বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, সরকারের নির্লিপ্ততা এবং সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মহানগর শ্রমিক দল। সমাবেশে বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আধুনিক ও চৌকস নেতৃত্ব এবং বিএনপির গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে নগরের সদর রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্যসচিব শহিদুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশ ও বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে শ্রমিক দলের নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সদর রোডে দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে সমাবেত হন। এতে মহানগর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও যোগ দেন। সমাবেশ শেষে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল মিডফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ডের দায় শ্রমিক দলের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে টার্গেট করে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁরা আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পেছনে সরকারের নির্লিপ্ততা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতির অবসানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
বিএনপিকে লক্ষ্য করে একটি মহল নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে সমাবেশে নগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘শুধু তা–ই নয়, কয়েক হাজার মাইল দূরে অবস্থানরত আমাদের নেতা তারেক রহমানের চৌকস নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চক্রান্তও হচ্ছে।
কিন্তু আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, বিএনপি এ দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। গত ১৬ বছর বিএনপি ধারাবাহিকভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। অসংখ্য নেতা-কর্মী জেল-জুলুম, অত্যাচার সহ্য করেছেন। জীবন দিয়েছেন এই দলের অনেক নেতা-কর্মী। সেই দলকে আজ যারা বিতর্কিত করতে চায়, তারা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি হতে পারে না।’
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমেদ বলেন, মূলত নির্বাচনকে প্রলম্বিত করতে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নস্যাৎ করার উদ্দেশ্যেই বিএনপি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্রে মেতেছে একটি মহল। কিন্তু দেশের বৃহৎ গণতান্ত্রিক শক্তি বিএনপির বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত কখনো সফল হয়নি, এবারও হবে না।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৫৪
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অশ্বিনীকুমার ছাত্রাবাসের সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে কাজ বন্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছিল না। প্রাক্কলন ও দরপত্রের শর্ত অনুসরণ না করে বালু ফেলার পর নির্ধারিত সময় অপেক্ষা না করেই ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ছাত্রাবাসের প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট সড়ক নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘অহনা এন্টারপ্রাইজ’। প্রতিষ্ঠানটির সাবঠিকাদার সাদ রহমান কাজটি করাচ্ছেন।
সাবঠিকাদার সাদ রহমানের দাবি, সড়কের প্রায় পুরো নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল। মাত্র ৩০ ফুট অংশে ঢালাই বাকি থাকতেই কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি আরও দাবি করেন, নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে কলেজের অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী ও হল সুপার সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
ঠিকাদারের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের দুই নেতা বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি দেখে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ হন। তাঁরাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকাদার বিপাকে পড়ার পর একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে তারা গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন দাবি করেন, একটি গণমাধ্যমে ছাত্রাবাসের হল সুপার এস এম আসাদুজ্জামানের নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তিনি তা দেননি।
এ বিষয়ে বরিশালটাইমসের কাছে আসা একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ওয়ালিদ বলেন, ভিডিওতে হল সুপারকে বলতে শোনা যায়, তিনি বরিশালের বাইরে থাকায় নির্মাণকাজের মান কীভাবে দেখবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কাজের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব নিয়েও তিনি মন্তব্য করেছেন বলে ওয়ালিদের দাবি।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এনামুল হক তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি ছিল এবং দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ হচ্ছিল না। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, তা অধ্যক্ষ দেখবেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী জাবের আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
নির্মাণকাজ বন্ধের ঘটনাটি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিএম কলেজে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।
এদিকে, সোমবার গভীর রাতে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটি নিয়ে তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সড়ক নির্মাণের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকাদারের পাল্টা দাবি এবং ছাত্রদলের দুই নেতাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নির্মাণকাজের মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই বিতর্ক এড়াতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল আগামীতে কি পদক্ষেপ রাখে সেটাই এখন দেখার অক্ষো।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের অশ্বিনীকুমার ছাত্রাবাসের সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে কাজ বন্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছিল না। প্রাক্কলন ও দরপত্রের শর্ত অনুসরণ না করে বালু ফেলার পর নির্ধারিত সময় অপেক্ষা না করেই ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ছাত্রাবাসের প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট সড়ক নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘অহনা এন্টারপ্রাইজ’। প্রতিষ্ঠানটির সাবঠিকাদার সাদ রহমান কাজটি করাচ্ছেন।
সাবঠিকাদার সাদ রহমানের দাবি, সড়কের প্রায় পুরো নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল। মাত্র ৩০ ফুট অংশে ঢালাই বাকি থাকতেই কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি আরও দাবি করেন, নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে কলেজের অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী ও হল সুপার সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
