
১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:২৫
প্রচুর ভিটামিন সি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা–সম্পন্ন অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ জনপ্রিয় ফল পেয়ারার রাজধানী বরিশালে এর উৎপাদন বছরে ৪০ হাজার টন অতিক্রম করতে যাচ্ছে। বছরে প্রায় পৌনে ২শ কোটি টাকার পেয়ারার বাজার তৈরি হয়েছে ইতোমধ্যে। এমনকি বরিশালের পেয়ারা বাজার ইতোমধ্যে সারা দেশে সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিকভাবে তা সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশের আগরতলা, শিলং, জলপাইগুড়ি, নিউ জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বনগাঁওসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। ভালো দাম পেয়ে বরিশালের কৃষিযোদ্ধাগণও পেয়ারা আবাদে আরও আগ্রহী হচ্ছেন বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল মহল। চলতি মৌসুমে খোলা বাজারে প্রতি কেজি পেয়ারা ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাগান পর্যায়ে অবশ্য উৎপাদকরা ৪০ টাকার বেশি দাম পাচ্ছেন না। পাইকারি হাটে এসে তা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এমনকি পেয়ারা বিপণনে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকায় বিশাল ভাসমান পেয়ারার হাট ইতোমধ্যে এ অঞ্চলের অর্থনীতির বিশাল চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। শুধু পেয়ারা বেচাকেনাই নয়, এ ভাসমান হাট ও পেয়ারার বাগান দেখতেও প্রতিদিন সারাদেশের বিপুল সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকা। ফলে পেয়ারা উৎপাদন ও বিপণনকে ঘিরে পর্যটন শিল্পও নতুন হাতছানি দিচ্ছে এ এলাকায়। এসব পর্যটকের কাছে বরিশাল একটি ট্রানজিট পয়েন্ট। রাজধানী ঢাকা–সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকগণ বরিশালে পৌঁছে এখান থেকে পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারা হাট দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন।
এমনকি ‘মকুন্দপুরি’সহ সনাতন জাতের পেয়ারা–সাথে আমাদের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বারি’ উদ্ভাবিত ‘কাজী পেয়ারা’, ‘বারি পেয়ারা–২’, ‘বারি পেয়ারা–৩’, বীজবিহীন ‘বারি পেয়ারা–৪’ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত ‘বাউ পেয়ারা–১’ থেকে ‘বাউ পেয়ারা–৯’ এবং ‘থাই পেয়ারা–৫’ ও ‘থাই পেয়ারা–৭’ নামের উন্নতমানের সুমিষ্ট পেয়ারা আবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে। ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ১০ হাজার একর অতিক্রম করেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)–এর মতে, দেশে বর্তমানে যে প্রায় ৪০ হাজার একরে পেয়ারার আবাদ হচ্ছে, এককভাবে বরিশালেই তার অবদান প্রায় ১০ সহস্রাধিক একর। প্রতিবছরই এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ও উৎপাদন বাড়ছে। এমনকি গত কয়েকটি বছর ধরে কাজী পেয়ারা ও থাই পেয়ারা আবাদ সম্প্রসারণে এক ধরনের নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে এ অঞ্চলে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশালের ইসাকাঠী ও রহমতপুরে হর্টিকালচার নার্সারি ছাড়াও লেবুখালী নার্সারি থেকে সব সময়ই উন্নত জাত ও মানের পেয়ারার চারা ও কলম সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
ভিটামিন–সি–সমৃদ্ধ পেয়ারা মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও কৃষিবিজ্ঞানের কল্যাণে এখন তা সারা বছরই উৎপাদন হচ্ছে। এমনকি সরাসরি ফল হিসেবে খাবার পাশাপাশি পেয়ারা দিয়ে এখন জ্যাম ও জেলি ছাড়াও জুস পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে সারা বিশ্বে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে বছরে ২৫ লক্ষাধিক টন বিভিন্ন ধরনের ফল উৎপাদন হলেও এ অঞ্চলে আজ পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে উঠেনি।
অথচ এ অঞ্চলে উৎপাদিত প্রায় ৩০ হাজার টন আমড়া ও ৩০ হাজার টন পেয়ারা সাথে পৌনে ৪ লাখ টন ইলিশ মাছ নিয়ে একটি ইপিজেড বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতির বিশ্লেষকগণ। এছাড়াও প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে যে প্রায় ১৭ লাখ টন সবজি উৎপাদন হচ্ছে, তারও অনেকগুলোই প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তবে বিশ্বের যে শতাধিক দেশে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে, সেখানের বরিশালের সবজিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
