
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৭
কলকাতার গায়িকা দেবলীনা নন্দী। তাঁর সুরের জাদুতে মুগ্ধ শ্রোতারা। একরাশ হাসি, প্রাণোচ্ছ্বাস আর মিষ্টি কণ্ঠেই অনুরাগীদের কাছে তাঁর পরিচয়। কখনও ঝলমলে মঞ্চে গান, কখনও আবার ঘরোয়া ভ্লগে একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতো সহজ-সরল উপস্থিতি।
বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, তাঁর জীবন বুঝি শুধুই সুখ আর সাফল্যের গল্প। কিন্তু সেই ধারণায় এবার চিড় ধরালেন স্বয়ং দেবলীনা। নিজের অজানা কষ্টের কথা সামনে এনে জানালেন, কীভাবে নীরবে তিলে তিলে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন দেবলীনা।
এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গায়িকার আরোগ্য কামনায় তাঁর অনুরাগীরা। ২০২৪-এ পেশায় এক পাইলটের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। আপাতদৃষ্টিতে যে সম্পর্ককে রূপকথা মনে হত, তা-ই যেন দেবলীনার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াল। ফেসবুক লাইভে এসে যাবতীয় ক্ষোভ-দুঃখ ঢেলে দিলেন তিনি।
দেবলীনার কথায়, স্বামীর পরিবারের চাপেই ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। একসময় তাঁকে এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সংসার আর নিজের মায়ের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গায়িকার অভিযোগ, তাঁর গানের ক্যারিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এই টানাপোড়েন ও মানসিক চাপই ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নেয়, যা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
লাইভে এসে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মেয়ে আর ছেলের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? একটা ছেলে কি সংসার আর পেশার মধ্যে কেন একটা বেছে নিতে বলা হয় না? মেয়েদের ক্ষেত্রেই কেন এটা হয়? মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে বলে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব শেষ? আমার মাকে নিয়ে অনেকের অনেক সমস্যা। সেটা আমার মা-ও জানে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে, আমার মা নাকি দেখতে ভাল না। দ্বিতীয় হল, মা নাকি পড়াশোনা জানে না। তৃতীয়, আমার মা নাকি যা বলে, মুখে উপর বলে। এটা নিয়ে কাছের লোক, দূরের লোক সকলেরই সমস্যা। এবার সমস্যা হল, আমার মাকে তাদের পোষায় না বলে, আমি মাকে ছেড়ে দেব। মা জাহান্নামে যাক, আমায় মাকে ছেড়ে দিতে হবে।”
এখানেই থামেন না দেবলীনা। জানান, যে মা তাঁকে জীবনে সফল হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছেন, তাঁকে ত্যাগের কথা তাঁর ভাবনাতীত। দুই পরিবারকে একই রকম গুরুত্ব দেওয়া সত্ত্বেও নাকি সন্তুষ্ট হয়নি গায়িকার স্বামীর পরিবার। শেষে তিনি বলেন, “আমি ভাল নেই। এই কথাটা বলতে বুকে অনেক সাহস লাগে। আজ বললাম। আমি সারাক্ষণ ভাল থাকার নাটক করি। কিন্তু আমি খুশি নেই। শুধু ভান করি। জীবনের ভাল জিনিসগুলোই সকলের সঙ্গে শেয়ার করার চেষ্টা করি। কিন্তু এবার আমি হাঁপিয়ে গিয়েছি। একটা সীমা থাকে। সেই সীমা পার হয়ে গিয়েছে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। ইতি টানা দরকার।”
কলকাতার গায়িকা দেবলীনা নন্দী। তাঁর সুরের জাদুতে মুগ্ধ শ্রোতারা। একরাশ হাসি, প্রাণোচ্ছ্বাস আর মিষ্টি কণ্ঠেই অনুরাগীদের কাছে তাঁর পরিচয়। কখনও ঝলমলে মঞ্চে গান, কখনও আবার ঘরোয়া ভ্লগে একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতো সহজ-সরল উপস্থিতি।
বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, তাঁর জীবন বুঝি শুধুই সুখ আর সাফল্যের গল্প। কিন্তু সেই ধারণায় এবার চিড় ধরালেন স্বয়ং দেবলীনা। নিজের অজানা কষ্টের কথা সামনে এনে জানালেন, কীভাবে নীরবে তিলে তিলে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন দেবলীনা।
এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গায়িকার আরোগ্য কামনায় তাঁর অনুরাগীরা। ২০২৪-এ পেশায় এক পাইলটের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। আপাতদৃষ্টিতে যে সম্পর্ককে রূপকথা মনে হত, তা-ই যেন দেবলীনার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়াল। ফেসবুক লাইভে এসে যাবতীয় ক্ষোভ-দুঃখ ঢেলে দিলেন তিনি।
দেবলীনার কথায়, স্বামীর পরিবারের চাপেই ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিলেন তিনি। একসময় তাঁকে এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সংসার আর নিজের মায়ের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, গায়িকার অভিযোগ, তাঁর গানের ক্যারিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এই টানাপোড়েন ও মানসিক চাপই ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নেয়, যা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
লাইভে এসে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মেয়ে আর ছেলের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? একটা ছেলে কি সংসার আর পেশার মধ্যে কেন একটা বেছে নিতে বলা হয় না? মেয়েদের ক্ষেত্রেই কেন এটা হয়? মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে বলে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব শেষ? আমার মাকে নিয়ে অনেকের অনেক সমস্যা। সেটা আমার মা-ও জানে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে, আমার মা নাকি দেখতে ভাল না। দ্বিতীয় হল, মা নাকি পড়াশোনা জানে না। তৃতীয়, আমার মা নাকি যা বলে, মুখে উপর বলে। এটা নিয়ে কাছের লোক, দূরের লোক সকলেরই সমস্যা। এবার সমস্যা হল, আমার মাকে তাদের পোষায় না বলে, আমি মাকে ছেড়ে দেব। মা জাহান্নামে যাক, আমায় মাকে ছেড়ে দিতে হবে।”
এখানেই থামেন না দেবলীনা। জানান, যে মা তাঁকে জীবনে সফল হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছেন, তাঁকে ত্যাগের কথা তাঁর ভাবনাতীত। দুই পরিবারকে একই রকম গুরুত্ব দেওয়া সত্ত্বেও নাকি সন্তুষ্ট হয়নি গায়িকার স্বামীর পরিবার। শেষে তিনি বলেন, “আমি ভাল নেই। এই কথাটা বলতে বুকে অনেক সাহস লাগে। আজ বললাম। আমি সারাক্ষণ ভাল থাকার নাটক করি। কিন্তু আমি খুশি নেই। শুধু ভান করি। জীবনের ভাল জিনিসগুলোই সকলের সঙ্গে শেয়ার করার চেষ্টা করি। কিন্তু এবার আমি হাঁপিয়ে গিয়েছি। একটা সীমা থাকে। সেই সীমা পার হয়ে গিয়েছে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। ইতি টানা দরকার।”

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৩
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.