
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৮
বরগুনার পাথরঘাটায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মামুনের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল ও বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও সমাধান না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের পদ্মা, টেংড়া বাজারের পাশে, নাচনাপাড়া, কাকচিড়া, বাইনচটকি, কালমেঘা, জ্ঞানপাড়া, কাঞ্চুরহাট এবং চরদোয়ানী ইউনিয়নের মাছের খাল বাজার, বান্ধাঘাটা সহ একাধিক স্থানে হাট-বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া বেড়িবাঁধের ঢালে ভূমিহীনরা ঘর তৈরি করেছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, এসব স্থাপনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে ‘ম্যানেজ’ করে তৈরি করা হচ্ছে। প্রত্যেক ভবন ও দোকান থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা আরও জানিয়েছেন, পাথরঘাটা পৌরশহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্লট বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে টাকা দিয়ে কাজ করছেন।
ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বন বিভাগের হাজারো চারা গাছ কেটে ঘর উত্তোলন করা হয়েছে। ঘর তুলতে প্রতি ঘরে প্রায় ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে দিতে হয়েছে।
জাহাঙ্গীর হেসেন বলেন, তার কাছে ২ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল, তিনি ৫০ হাজার দিতে চেয়েছিলেন, ঘরে উঠতে পারেননি। পরে এমাদুল গাজী ২ লাখ টাকা দিলে ঘর পেয়েছিলেন।
পাথরঘাটা বন বিভাগের সদর বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই বলেন, মামুন বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে সরকারি জমি দখল করিয়েছে। সংরক্ষিত বনায়নের ছোট চারা গাছ কেটে দোকান তোলার প্লট বানিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি আগেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম সগীর বলেন, তিনি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন এবং ঘর উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন। শুনেছি, পাথরঘাটার অনেক স্থানের নিয়ন্ত্রণ তিনি রাখছেন।
অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুন সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করে অফিস ত্যাগ করেছেন।
বরগুনা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান বলেন, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ আসছে, তবে মামুন যে আমাদের নাম ব্যবহার করে টাকা নিচ্ছে, তা আমরা জানি না। সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
বরগুনার পাথরঘাটায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মামুনের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল ও বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও সমাধান না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের পদ্মা, টেংড়া বাজারের পাশে, নাচনাপাড়া, কাকচিড়া, বাইনচটকি, কালমেঘা, জ্ঞানপাড়া, কাঞ্চুরহাট এবং চরদোয়ানী ইউনিয়নের মাছের খাল বাজার, বান্ধাঘাটা সহ একাধিক স্থানে হাট-বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া বেড়িবাঁধের ঢালে ভূমিহীনরা ঘর তৈরি করেছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, এসব স্থাপনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে ‘ম্যানেজ’ করে তৈরি করা হচ্ছে। প্রত্যেক ভবন ও দোকান থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা আরও জানিয়েছেন, পাথরঘাটা পৌরশহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্লট বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে টাকা দিয়ে কাজ করছেন।
ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বন বিভাগের হাজারো চারা গাছ কেটে ঘর উত্তোলন করা হয়েছে। ঘর তুলতে প্রতি ঘরে প্রায় ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে দিতে হয়েছে।
জাহাঙ্গীর হেসেন বলেন, তার কাছে ২ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল, তিনি ৫০ হাজার দিতে চেয়েছিলেন, ঘরে উঠতে পারেননি। পরে এমাদুল গাজী ২ লাখ টাকা দিলে ঘর পেয়েছিলেন।
পাথরঘাটা বন বিভাগের সদর বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই বলেন, মামুন বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে সরকারি জমি দখল করিয়েছে। সংরক্ষিত বনায়নের ছোট চারা গাছ কেটে দোকান তোলার প্লট বানিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি আগেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম সগীর বলেন, তিনি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন এবং ঘর উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন। শুনেছি, পাথরঘাটার অনেক স্থানের নিয়ন্ত্রণ তিনি রাখছেন।
অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুন সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করে অফিস ত্যাগ করেছেন।
বরগুনা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান বলেন, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ আসছে, তবে মামুন যে আমাদের নাম ব্যবহার করে টাকা নিচ্ছে, তা আমরা জানি না। সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫
