
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৬
মাদারীপুরের ডাসারে জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনশনরত স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্রের ঘরে ফিরেছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। শনিবার (০৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রাম থেকে স্বামীর বাড়িতে ফিরে যান তিনি। এর আগে গত চার দিন ধরে স্ত্রীর বাড়িতে অনশন করছিলেন স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্র।
জানা গেছে, ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ বছর আগে প্রেমিক বিশ্বজিৎ পাত্রকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অনুশীলা বাড়ৈ। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তার ভালবাসার মানুষটির সকল আবদার পূরণ করেন বিশ্বজিৎ। নার্সিংয়ে পড়ান স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈকে।
কিন্তু চাকরি পাওয়ার পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন স্ত্রী। এক সপ্তাহ আগে বিশ্বজিৎ পাত্র জানতে পারেন, তাকে না জানিয়ে তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। এমনই এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন তিনি।
এরপরই ভালোবাসার মানুষটিকে ফিরে পেতে স্ত্রীর বাড়িতে গত চারদিন ধরে অবস্থান নেন। এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবার মিলে স্থানীয়দের নিয়ে পারিবারিকভাবে মীমাংসায় বসেন। এরপরই নিজের ভুল বুঝতে পারেন অনুশীলা বাড়ৈ। স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। সবাই মিলে বসে ব্যাপারটি সুন্দরভাবে সমাধান করে দিয়েছে।
বিশ্বজিৎ পাত্র বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে ঘরে ফিরতে পেরেছি, এটাই আমার বড় পাওয়া। ওকে আমি অনেক ভালোবাসি। আমাদের এই ভালবাসার বন্ধন যাতে সামনে অটুট থাকে সেই আশীর্বাদ করবেন সবাই।
মাদারীপুরের ডাসারে জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনশনরত স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্রের ঘরে ফিরেছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। শনিবার (০৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রাম থেকে স্বামীর বাড়িতে ফিরে যান তিনি। এর আগে গত চার দিন ধরে স্ত্রীর বাড়িতে অনশন করছিলেন স্বামী বিশ্বজিৎ পাত্র।
জানা গেছে, ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ৪ বছর আগে প্রেমিক বিশ্বজিৎ পাত্রকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অনুশীলা বাড়ৈ। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তার ভালবাসার মানুষটির সকল আবদার পূরণ করেন বিশ্বজিৎ। নার্সিংয়ে পড়ান স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈকে।
কিন্তু চাকরি পাওয়ার পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন স্ত্রী। এক সপ্তাহ আগে বিশ্বজিৎ পাত্র জানতে পারেন, তাকে না জানিয়ে তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ। এমনই এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন তিনি।
এরপরই ভালোবাসার মানুষটিকে ফিরে পেতে স্ত্রীর বাড়িতে গত চারদিন ধরে অবস্থান নেন। এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবার মিলে স্থানীয়দের নিয়ে পারিবারিকভাবে মীমাংসায় বসেন। এরপরই নিজের ভুল বুঝতে পারেন অনুশীলা বাড়ৈ। স্ত্রী অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। সবাই মিলে বসে ব্যাপারটি সুন্দরভাবে সমাধান করে দিয়েছে।
বিশ্বজিৎ পাত্র বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে ঘরে ফিরতে পেরেছি, এটাই আমার বড় পাওয়া। ওকে আমি অনেক ভালোবাসি। আমাদের এই ভালবাসার বন্ধন যাতে সামনে অটুট থাকে সেই আশীর্বাদ করবেন সবাই।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:১৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতাকে জেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে বহিষ্কারের ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে।
বহিষ্কৃত ওই নেতা রেদোয়ান ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি ট্রান্সজেন্ডার নন। তাকে ঘিরে ছড়ানো ট্রান্সজেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব। রোববার (৫ এপ্রিল) জেলা ছাত্রদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলামকে ব্যক্তিগত তথ্য গোপন ও সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিনুর রহমান ও সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী।
তবে এদিন রাতে ‘রিহিয়া রিহি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে রেদোয়ান ইসলাম নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি লেখেন, ‘আমি ট্রান্সজেন্ডার নই। আমি একজন সম্পূর্ণ ছেলে এবং একজন সংস্কৃতিকর্মী। দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছি। কিছু কন্টেন্টের কারণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তার জন্য দুঃখিত। ইতোমধ্যে সেসব কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলেছি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকব।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করতে, কারণ ভুল ধারণা একজন মানুষের সম্মানহানি করতে পারে।’ এ বিষয়ে জানতে রেদোয়ান ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন ধরেন তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘বিষয়টি গুজব। ঢাকায় কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আছে, যারা টিকটক করে এবং ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়ে। রেদোয়ানও টিকটক করতে কিছু ভিডিও বানিয়ে ফেসবুকে ছেড়েছে। সম্প্রতি এসবের জন্য ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে ক্ষমা চেয়ে বলেছে, এসব আর করবে না। রেদোয়ানের এসব ভিডিও বানানো ও টিকটকের বিষয়ে আমরা পরিবারের কেউ সমর্থন করিনি। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর থেকে রেদোয়ান বাড়িতে নেই। ছেলে থেকে মেয়েতে রূপান্তরের তথ্যটি সঠিক নয়।’
জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সৈয়দাবাদ সরকারি আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা পরে ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রূপ দেওয়া হয়। শনিবার সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী ফেসবুকে কমিটির তালিকা প্রকাশ করলে রেদোয়ান ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হয়।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী কালবেলাকে বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের আগে সবার কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাসখানেক আগে রেদোয়ান ইসলাম জীবনবৃত্তান্তে নিজের ছবিসহ লিঙ্গ পুরুষ বলে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কমিটি ঘোষণার পর জানা যায়, রেদোয়ান অস্ত্রোপচার করে পুরুষ থেকে নারী হয়েছেন, যা আমাদের সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। তথ্য গোপন করার অভিযোগে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতাকে জেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে বহিষ্কারের ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে।
বহিষ্কৃত ওই নেতা রেদোয়ান ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি ট্রান্সজেন্ডার নন। তাকে ঘিরে ছড়ানো ট্রান্সজেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব। রোববার (৫ এপ্রিল) জেলা ছাত্রদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলামকে ব্যক্তিগত তথ্য গোপন ও সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিনুর রহমান ও সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী।
তবে এদিন রাতে ‘রিহিয়া রিহি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে রেদোয়ান ইসলাম নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি লেখেন, ‘আমি ট্রান্সজেন্ডার নই। আমি একজন সম্পূর্ণ ছেলে এবং একজন সংস্কৃতিকর্মী। দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছি। কিছু কন্টেন্টের কারণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তার জন্য দুঃখিত। ইতোমধ্যে সেসব কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলেছি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকব।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করতে, কারণ ভুল ধারণা একজন মানুষের সম্মানহানি করতে পারে।’ এ বিষয়ে জানতে রেদোয়ান ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন ধরেন তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘বিষয়টি গুজব। ঢাকায় কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আছে, যারা টিকটক করে এবং ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়ে। রেদোয়ানও টিকটক করতে কিছু ভিডিও বানিয়ে ফেসবুকে ছেড়েছে। সম্প্রতি এসবের জন্য ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে ক্ষমা চেয়ে বলেছে, এসব আর করবে না। রেদোয়ানের এসব ভিডিও বানানো ও টিকটকের বিষয়ে আমরা পরিবারের কেউ সমর্থন করিনি। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর থেকে রেদোয়ান বাড়িতে নেই। ছেলে থেকে মেয়েতে রূপান্তরের তথ্যটি সঠিক নয়।’
জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সৈয়দাবাদ সরকারি আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা পরে ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রূপ দেওয়া হয়। শনিবার সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী ফেসবুকে কমিটির তালিকা প্রকাশ করলে রেদোয়ান ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হয়।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী কালবেলাকে বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের আগে সবার কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাসখানেক আগে রেদোয়ান ইসলাম জীবনবৃত্তান্তে নিজের ছবিসহ লিঙ্গ পুরুষ বলে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কমিটি ঘোষণার পর জানা যায়, রেদোয়ান অস্ত্রোপচার করে পুরুষ থেকে নারী হয়েছেন, যা আমাদের সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। তথ্য গোপন করার অভিযোগে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।’

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
স্কুল জীবন থেকে পুরুষে পুরুষে প্রেম। দীর্ঘ ১৭ বছরের সেই প্রেম বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে প্রলোভনে পড়ে হরমন পরিবর্তন করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়েছেন ২৯ বছর বয়সী নৃত্যশিল্পী ফিরোজ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কথা রাখেননি প্রেমিক বিপ্লব হোসেন।
ফিরোজ হরমন পরিবর্তনের জন্য ভারতে চিকিৎসাধীন থাকার সুযোগে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন প্রেমিক বিপ্লব। দেশে ফিরে এমন খবরে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে ফিরোজের।
