
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্থিরতা। মোটরসাইকেল প্রতি মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বাইকাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলে ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির অনুমতি দিতে বাধ্য হয় প্রশাসন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার একমাত্র সাগর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান সরেজমিনে পাম্প পরিদর্শন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির মৌখিক নির্দেশ দেন।
সকাল থেকেই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করতে গেলে বিপত্তি বাধে। ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত বাইকার। অনেকে তেল না নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে পাম্প এলাকা পরিণত হয় বিক্ষোভস্থলে, শুরু হয় হট্টগোল ও তর্ক-বিতর্ক।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বরাদ্দ কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শুধু চিলমারী নয়, আশপাশের উলিপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলচালকও এই পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সীমিত সরবরাহে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগের রাত থেকেই তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। ভোরের আলো ফুটতেই লাইনে দাঁড়ানো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ে। তবে ১০০ টাকার সীমা কার্যকর হওয়ায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছে।
বাইকারদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারদরে ১০০ টাকার পেট্রোলে এক লিটার তেলও পাওয়া যায় না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের জন্য এটি সম্পূর্ণ অপ্রতুল।
রহিম নামে এক বাইক চালক জানান, চিলমারীর পাম্পে প্রতিদিন তেল দেওয়ায় উলিপুর থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে। এখন যদি ১০০ টাকার তেল দেওয়া হয় তাহলে উলিপুর যেতেই শেষ হবে।
মেহেদি নামে আরেক চালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ লাইন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে অন্য উপজেলার বাইকের সংখ্যা বেশি হওয়ার স্থানীয়রাও এখন তেল পাচ্ছে না।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা দ্রুত আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর বাইকারদের দাবির মুখে ১০০ টাকার সীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি শুরু হয়। এ বিষয়ে ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সংকটের কারণে প্রথমে ১০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।’
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্থিরতা। মোটরসাইকেল প্রতি মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বাইকাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলে ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির অনুমতি দিতে বাধ্য হয় প্রশাসন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার একমাত্র সাগর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান সরেজমিনে পাম্প পরিদর্শন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির মৌখিক নির্দেশ দেন।
সকাল থেকেই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করতে গেলে বিপত্তি বাধে। ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত বাইকার। অনেকে তেল না নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে পাম্প এলাকা পরিণত হয় বিক্ষোভস্থলে, শুরু হয় হট্টগোল ও তর্ক-বিতর্ক।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বরাদ্দ কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শুধু চিলমারী নয়, আশপাশের উলিপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলচালকও এই পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সীমিত সরবরাহে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগের রাত থেকেই তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। ভোরের আলো ফুটতেই লাইনে দাঁড়ানো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ে। তবে ১০০ টাকার সীমা কার্যকর হওয়ায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছে।
বাইকারদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারদরে ১০০ টাকার পেট্রোলে এক লিটার তেলও পাওয়া যায় না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের জন্য এটি সম্পূর্ণ অপ্রতুল।
রহিম নামে এক বাইক চালক জানান, চিলমারীর পাম্পে প্রতিদিন তেল দেওয়ায় উলিপুর থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে। এখন যদি ১০০ টাকার তেল দেওয়া হয় তাহলে উলিপুর যেতেই শেষ হবে।
মেহেদি নামে আরেক চালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ লাইন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে অন্য উপজেলার বাইকের সংখ্যা বেশি হওয়ার স্থানীয়রাও এখন তেল পাচ্ছে না।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা দ্রুত আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর বাইকারদের দাবির মুখে ১০০ টাকার সীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি শুরু হয়। এ বিষয়ে ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সংকটের কারণে প্রথমে ১০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৮
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে। তার নাম মো. জাকির হোসেন জেকে। তিনি উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের রান্ধুনীগাছা গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ মার্চ রাত আনুমানিক ৪টার দিকে ভাংগুনী ডাংগা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে চুরি হয়।এ ঘটনায় ৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কুদ্দুস পরিবারসহ জামালপুর শহরে বাস করলেও গ্রামের বাড়িতে তার মা ও স্বজনরা থাকেন। তিনি মাঝে মাঝে গ্রামের বাড়ি আসেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার রাতে তাদের বাড়ির আশপাশে জাকির হোসেনকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। ওই রাতে তাদের ঘরে চুরি হয়। পরবর্তী সময়ে চুরি হওয়া একটি শাড়ি একই এলাকার শহীদের স্ত্রী নাছিমার কাছে পাওয়া যায়। চুরি হওয়া শাড়ির বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশে নাছিমা চুরির মালামাল কেনার কথা স্বীকার করেন এবং এতে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে।
জাকির হোসেনকে সালিশে উপস্থিত হতে বলা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। সলিশ সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট করে মেয়ের জন্য গহনা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করেছি। সব কিছু চুরি হয়ে গেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
গ্রামবাসীরা জানান, জাকিরের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোর্তিময় সরকার জানান, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চুরির আংশিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে জাকির হোসেন রান্ধুনীগাছা গ্রামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলেন। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই সময় তিনি নিজেই ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।’