বরগুনায় সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়া একটি ঘর পুনর্নির্মাণে এগিয়ে এলেন প্রফেসর নুর শাহানা হক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তিনি ঘর নির্মাণের সকল ধরনের সামগ্রীসহ নির্মাণ শ্রমিকের খরচও সরাসরি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় বরগুনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রফেসর নুর শাহানা হকের পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের মালামাল তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর নুর শাহানা হক বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে আমি ক্ষতিগ্রস্ত নারী মজিতন বিবির ঘর নির্মাণে সকল রকমের সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বরগুনায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করে এই অনুন্নত জনপদকে অবহেলার ছায়া থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করব। দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে বরগুনা বিএনপির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রফেসর নুর শাহানা হকের এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং এলাকার জন্য এক প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনায় সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়া একটি ঘর পুনর্নির্মাণে এগিয়ে এলেন প্রফেসর নুর শাহানা হক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তিনি ঘর নির্মাণের সকল ধরনের সামগ্রীসহ নির্মাণ শ্রমিকের খরচও সরাসরি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় বরগুনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রফেসর নুর শাহানা হকের পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের মালামাল তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর নুর শাহানা হক বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে আমি ক্ষতিগ্রস্ত নারী মজিতন বিবির ঘর নির্মাণে সকল রকমের সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বরগুনায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করে এই অনুন্নত জনপদকে অবহেলার ছায়া থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করব। দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে বরগুনা বিএনপির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রফেসর নুর শাহানা হকের এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং এলাকার জন্য এক প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।
বরিশাল টাইমস

০২ মার্চ, ২০২৬ ১০:০১
বরগুনায় এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ডুবে থাকা জাহাজটি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্ধার কার্যক্রমে গড়িমসি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নৌযানটি ডুবে থাকায় খাকদন নদীতে চলাচলরত ছোট-বড় নৌযানের ক্ষেত্রে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে নৌবন্দরের ৩০০ মিটারের মধ্যে পণ্যবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে নীরব নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ মার্চ) কার্গো জাহাজটির মালিক ও মাঝি মো. শমসের ঘরামী অভিযোগ করেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় তিনি কার্গোটি উদ্ধারে বাধা দিচ্ছেন। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ী বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের নদীবন্দর এলাকার কাঁচাবাজার সংলগ্ন খাকদন নদীতে নোঙর করা অবস্থায় ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়। গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় তাৎক্ষণিক বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার ‘অগ্রণী ট্রেডার্স’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইউনুস খান এক হাজার ৯০০ বস্তা বসুন্ধরা সিমেন্ট পরিবহনের জন্য ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ছোট কার্গো জাহাজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। পরে বাগেরহাটের মোংলা থেকে সিমেন্টবোঝাই করে জাহাজ চালিয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনার পণ্য পরিবহন ঘাটে আসেন জাহাজ মালিক শমসের ঘরামী।
এরপর জাহাজ থেকে সিমেন্ট মালিকের ঘাট শ্রমিকরা ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলনের পর কাজ বন্ধ রাখেন। পরে ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাকি এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ঘাটে নোঙর করা জাহাজটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজের মালিক ও মাঝি শমসের ঘরামী বলেন, জাহাজ নিয়ে ঘাটে এসে সিমেন্ট মালিককে জানালে শ্রমিকরা সিমেন্ট উত্তোলন শুরু করেন। অন্য সকল জায়গায় একদিনের মধ্যে জাহাজ খালি করা হলেও এখানে প্রথমদিন জাহাজের সামনে থেকে ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলন করায় পেছনের দিকে বেশি ওজন থেকে যায়। পরে তাদের বিষয়টি জানালে পেছন থেকে বস্তা সরিয়ে সামনের দিকে সমান করার কথা বললেও তারা তা করেনি। পরে আমি জাহাজে থাকাকালীন রাত তিনটার দিকে জাহাজটি ডুবে যায়।
তিনি আরও বলেন, অন্য আরেকজনের সঙ্গে আমি টাকা ঋণ নিয়ে জাহাজটি নির্মাণ করেছি। এখন একদিকে জাহাজটি উদ্ধার করার সামর্থ্যও আমার নেই, অপরদিকে সিমেন্ট মালিক মো. ইউনুস খান থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও ক্ষতির বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ উদ্ধার করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন সিমেন্ট মালিক।
ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটি উদ্ধারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান বলেন, সম্পূর্ণ মাঝির গাফিলতির কারণে জাহাজটি ডুবে গেছে। বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি। থানা থেকে বলা হয়েছে, উদ্ধারের আগে আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। জাহাজের ভেতরে যে বস্তাগুলো আছে তা কী করবেন, কোথায় ফেলবেন সে সিদ্ধান্ত নেন। আমি এ আলোচনার জন্য তাদের ডেকেছি, কিন্তু তারা আসেনি। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উঠাতে আমরা কখনো কাউকে নিষেধ করিনি। আমি চাই জাহাজ ওঠানোর পর প্রয়োজনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে একটি সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। জাহাজে থাকা সিমেন্ট ডুবে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডুবে থাকা জাহাজটির কারণে ঘাট ও চলাচলরত নৌযান ঝুঁকিতে রয়েছে জানিয়ে বরগুনা বাজার শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল মোল্লা বলেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান থানায় অভিযোগ করলেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাহাজটি উদ্ধার করতে দিচ্ছেন না। তিনদিন ধরে জাহাজটি ঘাট এলাকায় ডুবে আছে। প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে ছোট-বড় নৌযান এ ঘাটে আসে। জাহাজটি ঘাট ও নদীর মাঝখানে ডুবে থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরগুনা নদীবন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কার্গো জাহাজ ডুবির বিষয়টি আজ আমাকে অবহিত করা হয়েছে। এর আগে জানানো হয়নি। এছাড়াও তারা নিজেরা জাহাজটি উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জেনেছি। তবে অন্য সব নৌযান চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছি।