ছবি:সংগৃহীত
বরিশালের উজিরপুরে বাবা আলী আকবর হাওলাদারকে হত্যার দায়ে ছেলে পলাশ হাওলাদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দীর্ঘ ১৬ বছর পর এ মামলার রায় দেয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশালের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় পলাশ আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলার অপর দুই আসামি কাওসার হাওলাদার ও মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মোহাম্মদ তুহিন মোল্লা।
মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, পলাশ হাওলাদার উজিরপুর উপজেলার পরমানন্দ সাহা গ্রামের মৃত আলী আকবর হাওলাদারের ছেলে। ২০১০ সালের ২ মে সন্ধ্যার পর পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বাবা-ছেলের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। ওই রাতেই পলাশসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন আলী আকবরকে ঘর থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়।
পরদিন ৩ মে ভোরে প্রতিবেশী আলমগীর হাওলাদার পাশের একটি ধানক্ষেতে আলী আকবরকে হাত-পা ও চোখ-মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী শহিদ হাওলাদারের করা এজাহারে বলা হয়, পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসতে চাইলে আলী আকবর তাতে আপত্তি জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ছাড়া প্রথম স্ত্রীকে ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় পলাশ কারাভোগ করেছিলেন।
এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মামলায় বাবার ইন্ধন রয়েছে—এমন ধারণা থেকে আলী আকবরের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন পলাশ। ঘটনার রাতে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পরদিন ধানক্ষেত থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২৫ মার্চ উজিরপুর মডেল থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার রায় পলাশ হাওলাদারসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এরপর সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণসহ দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত পলাশ হাওলাদারকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কাওসার হাওলাদার ও মিজান হাওলাদারকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৯
নারী কেলেংকারীসহ বহু অঘটন পটিয়াসি ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। প্রশিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগসমূহের প্রমাণ মেলায় তার বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি সোমবার বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলে বিতর্কিত ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এনিয়ে সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ফুসে উঠলে বিষয়টি তুমুল আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করে। এবং সংবাদমাধ্যমে লেখালেখিতে এই জহিরুলের পরকীয়া প্রেমসহ বহুমুখী অপকর্ম প্রকাশ্যে আসে।
এসব ঘটনাসমূহ আদালতের নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত হয়ে মিস কেস করেন বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরিয়ত উল্লাহ। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে অনিয়মগুলো তদন্তে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পুলিশের তদন্তে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণ মেলায় এবার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ চেয়ারম্যানের জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।
এর আগে আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে এখনও ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ আছে, এই জহিরুল ইসলাম আইন লঙ্ঘন করে একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে অপকর্ম চালিয়েছেন। এবং প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে জোরপূর্বক আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে বাধ্য করেছেন, যা সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রকাশ করেন তিনি।
মেহেরুন্নেছার অভিযোগ, চরিত্রহীন জহিরুল ইসলাম নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এর আগে তিনি আরেক শিক্ষার্থীর সাথে মুঠোফোনে আপত্তিকর কথাবার্তা বলেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই মেহেরুন্নেছাও নারী নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি মামলা করেছেন জহিরুলের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ প্রথম স্ত্রী বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে জহিরুলের সকল কুকীর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
মেহেরুন্নেছা অভিযোগ করেন, জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকলেও তিনি বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালী বিভিন্ন স্থানে দাপটের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবং তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল নিতে বিভিন্ন কলাকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পূর্বে পটুয়াখালী সদরে মেহেরুন্নেছা যে বাসাটিকে বসবাস করতেন সেটিও তালাবদ্ধ করে দিয়েছেন।
এই মস্তবড় প্রতারকের বিরুদ্ধে এবার শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ সামনে আসল এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেন খোদ আদালত।
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সোমবার জানান, আদালত জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও মামলা আছে। একটি মামলায় তিনি আজ জামিনের আবেদন দিয়েছিলেন, পরে আবার ফেরত নিয়েছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত জহিরুল ইসলাম বরগুনা সদর থানা পুলিশের এসআই সোহাগকে ব্যবহার করে প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে হয়রানির ওপর রাখছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই সোহাগ বলছেন, জিডির অনুসন্ধান করছেন। তাহলে মেহেরুন্নেছার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীকে তিনি কোনো জহিরুলের ফোন ধরিয়ে দিলেন এমন প্রশ্ন করা হলে মাঠপুলিশ কর্মকর্তা কোনো সদুত্তোর দিতে না পেরে ফোনটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।’
