
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২০:৪৫
লাল, নীল, সবুজ ও হলুদ বাতির ঝলমল আলোয় নদীটি এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে নদীর বুক জুড়ে জ্বলে ওঠে মাছ ধরা ট্রলারের রঙিন বাতির ঝলকানি। দূর থেকে মনে হয় নদীর বুকে বসেছে কোনো আলোর মেলা।
জেলেদের কোলাহল, জালের শব্দ আর ইঞ্জিনের গর্জন মিলিয়ে নদীটি যেন পরিণত হয় শ্রম, আশা আর সংগ্রামের প্রতীকে। সন্ধ্যার পরে মনভোলানো এ সৌন্দর্য আকর্ষণ করে যে কাউকে।
তাই তো নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন নদীর তীরে। এটি পটুয়াখালী জেলার মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুরের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত খাপড়াভাঙ্গা নদী। অনেকের কাছে শিববাড়িয়া নদী নামেও পরিচিত।
নদীটির দুই তীরে অবস্থিত মহিপুর-আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। সমুদ্রে মাছ ধরা অবস্থায় বৈরী আবহাওয়া বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বঙ্গোপসাগর থেকে জেলেরা দ্রুত আশ্রয় নেয় এ নদীতে। ফলে নদীটি জেলেদের কাছে পোতাশ্রয় নামেও পরিচিতি লাভ করেছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব ট্রলার নদীর বুকে ভেসে থাকায় এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতে নদীর দৃশ্য যেন অন্য এক রূপ নেয়। লাল, সবুজ, নীল বাতির আলোয় মুখরিত হয়ে ওঠে নদীর বুক।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে শতশত মানুষ এই দৃশ্য উপভোগ করতে আসেন প্রতি সন্ধ্যায় ।অনেকে মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও ও সেলফি তুলে ছড়িয়ে দেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ধীরে ধীরে স্থানীয়দের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় কুয়াকাটা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদের সাথে। তিনি বলেন, আলীপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর, খাপড়াভাঙ্গা নদীটি চমৎকার একটি পর্যটন স্পট হতে পারে। এই নদীটিতে কিছু প্রমোদতরী ভাসতে পারে।
যাতে পর্যটকরা নদীটির দু’মাথার আন্ধারমানিক ও রামনাবাদ মোহনায় যেতে পারে। নদীটির দু’পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ছাতা বেঞ্চ বসানোর ব্যবস্থা করতে পারলে আকর্ষণ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, নদীর পাড়ে নির্দিষ্ট একটি জায়গায় স্টল করে সকাল-সন্ধ্যা মাছের দোকান বসালে পর্যটকরা তাজা মাছ কেনার পাশাপাশি সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পরিচয় জানতে পারবে।
সর্বোপরি পরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে খাপড়াভাঙ্গা নদীটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করতে পারলে সাগরকন্যা কুয়াকাটা পাবে আরও একটি দর্শনীয় পর্যটন স্পট এবং দেশী-বিদেশী ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব হাওলাদার বলেন, এখন সন্ধ্যা নামলেই মনে হয় নদীর মাঝখানে একটা শহর জেগে উঠেছে। বাতিগুলোর ঝলকানি নদীকে যেন অন্য রকম রূপ দিয়েছে।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুতে ঘুরতে আসা কুয়াকাটা থেকে আগত পর্যটক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে শুধু এই দৃশ্য দেখার জন্য এখানে এসেছি। সত্যি অসাধারণ লেগেছে।
সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে ফুচকা দোকানী জসিম মোল্লা বলেন, আগে শুধু ট্রলার ভীড়ত, এখন সন্ধ্যা নামলেই মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। আমাদের ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।
পর্যটক মাহমুদা আক্তার বলেন, এ দৃশ্যটাকে ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। মনে হয় নদীর মধ্যে আলোকসজ্জা করা শহর ভাসছে। আমি ভিডিও করে পরিবারের সবাইকে পাঠিয়েছি।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, খাপড়াভাঙ্গা সেতুর দু'পাশে সন্ধ্যার পরের দৃশ্যটি অত্যন্ত মনোরম।
এটি আগত পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য স্থানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রজাতির খাবারগুলো ভাসমান দোকান আকারে রেস্টুরেন্টের করলে পর্যটকরা এই স্পটে আসবে। পাশাপাশি ট্রলারের মাধ্যমে নদীর মোহনাগুলো ঘুরে দেখার ব্যবস্থা হলে এই স্পটটি আরো আকর্ষণীয় হবে। এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলব।