ঠিকাদারের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের দুই নেতা বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি দেখে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ হন। তাঁরাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকাদার বিপাকে পড়ার পর একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে তারা গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন দাবি করেন, একটি গণমাধ্যমে ছাত্রাবাসের হল সুপার এস এম আসাদুজ্জামানের নামে যে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তিনি তা দেননি।
এ বিষয়ে বরিশালটাইমসের কাছে আসা একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ওয়ালিদ বলেন, ভিডিওতে হল সুপারকে বলতে শোনা যায়, তিনি বরিশালের বাইরে থাকায় নির্মাণকাজের মান কীভাবে দেখবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কাজের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব নিয়েও তিনি মন্তব্য করেছেন বলে ওয়ালিদের দাবি।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এনামুল হক তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, নির্মাণকাজে ত্রুটি ছিল এবং দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ হচ্ছিল না। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, তা অধ্যক্ষ দেখবেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী জাবের আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
নির্মাণকাজ বন্ধের ঘটনাটি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিএম কলেজে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগও করেননি।
এদিকে, সোমবার গভীর রাতে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটি নিয়ে তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সড়ক নির্মাণের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঠিকাদারের পাল্টা দাবি এবং ছাত্রদলের দুই নেতাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নির্মাণকাজের মান যাচাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই বিতর্ক এড়াতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল আগামীতে কি পদক্ষেপ রাখে সেটাই এখন দেখার অক্ষো।’

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৭
বরিশাল মহানগরে থানার সংখ্যা চার থেকে বাড়িয়ে আটটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। নগরবাসীর দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএমপি কমিশনার মো. আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বান্দ রোডে বিএমপির নিজস্ব কার্যালয়ে সংস্থাটির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।
বিএমপি কমিশনার বলেন, ভবিষ্যতে বরিশাল মহানগরে আরও চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগরীতে থানার সংখ্যা বেড়ে আটটি হবে। এর ফলে নগরবাসী আরও দ্রুত ও সহজে পুলিশি সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। বর্তমানে চারটি থানার মাধ্যমে মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংস্থাটি। তবে নগরীর জনসংখ্যা, আয়তন, যানবাহন এবং অপরাধসংক্রান্ত দায়িত্ব বাড়তে থাকায় পুলিশের সেবার পরিধি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার দুপুরে বিএমপি কার্যালয় চত্বরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। পরে একটি শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, পরিবর্তিত নগর বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।
বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সংস্থাটিতে প্রায় ১ হাজার ৮০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠার দুই দশক ধরে বরিশাল মহানগরের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।
প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরিশাল মহানগরে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নাগরিক চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশি সেবার পরিধি বাড়ানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ও সেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। তবে নতুন থানাগুলোর অবস্থান, স্থাপনের সময়সীমা এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।’
বরিশাল মহানগরে থানার সংখ্যা চার থেকে বাড়িয়ে আটটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। নগরবাসীর দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএমপি কমিশনার মো. আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বান্দ রোডে বিএমপির নিজস্ব কার্যালয়ে সংস্থাটির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।
বিএমপি কমিশনার বলেন, ভবিষ্যতে বরিশাল মহানগরে আরও চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগরীতে থানার সংখ্যা বেড়ে আটটি হবে। এর ফলে নগরবাসী আরও দ্রুত ও সহজে পুলিশি সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। বর্তমানে চারটি থানার মাধ্যমে মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংস্থাটি। তবে নগরীর জনসংখ্যা, আয়তন, যানবাহন এবং অপরাধসংক্রান্ত দায়িত্ব বাড়তে থাকায় পুলিশের সেবার পরিধি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার দুপুরে বিএমপি কার্যালয় চত্বরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। পরে একটি শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, পরিবর্তিত নগর বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।
বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সংস্থাটিতে প্রায় ১ হাজার ৮০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠার দুই দশক ধরে বরিশাল মহানগরের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।
প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরিশাল মহানগরে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নাগরিক চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশি সেবার পরিধি বাড়ানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ও সেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। তবে নতুন থানাগুলোর অবস্থান, স্থাপনের সময়সীমা এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।’

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৪
বরিশালে এক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে মাছের বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দেশি মাছের সরবরাহে ঘাটতির কারণে চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দামেও। সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরের বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোডের মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ গত সপ্তাহের মতোই কেজি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পটোল ৩০, ঢেঁড়স ৪০, চিচিঙ্গা ৪০, ধুন্দল ৫০, ঝিঙা ৪০, করলা ৪০, ফুলকপি ৪০, বাঁধাকপি ৫৫ ও গাজর ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬ থেকে ১০ টাকা, লাউ ৪০ টাকা এবং লেবু প্রতি হালি ৩০ টাকায়। শীতকালীন শিমের দাম কেজিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। এসব সবজি খুচরা বাজারে পাইকারির তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
নগরের বাংলাবাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। স্থানীয় নদ-নদীর মাছও এখন কিনতে কষ্ট হচ্ছে। বাজার নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির ব্যবসায়ী আলামিন বলেন, বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণে তাঁদের তেমন কিছু করার নেই। তাঁরা যে দামে পণ্য কেনেন, তার সঙ্গে খরচ যোগ করে বিক্রি করেন।
