
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩১
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৩
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০২

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৮
নির্বাচনি পরীক্ষায় (টেস্ট) সব বিষয়ে ফেল তারপরও এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূর্ণ না করে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে আসিকুর রহমান। এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ফরমপূর্ণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্ত শিক্ষা বোর্ড কিভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র আশিকুর রহমানের প্রবেশপত্র ছাড় করলেন এ মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলেন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে (৩৫১) উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনী পরীক্ষায় ১৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিলে কৃতকার্যের সাথে ফরম পূর্ণ করে ১০২ জন।
যার মধ্যে আসিকুর রহমানের নাম নেই। বাবার নাম : জামাল হোসেন, মাতার নাম : নার্গিস পারভিন। বোর্ডের অনলাইন চালু থাকার পর কিভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ম্যানুয়ালে পদ্ধতিতে ফরম পূর্ণ করে আসিক তা অধ্যক্ষের বোধগম্য নয় এবং তিনি কাগজপত্র দেননি তা বোর্ডের অভিযোগে উল্লেখ করেন।
আসিকুর রহমান যখন বোর্ড থেকে হাতে হাতে প্রবেশপত্র আনে তখন আ: লতিফ মিয়াসহ ৪৪ জন অকৃতকার্যের অভিভাবকরা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে তোপের মুখে পড়েন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
এ ব্যাপারে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন জানান, উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আসিকুর রহমান মানবিক শাখা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তার রোল নম্বর ৯৯০০৩২, তার রেজি : ২৩১৫১৯৪৭১৪, বোর্ড থেকে নামের হাজিরা সিটে তার নাম নাই। কিন্তু তার প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রশন কার্ড আছে বিধায় হাজিরা সীট তৈরী করে স্বাক্ষর নিচ্ছি।
উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: মাহফুজুর রহমান বলেন, বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওই ছাত্রকে নিয়ে আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম সহিদুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অভিভাবকসহ আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নির্বাচনি পরীক্ষায় (টেস্ট) সব বিষয়ে ফেল তারপরও এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূর্ণ না করে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে আসিকুর রহমান। এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ফরমপূর্ণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্ত শিক্ষা বোর্ড কিভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র আশিকুর রহমানের প্রবেশপত্র ছাড় করলেন এ মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলেন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে (৩৫১) উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনী পরীক্ষায় ১৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিলে কৃতকার্যের সাথে ফরম পূর্ণ করে ১০২ জন।
যার মধ্যে আসিকুর রহমানের নাম নেই। বাবার নাম : জামাল হোসেন, মাতার নাম : নার্গিস পারভিন। বোর্ডের অনলাইন চালু থাকার পর কিভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ম্যানুয়ালে পদ্ধতিতে ফরম পূর্ণ করে আসিক তা অধ্যক্ষের বোধগম্য নয় এবং তিনি কাগজপত্র দেননি তা বোর্ডের অভিযোগে উল্লেখ করেন।
আসিকুর রহমান যখন বোর্ড থেকে হাতে হাতে প্রবেশপত্র আনে তখন আ: লতিফ মিয়াসহ ৪৪ জন অকৃতকার্যের অভিভাবকরা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে তোপের মুখে পড়েন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
এ ব্যাপারে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন জানান, উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আসিকুর রহমান মানবিক শাখা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তার রোল নম্বর ৯৯০০৩২, তার রেজি : ২৩১৫১৯৪৭১৪, বোর্ড থেকে নামের হাজিরা সিটে তার নাম নাই। কিন্তু তার প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রশন কার্ড আছে বিধায় হাজিরা সীট তৈরী করে স্বাক্ষর নিচ্ছি।
উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: মাহফুজুর রহমান বলেন, বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওই ছাত্রকে নিয়ে আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম সহিদুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অভিভাবকসহ আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.