
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামে এক একর জমিজুড়ে একটি বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে চলছে পাখি হত্যা।
বাগানে পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষা করতে চিকন সুতার জাল বিছিয়েছেন বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়া। আর এই জালের ফাঁদে বুলবুলি, ঘুঘু, দোয়েল, শালিক, বাদুড়সহ নানা দেশীয় প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে।
এ খবর জানতে পেরে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে বাগানের মালিককে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে বাগানে পাতা জাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ জানান, বুধবার বিকেলে বাগানের মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন বছর ধরে বরইয়ের মৌসুম এলেই বাগানমালিক আলাউদ্দীন মিয়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পেতে নিষ্ঠুরভাবে পাখি নিধন করছেন। বাগান রক্ষার নামে পাখি নিধন পরিবেশ আইনে গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছে সচেতন মহল। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও পাখিপ্রেমীরা।
গতকাল সোহাগদল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আলাউদ্দীন মিয়ার বরইয়ের বাগানে গিয়ে পাখির প্রতি বর্বরতার চিত্র দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরইয়ের বাগানে পেতে রাখা জালে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, জালে আটকা পড়া পাখির মধ্যে বক, ঘুঘু ও মাছরাঙা বেছে নিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। অন্যান্য মৃত পাখি ফেলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, আলাউদ্দীন মিয়া তিন বছর ধরে নিজের জমিতে বরই চাষ করছেন। পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষার অজুহাতে তিনি প্রায় এক একর বরইয়ের বাগান ঘিরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করছেন। বরইয়ের মৌসুমে খাবারের সন্ধানে আসা পাখিরা জালে আটকে ছটফট করে মারা যাচ্ছে। তিনি একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া বলেন, বরই রক্ষার নামে এভাবে জাল পেতে প্রতিদিন শত শত পাখি মারা হচ্ছে। চাইলে পাখি নিধন না করে সহজ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বাগান থেকে পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করা যেত।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন বলেন, এভাবে পাখি নিধন বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পাখি নিধন অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামে এক একর জমিজুড়ে একটি বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে চলছে পাখি হত্যা।
বাগানে পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষা করতে চিকন সুতার জাল বিছিয়েছেন বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়া। আর এই জালের ফাঁদে বুলবুলি, ঘুঘু, দোয়েল, শালিক, বাদুড়সহ নানা দেশীয় প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে।
এ খবর জানতে পেরে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে বাগানের মালিককে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে বাগানে পাতা জাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ জানান, বুধবার বিকেলে বাগানের মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন বছর ধরে বরইয়ের মৌসুম এলেই বাগানমালিক আলাউদ্দীন মিয়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পেতে নিষ্ঠুরভাবে পাখি নিধন করছেন। বাগান রক্ষার নামে পাখি নিধন পরিবেশ আইনে গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছে সচেতন মহল। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও পাখিপ্রেমীরা।
গতকাল সোহাগদল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আলাউদ্দীন মিয়ার বরইয়ের বাগানে গিয়ে পাখির প্রতি বর্বরতার চিত্র দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরইয়ের বাগানে পেতে রাখা জালে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, জালে আটকা পড়া পাখির মধ্যে বক, ঘুঘু ও মাছরাঙা বেছে নিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। অন্যান্য মৃত পাখি ফেলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, আলাউদ্দীন মিয়া তিন বছর ধরে নিজের জমিতে বরই চাষ করছেন। পাখির আক্রমণ থেকে বরই রক্ষার অজুহাতে তিনি প্রায় এক একর বরইয়ের বাগান ঘিরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করছেন। বরইয়ের মৌসুমে খাবারের সন্ধানে আসা পাখিরা জালে আটকে ছটফট করে মারা যাচ্ছে। তিনি একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া বলেন, বরই রক্ষার নামে এভাবে জাল পেতে প্রতিদিন শত শত পাখি মারা হচ্ছে। চাইলে পাখি নিধন না করে সহজ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বাগান থেকে পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করা যেত।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাগানের মালিক আলাউদ্দীন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দীন বলেন, এভাবে পাখি নিধন বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, বরইয়ের বাগানে বরই রক্ষার নামে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পাখি নিধন অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুরে জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে জামায়াত ও বিএনপি’র প্রার্থীকে দেখা গেছে। এ সময় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এবং এলাকার উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রার্থীরা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় গোপালকৃষ্ণ টাউন হল প্রাঙ্গণে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা স্থানীয় জনগণ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া দুই জন প্রার্থীরা হলেন পিরোজপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ও জামায়াত জোটের প্রার্থী মাসুদ সাইদী।
জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী। এ সময় স্থানীয় জনগণ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহ বিএনপি ও জামায়াতে নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রার্থীদের কাছে উন্নয়ন, সুশাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেন। প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুরে জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে জামায়াত ও বিএনপি’র প্রার্থীকে দেখা গেছে। এ সময় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এবং এলাকার উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রার্থীরা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় গোপালকৃষ্ণ টাউন হল প্রাঙ্গণে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা স্থানীয় জনগণ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া দুই জন প্রার্থীরা হলেন পিরোজপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ও জামায়াত জোটের প্রার্থী মাসুদ সাইদী।
জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী। এ সময় স্থানীয় জনগণ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহ বিএনপি ও জামায়াতে নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রার্থীদের কাছে উন্নয়ন, সুশাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেন। প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৯
পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক শিক্ষা সফরের সময় বাসে একদল শিক্ষার্থীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত ২৮ জানুয়ারি শিক্ষা সফরে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই এই ভিডিও করে। পরে শুক্রবার সকাল থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বিগত সময়ে ক্ষমতায় থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ ভিডিও পোস্ট করেন। মুহূর্তেই ভাইরাল হয় ভিডিওটি। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওই নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের সাধুবাদ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন।
অপরদিকে এ ভিডিও নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে জুলাই আন্দোলনের পক্ষের লোকজন।
জানা গেছে, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সাতক্ষীরার মন্টু মিয়ার বাগানবাড়িতে শিক্ষা সফরে যায় পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। যাওয়ার সময় বাসে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ জয় বাংলা ও শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করে স্লোগান দিয়ে গানের সুরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তারা নিজেরাই এ ভিডিও ধারণ করে। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে এ ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে অভিভাবকরা। তাদের দাবি বিগত সময় ও বর্তমান সময়ে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বে থাকারা অতিরিক্ত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখিয়েছে।
যার ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থায়। নানা সময় শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হয়েছে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে। দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরে এ অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। দেখা গেছে আরও বেশি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা। কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেরাই আয়োজন করেছে নানা কর্মসূচি। এসব কর্মসূচি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।
এসব কারণে অভিভাবকদের মধ্যে রয়েছে হতাশা। তবে তাদের দাবি, আমাদের পক্ষে এ বিষয় শক্ত অবস্থান নিয়ে অভিযোগ করার সুযোগ কোথায়? তবে আমরা এটা চাই না। আমরা সন্তানদের লেখাপড়া করতে পাঠাই।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক শিক্ষা সফরের সময় বাসে একদল শিক্ষার্থীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত ২৮ জানুয়ারি শিক্ষা সফরে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই এই ভিডিও করে। পরে শুক্রবার সকাল থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বিগত সময়ে ক্ষমতায় থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ ভিডিও পোস্ট করেন। মুহূর্তেই ভাইরাল হয় ভিডিওটি। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওই নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের সাধুবাদ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন।
অপরদিকে এ ভিডিও নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে জুলাই আন্দোলনের পক্ষের লোকজন।
জানা গেছে, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সাতক্ষীরার মন্টু মিয়ার বাগানবাড়িতে শিক্ষা সফরে যায় পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। যাওয়ার সময় বাসে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ জয় বাংলা ও শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করে স্লোগান দিয়ে গানের সুরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তারা নিজেরাই এ ভিডিও ধারণ করে। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে এ ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে অভিভাবকরা। তাদের দাবি বিগত সময় ও বর্তমান সময়ে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বে থাকারা অতিরিক্ত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখিয়েছে।
যার ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থায়। নানা সময় শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হয়েছে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে। দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরে এ অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। দেখা গেছে আরও বেশি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা। কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেরাই আয়োজন করেছে নানা কর্মসূচি। এসব কর্মসূচি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।
