
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩০
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনি সহিংসতায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের (৪০) মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে তিন দিন পর হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী মারজিয়া (৩৪)। মামলায় ২৩৪ জনকে নামীয় ও অজ্ঞানামা আরো ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বহু নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে জামায়াতে ইসলামী এই মামলায় আইনগত লড়াই চালিয়ে যাবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামি ধরতে এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুতই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে, জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল ও ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনি সহিংসতায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের (৪০) মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে তিন দিন পর হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী মারজিয়া (৩৪)। মামলায় ২৩৪ জনকে নামীয় ও অজ্ঞানামা আরো ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বহু নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে জামায়াতে ইসলামী এই মামলায় আইনগত লড়াই চালিয়ে যাবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামি ধরতে এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুতই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে, জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল ও ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
২০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৪
২০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৫
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮

২০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৫
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।