Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮
সাইবার হামলা চালিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা থেকে ২৫ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চুরি যাওয়া এই অর্থ অস্ট্রেলিয়ার একটি দ্বিপক্ষীয় ঋণ পরিশোধের অংশ ছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এ অর্থ পরিশোধ করার কথা ছিল।
কর্মকর্তাদের ধারণা, গত জানুয়ারি মাসে হ্যাকাররা এই অর্থ হাতিয়ে নেয়। তবে বিষয়টি এত দিন জানাজানি হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা সাংবাদিকদের বলেন, শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের জন্য আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা মাঝপথে তা আটকে দিয়ে প্রকৃত গ্রাহকের বদলে অন্য ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেয়।
হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা বলেন, এ ঘটনায় সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাকারদের শনাক্তে বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।
হ্যাকাররা ঠিক কীভাবে এই অর্থ চুরি করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তকারীদের ধারণা, সার্বভৌম ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ায় ই–মেইলভিত্তিক অর্থ পরিশোধের নির্দেশনায় কারসাজি করেছিল সাইবার অপরাধীরা।
নির্ধারিত সময়ে অর্থ না পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে অভিযোগ জানানোর পর বিষয়টি শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
শ্রীলঙ্কার উপ-অর্থমন্ত্রী অনিল জয়ন্ত ফার্নান্দো বলেন, সাইবার অপরাধীরা ভারতকে পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অর্থও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ব্যাংক হিসাবের তথ্যে গরমিল দেখে সন্দেহ তৈরি হলে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। আর তখনই আগের চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
এই সাইবার হামলা শ্রীলঙ্কার জন্য নতুন এক ধাক্কা। চার বছর আগে দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। ওই সংকটে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শূন্য হয়ে পড়েছিল। সে সময় নিজেদের ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছিল কলম্বো।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলন। শেষমেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।
কলম্বোয় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে ক্যানবেরা অবগত রয়েছে।
ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় রাখছে। অস্ট্রেলিয়া এই তদন্তে সহায়তা করছে।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকেই সাইবার প্রতারণার বিষয়ে শ্রীলঙ্কানদের সতর্ক করে স্থানীয় পত্রিকায় সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়েই এ চুরির ঘটনা ঘটল।
ছবি: সংগৃহীত
সাইবার হামলা চালিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা থেকে ২৫ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চুরি যাওয়া এই অর্থ অস্ট্রেলিয়ার একটি দ্বিপক্ষীয় ঋণ পরিশোধের অংশ ছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এ অর্থ পরিশোধ করার কথা ছিল।
কর্মকর্তাদের ধারণা, গত জানুয়ারি মাসে হ্যাকাররা এই অর্থ হাতিয়ে নেয়। তবে বিষয়টি এত দিন জানাজানি হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা সাংবাদিকদের বলেন, শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের জন্য আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা মাঝপথে তা আটকে দিয়ে প্রকৃত গ্রাহকের বদলে অন্য ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেয়।
হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা বলেন, এ ঘটনায় সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাকারদের শনাক্তে বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।
হ্যাকাররা ঠিক কীভাবে এই অর্থ চুরি করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তকারীদের ধারণা, সার্বভৌম ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ায় ই–মেইলভিত্তিক অর্থ পরিশোধের নির্দেশনায় কারসাজি করেছিল সাইবার অপরাধীরা।
নির্ধারিত সময়ে অর্থ না পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে অভিযোগ জানানোর পর বিষয়টি শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
শ্রীলঙ্কার উপ-অর্থমন্ত্রী অনিল জয়ন্ত ফার্নান্দো বলেন, সাইবার অপরাধীরা ভারতকে পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অর্থও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ব্যাংক হিসাবের তথ্যে গরমিল দেখে সন্দেহ তৈরি হলে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। আর তখনই আগের চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
এই সাইবার হামলা শ্রীলঙ্কার জন্য নতুন এক ধাক্কা। চার বছর আগে দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। ওই সংকটে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শূন্য হয়ে পড়েছিল। সে সময় নিজেদের ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছিল কলম্বো।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলন। শেষমেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।
কলম্বোয় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে ক্যানবেরা অবগত রয়েছে।
ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় রাখছে। অস্ট্রেলিয়া এই তদন্তে সহায়তা করছে।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকেই সাইবার প্রতারণার বিষয়ে শ্রীলঙ্কানদের সতর্ক করে স্থানীয় পত্রিকায় সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়েই এ চুরির ঘটনা ঘটল।

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।