Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:২৫
প্রচুর ভিটামিন সি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা–সম্পন্ন অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ জনপ্রিয় ফল পেয়ারার রাজধানী বরিশালে এর উৎপাদন বছরে ৪০ হাজার টন অতিক্রম করতে যাচ্ছে। বছরে প্রায় পৌনে ২শ কোটি টাকার পেয়ারার বাজার তৈরি হয়েছে ইতোমধ্যে। এমনকি বরিশালের পেয়ারা বাজার ইতোমধ্যে সারা দেশে সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিকভাবে তা সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশের আগরতলা, শিলং, জলপাইগুড়ি, নিউ জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বনগাঁওসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। ভালো দাম পেয়ে বরিশালের কৃষিযোদ্ধাগণও পেয়ারা আবাদে আরও আগ্রহী হচ্ছেন বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল মহল। চলতি মৌসুমে খোলা বাজারে প্রতি কেজি পেয়ারা ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাগান পর্যায়ে অবশ্য উৎপাদকরা ৪০ টাকার বেশি দাম পাচ্ছেন না। পাইকারি হাটে এসে তা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এমনকি পেয়ারা বিপণনে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকায় বিশাল ভাসমান পেয়ারার হাট ইতোমধ্যে এ অঞ্চলের অর্থনীতির বিশাল চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। শুধু পেয়ারা বেচাকেনাই নয়, এ ভাসমান হাট ও পেয়ারার বাগান দেখতেও প্রতিদিন সারাদেশের বিপুল সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকা। ফলে পেয়ারা উৎপাদন ও বিপণনকে ঘিরে পর্যটন শিল্পও নতুন হাতছানি দিচ্ছে এ এলাকায়। এসব পর্যটকের কাছে বরিশাল একটি ট্রানজিট পয়েন্ট। রাজধানী ঢাকা–সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকগণ বরিশালে পৌঁছে এখান থেকে পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারা হাট দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন।
এমনকি ‘মকুন্দপুরি’সহ সনাতন জাতের পেয়ারা–সাথে আমাদের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বারি’ উদ্ভাবিত ‘কাজী পেয়ারা’, ‘বারি পেয়ারা–২’, ‘বারি পেয়ারা–৩’, বীজবিহীন ‘বারি পেয়ারা–৪’ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত ‘বাউ পেয়ারা–১’ থেকে ‘বাউ পেয়ারা–৯’ এবং ‘থাই পেয়ারা–৫’ ও ‘থাই পেয়ারা–৭’ নামের উন্নতমানের সুমিষ্ট পেয়ারা আবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে। ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ১০ হাজার একর অতিক্রম করেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)–এর মতে, দেশে বর্তমানে যে প্রায় ৪০ হাজার একরে পেয়ারার আবাদ হচ্ছে, এককভাবে বরিশালেই তার অবদান প্রায় ১০ সহস্রাধিক একর। প্রতিবছরই এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ও উৎপাদন বাড়ছে। এমনকি গত কয়েকটি বছর ধরে কাজী পেয়ারা ও থাই পেয়ারা আবাদ সম্প্রসারণে এক ধরনের নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে এ অঞ্চলে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশালের ইসাকাঠী ও রহমতপুরে হর্টিকালচার নার্সারি ছাড়াও লেবুখালী নার্সারি থেকে সব সময়ই উন্নত জাত ও মানের পেয়ারার চারা ও কলম সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
ভিটামিন–সি–সমৃদ্ধ পেয়ারা মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও কৃষিবিজ্ঞানের কল্যাণে এখন তা সারা বছরই উৎপাদন হচ্ছে। এমনকি সরাসরি ফল হিসেবে খাবার পাশাপাশি পেয়ারা দিয়ে এখন জ্যাম ও জেলি ছাড়াও জুস পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে সারা বিশ্বে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে বছরে ২৫ লক্ষাধিক টন বিভিন্ন ধরনের ফল উৎপাদন হলেও এ অঞ্চলে আজ পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে উঠেনি।
