মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি- সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৬ হাজার ভোটের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের ও অসংগতির অভিযোগ তুলে আইনি ভিত্তি পাওয়া গেলে ভোট পুনর্গণনার আবেদনের চিন্তার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী (বেসরকারিভাবে) মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটিক সিস্টেম এবং পার্লামেন্টারি সিস্টেম অব ডেমোক্র্যাসিতে নির্বাচনই হচ্ছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বৈধ পথ। এজন্য আমরা সবসময় নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। এবারের নির্বাচনকেও আমরা সেভাবেই গ্রহণ করেছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বচ্ছ, অবাধ নির্বাচনের জন্য সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যদিও চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি, তবুও বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল বিভিন্ন পর্যায়ের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, দুই উপজেলার ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ভোট গণনার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের কাছে থাকা শিটের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের অফিসের ফলাফলের মধ্যে কিছু অসংগতি লক্ষ করেছেন নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানের কারণে আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। আইনি ভিত্তি পেলে পুনর্গণনার আবেদন করার চিন্তা করছি।
জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, প্রায় ৬ হাজারের বেশি ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব ভোট যৌক্তিক কারণে ও বিধি অনুযায়ী বাতিল হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যালটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করার আবেদন করার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি।
তিনি আরও বলেন, কোথাও ওভাররাইটিং, ভোটের অঙ্ক লেখায় ভুল বা গণনার ত্রুটি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পুনর্গণনার মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় দেড় লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। অল্প ব্যবধানে ফলাফল হওয়ায় বিষয়টি অনেকের কাছেই প্রশ্ন তৈরি করছে। সামান্য এক হাজারের মতো ভোটের ব্যবধান, এটা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। হয় ৬ হাজার বাতিল ভোট পরীক্ষা করা দরকার, অথবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনা হওয়া দরকার।
ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মনোবল হারানোর কিছু নেই। জয়-পরাজয় রাজনীতির অংশ হলেও তিনি নিজেকে নৈতিকভাবে পরাজিত মনে করেন না। আমি কোনো অন্যায় করিনি, অসৎ পথ অবলম্বন করিনি, মানুষের ওপর জুলুম করিনি, কালো টাকা বা শক্তি প্রয়োগ করে মানুষের রায় নেওয়ার চেষ্টা করিনি, সেই দিক থেকে আমি বিজয়ী।
বরিশাল টাইমস

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৪
নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংগঠনের আমীর শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এদিকে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানোর পর আইনি প্রক্রিয়ায় তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদ বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংগঠনের আমীর শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এদিকে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানোর পর আইনি প্রক্রিয়ায় তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদ বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা। পরে একই কক্ষের আরও ভিডিও সামনে আসলে ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীকে এমপির স্ত্রী দাবি করেছেন জামায়াতের স্থানীয় নেতারা।
জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।’
সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়। ফুটেজের বিভিন্ন অংশে তাকে কখনো মোবাইল ফোনে কথা বলতে, আবার কখনো ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে কয়েকটি পোস্ট দিয়ে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভুয়া ভিডিও।
তবে তথ্য যাচাইকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বলছে, ভিডিওটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। এআই ভিডিওর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, এই ভিডিওগুলোতে সেসব নেই। এটি একটি বাস্তব ভিডিও বলে প্রাথমিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে থাকা টাইমস্ট্যাম্প অনুযায়ী ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়েছিল। তবে ঘটনাস্থল সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটি নিয়ে বক্তব্য জানতে গাজী নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে কালবেলার সঙ্গে কথা বলেছেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে। তবে ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’
দ্বিতীয় বিয়ে কবে হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ আমার জানা নেই। তবে বেশ কিছুদিন আগে বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে বলে আমরা জেনেছি।
ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীর বয়স বেশ কম মনে হয়েছে। কালবেলার হাতে তরুণীর একটি বায়োডাটা এসেছে। সেখানে দেওয়া তার জন্মতারিখ অনুযায়ী এখন বয়স হওয়ার কথা ১৮ বছর ২ মাস। মেয়েটির প্রাইভেসি রক্ষায় এই প্রতিবেদনে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট এমপির ‘জোর সুপারিশ’ করা ওই বায়োডাটায় মেয়েটি নিজেকে অবিবাহিত বলে উল্লেখ করেছেন।
২০২৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তার ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকায় কালবেলার পক্ষ থেকে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ছবি দেখে বোঝা গেছে, তার পরিবারও জামায়াত ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছবিতে জামায়াতের ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে থাকা পরিবারের এক সদস্যের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।’