উর্বর বেলে দো–আঁশ মাটিতে পেয়ারা আবাদে পরামর্শ দিয়ে থাকেন কৃষিবিদগণ। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেয়ারার চারা বা কলম রোপণের উপযুক্ত সময়। চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪ মিটার এবং ৩ মিটার দূরত্বের লাইনে পেয়ারা চারা রোপণ অত্যন্ত আদর্শ ও উপযুক্ত বলে মনে করেন কৃষিবিদগণ। রোপণের আগে ৫০ সেন্টিমিটার বা দেড় হাত দৈর্ঘ্য–প্রস্থ ও গভীর গর্ত করে সেখানে ১৫–২০ কেজি গোবর, ১–২ কেজি পচা খৈল এবং ১৫০ গ্রাম টিএসপি ও ৭৫–১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করে গর্ত বুজিয়ে ১৫–২০ দিন পরে সেখানে চারা রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। মাটিতে রসের অভাব হলে খরার সময় ২–৩ বার সেচ প্রয়োগ করতে হবে।
পেয়ারার ভালো ফলন পেতে গাছের অঙ্গছাঁটাই, ডাল নুয়ে দেওয়া, ফল পাতলাকরণ এবং ফল ঢেকে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন কৃষিবিদগণ। পাশাপাশি সুষ্ঠু সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করারও তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।
পেয়ারার বাগান ও গাছে ‘অ্যানথ্রাকনোজ’, ‘উইল্ট বা ঢলে পড়া’ রোগ ছাড়াও ‘সাদা মাছি পোকা’র আক্রমণ অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব বালাই থেকে পেয়ারা ফল ও গাছকে রক্ষায় আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাঁটাই করে ধ্বংস করা ছাড়াও ‘ইমিডাক্লোপ্রিড’ গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে ১০ দিন অন্তর ২–৩ বার স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।
প্রচুর ভিটামিন সি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা–সম্পন্ন অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ জনপ্রিয় ফল পেয়ারার রাজধানী বরিশালে এর উৎপাদন বছরে ৪০ হাজার টন অতিক্রম করতে যাচ্ছে। বছরে প্রায় পৌনে ২শ কোটি টাকার পেয়ারার বাজার তৈরি হয়েছে ইতোমধ্যে। এমনকি বরিশালের পেয়ারা বাজার ইতোমধ্যে সারা দেশে সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিকভাবে তা সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশের আগরতলা, শিলং, জলপাইগুড়ি, নিউ জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বনগাঁওসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। ভালো দাম পেয়ে বরিশালের কৃষিযোদ্ধাগণও পেয়ারা আবাদে আরও আগ্রহী হচ্ছেন বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল মহল। চলতি মৌসুমে খোলা বাজারে প্রতি কেজি পেয়ারা ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাগান পর্যায়ে অবশ্য উৎপাদকরা ৪০ টাকার বেশি দাম পাচ্ছেন না। পাইকারি হাটে এসে তা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এমনকি পেয়ারা বিপণনে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকায় বিশাল ভাসমান পেয়ারার হাট ইতোমধ্যে এ অঞ্চলের অর্থনীতির বিশাল চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। শুধু পেয়ারা বেচাকেনাই নয়, এ ভাসমান হাট ও পেয়ারার বাগান দেখতেও প্রতিদিন সারাদেশের বিপুল সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে আটঘর কুড়িয়ানা ও ভিমরুলি এলাকা। ফলে পেয়ারা উৎপাদন ও বিপণনকে ঘিরে পর্যটন শিল্পও নতুন হাতছানি দিচ্ছে এ এলাকায়। এসব পর্যটকের কাছে বরিশাল একটি ট্রানজিট পয়েন্ট। রাজধানী ঢাকা–সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকগণ বরিশালে পৌঁছে এখান থেকে পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারা হাট দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন।