অথচ এ অঞ্চলে উৎপাদিত প্রায় ৩০ হাজার টন আমড়া ও ৩০ হাজার টন পেয়ারা সাথে পৌনে ৪ লাখ টন ইলিশ মাছ নিয়ে একটি ইপিজেড বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতির বিশ্লেষকগণ। এছাড়াও প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে যে প্রায় ১৭ লাখ টন সবজি উৎপাদন হচ্ছে, তারও অনেকগুলোই প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তবে বিশ্বের যে শতাধিক দেশে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে, সেখানের বরিশালের সবজিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
উর্বর বেলে দো–আঁশ মাটিতে পেয়ারা আবাদে পরামর্শ দিয়ে থাকেন কৃষিবিদগণ। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেয়ারার চারা বা কলম রোপণের উপযুক্ত সময়। চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪ মিটার এবং ৩ মিটার দূরত্বের লাইনে পেয়ারা চারা রোপণ অত্যন্ত আদর্শ ও উপযুক্ত বলে মনে করেন কৃষিবিদগণ। রোপণের আগে ৫০ সেন্টিমিটার বা দেড় হাত দৈর্ঘ্য–প্রস্থ ও গভীর গর্ত করে সেখানে ১৫–২০ কেজি গোবর, ১–২ কেজি পচা খৈল এবং ১৫০ গ্রাম টিএসপি ও ৭৫–১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করে গর্ত বুজিয়ে ১৫–২০ দিন পরে সেখানে চারা রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। মাটিতে রসের অভাব হলে খরার সময় ২–৩ বার সেচ প্রয়োগ করতে হবে।
পেয়ারার ভালো ফলন পেতে গাছের অঙ্গছাঁটাই, ডাল নুয়ে দেওয়া, ফল পাতলাকরণ এবং ফল ঢেকে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন কৃষিবিদগণ। পাশাপাশি সুষ্ঠু সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করারও তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।
পেয়ারার বাগান ও গাছে ‘অ্যানথ্রাকনোজ’, ‘উইল্ট বা ঢলে পড়া’ রোগ ছাড়াও ‘সাদা মাছি পোকা’র আক্রমণ অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব বালাই থেকে পেয়ারা ফল ও গাছকে রক্ষায় আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাঁটাই করে ধ্বংস করা ছাড়াও ‘ইমিডাক্লোপ্রিড’ গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে ১০ দিন অন্তর ২–৩ বার স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।
প্রচুর ভিটামিন সি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা–সম্পন্ন অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ জনপ্রিয় ফল পেয়ারার রাজধানী বরিশালে এর উৎপাদন বছরে ৪০ হাজার টন অতিক্রম করতে যাচ্ছে। বছরে প্রায় পৌনে ২শ কোটি টাকার পেয়ারার বাজার তৈরি হয়েছে ইতোমধ্যে। এমনকি বরিশালের পেয়ারা বাজার ইতোমধ্যে সারা দেশে সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিকভাবে তা সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশের আগরতলা, শিলং, জলপাইগুড়ি, নিউ জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বনগাঁওসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। ভালো দাম পেয়ে বরিশালের কৃষিযোদ্ধাগণও পেয়ারা আবাদে আরও আগ্রহী হচ্ছেন বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল মহল। চলতি মৌসুমে খোলা বাজারে প্রতি কেজি পেয়ারা ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাগান পর্যায়ে অবশ্য উৎপাদকরা ৪০ টাকার বেশি দাম পাচ্ছেন না। পাইকারি হাটে এসে তা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এমনকি পেয়ারা বিপণনে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকায় বিশাল ভাসমান পেয়ারার হাট ইতোমধ্যে এ অঞ্চলের অর্থনীতির বিশাল চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। শুধু পেয়ারা বেচাকেনাই নয়, এ ভাসমান হাট ও পেয়ারার বাগান দেখতেও প্রতিদিন সারাদেশের বিপুল সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকা। ফলে পেয়ারা উৎপাদন ও বিপণনকে ঘিরে পর্যটন শিল্পও নতুন হাতছানি দিচ্ছে এ এলাকায়। এসব পর্যটকের কাছে বরিশাল একটি ট্রানজিট পয়েন্ট। রাজধানী ঢাকা–সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকগণ বরিশালে পৌঁছে এখান থেকে পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারা হাট দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন।