সংবাদসূত্র: দৈনিক কালবেলা।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা। পরে একই কক্ষের আরও ভিডিও সামনে আসলে ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীকে এমপির স্ত্রী দাবি করেছেন জামায়াতের স্থানীয় নেতারা।
জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।’
সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়। ফুটেজের বিভিন্ন অংশে তাকে কখনো মোবাইল ফোনে কথা বলতে, আবার কখনো ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে কয়েকটি পোস্ট দিয়ে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভুয়া ভিডিও।
তবে তথ্য যাচাইকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বলছে, ভিডিওটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। এআই ভিডিওর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, এই ভিডিওগুলোতে সেসব নেই। এটি একটি বাস্তব ভিডিও বলে প্রাথমিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে থাকা টাইমস্ট্যাম্প অনুযায়ী ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়েছিল। তবে ঘটনাস্থল সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটি নিয়ে বক্তব্য জানতে গাজী নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে কালবেলার সঙ্গে কথা বলেছেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে। তবে ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’
দ্বিতীয় বিয়ে কবে হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ আমার জানা নেই। তবে বেশ কিছুদিন আগে বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে বলে আমরা জেনেছি।
ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীর বয়স বেশ কম মনে হয়েছে। কালবেলার হাতে তরুণীর একটি বায়োডাটা এসেছে। সেখানে দেওয়া তার জন্মতারিখ অনুযায়ী এখন বয়স হওয়ার কথা ১৮ বছর ২ মাস। মেয়েটির প্রাইভেসি রক্ষায় এই প্রতিবেদনে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট এমপির ‘জোর সুপারিশ’ করা ওই বায়োডাটায় মেয়েটি নিজেকে অবিবাহিত বলে উল্লেখ করেছেন।
২০২৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তার ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকায় কালবেলার পক্ষ থেকে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ছবি দেখে বোঝা গেছে, তার পরিবারও জামায়াত ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছবিতে জামায়াতের ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে থাকা পরিবারের এক সদস্যের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।’
সংবাদসূত্র: দৈনিক কালবেলা।

১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:২২
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ও ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ও ৪৫ বছর ধরে পলাতক অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে। পরে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৬ হাজার ভোটের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের ও অসংগতির অভিযোগ তুলে আইনি ভিত্তি পাওয়া গেলে ভোট পুনর্গণনার আবেদনের চিন্তার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী (বেসরকারিভাবে) মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটিক সিস্টেম এবং পার্লামেন্টারি সিস্টেম অব ডেমোক্র্যাসিতে নির্বাচনই হচ্ছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বৈধ পথ। এজন্য আমরা সবসময় নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। এবারের নির্বাচনকেও আমরা সেভাবেই গ্রহণ করেছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বচ্ছ, অবাধ নির্বাচনের জন্য সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যদিও চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি, তবুও বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল বিভিন্ন পর্যায়ের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, দুই উপজেলার ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ভোট গণনার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের কাছে থাকা শিটের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের অফিসের ফলাফলের মধ্যে কিছু অসংগতি লক্ষ করেছেন নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানের কারণে আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। আইনি ভিত্তি পেলে পুনর্গণনার আবেদন করার চিন্তা করছি।
জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, প্রায় ৬ হাজারের বেশি ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব ভোট যৌক্তিক কারণে ও বিধি অনুযায়ী বাতিল হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যালটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করার আবেদন করার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি।
তিনি আরও বলেন, কোথাও ওভাররাইটিং, ভোটের অঙ্ক লেখায় ভুল বা গণনার ত্রুটি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পুনর্গণনার মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় দেড় লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। অল্প ব্যবধানে ফলাফল হওয়ায় বিষয়টি অনেকের কাছেই প্রশ্ন তৈরি করছে। সামান্য এক হাজারের মতো ভোটের ব্যবধান, এটা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। হয় ৬ হাজার বাতিল ভোট পরীক্ষা করা দরকার, অথবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনা হওয়া দরকার।
ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মনোবল হারানোর কিছু নেই। জয়-পরাজয় রাজনীতির অংশ হলেও তিনি নিজেকে নৈতিকভাবে পরাজিত মনে করেন না। আমি কোনো অন্যায় করিনি, অসৎ পথ অবলম্বন করিনি, মানুষের ওপর জুলুম করিনি, কালো টাকা বা শক্তি প্রয়োগ করে মানুষের রায় নেওয়ার চেষ্টা করিনি, সেই দিক থেকে আমি বিজয়ী।
বরিশাল টাইমস