এমনকি ‘মকুন্দপুরি’সহ সনাতন জাতের পেয়ারা–সাথে আমাদের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বারি’ উদ্ভাবিত ‘কাজী পেয়ারা’, ‘বারি পেয়ারা–২’, ‘বারি পেয়ারা–৩’, বীজবিহীন ‘বারি পেয়ারা–৪’ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত ‘বাউ পেয়ারা–১’ থেকে ‘বাউ পেয়ারা–৯’ এবং ‘থাই পেয়ারা–৫’ ও ‘থাই পেয়ারা–৭’ নামের উন্নতমানের সুমিষ্ট পেয়ারা আবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে। ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ১০ হাজার একর অতিক্রম করেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)–এর মতে, দেশে বর্তমানে যে প্রায় ৪০ হাজার একরে পেয়ারার আবাদ হচ্ছে, এককভাবে বরিশালেই তার অবদান প্রায় ১০ সহস্রাধিক একর। প্রতিবছরই এ অঞ্চলে পেয়ারার আবাদ ও উৎপাদন বাড়ছে। এমনকি গত কয়েকটি বছর ধরে কাজী পেয়ারা ও থাই পেয়ারা আবাদ সম্প্রসারণে এক ধরনের নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে এ অঞ্চলে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশালের ইসাকাঠী ও রহমতপুরে হর্টিকালচার নার্সারি ছাড়াও লেবুখালী নার্সারি থেকে সব সময়ই উন্নত জাত ও মানের পেয়ারার চারা ও কলম সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
ভিটামিন–সি–সমৃদ্ধ পেয়ারা মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও কৃষিবিজ্ঞানের কল্যাণে এখন তা সারা বছরই উৎপাদন হচ্ছে। এমনকি সরাসরি ফল হিসেবে খাবার পাশাপাশি পেয়ারা দিয়ে এখন জ্যাম ও জেলি ছাড়াও জুস পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে সারা বিশ্বে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে বছরে ২৫ লক্ষাধিক টন বিভিন্ন ধরনের ফল উৎপাদন হলেও এ অঞ্চলে আজ পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে উঠেনি।
অথচ এ অঞ্চলে উৎপাদিত প্রায় ৩০ হাজার টন আমড়া ও ৩০ হাজার টন পেয়ারা সাথে পৌনে ৪ লাখ টন ইলিশ মাছ নিয়ে একটি ইপিজেড বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতির বিশ্লেষকগণ। এছাড়াও প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে যে প্রায় ১৭ লাখ টন সবজি উৎপাদন হচ্ছে, তারও অনেকগুলোই প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তবে বিশ্বের যে শতাধিক দেশে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে, সেখানের বরিশালের সবজিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
উর্বর বেলে দো–আঁশ মাটিতে পেয়ারা আবাদে পরামর্শ দিয়ে থাকেন কৃষিবিদগণ। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পেয়ারার চারা বা কলম রোপণের উপযুক্ত সময়। চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪ মিটার এবং ৩ মিটার দূরত্বের লাইনে পেয়ারা চারা রোপণ অত্যন্ত আদর্শ ও উপযুক্ত বলে মনে করেন কৃষিবিদগণ। রোপণের আগে ৫০ সেন্টিমিটার বা দেড় হাত দৈর্ঘ্য–প্রস্থ ও গভীর গর্ত করে সেখানে ১৫–২০ কেজি গোবর, ১–২ কেজি পচা খৈল এবং ১৫০ গ্রাম টিএসপি ও ৭৫–১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করে গর্ত বুজিয়ে ১৫–২০ দিন পরে সেখানে চারা রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। মাটিতে রসের অভাব হলে খরার সময় ২–৩ বার সেচ প্রয়োগ করতে হবে।
পেয়ারার ভালো ফলন পেতে গাছের অঙ্গছাঁটাই, ডাল নুয়ে দেওয়া, ফল পাতলাকরণ এবং ফল ঢেকে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন কৃষিবিদগণ। পাশাপাশি সুষ্ঠু সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করারও তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।
পেয়ারার বাগান ও গাছে ‘অ্যানথ্রাকনোজ’, ‘উইল্ট বা ঢলে পড়া’ রোগ ছাড়াও ‘সাদা মাছি পোকা’র আক্রমণ অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব বালাই থেকে পেয়ারা ফল ও গাছকে রক্ষায় আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাঁটাই করে ধ্বংস করা ছাড়াও ‘ইমিডাক্লোপ্রিড’ গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে ১০ দিন অন্তর ২–৩ বার স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৭
শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট প্রদান করছেন ভোটাররা। শুরুর দুই ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার খায়রুল আলম সুমন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দুর্গম এলাকায় একটু ভোটার উপস্থিতি কম। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে। কোথাও কোনো সমস্যার কথা আমরা শুনিনি। দুই-এক জায়গায় ছোট ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান করা হচ্ছে। সব মিলে পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর।
শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট প্রদান করছেন ভোটাররা। শুরুর দুই ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার খায়রুল আলম সুমন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দুর্গম এলাকায় একটু ভোটার উপস্থিতি কম। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে। কোথাও কোনো সমস্যার কথা আমরা শুনিনি। দুই-এক জায়গায় ছোট ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান করা হচ্ছে। সব মিলে পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৮
১ লাখ দুই হাজার টাকাসহ বরিশালের বাবুগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। বুধবার উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় বাবুগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল তাঁদের আটক করে। এ সময় তাঁদের দেহ তল্লাশি করে টাকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন হুমায়ুন গাজী এবং এনায়েত কাজী। তাঁরা নিজেদের বিএনপি কর্মী পরিচয় দেন বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটকের পর তল্লাশি করে এক লাখ দুই হাজার টাকা ও ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদের বিএনপি কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁদের কাছে এখনো দুজনকে হস্তান্তর করা হয়নি।’
১ লাখ দুই হাজার টাকাসহ বরিশালের বাবুগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। বুধবার উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় বাবুগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল তাঁদের আটক করে। এ সময় তাঁদের দেহ তল্লাশি করে টাকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন হুমায়ুন গাজী এবং এনায়েত কাজী। তাঁরা নিজেদের বিএনপি কর্মী পরিচয় দেন বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটকের পর তল্লাশি করে এক লাখ দুই হাজার টাকা ও ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদের বিএনপি কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁদের কাছে এখনো দুজনকে হস্তান্তর করা হয়নি।’

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
বরিশাল-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এবি পার্টির মূখপাত্র ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুইয়া ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে ৯টি মটরিসাইকেলে করে ২০ থেকে ২৫ জন বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধপপাশা বাজার সংলগ্ন এবি পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসের আদবাবপত্র ভাঙচুর ও সেখা থাকা লিফলেট ক্ষতি করে চলে যায়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই প্রার্থী।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, স্থানীয় বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসী এ হামলা চালিয়েছে। তারা এরই মধ্যে সফিপুর বাটামারা নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোট ক্রন্দ্রে না যাওবার জন্য হুমকি দিচ্ছে। গ্রামবাসী ও ভোটাররা আতঙ্কে রয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এবি পার্টির মূখপাত্র ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুইয়া ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে ৯টি মটরিসাইকেলে করে ২০ থেকে ২৫ জন বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধপপাশা বাজার সংলগ্ন এবি পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসের আদবাবপত্র ভাঙচুর ও সেখা থাকা লিফলেট ক্ষতি করে চলে যায়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই প্রার্থী।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, স্থানীয় বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসী এ হামলা চালিয়েছে। তারা এরই মধ্যে সফিপুর বাটামারা নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোট ক্রন্দ্রে না যাওবার জন্য হুমকি দিচ্ছে। গ্রামবাসী ও ভোটাররা আতঙ্কে রয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.