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে। তার নাম মো. জাকির হোসেন জেকে। তিনি উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের রান্ধুনীগাছা গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ মার্চ রাত আনুমানিক ৪টার দিকে ভাংগুনী ডাংগা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে চুরি হয়।এ ঘটনায় ৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কুদ্দুস পরিবারসহ জামালপুর শহরে বাস করলেও গ্রামের বাড়িতে তার মা ও স্বজনরা থাকেন। তিনি মাঝে মাঝে গ্রামের বাড়ি আসেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার রাতে তাদের বাড়ির আশপাশে জাকির হোসেনকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। ওই রাতে তাদের ঘরে চুরি হয়। পরবর্তী সময়ে চুরি হওয়া একটি শাড়ি একই এলাকার শহীদের স্ত্রী নাছিমার কাছে পাওয়া যায়। চুরি হওয়া শাড়ির বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশে নাছিমা চুরির মালামাল কেনার কথা স্বীকার করেন এবং এতে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে।
জাকির হোসেনকে সালিশে উপস্থিত হতে বলা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। সলিশ সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট করে মেয়ের জন্য গহনা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করেছি। সব কিছু চুরি হয়ে গেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
গ্রামবাসীরা জানান, জাকিরের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোর্তিময় সরকার জানান, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চুরির আংশিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে জাকির হোসেন রান্ধুনীগাছা গ্রামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলেন। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই সময় তিনি নিজেই ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের একটি পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিয়ম না মেনে তেল নেওয়ার দায়ে মোবারক হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস। দণ্ডপ্রাপ্ত মোবারকের বাড়ি উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা শত শত বাইকারদের ৫শ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছিল। বাইকার মোবারক হোসেনকেও ৫শ টাকার তেল দেওয়ার পরেও তিনি লাইন থেকে মোটরসাইকেল সরিয়ে নেননি।
তিনি আরও ৫শ টাকার তেল দাবি করেন। এসময় নিয়মের বাইরে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করে পাম্প কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মোবারক হোসেনের।
বিষয়টি তৎক্ষণাৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানকে জানায় পাম্প কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাম্প গিয়ে ওই যুবককে বুঝানোর চেষ্টা করলে সে ইউএনওর সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা ও অশোভন আচরণ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর-১৮৮ ধারা মোতাবেক সরকারি কর্মচারীর যথাযথভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অমান্য করে পাম্পে তেল গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মোবারককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল আজম বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক ১৫ দিনের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোবারক হোসেনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের একটি পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিয়ম না মেনে তেল নেওয়ার দায়ে মোবারক হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস। দণ্ডপ্রাপ্ত মোবারকের বাড়ি উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা শত শত বাইকারদের ৫শ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছিল। বাইকার মোবারক হোসেনকেও ৫শ টাকার তেল দেওয়ার পরেও তিনি লাইন থেকে মোটরসাইকেল সরিয়ে নেননি।
তিনি আরও ৫শ টাকার তেল দাবি করেন। এসময় নিয়মের বাইরে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করে পাম্প কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মোবারক হোসেনের।
বিষয়টি তৎক্ষণাৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানকে জানায় পাম্প কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাম্প গিয়ে ওই যুবককে বুঝানোর চেষ্টা করলে সে ইউএনওর সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা ও অশোভন আচরণ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর-১৮৮ ধারা মোতাবেক সরকারি কর্মচারীর যথাযথভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অমান্য করে পাম্পে তেল গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মোবারককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল আজম বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক ১৫ দিনের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোবারক হোসেনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৬
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমির বিরোধে মো. আল আমিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। তারা হলেন- মোক্ষপুর ইউনিয়নের সেনেরচকপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৯) ও তার স্ত্রী হুরেনা খাতুন (৪৫), ছেলে রিয়াদ (২৪) আবদুর রশিদ (৪১) ও তার স্ত্রী জুনাকি আক্তার (৩৭)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেনেরচকপাড়া গ্রামের মো. আল আমিনকে ২০২৩ সালের ১৯ জুন জমির বিরোধে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার চাচা মো. হাফিজুল ইসলাম বাদি হয়ে ২০ জুন প্রতিপক্ষ ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সকল আসামি ও বাদীর উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুব আলম মামুন বলেন, আসামি ও বাদি পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর বিরোধে মো. আল আমিনকে হত্যা করে আসামিরা। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৫ আসামিকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ত্রিশালের একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমির বিরোধে মো. আল আমিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। তারা হলেন- মোক্ষপুর ইউনিয়নের সেনেরচকপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৯) ও তার স্ত্রী হুরেনা খাতুন (৪৫), ছেলে রিয়াদ (২৪) আবদুর রশিদ (৪১) ও তার স্ত্রী জুনাকি আক্তার (৩৭)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেনেরচকপাড়া গ্রামের মো. আল আমিনকে ২০২৩ সালের ১৯ জুন জমির বিরোধে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার চাচা মো. হাফিজুল ইসলাম বাদি হয়ে ২০ জুন প্রতিপক্ষ ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সকল আসামি ও বাদীর উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুব আলম মামুন বলেন, আসামি ও বাদি পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর বিরোধে মো. আল আমিনকে হত্যা করে আসামিরা। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৫ আসামিকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ত্রিশালের একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.