
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজারে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোলা জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এ কথাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল সন্ধ্যার পর প্রায় এক ঘণ্টা রায়চাঁদবাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন উভয়পক্ষের লোকজন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া একপক্ষ নৌবাহিনীর গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৯ থেকে ১০ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির আবদুল হক, সেক্রেটারি জেনারেল মো. রুহুল আমিনসহ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুহা. নিজামুল হক বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেলা ১১টার দিকে এক নারী নেত্রী বাড়ি ফেরার সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি কর্মী রুবেল তাঁকে লাঞ্ছিত করেন এবং অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। ওই নারীর স্বামী মো. জসিম উদ্দিন রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতের কর্মী। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি মুঠোফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকেও গালাগালি, পরে এলে মারধর করা হয়। বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে যান। পরে আবার ঝামেলা হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নিজামুল হক অভিযোগ করেন, তিনি স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে বাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে বিএনপির দুই শতাধিক কর্মী তাদের ওপর হামলা করেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে নৌবাহিনী এসে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, জামায়াত নেতারা ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমিত করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে আসেন। পরে আবার সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও স্থানীয় মুরব্বি নান্নু মাস্টারসহ ১৫-১৬ জন বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন। এখানে তাঁর উপস্থিতিতে কিছুই হয়নি, তিনি কোনো নির্দেশও দেননি। জামায়াত বলে বেড়াচ্ছে যে তাঁর নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এটি মিথ্যা। এ বিষয়ে তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, রায়চাঁদবাজারে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সকালের দিকে জামায়াতের নারী কর্মীদের যে দাওয়াতি কাজ হয়েছে, সেটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, সেটা পরে রাতে প্রশমিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি, তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও জামায়াত রায়চাঁদবাজারে লোক জমায়েত করেছে। বাজারের ভেতর রাস্তা সংস্কারের জন্য ইট তুলে রেখেছে। দুই পক্ষ দুই পক্ষের দিকে সেই ইট ছুড়ে মারে। এতে আহত ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি, তবে অভিযোগ দেবে। ঘটনাস্থল থেকে কেউ আটক হয়নি।’
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজারে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোলা জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এ কথাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল সন্ধ্যার পর প্রায় এক ঘণ্টা রায়চাঁদবাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন উভয়পক্ষের লোকজন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া একপক্ষ নৌবাহিনীর গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৯ থেকে ১০ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির আবদুল হক, সেক্রেটারি জেনারেল মো. রুহুল আমিনসহ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুহা. নিজামুল হক বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেলা ১১টার দিকে এক নারী নেত্রী বাড়ি ফেরার সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি কর্মী রুবেল তাঁকে লাঞ্ছিত করেন এবং অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। ওই নারীর স্বামী মো. জসিম উদ্দিন রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতের কর্মী। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি মুঠোফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকেও গালাগালি, পরে এলে মারধর করা হয়। বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে যান। পরে আবার ঝামেলা হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নিজামুল হক অভিযোগ করেন, তিনি স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে বাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে বিএনপির দুই শতাধিক কর্মী তাদের ওপর হামলা করেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে নৌবাহিনী এসে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, জামায়াত নেতারা ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমিত করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে আসেন। পরে আবার সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও স্থানীয় মুরব্বি নান্নু মাস্টারসহ ১৫-১৬ জন বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন। এখানে তাঁর উপস্থিতিতে কিছুই হয়নি, তিনি কোনো নির্দেশও দেননি। জামায়াত বলে বেড়াচ্ছে যে তাঁর নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এটি মিথ্যা। এ বিষয়ে তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, রায়চাঁদবাজারে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সকালের দিকে জামায়াতের নারী কর্মীদের যে দাওয়াতি কাজ হয়েছে, সেটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, সেটা পরে রাতে প্রশমিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি, তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও জামায়াত রায়চাঁদবাজারে লোক জমায়েত করেছে। বাজারের ভেতর রাস্তা সংস্কারের জন্য ইট তুলে রেখেছে। দুই পক্ষ দুই পক্ষের দিকে সেই ইট ছুড়ে মারে। এতে আহত ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি, তবে অভিযোগ দেবে। ঘটনাস্থল থেকে কেউ আটক হয়নি।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৪
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