এসব কারণে অভিভাবকদের মধ্যে রয়েছে হতাশা। তবে তাদের দাবি, আমাদের পক্ষে এ বিষয় শক্ত অবস্থান নিয়ে অভিযোগ করার সুযোগ কোথায়? তবে আমরা এটা চাই না। আমরা সন্তানদের লেখাপড়া করতে পাঠাই।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী মিসেস শামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পিরোজপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৮ ও ১৯। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, আসামি ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভান্ডারিয়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম (৪৮) তার মালিকানাধীন ইফতি ইটিসিএল (প্রা.) লি., ইফতি এন্টারপ্রাইজ এবং সাউথ বাংলা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর নামে জমি, বাড়ি, ফ্লাট ও দোকান ক্রয় বাবদ ৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪৭ টাকা স্থাবর এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, মুলধন ও কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগ ও ৯টি গাড়ি ক্রয় বাবদ ৫০ কোটি ৬১ লাখ ৬৩৬ টাকা মুল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৩ টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় বাবদ ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৬ টাকা মোট ১১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৯ টাকার স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব পায় দুদক। পক্ষান্তরে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস্য ১৭ কোটি ৭১ লাখ ০৫ হাজার ৪৪৯ টাকা। তার অর্জিত ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ টাকা মুল্যের সম্পদ আড়াল করে রাখায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ ছাড়াও মিরাজুল ইসলাম ২৬৭৯ কোটি ৩৭ লাখ ১১ হাজার ৪০৪ টাকা সরকারী অর্থ আত্মসাত পুর্বক ৯টি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় জমাপূর্বক অবৈধভাবে আয় করেছেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অপরদিকে মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আসামি শামীমা আক্তার তার মালিকানাধীন মেসার্স শিমু এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ২৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা মুল্যের স্থাবর-অস্থাবর করে ভোগদখলে রেখে এবং এলজিইডির নিযুক্ত ঠিকাদার হিসাবে প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপুর্বক বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অসদুদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশনের মানিলন্ডারিং আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের কারণে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়াও স্ত্রী শামীমা আক্তার তার শিমু এন্টারপ্রাইজের নামে ব্রাক ব্যাংকের হিসাব হতে ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭০৮ টাকা স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক এই মামলা দায়ের করেছে।
এ সকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে এলজিইডি দপ্তর থেকে বিভিন্ন কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে কার্যাদেশ গ্রহণপুর্বক কোনো কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অপরাধে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেছে। এই নিয়ে মোট ১০টি মামলা হয়েছে।’
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী মিসেস শামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পিরোজপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৮ ও ১৯। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, আসামি ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভান্ডারিয়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম (৪৮) তার মালিকানাধীন ইফতি ইটিসিএল (প্রা.) লি., ইফতি এন্টারপ্রাইজ এবং সাউথ বাংলা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর নামে জমি, বাড়ি, ফ্লাট ও দোকান ক্রয় বাবদ ৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪৭ টাকা স্থাবর এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, মুলধন ও কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগ ও ৯টি গাড়ি ক্রয় বাবদ ৫০ কোটি ৬১ লাখ ৬৩৬ টাকা মুল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৩ টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় বাবদ ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৬ টাকা মোট ১১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৯ টাকার স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব পায় দুদক। পক্ষান্তরে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস্য ১৭ কোটি ৭১ লাখ ০৫ হাজার ৪৪৯ টাকা। তার অর্জিত ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ টাকা মুল্যের সম্পদ আড়াল করে রাখায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ ছাড়াও মিরাজুল ইসলাম ২৬৭৯ কোটি ৩৭ লাখ ১১ হাজার ৪০৪ টাকা সরকারী অর্থ আত্মসাত পুর্বক ৯টি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় জমাপূর্বক অবৈধভাবে আয় করেছেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অপরদিকে মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আসামি শামীমা আক্তার তার মালিকানাধীন মেসার্স শিমু এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ২৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা মুল্যের স্থাবর-অস্থাবর করে ভোগদখলে রেখে এবং এলজিইডির নিযুক্ত ঠিকাদার হিসাবে প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপুর্বক বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অসদুদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশনের মানিলন্ডারিং আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের কারণে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়াও স্ত্রী শামীমা আক্তার তার শিমু এন্টারপ্রাইজের নামে ব্রাক ব্যাংকের হিসাব হতে ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭০৮ টাকা স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক এই মামলা দায়ের করেছে।
এ সকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে এলজিইডি দপ্তর থেকে বিভিন্ন কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে কার্যাদেশ গ্রহণপুর্বক কোনো কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অপরাধে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেছে। এই নিয়ে মোট ১০টি মামলা হয়েছে।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.