
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামে এক একর জমিজুড়ে একটি বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে চলছে পাখি হত্যা।
বাগানে পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষা করতে চিকন সুতার জাল বিছিয়েছেন বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়া। আর এই জালের ফাঁদে বুলবুলি, ঘুঘু, দোয়েল, শালিক, বাদুড়সহ নানা দেশীয় প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে।
এ খবর জানতে পেরে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে বাগানের মালিককে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে বাগানে পাতা জাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ জানান, বুধবার বিকেলে বাগানের মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন বছর ধরে বরইয়ের মৌসুম এলেই বাগানমালিক আলাউদ্দীন মিয়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পেতে নিষ্ঠুরভাবে পাখি নিধন করছেন। বাগান রক্ষার নামে পাখি নিধন পরিবেশ আইনে গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছে সচেতন মহল। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও পাখিপ্রেমীরা।
গতকাল সোহাগদল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আলাউদ্দীন মিয়ার বরইয়ের বাগানে গিয়ে পাখির প্রতি বর্বরতার চিত্র দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরইয়ের বাগানে পেতে রাখা জালে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, জালে আটকা পড়া পাখির মধ্যে বক, ঘুঘু ও মাছরাঙা বেছে নিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। অন্যান্য মৃত পাখি ফেলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, আলাউদ্দীন মিয়া তিন বছর ধরে নিজের জমিতে বরই চাষ করছেন। পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষার অজুহাতে তিনি প্রায় এক একর বরইয়ের বাগান ঘিরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করছেন। বরইয়ের মৌসুমে খাবারের সন্ধানে আসা পাখিরা জালে আটকে ছটফট করে মারা যাচ্ছে। তিনি একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া বলেন, বরই রক্ষার নামে এভাবে জাল পেতে প্রতিদিন শত শত পাখি মারা হচ্ছে। চাইলে পাখি নিধন না করে সহজ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বাগান থেকে পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করা যেত।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন বলেন, এভাবে পাখি নিধন বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পাখি নিধন অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামে এক একর জমিজুড়ে একটি বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে চলছে পাখি হত্যা।
বাগানে পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষা করতে চিকন সুতার জাল বিছিয়েছেন বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়া। আর এই জালের ফাঁদে বুলবুলি, ঘুঘু, দোয়েল, শালিক, বাদুড়সহ নানা দেশীয় প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে।
এ খবর জানতে পেরে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে বাগানের মালিককে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে বাগানে পাতা জাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ জানান, বুধবার বিকেলে বাগানের মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন বছর ধরে বরইয়ের মৌসুম এলেই বাগানমালিক আলাউদ্দীন মিয়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পেতে নিষ্ঠুরভাবে পাখি নিধন করছেন। বাগান রক্ষার নামে পাখি নিধন পরিবেশ আইনে গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছে সচেতন মহল। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও পাখিপ্রেমীরা।
গতকাল সোহাগদল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আলাউদ্দীন মিয়ার বরইয়ের বাগানে গিয়ে পাখির প্রতি বর্বরতার চিত্র দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরইয়ের বাগানে পেতে রাখা জালে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, জালে আটকা পড়া পাখির মধ্যে বক, ঘুঘু ও মাছরাঙা বেছে নিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। অন্যান্য মৃত পাখি ফেলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, আলাউদ্দীন মিয়া তিন বছর ধরে নিজের জমিতে বরই চাষ করছেন। পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষার অজুহাতে তিনি প্রায় এক একর বরইয়ের বাগান ঘিরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করছেন। বরইয়ের মৌসুমে খাবারের সন্ধানে আসা পাখিরা জালে আটকে ছটফট করে মারা যাচ্ছে। তিনি একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া বলেন, বরই রক্ষার নামে এভাবে জাল পেতে প্রতিদিন শত শত পাখি মারা হচ্ছে। চাইলে পাখি নিধন না করে সহজ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বাগান থেকে পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করা যেত।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন বলেন, এভাবে পাখি নিধন বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পাখি নিধন অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:০৭
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় বাস কাউন্টার, এলপি গ্যাসের দোকান ও তরমুজের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ঘোষেরহাট বাজারের বাস কাউন্টার ও চন্ডিপুর বাজারের বাস কাউন্টারসহ এসব বাজারের এলপি গ্যাস এবং তরমুজের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে সরকারের নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করার অভিযোগে চন্ডিপুর বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী ও একই এলাকার বাসিন্দা মো. রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয়দের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রাথমিকভাবে এ জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া বাস কাউন্টার ও এলপি গ্যাসের দোকানগুলোতে দৃশ্যমান কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম না করার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে ইন্দুরকানী থানার এসআই পলাশ সাহাসহ পুলিশের একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফী, শহিদুল ইসলাম শহিদ ও মারুফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘তরমুজ বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়া গেছে। তাই প্রাথমিকভাবে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তার ফ্যামিলি কার্ড হলে সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।’
তিনি আরও জানান, বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় বাস কাউন্টার, এলপি গ্যাসের দোকান ও তরমুজের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ঘোষেরহাট বাজারের বাস কাউন্টার ও চন্ডিপুর বাজারের বাস কাউন্টারসহ এসব বাজারের এলপি গ্যাস এবং তরমুজের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে সরকারের নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করার অভিযোগে চন্ডিপুর বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী ও একই এলাকার বাসিন্দা মো. রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয়দের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রাথমিকভাবে এ জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া বাস কাউন্টার ও এলপি গ্যাসের দোকানগুলোতে দৃশ্যমান কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম না করার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে ইন্দুরকানী থানার এসআই পলাশ সাহাসহ পুলিশের একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফী, শহিদুল ইসলাম শহিদ ও মারুফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘তরমুজ বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়া গেছে। তাই প্রাথমিকভাবে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তার ফ্যামিলি কার্ড হলে সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।’