এমনকি ‘মকুন্দপুরি’সহ সনাতন জাতের পেয়ারা–সাথে আমাদের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বারি’ উদ্ভাবিত ‘কাজী পেয়ারা’, ‘বারি পেয়ারা–২’, ‘বারি পেয়ারা–৩’, বীজবিহীন ‘বারি পেয়ারা–৪’ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত ‘বাউ পেয়ারা–১’ থেকে ‘বাউ পেয়ারা–৯’ এবং ‘থাই পেয়ারা–৫’ ও ‘থাই পেয়ারা–৭’ নামের উন্নতমানের সুমিষ্ট পেয়ারা আবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে। ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ১০ হাজার একর অতিক্রম করেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)–এর মতে, দেশে বর্তমানে যে প্রায় ৪০ হাজার একরে পেয়ারার আবাদ হচ্ছে, এককভাবে বরিশালেই তার অবদান প্রায় ১০ সহস্রাধিক একর। প্রতিবছরই এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ও উৎপাদন বাড়ছে। এমনকি গত কয়েকটি বছর ধরে কাজী পেয়ারা ও থাই পেয়ারা আবাদ সম্প্রসারণে এক ধরনের নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে এ অঞ্চলে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশালের ইসাকাঠী ও রহমতপুরে হর্টিকালচার নার্সারি ছাড়াও লেবুখালী নার্সারি থেকে সব সময়ই উন্নত জাত ও মানের পেয়ারার চারা ও কলম সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
ভিটামিন–সি–সমৃদ্ধ পেয়ারা মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও কৃষিবিজ্ঞানের কল্যাণে এখন তা সারা বছরই উৎপাদন হচ্ছে। এমনকি সরাসরি ফল হিসেবে খাবার পাশাপাশি পেয়ারা দিয়ে এখন জ্যাম ও জেলি ছাড়াও জুস পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে সারা বিশ্বে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে বছরে ২৫ লক্ষাধিক টন বিভিন্ন ধরনের ফল উৎপাদন হলেও এ অঞ্চলে আজ পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে উঠেনি।
অথচ এ অঞ্চলে উৎপাদিত প্রায় ৩০ হাজার টন আমড়া ও ৩০ হাজার টন পেয়ারা সাথে পৌনে ৪ লাখ টন ইলিশ মাছ নিয়ে একটি ইপিজেড বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতির বিশ্লেষকগণ। এছাড়াও প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে যে প্রায় ১৭ লাখ টন সবজি উৎপাদন হচ্ছে, তারও অনেকগুলোই প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তবে বিশ্বের যে শতাধিক দেশে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে, সেখানের বরিশালের সবজিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
উর্বর বেলে দো–আঁশ মাটিতে পেয়ারা আবাদে পরামর্শ দিয়ে থাকেন কৃষিবিদগণ। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেয়ারার চারা বা কলম রোপণের উপযুক্ত সময়। চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪ মিটার এবং ৩ মিটার দূরত্বের লাইনে পেয়ারা চারা রোপণ অত্যন্ত আদর্শ ও উপযুক্ত বলে মনে করেন কৃষিবিদগণ। রোপণের আগে ৫০ সেন্টিমিটার বা দেড় হাত দৈর্ঘ্য–প্রস্থ ও গভীর গর্ত করে সেখানে ১৫–২০ কেজি গোবর, ১–২ কেজি পচা খৈল এবং ১৫০ গ্রাম টিএসপি ও ৭৫–১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করে গর্ত বুজিয়ে ১৫–২০ দিন পরে সেখানে চারা রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। মাটিতে রসের অভাব হলে খরার সময় ২–৩ বার সেচ প্রয়োগ করতে হবে।
পেয়ারার ভালো ফলন পেতে গাছের অঙ্গছাঁটাই, ডাল নুয়ে দেওয়া, ফল পাতলাকরণ এবং ফল ঢেকে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন কৃষিবিদগণ। পাশাপাশি সুষ্ঠু সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করারও তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।
পেয়ারার বাগান ও গাছে ‘অ্যানথ্রাকনোজ’, ‘উইল্ট বা ঢলে পড়া’ রোগ ছাড়াও ‘সাদা মাছি পোকা’র আক্রমণ অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব বালাই থেকে পেয়ারা ফল ও গাছকে রক্ষায় আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাঁটাই করে ধ্বংস করা ছাড়াও ‘ইমিডাক্লোপ্রিড’ গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে ১০ দিন অন্তর ২–৩ বার স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১