
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামে এক একর জমিজুড়ে একটি বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে চলছে পাখি হত্যা।
বাগানে পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষা করতে চিকন সুতার জাল বিছিয়েছেন বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়া। আর এই জালের ফাঁদে বুলবুলি, ঘুঘু, দোয়েল, শালিক, বাদুড়সহ নানা দেশীয় প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে।
এ খবর জানতে পেরে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে বাগানের মালিককে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে বাগানে পাতা জাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ জানান, বুধবার বিকেলে বাগানের মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন বছর ধরে বরইয়ের মৌসুম এলেই বাগানমালিক আলাউদ্দীন মিয়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পেতে নিষ্ঠুরভাবে পাখি নিধন করছেন। বাগান রক্ষার নামে পাখি নিধন পরিবেশ আইনে গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছে সচেতন মহল। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও পাখিপ্রেমীরা।
গতকাল সোহাগদল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আলাউদ্দীন মিয়ার বরইয়ের বাগানে গিয়ে পাখির প্রতি বর্বরতার চিত্র দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরইয়ের বাগানে পেতে রাখা জালে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, জালে আটকা পড়া পাখির মধ্যে বক, ঘুঘু ও মাছরাঙা বেছে নিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। অন্যান্য মৃত পাখি ফেলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, আলাউদ্দীন মিয়া তিন বছর ধরে নিজের জমিতে বরই চাষ করছেন। পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষার অজুহাতে তিনি প্রায় এক একর বরইয়ের বাগান ঘিরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করছেন। বরইয়ের মৌসুমে খাবারের সন্ধানে আসা পাখিরা জালে আটকে ছটফট করে মারা যাচ্ছে। তিনি একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া বলেন, বরই রক্ষার নামে এভাবে জাল পেতে প্রতিদিন শত শত পাখি মারা হচ্ছে। চাইলে পাখি নিধন না করে সহজ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বাগান থেকে পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করা যেত।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন বলেন, এভাবে পাখি নিধন বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পাখি নিধন অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামে এক একর জমিজুড়ে একটি বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে চলছে পাখি হত্যা।
বাগানে পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষা করতে চিকন সুতার জাল বিছিয়েছেন বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়া। আর এই জালের ফাঁদে বুলবুলি, ঘুঘু, দোয়েল, শালিক, বাদুড়সহ নানা দেশীয় প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে।
এ খবর জানতে পেরে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে বাগানের মালিককে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে বাগানে পাতা জাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ জানান, বুধবার বিকেলে বাগানের মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন বছর ধরে বরইয়ের মৌসুম এলেই বাগানমালিক আলাউদ্দীন মিয়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পেতে নিষ্ঠুরভাবে পাখি নিধন করছেন। বাগান রক্ষার নামে পাখি নিধন পরিবেশ আইনে গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছে সচেতন মহল। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও পাখিপ্রেমীরা।
গতকাল সোহাগদল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আলাউদ্দীন মিয়ার বরইয়ের বাগানে গিয়ে পাখির প্রতি বর্বরতার চিত্র দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরইয়ের বাগানে পেতে রাখা জালে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, জালে আটকা পড়া পাখির মধ্যে বক, ঘুঘু ও মাছরাঙা বেছে নিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। অন্যান্য মৃত পাখি ফেলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, আলাউদ্দীন মিয়া তিন বছর ধরে নিজের জমিতে বরই চাষ করছেন। পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষার অজুহাতে তিনি প্রায় এক একর বরইয়ের বাগান ঘিরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করছেন। বরইয়ের মৌসুমে খাবারের সন্ধানে আসা পাখিরা জালে আটকে ছটফট করে মারা যাচ্ছে। তিনি একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া বলেন, বরই রক্ষার নামে এভাবে জাল পেতে প্রতিদিন শত শত পাখি মারা হচ্ছে। চাইলে পাখি নিধন না করে সহজ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বাগান থেকে পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করা যেত।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন বলেন, এভাবে পাখি নিধন বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পাখি নিধন অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

০৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৮
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৭
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০২
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.