
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১৬
চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে নিহত ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ উত্তোলন করে সেগুলো জাপানে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। জাপান সরকারের মনোনীত ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল ১৭ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে অবস্থান করে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে দেহাবশেষ উত্তোলন কার্য সম্পাদন করেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনায় পুরো কর্মযজ্ঞে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চল। সার্বিক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান ও খননকার্যের নেতৃত্ব দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খনন বিশেষজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (অব.) বীর প্রতীক।
দেহাবশেষ উত্তোলন কার্য শেষ হওয়ার পর গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল যথাযোগ্য সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী দেহাবশেষগুলো জাপানে পাঠানো হয়।
২০২৪ সালে জাপান সরকারের অনুরোধে কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৩ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ উত্তোলন ও প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়েছিল।
চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে নিহত ১৮ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ উত্তোলন করে সেগুলো জাপানে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। জাপান সরকারের মনোনীত ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল ১৭ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে অবস্থান করে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে দেহাবশেষ উত্তোলন কার্য সম্পাদন করেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনায় পুরো কর্মযজ্ঞে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চল। সার্বিক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান ও খননকার্যের নেতৃত্ব দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খনন বিশেষজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (অব.) বীর প্রতীক।
দেহাবশেষ উত্তোলন কার্য শেষ হওয়ার পর গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল যথাযোগ্য সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী দেহাবশেষগুলো জাপানে পাঠানো হয়।
২০২৪ সালে জাপান সরকারের অনুরোধে কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৩ জন জাপানি সৈন্যের দেহাবশেষ উত্তোলন ও প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়েছিল।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৪
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩০
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’