তার অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানিয়ে শুধু জীবন ধ্বংস করার পাশাপাশি তার জীবনের অর্জন প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। সেই টাকা দিয়ে বাড়ি-গাড়ি করেছে বিপ্লব ও তার পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোত কাদিরপুর গ্রামে। ভুক্তভোগী ফিরোজ আহমেদ ওই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। তিনি সাভার শিল্পকলা একাডেমি এবং শিশু একাডেমির নাচের শিক্ষক।
এছাড়া নাচের পুতুল একাডেমি নামের একটি নৃত্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তিনি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নৃত্য শেখানোর পাশাপাশি তাদের জীবন মান উন্নয়নে ‘কর্ন’ সংগঠন নিয়ে কাজও করেন ফিরোজ।
অন্যদিকে প্রতারক প্রেমিক বিপ্লব হোসেন (৩০) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার উজ্জল হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি বরিশালে আবুল খায়ের গ্রুপের কয়লা ঘাটে সুপারভাইজার পদে কর্মরত আছেন।
প্রতারণার শিকার ফিরোজ জানান, বিপ্লব এবং তিনি বাঘা উপজেলার ইসলামী একাডেমিতে একই ক্লাসে লেখাপড়া করেছেন। যখন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন প্রেম হয় দু’জনের মধ্যে। বিপ্লবদের পারিবারিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় ফিরোজের বাড়িতেই থাকতো বিপ্লব। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক ছিল তাদের। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবার, এমনকি এলাকাবাসীও জানে। ভবিষ্যৎ সম্পর্কের কারণে ফিরোজের নৃত্য শিখিয়ে যত উপার্জন হয় সবটুকুই তুলে দেন বিপ্লবের হাতে।
ফিরোজ জানান, এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে ২০১৩ সালে ঢাকায় ওঠেন ফিরোজ এবং বিপ্লব। সেখানে রুম ভাড়া নিয়ে একই সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। পাশাপাশি আকিজ গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে চাকরিও করেন তারা। ২০১৪ সালে নৃত্য প্রতিষ্ঠান চালু করেন ফিরোজ।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিপ্লবকে নিয়ে এক ছাদের নিচে স্বামী-স্ত্রীর মতই বসবাস করেছেন তারা। এর মধ্যেই আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি হয় বিপ্লবের। চাকরির সুবাদে বদলি হয়ে যশোর চলে যান বিপ্লব। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহে যোগাযোগ হতো তাদের।
ফিরোজ বলেন, আমাদের সম্পর্ক বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে চেয়েছিল বিপ্লব। এজন্য আমাকে হরমন পরিবর্তন করে মেয়ে হতে বলে সে। আমি তার প্রতিশ্রুতিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভারতে গিয়ে অস্ত্রপচার করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাই। তখনও আমাদের দু’জনের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। ভারতে যাওয়ার আগে দু’জন শ্রীমঙ্গল ঘুরতেও গিয়েছি। তাছাড়া ভারতে যাওয়ার সময় বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত আমাকে এগিয়ে দিয়ে আসে বিপ্লব।
এদিকে ফিরোজ ভারতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় বরিশালে বদলি হন বিপ্লব। ভারতে টানা এক বছর চিকিৎসা শেষে ২০২৫ সালে দেশে ফেরেন ফিরোজ। এরপর বরিশালে তাকে নতুন করে প্রেম নিবেদন করে বিপ্লব। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে ফিরোজ জানতে পারেন বিপ্লব অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করছে।
ফিরোজ অভিযোগ করেন, শুধু প্রতারণা করে গত ১৭ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে বিপ্লব। সেই টাকা দিয়ে তার বাবা গ্রামে বাড়ি করেছে। তার সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা লেনদের দালিলিক প্রমাণপত্রও আছে। এখন পুরো টাকা আত্মসাত করতে ফিরোজকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি শুরু করেছে বিপ্লব। সম্প্রতি জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগ তুলে ফিরোজের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দেন তিনি। এ কারণে বরিশালে আসেন ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া ফিরোজ। মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানানো এবং অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বিপ্লবের বিচার দাবি করেছেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিপ্লব হোসেন। ফিরোজ তাকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি। তবে ইতোপূর্বে ফিরোজের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন তিনি।
স্কুল জীবন থেকে পুরুষে পুরুষে প্রেম। দীর্ঘ ১৭ বছরের সেই প্রেম বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে প্রলোভনে পড়ে হরমন পরিবর্তন করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়েছেন ২৯ বছর বয়সী নৃত্যশিল্পী ফিরোজ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কথা রাখেননি প্রেমিক বিপ্লব হোসেন।
ফিরোজ হরমন পরিবর্তনের জন্য ভারতে চিকিৎসাধীন থাকার সুযোগে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন প্রেমিক বিপ্লব। দেশে ফিরে এমন খবরে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে ফিরোজের।
তার অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানিয়ে শুধু জীবন ধ্বংস করার পাশাপাশি তার জীবনের অর্জন প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। সেই টাকা দিয়ে বাড়ি-গাড়ি করেছে বিপ্লব ও তার পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোত কাদিরপুর গ্রামে। ভুক্তভোগী ফিরোজ আহমেদ ওই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। তিনি সাভার শিল্পকলা একাডেমি এবং শিশু একাডেমির নাচের শিক্ষক।
এছাড়া নাচের পুতুল একাডেমি নামের একটি নৃত্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তিনি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নৃত্য শেখানোর পাশাপাশি তাদের জীবন মান উন্নয়নে ‘কর্ন’ সংগঠন নিয়ে কাজও করেন ফিরোজ।