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জাগো নিউজকে বলেন, থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। পণ্য মালিকের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহাজ মালিকের সঙ্গেও কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনায় এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ডুবে থাকা জাহাজটি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্ধার কার্যক্রমে গড়িমসি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নৌযানটি ডুবে থাকায় খাকদন নদীতে চলাচলরত ছোট-বড় নৌযানের ক্ষেত্রে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে নৌবন্দরের ৩০০ মিটারের মধ্যে পণ্যবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে নীরব নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ মার্চ) কার্গো জাহাজটির মালিক ও মাঝি মো. শমসের ঘরামী অভিযোগ করেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় তিনি কার্গোটি উদ্ধারে বাধা দিচ্ছেন। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ী বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের নদীবন্দর এলাকার কাঁচাবাজার সংলগ্ন খাকদন নদীতে নোঙর করা অবস্থায় ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়। গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় তাৎক্ষণিক বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার ‘অগ্রণী ট্রেডার্স’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইউনুস খান এক হাজার ৯০০ বস্তা বসুন্ধরা সিমেন্ট পরিবহনের জন্য ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ছোট কার্গো জাহাজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। পরে বাগেরহাটের মোংলা থেকে সিমেন্টবোঝাই করে জাহাজ চালিয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনার পণ্য পরিবহন ঘাটে আসেন জাহাজ মালিক শমসের ঘরামী।
এরপর জাহাজ থেকে সিমেন্ট মালিকের ঘাট শ্রমিকরা ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলনের পর কাজ বন্ধ রাখেন। পরে ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাকি এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ঘাটে নোঙর করা জাহাজটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজের মালিক ও মাঝি শমসের ঘরামী বলেন, জাহাজ নিয়ে ঘাটে এসে সিমেন্ট মালিককে জানালে শ্রমিকরা সিমেন্ট উত্তোলন শুরু করেন। অন্য সকল জায়গায় একদিনের মধ্যে জাহাজ খালি করা হলেও এখানে প্রথমদিন জাহাজের সামনে থেকে ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলন করায় পেছনের দিকে বেশি ওজন থেকে যায়। পরে তাদের বিষয়টি জানালে পেছন থেকে বস্তা সরিয়ে সামনের দিকে সমান করার কথা বললেও তারা তা করেনি। পরে আমি জাহাজে থাকাকালীন রাত তিনটার দিকে জাহাজটি ডুবে যায়।
তিনি আরও বলেন, অন্য আরেকজনের সঙ্গে আমি টাকা ঋণ নিয়ে জাহাজটি নির্মাণ করেছি। এখন একদিকে জাহাজটি উদ্ধার করার সামর্থ্যও আমার নেই, অপরদিকে সিমেন্ট মালিক মো. ইউনুস খান থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও ক্ষতির বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ উদ্ধার করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন সিমেন্ট মালিক।
ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটি উদ্ধারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান বলেন, সম্পূর্ণ মাঝির গাফিলতির কারণে জাহাজটি ডুবে গেছে। বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি। থানা থেকে বলা হয়েছে, উদ্ধারের আগে আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। জাহাজের ভেতরে যে বস্তাগুলো আছে তা কী করবেন, কোথায় ফেলবেন সে সিদ্ধান্ত নেন। আমি এ আলোচনার জন্য তাদের ডেকেছি, কিন্তু তারা আসেনি। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উঠাতে আমরা কখনো কাউকে নিষেধ করিনি। আমি চাই জাহাজ ওঠানোর পর প্রয়োজনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে একটি সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। জাহাজে থাকা সিমেন্ট ডুবে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডুবে থাকা জাহাজটির কারণে ঘাট ও চলাচলরত নৌযান ঝুঁকিতে রয়েছে জানিয়ে বরগুনা বাজার শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল মোল্লা বলেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান থানায় অভিযোগ করলেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাহাজটি উদ্ধার করতে দিচ্ছেন না। তিনদিন ধরে জাহাজটি ঘাট এলাকায় ডুবে আছে। প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে ছোট-বড় নৌযান এ ঘাটে আসে। জাহাজটি ঘাট ও নদীর মাঝখানে ডুবে থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরগুনা নদীবন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কার্গো জাহাজ ডুবির বিষয়টি আজ আমাকে অবহিত করা হয়েছে। এর আগে জানানো হয়নি। এছাড়াও তারা নিজেরা জাহাজটি উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জেনেছি। তবে অন্য সব নৌযান চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছি।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জাগো নিউজকে বলেন, থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। পণ্য মালিকের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহাজ মালিকের সঙ্গেও কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