Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৭
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চাতরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের খাবার খেয়ে অন্তত ৩৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে শিক্ষার্থীদের মাঝে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গ্রাম উন্নয়ন কর্ম’ (গাক) কর্তৃক সরবরাহকৃত বনরুটি ও সেদ্ধ ডিম বিতরণ করা হলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই ৪ থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং আরও ২৫ থেকে ৩০ জনের মধ্যে বমি বমি ভাবসহ শারীরিক অস্বস্তি দেখা দেয়। বর্তমানে আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেফতাহুদ্দোলা।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। ইউএনও জানান, বিতরণের জন্য আনা খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে খাবার সরবরাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি ঊর্ধ্বতন অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শঙ্করবাটি-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সংস্থার সরবরাহকৃত খাবার খেয়ে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পুনরায় একই ধরনের ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চাতরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের খাবার খেয়ে অন্তত ৩৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে শিক্ষার্থীদের মাঝে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গ্রাম উন্নয়ন কর্ম’ (গাক) কর্তৃক সরবরাহকৃত বনরুটি ও সেদ্ধ ডিম বিতরণ করা হলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই ৪ থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং আরও ২৫ থেকে ৩০ জনের মধ্যে বমি বমি ভাবসহ শারীরিক অস্বস্তি দেখা দেয়। বর্তমানে আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেফতাহুদ্দোলা।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। ইউএনও জানান, বিতরণের জন্য আনা খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে খাবার সরবরাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি ঊর্ধ্বতন অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শঙ্করবাটি-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সংস্থার সরবরাহকৃত খাবার খেয়ে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পুনরায় একই ধরনের ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৮
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিন ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১৭টি কক্ষে ৮৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা নেয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
কেন্দ্রটির সচিব ও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
রংপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান জানান, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতাধীন রংপুর গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রিডের একটি লাইন পুড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প হিসেবে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব আগে থেকে বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে জানানো হলে তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটের মতো বিকল্প ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪০
জামালপুরের মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ে নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের দাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- দাগী এলাকার মৃত গনি মণ্ডলের স্ত্রী খুকি বেগম (৬৫) এবং তার দুই মেয়ে ফরিদা আক্তার (৪০) ও ফতে আক্তার (৩৭)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে নিহতরা একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় হঠাৎ ঘরের পাশে থাকা একটি বড় মেহগনি গাছ তাদের বসতঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে বিছানায় শুয়ে থাকা খুকি বেগমসহ তার দুই মেয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গাছের নিচ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হচ্ছে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
পঞ্চগড়ের বোদায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আটক হবিবর রহমান বোদা উপজেলার বেংহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, সকাল ৯টায় চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বোনকে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিতে গেলে প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমান তাকে দোতলায় গিয়ে শিশুদের পড়া দেখিয়ে দিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দোতলায় গিয়ে ওই ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে শিশুটি সেখান থেকে বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ক্ষুব্দ হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই শিক্ষককে মারধর করেন। পরে তাকে অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখার পর বিকেলে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে সবার কথা শোনেন।
এসময় অভিভাবকসহ স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে বহিষ্কার ও বিচার দাবি করেন। পরে জনসম্মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘এই শিক্ষক আগেও ছাত্রীদের সঙ্গে এমন করেছেন। আজ আমার মেয়েকে যৌন হয়রানি করেন। তাকে এমন শাস্তি দিন যাতে আর কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।’
বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অভিযোগের তাৎক্ষণিক সত্যতা পেয়েছি। তাকে বহিষ্কার ও অন্য শিক্ষকদেরও বদলির প্রক্রিয়া চলছে।’
বোদা থানার ওসি সোয়েল রানা বলেন, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে জনরোষ থেকে আমরা উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিন ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১৭টি কক্ষে ৮৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা নেয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
কেন্দ্রটির সচিব ও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
রংপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান জানান, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতাধীন রংপুর গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রিডের একটি লাইন পুড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প হিসেবে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব আগে থেকে বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে জানানো হলে তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটের মতো বিকল্প ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জামালপুরের মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ে নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের দাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- দাগী এলাকার মৃত গনি মণ্ডলের স্ত্রী খুকি বেগম (৬৫) এবং তার দুই মেয়ে ফরিদা আক্তার (৪০) ও ফতে আক্তার (৩৭)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে নিহতরা একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় হঠাৎ ঘরের পাশে থাকা একটি বড় মেহগনি গাছ তাদের বসতঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে বিছানায় শুয়ে থাকা খুকি বেগমসহ তার দুই মেয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গাছের নিচ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হচ্ছে।
পঞ্চগড়ের বোদায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আটক হবিবর রহমান বোদা উপজেলার বেংহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, সকাল ৯টায় চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বোনকে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিতে গেলে প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমান তাকে দোতলায় গিয়ে শিশুদের পড়া দেখিয়ে দিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দোতলায় গিয়ে ওই ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে শিশুটি সেখান থেকে বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ক্ষুব্দ হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই শিক্ষককে মারধর করেন। পরে তাকে অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখার পর বিকেলে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে সবার কথা শোনেন।
এসময় অভিভাবকসহ স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে বহিষ্কার ও বিচার দাবি করেন। পরে জনসম্মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘এই শিক্ষক আগেও ছাত্রীদের সঙ্গে এমন করেছেন। আজ আমার মেয়েকে যৌন হয়রানি করেন। তাকে এমন শাস্তি দিন যাতে আর কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।’
বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অভিযোগের তাৎক্ষণিক সত্যতা পেয়েছি। তাকে বহিষ্কার ও অন্য শিক্ষকদেরও বদলির প্রক্রিয়া চলছে।’
বোদা থানার ওসি সোয়েল রানা বলেন, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে জনরোষ থেকে আমরা উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।