষ করে চুরি,দাঙ্গা, প্রতারণা ঝগড়া বিবাদ,মূল্যবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ও অন্যায় আটক ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আয়োজিত সভায় ১৫টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরগন অংশ গ্রহন করেন।

১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৭
পটুয়াখালীর বাউফলে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
রোববার (১০ মে) উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এদিনই বাউফল থানায় নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নিখোঁজ কিশোরীরা হলো-সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য মেলেনি।
নিখোঁজ সানজিদা আক্তার ও ইসমত জেরিন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সানজিদা আক্তার রায়সা একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। অপরদিকে আয়শা আক্তার অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত ছিল। পরে বিকেলে অভিভাবকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে বিদ্যালয়ে এবং পরে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। পরে রাতে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ছাত্রীদের সঙ্গে কোনো মুঠোফোন নেই। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, বাস ও লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। তাদের উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর চার শিক্ষার্থী বাড়ি ফেরেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
রোববার (১০ মে) উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এদিনই বাউফল থানায় নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নিখোঁজ কিশোরীরা হলো-সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য মেলেনি।
নিখোঁজ সানজিদা আক্তার ও ইসমত জেরিন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সানজিদা আক্তার রায়সা একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। অপরদিকে আয়শা আক্তার অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত ছিল। পরে বিকেলে অভিভাবকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে বিদ্যালয়ে এবং পরে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান মেলেনি। পরে রাতে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ছাত্রীদের সঙ্গে কোনো মুঠোফোন নেই। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, বাস ও লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। তাদের উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর চার শিক্ষার্থী বাড়ি ফেরেনি বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.