তিনি আরও জানান, বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৫
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় সরকারি রাস্তা সংস্কারের বরাদ্দের ইট ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের নিজ বাড়ির রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (২৯ মার্চ) জিয়ানগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার এ নোটিশ জারি করেন। নোটিশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-গম) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কালাইয়া গ্রামের রুস্তম মল্লিকের বাড়ি থেকে মামুন হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটির কাজসহ ইটসোলিং করে পুনর্নির্মাণের জন্য তিন মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকার বেশি।
তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত রাস্তায় কাজ না করে ওই প্রকল্পের ইট ব্যবহার করে ইউপি সদস্য মিজান হাওলাদারের নিজ বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা ইটসোলিং করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মামুন হাওলাদার স্থানীয় ওই ইউপি সদস্যের আপন ভাই এবং তারা একই বাড়িতে বসবাস করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রুস্তম মল্লিক, রুবেলসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ‘তাদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে এলাকার অনেক মানুষ চলাচল করলেও রাস্তা সরু হওয়ায় ভ্যান বা রিকশা চলাচল করতে পারে না।’ তারা অভিযোগ করেন, সরকারি বরাদ্দের কাজ না করে ইউপি সদস্য নিজের বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করেছেন। যদিও ইউপি সদস্য দাবি করেছেন, তিনি ব্যক্তিগত অর্থে ইট কিনে রাস্তা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সরকারি রাস্তার বরাদ্দের ইট দিয়ে বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করা যায় কি না, তা আমার জানা নেই। বরাদ্দের কাগজপত্রে ভুলও থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত জানাব।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিন তদন্তে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ কারণে ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতি মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসন সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় সরকারি রাস্তা সংস্কারের বরাদ্দের ইট ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের নিজ বাড়ির রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (২৯ মার্চ) জিয়ানগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার এ নোটিশ জারি করেন। নোটিশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-গম) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কালাইয়া গ্রামের রুস্তম মল্লিকের বাড়ি থেকে মামুন হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটির কাজসহ ইটসোলিং করে পুনর্নির্মাণের জন্য তিন মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকার বেশি।
তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত রাস্তায় কাজ না করে ওই প্রকল্পের ইট ব্যবহার করে ইউপি সদস্য মিজান হাওলাদারের নিজ বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা ইটসোলিং করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মামুন হাওলাদার স্থানীয় ওই ইউপি সদস্যের আপন ভাই এবং তারা একই বাড়িতে বসবাস করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রুস্তম মল্লিক, রুবেলসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ‘তাদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে এলাকার অনেক মানুষ চলাচল করলেও রাস্তা সরু হওয়ায় ভ্যান বা রিকশা চলাচল করতে পারে না।’ তারা অভিযোগ করেন, সরকারি বরাদ্দের কাজ না করে ইউপি সদস্য নিজের বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করেছেন। যদিও ইউপি সদস্য দাবি করেছেন, তিনি ব্যক্তিগত অর্থে ইট কিনে রাস্তা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সরকারি রাস্তার বরাদ্দের ইট দিয়ে বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করা যায় কি না, তা আমার জানা নেই। বরাদ্দের কাগজপত্রে ভুলও থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত জানাব।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিন তদন্তে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ কারণে ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতি মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসন সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৪
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করছেন পিরোজপুরের তিন উপজেলার ১০ গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার।শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের মধ্যে দিয়ে ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে তারা।
প্রতিবছর পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজি ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়িতে, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমি মসজিদে এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে এ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার শুরেশ্বর গ্রামের হজরত মাওলানা আহমেদ আলী শুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা ১৫০ বছর ধরে প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখাসহ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ওইসব পরিবার আজ ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করছে বলে তারা জানান। স্থানীয়রা জানান, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া এ ৬ গ্রামের প্রায় ৭ শতাধিক, জেলার কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ পরিবার, জেলার নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫ পরিবার, সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের কদমতলা ও একপাই জুজখোলা গ্রামের প্রায় ৬০ পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের আগের দিনই ঈদ উদ্যাপন করছেন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করছেন পিরোজপুরের তিন উপজেলার ১০ গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার।শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের মধ্যে দিয়ে ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে তারা।
প্রতিবছর পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজি ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়িতে, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমি মসজিদে এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে এ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার শুরেশ্বর গ্রামের হজরত মাওলানা আহমেদ আলী শুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা ১৫০ বছর ধরে প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখাসহ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ওইসব পরিবার আজ ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করছে বলে তারা জানান। স্থানীয়রা জানান, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া এ ৬ গ্রামের প্রায় ৭ শতাধিক, জেলার কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ পরিবার, জেলার নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫ পরিবার, সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের কদমতলা ও একপাই জুজখোলা গ্রামের প্রায় ৬০ পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের আগের দিনই ঈদ উদ্যাপন করছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.