লাল, নীল, সবুজ ও হলুদ বাতির ঝলমল আলোয় নদীটি এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে নদীর বুক জুড়ে জ্বলে ওঠে মাছ ধরা ট্রলারের রঙিন বাতির ঝলকানি। দূর থেকে মনে হয় নদীর বুকে বসেছে কোনো আলোর মেলা।
জেলেদের কোলাহল, জালের শব্দ আর ইঞ্জিনের গর্জন মিলিয়ে নদীটি যেন পরিণত হয় শ্রম, আশা আর সংগ্রামের প্রতীকে। সন্ধ্যার পরে মনভোলানো এ সৌন্দর্য আকর্ষণ করে যে কাউকে।
তাই তো নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন নদীর তীরে। এটি পটুয়াখালী জেলার মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুরের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত খাপড়াভাঙ্গা নদী। অনেকের কাছে শিববাড়িয়া নদী নামেও পরিচিত।
নদীটির দুই তীরে অবস্থিত মহিপুর-আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। সমুদ্রে মাছ ধরা অবস্থায় বৈরী আবহাওয়া বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বঙ্গোপসাগর থেকে জেলেরা দ্রুত আশ্রয় নেয় এ নদীতে। ফলে নদীটি জেলেদের কাছে পোতাশ্রয় নামেও পরিচিতি লাভ করেছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব ট্রলার নদীর বুকে ভেসে থাকায় এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতে নদীর দৃশ্য যেন অন্য এক রূপ নেয়। লাল, সবুজ, নীল বাতির আলোয় মুখরিত হয়ে ওঠে নদীর বুক।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে শতশত মানুষ এই দৃশ্য উপভোগ করতে আসেন প্রতি সন্ধ্যায় ।অনেকে মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও ও সেলফি তুলে ছড়িয়ে দেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ধীরে ধীরে স্থানীয়দের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় কুয়াকাটা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদের সাথে। তিনি বলেন, আলীপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর, খাপড়াভাঙ্গা নদীটি চমৎকার একটি পর্যটন স্পট হতে পারে। এই নদীটিতে কিছু প্রমোদতরী ভাসতে পারে।
যাতে পর্যটকরা নদীটির দু’মাথার আন্ধারমানিক ও রামনাবাদ মোহনায় যেতে পারে। নদীটির দু’পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ছাতা বেঞ্চ বসানোর ব্যবস্থা করতে পারলে আকর্ষণ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, নদীর পাড়ে নির্দিষ্ট একটি জায়গায় স্টল করে সকাল-সন্ধ্যা মাছের দোকান বসালে পর্যটকরা তাজা মাছ কেনার পাশাপাশি সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পরিচয় জানতে পারবে।
সর্বোপরি পরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে খাপড়াভাঙ্গা নদীটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করতে পারলে সাগরকন্যা কুয়াকাটা পাবে আরও একটি দর্শনীয় পর্যটন স্পট এবং দেশী-বিদেশী ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব হাওলাদার বলেন, এখন সন্ধ্যা নামলেই মনে হয় নদীর মাঝখানে একটা শহর জেগে উঠেছে। বাতিগুলোর ঝলকানি নদীকে যেন অন্য রকম রূপ দিয়েছে।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুতে ঘুরতে আসা কুয়াকাটা থেকে আগত পর্যটক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে শুধু এই দৃশ্য দেখার জন্য এখানে এসেছি। সত্যি অসাধারণ লেগেছে।
সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে ফুচকা দোকানী জসিম মোল্লা বলেন, আগে শুধু ট্রলার ভীড়ত, এখন সন্ধ্যা নামলেই মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। আমাদের ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।
পর্যটক মাহমুদা আক্তার বলেন, এ দৃশ্যটাকে ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। মনে হয় নদীর মধ্যে আলোকসজ্জা করা শহর ভাসছে। আমি ভিডিও করে পরিবারের সবাইকে পাঠিয়েছি।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, খাপড়াভাঙ্গা সেতুর দু'পাশে সন্ধ্যার পরের দৃশ্যটি অত্যন্ত মনোরম।
