তজুমদ্দিনের মেঘনায় জালপাতাকে কেন্দ্র করে হামলা আহত-৬

তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি \ ভোলার তজুমদ্দিন সংলগ্ন মেঘনায় মাছ ধরার জালপাতাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ৬ জেলে আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুইজনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এঘটনায় আহতদের পক্ষ থেকে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। আহত ও থানা সুত্রে জানা যায়, রবিবার (২৯ জানুয়ারী) তজুমদ্দিন সুইজঘাটের মাকসুদ মাঝি (৪০) বিকাল ৪টার মেঘনার মাঝে সোনার চর এলাকায় জাল পাতেন।

একই সময় লোকমান মাঝিও ওই স্থানে জাল ফেলেন। এসময় লোকমান মাঝির জাল মাকসুদ মাঝির জালের উপর পড়লে তাদেরকে সিগন্যাল দেন। একপর্যায়ে লোকমান মাঝির নেতৃত্বে তার জেলেরা মাকসুদ মাঝি ও তার জেলেদের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে মারপিট করে ৪ জেলেকে নদীতে পেলে দেয়।

অপর দুইজনকে নৌকার মধ্যে রেখে দফায় দফায় মারপিট করেন। এসময় মাকসুদ মাঝি গুরুতর অসুস্থ হয়ে গেলে লোকমান মাঝি তার জেলেদেরকে নিয়ে চলে যায়।

পরে মাকসুদ মাঝি তার আড়ৎদার কবিরকে সংবাদ দিলে তিনি শশীগঞ্জ সুইজঘাট থেকে স্প্রীড বোডের সাহায্যে গুরুতর আহত অবস্থায় মাকসুদ মাঝি (৪০) ও মোঃ কালামকে (৬০) উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অপরদিকে নদীতে পড়ে যাওয়া নিরব, সোহেল, সোনা মিয়া ও রাকিবকে কাদের মাঝির জেলেরা নদী থেকে তুলে ঘাটে আনলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। হামলা অবস্থায় নৌকা থেকে ভিভো মোবাইল ২টা, নগদ ১৫ হাজার টাকা, ১৪০ লিটার ডিজেল, বড় ৪হালি ইলিশ মাছ ও ছোট ৩০ হালি ইলিশ মাছ লুট করে লোমান মাঝির নেতৃত্বে। হামলার শিকার জেলেদের বাড়ি ভোলা সদরের ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট এলাকায়।

এঘটনায় আড়ৎদার মো. কবির বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, নদীতে মারামারির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।