
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তপূর্বক সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদন দাখিল করেন।
স্বাস্থ্যখাতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থ খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় জনস্বার্থে এ জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক তদন্ত করা আবশ্যক।
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং প্রদানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদনে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে প্রায় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি রাষ্ট্রের একজন সচেতন নাগরিক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে আমাকে মারাত্মক ব্যথিত, উদ্বিগ্ন এবং চিন্তিত করেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সরকারিভাবে শিশুদের হামসহ অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রোগের টিকার সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট হাম রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়া ও শিশুর মৃত্যুর সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। হামে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমের দায় রয়েছে বলে রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মতামত ব্যক্ত করেছেন।
এছাড়াও বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হামের টিকা এবং সিরিঞ্জের অভাবকে পূর্ববর্তী সরকারের সৃষ্ট সমস্যা বলে মন্তব্য করছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকার টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই পরিবর্তন আনে। স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট (প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা) বাজেট থাকা সত্ত্বেও তারা সময়মতো হামসহ অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং শিশুদের টিকা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়।
ফলে বর্তমানে হামের প্রকোপ বেড়ে গেছে, যা একটি মহামারি আকার ধারণ করছে।
বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায় যে, এরই মধ্যে শতাধিক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজার হাজার শিশু অপ্রতুল প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হাম একটি সংক্রামক ব্যাধি যা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ক্রয়ে নতুন পদ্ধতি গ্রহণ এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয় না করার বিষয়টি সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা এবং স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট বাজেট থাকা সত্ত্বেও অর্থের সঠিক ব্যবহার না করা দুর্নীতি ও অনিয়মের ইঙ্গিত প্রদান করে। বিভিন্ন সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে এরই মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে সরাসরি অনিয়মের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তপূর্বক সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এ আবেদন দাখিল করেন।
স্বাস্থ্যখাতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থ খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় জনস্বার্থে এ জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক তদন্ত করা আবশ্যক।
হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং প্রদানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদনে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে প্রায় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি রাষ্ট্রের একজন সচেতন নাগরিক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে আমাকে মারাত্মক ব্যথিত, উদ্বিগ্ন এবং চিন্তিত করেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সরকারিভাবে শিশুদের হামসহ অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রোগের টিকার সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট হাম রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়া ও শিশুর মৃত্যুর সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। হামে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমের দায় রয়েছে বলে রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মতামত ব্যক্ত করেছেন।
এছাড়াও বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হামের টিকা এবং সিরিঞ্জের অভাবকে পূর্ববর্তী সরকারের সৃষ্ট সমস্যা বলে মন্তব্য করছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকার টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই পরিবর্তন আনে। স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট (প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা) বাজেট থাকা সত্ত্বেও তারা সময়মতো হামসহ অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় এবং শিশুদের টিকা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়।
ফলে বর্তমানে হামের প্রকোপ বেড়ে গেছে, যা একটি মহামারি আকার ধারণ করছে।
বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায় যে, এরই মধ্যে শতাধিক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজার হাজার শিশু অপ্রতুল প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হাম একটি সংক্রামক ব্যাধি যা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা ক্রয়ে নতুন পদ্ধতি গ্রহণ এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয় না করার বিষয়টি সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা এবং স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট বাজেট থাকা সত্ত্বেও অর্থের সঠিক ব্যবহার না করা দুর্নীতি ও অনিয়মের ইঙ্গিত প্রদান করে। বিভিন্ন সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে এরই মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে সরাসরি অনিয়মের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:৫১
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একটি বাড়ির খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে বেলকুচি থানা পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের চাঁদ মেটুয়ানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া রিভলবারটি প্রথম দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাজু সরকারের ১০ বছর বয়সি ছেলে ছোয়াদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাজু সরকারের স্ত্রী খাদিজা বেগম খড় রোদে শুকাতে দিলে শিশু ছোয়াদ সেখানে একটি বস্তু দেখতে পেয়ে খেলনা মনে করে মায়ের কাছে নিয়ে আসে। পরে সেটি রিভলবার বলে শনাক্ত হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বেলকুচি সার্কেলের নেতৃত্বে বেলকুচি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুপুর ২টার দিকে খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিভলবারটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে রাজু সরকারের পরিবারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইজন প্রবাসে এবং একজন ঢাকায় কর্মরত বলে জানান তিনি।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একটি বাড়ির খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে বেলকুচি থানা পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের চাঁদ মেটুয়ানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া রিভলবারটি প্রথম দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাজু সরকারের ১০ বছর বয়সি ছেলে ছোয়াদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাজু সরকারের স্ত্রী খাদিজা বেগম খড় রোদে শুকাতে দিলে শিশু ছোয়াদ সেখানে একটি বস্তু দেখতে পেয়ে খেলনা মনে করে মায়ের কাছে নিয়ে আসে। পরে সেটি রিভলবার বলে শনাক্ত হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে বেলকুচি সার্কেলের নেতৃত্বে বেলকুচি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুপুর ২টার দিকে খড়ের পালা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিভলবারটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে রাজু সরকারের পরিবারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দুইজন প্রবাসে এবং একজন ঢাকায় কর্মরত বলে জানান তিনি।

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:৩৫
শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

০৮ মে, ২০২৬ ০১:৩৪
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় রাজু নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় রেশমি আক্তার নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাতে থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত রাজুর বাড়ি রাউজান উপজেলায়। তিনি নগরীর রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে এসে এ হামলার শিকার হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা রাজু গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় পথচারী শিশু রেশমি আক্তারও গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আবদুল করিম। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমি আক্তারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির ভাই ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানি না। আমি দোকান করি। আমাদের বাসা রৌফাবাদ এলাকায়। আমার ছোট বোন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শুনেছি, আম্মু তাকে একটি কাজে বাইরে পাঠিয়েছিলেন। তখন সে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। বর্তমানে আমার বোন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায়।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ গোলাগুলির সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্ব শত্রুতার জেরে নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.