এটি আগত পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য স্থানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রজাতির খাবারগুলো ভাসমান দোকান আকারে রেস্টুরেন্টের করলে পর্যটকরা এই স্পটে আসবে। পাশাপাশি ট্রলারের মাধ্যমে নদীর মোহনাগুলো ঘুরে দেখার ব্যবস্থা হলে এই স্পটটি আরো আকর্ষণীয় হবে। এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলব।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনের অন্তর্গত মির্জাগঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত ‘যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিম- পটুয়াখালী-০১’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সমন্বয়ক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী।
প্রধান অতিথি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা শেষ না হওয়া এবং কাঙ্খিত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। মির্জাগঞ্জকে একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখানে ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট নিশ্চিত করতে হবে এবং এর মধ্যে অন্তত ৭৫ শতাংশ ভোট আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।”
তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ.বি.এম মহসিন বিশ্বাস নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। ভোটারদের কাছে, বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে অত্যন্ত মার্জিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং বিএনপির লক্ষ্য ও আদর্শ পৌঁছে দিতে হবে। ছদ্মবেশী রাজনৈতিক শক্তির সমালোচনা করে মহসিন বিশ্বাস আরও বলেন, "একটি পক্ষ ইসলামী দলের পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে মওদুদীবাদীরা কখনও প্রকৃত ইসলাম শক্তি হতে পারে না। তারা যাতে ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেদিকে যুবদলের প্রতিটি কর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী রাশেদ সামস-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব গাজী আতাউর রহমান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,খন্দকার মো. রিয়াজ,অ্যাডভোকেট এম.এ মজিদ (মানিক),সাইফ খান মিজান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন, সিদ্দিক চৌধুরী ও আব্দুর রহিম চান। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.)
আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে বিএনপির উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনের অন্তর্গত মির্জাগঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত ‘যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিম- পটুয়াখালী-০১’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সমন্বয়ক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী।
প্রধান অতিথি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা শেষ না হওয়া এবং কাঙ্খিত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। মির্জাগঞ্জকে একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখানে ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট নিশ্চিত করতে হবে এবং এর মধ্যে অন্তত ৭৫ শতাংশ ভোট আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।”
তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ.বি.এম মহসিন বিশ্বাস নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। ভোটারদের কাছে, বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে অত্যন্ত মার্জিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং বিএনপির লক্ষ্য ও আদর্শ পৌঁছে দিতে হবে। ছদ্মবেশী রাজনৈতিক শক্তির সমালোচনা করে মহসিন বিশ্বাস আরও বলেন, "একটি পক্ষ ইসলামী দলের পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে মওদুদীবাদীরা কখনও প্রকৃত ইসলাম শক্তি হতে পারে না। তারা যাতে ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেদিকে যুবদলের প্রতিটি কর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী রাশেদ সামস-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব গাজী আতাউর রহমান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,খন্দকার মো. রিয়াজ,অ্যাডভোকেট এম.এ মজিদ (মানিক),সাইফ খান মিজান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন, সিদ্দিক চৌধুরী ও আব্দুর রহিম চান। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.)
আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে বিএনপির উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেবে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ না ভোটের ব্যালট পেপার রেখেছে নির্বাচন কমিশন। হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানা নেই পটুয়াখালী-২ বাউফল উপজেলার গ্রামগঞ্জের অধিকাংশ নারী- পুরুষ ভোটারদের।
বাউফল উপজেলার সরকারি অফিসগুলোর মাধ্যমে লম্বা আকাঁরের ব্যানার ঝুলিয়ে হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানান দেয়া হচ্ছে। তবে গ্রামগঞ্জের সাধারন নারী - পরুষ ভোটারদের হ্যাঁ এবং না ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চোঁখে পরার মতো নয়। এ উপজেলার সাধারন ভোটারদের ধারনা দলীয় প্রতীক অথবা মার্কায় ভোট দিতে হবে।
এর সাথে এবার হ্যাঁ এবং না ভোটের ব্যালোটের কথা শুনা যাচ্ছে। না ভোট অথবা হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অধিকাংশ ভোটার। কেউ কেউ বলছেন হ্যাঁ ভোট দিলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে। জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের শাসন নিশ্চিত করাই এই এবারের ভোটারদের মূল লক্ষ্য।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সিপিবি, বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের অংশীদার দলগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দিলেও জুলাই সনদে সই করেনি। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছে এবং গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারগুলোকে চারটি প্রশ্নের একটি প্যাকেজে এনে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক। গণভোটে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়নি।
এতে প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। জুলাই সনদের ঐকমত্যের দ্বাবী করেন। হ্যাঁ ভোট দিলে আগামী ৫০ বছর আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি এবং গুম খুনের মতো ঘর্টনা আর ঘটবে না। এদিকে বাউফলের দলীয় প্রর্থীরা নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্তু হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছেন প্রার্থীরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ না ভোটের ব্যালট পেপার রেখেছে নির্বাচন কমিশন। হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানা নেই পটুয়াখালী-২ বাউফল উপজেলার গ্রামগঞ্জের অধিকাংশ নারী- পুরুষ ভোটারদের।
বাউফল উপজেলার সরকারি অফিসগুলোর মাধ্যমে লম্বা আকাঁরের ব্যানার ঝুলিয়ে হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানান দেয়া হচ্ছে। তবে গ্রামগঞ্জের সাধারন নারী - পরুষ ভোটারদের হ্যাঁ এবং না ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চোঁখে পরার মতো নয়। এ উপজেলার সাধারন ভোটারদের ধারনা দলীয় প্রতীক অথবা মার্কায় ভোট দিতে হবে।
এর সাথে এবার হ্যাঁ এবং না ভোটের ব্যালোটের কথা শুনা যাচ্ছে। না ভোট অথবা হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অধিকাংশ ভোটার। কেউ কেউ বলছেন হ্যাঁ ভোট দিলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে। জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের শাসন নিশ্চিত করাই এই এবারের ভোটারদের মূল লক্ষ্য।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সিপিবি, বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের অংশীদার দলগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দিলেও জুলাই সনদে সই করেনি। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছে এবং গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারগুলোকে চারটি প্রশ্নের একটি প্যাকেজে এনে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক। গণভোটে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়নি।
এতে প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। জুলাই সনদের ঐকমত্যের দ্বাবী করেন। হ্যাঁ ভোট দিলে আগামী ৫০ বছর আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি এবং গুম খুনের মতো ঘর্টনা আর ঘটবে না। এদিকে বাউফলের দলীয় প্রর্থীরা নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্তু হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছেন প্রার্থীরা।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও পটুয়াখালী সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস-মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে দুমকি উপজেলার একে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন। এছাড়াও বক্তব্য দেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ খান বায়েজীদ পান্না, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিচ জাহান শিরিন ও সাবেক জেলা প্রশাসক জব্বার ফারুক।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জসিম হাওলাদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। সভাটি সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান দিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনতে হবে এবং সে পরিবর্তনের প্রতীক হলো ধানের শীষ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও পটুয়াখালী সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস-মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে দুমকি উপজেলার একে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন। এছাড়াও বক্তব্য দেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ খান বায়েজীদ পান্না, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিচ জাহান শিরিন ও সাবেক জেলা প্রশাসক জব্বার ফারুক।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জসিম হাওলাদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। সভাটি সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান দিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনতে হবে এবং সে পরিবর্তনের প্রতীক হলো ধানের শীষ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১