
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:১৯
ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবার মেজর লিগ সকার (এমএলএস) জিতেছে ইন্টার মায়ামি। বৃহস্পতিবার পুরো দলকে হোয়াইট হাউজে অভ্যর্থনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় মেসিকে ট্রাম্প বলেন, আমার ছেলে আপনার অনেক বড় একজন ভক্ত।
ট্রাম্প ও মায়ামির যৌথ মালিক জর্জে মাসের সঙ্গে ইস্ট রুমে প্রবেশ করেন মেসি। তারপর নিজের সই করা একটি মায়ামি গোলাপি বল প্রেসিডেন্টকে উপহার দেন। এছাড়া একটি মায়ামি জার্সি ও ঘড়ি উপহার পান তিনি মাস ও প্রধান কোচ জাভিয়ের মাসচেরানোর কাছ থেকে।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথমবার হোয়াইট হাউজে গেলেন মেসি। আরেক ফুটবল তারকা ও তার দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো গত নভেম্বরে সেখানে একটি নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন।
মেসি ও মাসসহ পুরো মায়ামি স্কোয়াডকে পেছনে রেখে ট্রাম্প বলেন, আমরা সত্যিকারের প্রতিভাবান মানুষদের সম্মানিত করছি। আমি বলতে খুব গর্ব হচ্ছে যে আগে কোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট যেটা বলতে পারেনি, সেটাই বলতে পারছি আমি : ‘লিওনেল মেসি, আপনাকে হোয়াইট হাউজে স্বাগতম।
তিনি বলে গেলেন, আমার ছেলে বলেছিল, ‘বাবা, তুমি কি জানো আজ এখানে কে আসতে যাচ্ছে?’ আমি বললাম, ‘না, অনেক কিছুই তো হচ্ছে।’ সে বলল ‘মেসি’।
ছেলের মেসি ভক্তের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বললেন, তিনি আপনার অনেক বড় একজন ভক্ত। তিনি মনে করেন আপনি একজন অসাধারণ মানুষ। এবং আমার ধারণা কিছুক্ষণ আগে আপনাদের দেখাও হয়েছে। তো তিনি ফুটবলের অনেক বড় ভক্ত, তবে তিনি আপনারও একনিষ্ঠ ভক্ত। আর রোনালদো নামের একজন ভদ্রলোকও (ভক্ত)। ক্রিস্টিয়ানো দারুণ। আপনিও দারুণ।
গত ৬ ডিসেম্বর এমএলএস কাপ জিতেছিল মায়ামি। টানা দ্বিতীয় মৌসুম মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার হন মেসি। তাকে নিয়ে ট্রাম্পের আরও কথা, লিও আপনি এসেছেন এবং জিতেছেন। এমন কিছু করা সত্যিই খুব, খুব কঠিন। এটা অস্বাভাবিক। সত্যি বলতে, আপনার ওপর অনেক বেশি চাপ ছিল, যা আপনার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। কারণ আপনার কাছে জয়ের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু প্রায় কেউই জিততে পারে না।
মায়ামির তারকাদের মধ্যে লুইস সুয়ারেজ ও রদ্রিগো দে পলও ছিলেন। অভ্যর্থনার পর ট্রাম্প পুরো দলকে ওভাল অফিসে আমন্ত্রণ জানান। হোয়াইট হাউজে চ্যাম্পিয়নশিপ দলকে অভ্যর্থনার জানানোর দীর্ঘদিনের রীতি আছে। সেই ধারাবাহিকতায় মেসির পা পড়ল হোয়াইট হাউজে।
বরিশাল টাইমস
ইন্টার মায়ামি দলের সঙ্গে ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত
ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবার মেজর লিগ সকার (এমএলএস) জিতেছে ইন্টার মায়ামি। বৃহস্পতিবার পুরো দলকে হোয়াইট হাউজে অভ্যর্থনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় মেসিকে ট্রাম্প বলেন, আমার ছেলে আপনার অনেক বড় একজন ভক্ত।
ট্রাম্প ও মায়ামির যৌথ মালিক জর্জে মাসের সঙ্গে ইস্ট রুমে প্রবেশ করেন মেসি। তারপর নিজের সই করা একটি মায়ামি গোলাপি বল প্রেসিডেন্টকে উপহার দেন। এছাড়া একটি মায়ামি জার্সি ও ঘড়ি উপহার পান তিনি মাস ও প্রধান কোচ জাভিয়ের মাসচেরানোর কাছ থেকে।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথমবার হোয়াইট হাউজে গেলেন মেসি। আরেক ফুটবল তারকা ও তার দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো গত নভেম্বরে সেখানে একটি নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন।
মেসি ও মাসসহ পুরো মায়ামি স্কোয়াডকে পেছনে রেখে ট্রাম্প বলেন, আমরা সত্যিকারের প্রতিভাবান মানুষদের সম্মানিত করছি। আমি বলতে খুব গর্ব হচ্ছে যে আগে কোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট যেটা বলতে পারেনি, সেটাই বলতে পারছি আমি : ‘লিওনেল মেসি, আপনাকে হোয়াইট হাউজে স্বাগতম।
তিনি বলে গেলেন, আমার ছেলে বলেছিল, ‘বাবা, তুমি কি জানো আজ এখানে কে আসতে যাচ্ছে?’ আমি বললাম, ‘না, অনেক কিছুই তো হচ্ছে।’ সে বলল ‘মেসি’।
ছেলের মেসি ভক্তের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বললেন, তিনি আপনার অনেক বড় একজন ভক্ত। তিনি মনে করেন আপনি একজন অসাধারণ মানুষ। এবং আমার ধারণা কিছুক্ষণ আগে আপনাদের দেখাও হয়েছে। তো তিনি ফুটবলের অনেক বড় ভক্ত, তবে তিনি আপনারও একনিষ্ঠ ভক্ত। আর রোনালদো নামের একজন ভদ্রলোকও (ভক্ত)। ক্রিস্টিয়ানো দারুণ। আপনিও দারুণ।
গত ৬ ডিসেম্বর এমএলএস কাপ জিতেছিল মায়ামি। টানা দ্বিতীয় মৌসুম মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার হন মেসি। তাকে নিয়ে ট্রাম্পের আরও কথা, লিও আপনি এসেছেন এবং জিতেছেন। এমন কিছু করা সত্যিই খুব, খুব কঠিন। এটা অস্বাভাবিক। সত্যি বলতে, আপনার ওপর অনেক বেশি চাপ ছিল, যা আপনার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। কারণ আপনার কাছে জয়ের প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু প্রায় কেউই জিততে পারে না।
মায়ামির তারকাদের মধ্যে লুইস সুয়ারেজ ও রদ্রিগো দে পলও ছিলেন। অভ্যর্থনার পর ট্রাম্প পুরো দলকে ওভাল অফিসে আমন্ত্রণ জানান। হোয়াইট হাউজে চ্যাম্পিয়নশিপ দলকে অভ্যর্থনার জানানোর দীর্ঘদিনের রীতি আছে। সেই ধারাবাহিকতায় মেসির পা পড়ল হোয়াইট হাউজে।
বরিশাল টাইমস

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