আরেক ক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, সরবরাহ কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। এখন বলা হচ্ছে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। নানা অজুহাতে বাড়তি দামের চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, নগরের পোর্ট রোডের পাইকারি মাছের বাজারে চড়া দামে মাছ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নদীর মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে দামও। আকার ও প্রজাতিভেদে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজারে মাছ কিনতে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগে যে চিংড়ি মাছ কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় কেনা যেত, এখন তা ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্য মাছের দামও বেড়েছে। বাধ্য হয়ে পছন্দের মাছের বদলে (১৯০-২৫০) টাকা কেজি দরে তেলাপিয়া মাছ কিনতে হচ্ছে ।
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ইলিশসহ নদীর মাছ সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দামও বাড়ছে। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মাছের বাজারে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির দামে। কয়েক দিন ধরে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির বাজারে স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছের বাড়তি দাম ক্রেতাদের ব্যয়ের চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
বরিশালে এক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে মাছের বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দেশি মাছের সরবরাহে ঘাটতির কারণে চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দামেও। সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরের বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোডের মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ গত সপ্তাহের মতোই কেজি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পটোল ৩০, ঢেঁড়স ৪০, চিচিঙ্গা ৪০, ধুন্দল ৫০, ঝিঙা ৪০, করলা ৪০, ফুলকপি ৪০, বাঁধাকপি ৫৫ ও গাজর ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬ থেকে ১০ টাকা, লাউ ৪০ টাকা এবং লেবু প্রতি হালি ৩০ টাকায়। শীতকালীন শিমের দাম কেজিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। এসব সবজি খুচরা বাজারে পাইকারির তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
নগরের বাংলাবাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। স্থানীয় নদ-নদীর মাছও এখন কিনতে কষ্ট হচ্ছে। বাজার নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির ব্যবসায়ী আলামিন বলেন, বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণে তাঁদের তেমন কিছু করার নেই। তাঁরা যে দামে পণ্য কেনেন, তার সঙ্গে খরচ যোগ করে বিক্রি করেন।
আরেক ক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, সরবরাহ কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। এখন বলা হচ্ছে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। নানা অজুহাতে বাড়তি দামের চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, নগরের পোর্ট রোডের পাইকারি মাছের বাজারে চড়া দামে মাছ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নদীর মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে দামও। আকার ও প্রজাতিভেদে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজারে মাছ কিনতে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগে যে চিংড়ি মাছ কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় কেনা যেত, এখন তা ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্য মাছের দামও বেড়েছে। বাধ্য হয়ে পছন্দের মাছের বদলে (১৯০-২৫০) টাকা কেজি দরে তেলাপিয়া মাছ কিনতে হচ্ছে ।
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ইলিশসহ নদীর মাছ সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দামও বাড়ছে। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মাছের বাজারে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির দামে। কয়েক দিন ধরে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির বাজারে স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছের বাড়তি দাম ক্রেতাদের ব্যয়ের চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

২১ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৫০
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, সরকারের নির্লিপ্ততা এবং সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মহানগর শ্রমিক দল। সমাবেশে বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আধুনিক ও চৌকস নেতৃত্ব এবং বিএনপির গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে নগরের সদর রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্যসচিব শহিদুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশ ও বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে শ্রমিক দলের নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সদর রোডে দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে সমাবেত হন। এতে মহানগর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও যোগ দেন। সমাবেশ শেষে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল মিডফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ডের দায় শ্রমিক দলের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে টার্গেট করে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁরা আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পেছনে সরকারের নির্লিপ্ততা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতির অবসানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
বিএনপিকে লক্ষ্য করে একটি মহল নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে সমাবেশে নগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘শুধু তা–ই নয়, কয়েক হাজার মাইল দূরে অবস্থানরত আমাদের নেতা তারেক রহমানের চৌকস নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চক্রান্তও হচ্ছে।
কিন্তু আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, বিএনপি এ দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। গত ১৬ বছর বিএনপি ধারাবাহিকভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। অসংখ্য নেতা-কর্মী জেল-জুলুম, অত্যাচার সহ্য করেছেন। জীবন দিয়েছেন এই দলের অনেক নেতা-কর্মী। সেই দলকে আজ যারা বিতর্কিত করতে চায়, তারা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি হতে পারে না।’
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমেদ বলেন, মূলত নির্বাচনকে প্রলম্বিত করতে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নস্যাৎ করার উদ্দেশ্যেই বিএনপি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্রে মেতেছে একটি মহল। কিন্তু দেশের বৃহৎ গণতান্ত্রিক শক্তি বিএনপির বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত কখনো সফল হয়নি, এবারও হবে না।
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৭
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