অন্যদিকে প্রতারক প্রেমিক বিপ্লব হোসেন (৩০) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার উজ্জল হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি বরিশালে আবুল খায়ের গ্রুপের কয়লা ঘাটে সুপারভাইজার পদে কর্মরত আছেন।
প্রতারণার শিকার ফিরোজ জানান, বিপ্লব এবং তিনি বাঘা উপজেলার ইসলামী একাডেমিতে একই ক্লাসে লেখাপড়া করেছেন। যখন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন প্রেম হয় দু’জনের মধ্যে। বিপ্লবদের পারিবারিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় ফিরোজের বাড়িতেই থাকতো বিপ্লব। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক ছিল তাদের। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবার, এমনকি এলাকাবাসীও জানে। ভবিষ্যৎ সম্পর্কের কারণে ফিরোজের নৃত্য শিখিয়ে যত উপার্জন হয় সবটুকুই তুলে দেন বিপ্লবের হাতে।
ফিরোজ জানান, এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে ২০১৩ সালে ঢাকায় ওঠেন ফিরোজ এবং বিপ্লব। সেখানে রুম ভাড়া নিয়ে একই সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। পাশাপাশি আকিজ গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে চাকরিও করেন তারা। ২০১৪ সালে নৃত্য প্রতিষ্ঠান চালু করেন ফিরোজ।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিপ্লবকে নিয়ে এক ছাদের নিচে স্বামী-স্ত্রীর মতই বসবাস করেছেন তারা। এর মধ্যেই আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি হয় বিপ্লবের। চাকরির সুবাদে বদলি হয়ে যশোর চলে যান বিপ্লব। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহে যোগাযোগ হতো তাদের।
ফিরোজ বলেন, আমাদের সম্পর্ক বৈবাহিক সম্পর্কে রূপ দিতে চেয়েছিল বিপ্লব। এজন্য আমাকে হরমন পরিবর্তন করে মেয়ে হতে বলে সে। আমি তার প্রতিশ্রুতিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ভারতে গিয়ে অস্ত্রপচার করে ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাই। তখনও আমাদের দু’জনের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। ভারতে যাওয়ার আগে দু’জন শ্রীমঙ্গল ঘুরতেও গিয়েছি। তাছাড়া ভারতে যাওয়ার সময় বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত আমাকে এগিয়ে দিয়ে আসে বিপ্লব।
এদিকে ফিরোজ ভারতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় বরিশালে বদলি হন বিপ্লব। ভারতে টানা এক বছর চিকিৎসা শেষে ২০২৫ সালে দেশে ফেরেন ফিরোজ। এরপর বরিশালে তাকে নতুন করে প্রেম নিবেদন করে বিপ্লব। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে ফিরোজ জানতে পারেন বিপ্লব অন্য মেয়েকে বিয়ে করে সংসার করছে।
ফিরোজ অভিযোগ করেন, শুধু প্রতারণা করে গত ১৭ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে বিপ্লব। সেই টাকা দিয়ে তার বাবা গ্রামে বাড়ি করেছে। তার সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা লেনদের দালিলিক প্রমাণপত্রও আছে। এখন পুরো টাকা আত্মসাত করতে ফিরোজকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি শুরু করেছে বিপ্লব। সম্প্রতি জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগ তুলে ফিরোজের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দেন তিনি। এ কারণে বরিশালে আসেন ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া ফিরোজ। মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ছেলে থেকে মেয়ে বানানো এবং অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বিপ্লবের বিচার দাবি করেছেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিপ্লব হোসেন। ফিরোজ তাকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি। তবে ইতোপূর্বে ফিরোজের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন তিনি।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৬
বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়ার ‘খ’ সার্কেলের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আরিফ হোসেন (২৯) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বড়-আখিরা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফ হোসেন আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির বড়-আখিরা গ্রামের রশিদ আলীর ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সান্তাহার সার্কেলের পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গ্রামের আরিফ হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় তার শয়নঘর থেকে তাকে আটক করা হয় এবং দেহ তল্লাশি করে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়ার ‘খ’ সার্কেলের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আরিফ হোসেন (২৯) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বড়-আখিরা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফ হোসেন আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির বড়-আখিরা গ্রামের রশিদ আলীর ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সান্তাহার সার্কেলের পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গ্রামের আরিফ হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় তার শয়নঘর থেকে তাকে আটক করা হয় এবং দেহ তল্লাশি করে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:১৪
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৭
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫০
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০