নারী কেলেংকারীসহ বহু অঘটন পটিয়াসি ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। প্রশিক্ষণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগসমূহের প্রমাণ মেলায় তার বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি সোমবার বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলে বিতর্কিত ডিডাব্লিউএফ নার্সি কলেজ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এনিয়ে সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ফুসে উঠলে বিষয়টি তুমুল আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করে। এবং সংবাদমাধ্যমে লেখালেখিতে এই জহিরুলের পরকীয়া প্রেমসহ বহুমুখী অপকর্ম প্রকাশ্যে আসে।
এসব ঘটনাসমূহ আদালতের নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত হয়ে মিস কেস করেন বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরিয়ত উল্লাহ। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাকে অনিয়মগুলো তদন্তে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পুলিশের তদন্তে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণ মেলায় এবার ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজ চেয়ারম্যানের জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।
এর আগে আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে এখনও ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ আছে, এই জহিরুল ইসলাম আইন লঙ্ঘন করে একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে অপকর্ম চালিয়েছেন। এবং প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে জোরপূর্বক আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে বাধ্য করেছেন, যা সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রকাশ করেন তিনি।
মেহেরুন্নেছার অভিযোগ, চরিত্রহীন জহিরুল ইসলাম নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এর আগে তিনি আরেক শিক্ষার্থীর সাথে মুঠোফোনে আপত্তিকর কথাবার্তা বলেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই মেহেরুন্নেছাও নারী নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি মামলা করেছেন জহিরুলের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ প্রথম স্ত্রী বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে জহিরুলের সকল কুকীর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
মেহেরুন্নেছা অভিযোগ করেন, জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকলেও তিনি বরিশাল-বরগুনা-পটুয়াখালী বিভিন্ন স্থানে দাপটের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবং তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল নিতে বিভিন্ন কলাকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পূর্বে পটুয়াখালী সদরে মেহেরুন্নেছা যে বাসাটিকে বসবাস করতেন সেটিও তালাবদ্ধ করে দিয়েছেন।
এই মস্তবড় প্রতারকের বিরুদ্ধে এবার শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ সামনে আসল এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেন খোদ আদালত।
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সোমবার জানান, আদালত জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও মামলা আছে। একটি মামলায় তিনি আজ জামিনের আবেদন দিয়েছিলেন, পরে আবার ফেরত নিয়েছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত জহিরুল ইসলাম বরগুনা সদর থানা পুলিশের এসআই সোহাগকে ব্যবহার করে প্রথম স্ত্রী মেহেরুন্নেছাকে হয়রানির ওপর রাখছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই সোহাগ বলছেন, জিডির অনুসন্ধান করছেন। তাহলে মেহেরুন্নেছার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীকে তিনি কোনো জহিরুলের ফোন ধরিয়ে দিলেন এমন প্রশ্ন করা হলে মাঠপুলিশ কর্মকর্তা কোনো সদুত্তোর দিতে না পেরে ফোনটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।’

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২১
বরিশাল-ভোলা আঞ্চলিক সড়কের পাশের একটি ডোবা থেকে জনৈক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের একটি টিম মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
পুলিশ জানিয়েছে, লাশটি সকালে ডোবার পানিতে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশের একটি টিম গিয়ে বস্ত্রহীন লাশটি উদ্ধার করে।
ধারনা করা হচ্ছে, বৃদ্ধের বয়স ৭০ বছরের বেশি হবে। তবে তার মৃত্যুর কারণ কি এবং লাশটির পরিচয় কি তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হতে পারছে না পুলিশ।
সোমবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, বৃদ্ধের পরিচয় এবং মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে কাজ করা হচ্ছে। মরদেহের একাধিক স্থানে ক্ষত লক্ষ্য করা গেছে, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল-ভোলা আঞ্চলিক সড়কের পাশের একটি ডোবা থেকে জনৈক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের একটি টিম মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
পুলিশ জানিয়েছে, লাশটি সকালে ডোবার পানিতে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশের একটি টিম গিয়ে বস্ত্রহীন লাশটি উদ্ধার করে।
ধারনা করা হচ্ছে, বৃদ্ধের বয়স ৭০ বছরের বেশি হবে। তবে তার মৃত্যুর কারণ কি এবং লাশটির পরিচয় কি তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হতে পারছে না পুলিশ।
সোমবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, বৃদ্ধের পরিচয় এবং মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে কাজ করা হচ্ছে। মরদেহের একাধিক স্থানে ক্ষত লক্ষ্য করা গেছে, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করার প্রস্তুতি চলছে।’

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল নগরীর বাজারব্যবস্থায় অনিয়মের লাগাম টানতে ফের মাঠে নেমেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত তদারকি অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ মেলায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর স্টিমার ঘাট, স্বরোড, নবগ্রাম রোড ও চৌমাথা এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে বাজারের নিত্যদিনের কেনাবেচার অন্তরালে থাকা নানা অসংগতি খতিয়ে দেখেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। বিশেষ করে ফল, গ্যাস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পণ্যের বিক্রয়ব্যবস্থা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং ভোক্তা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় ছয়টি ফলের দোকান, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি ওষুধের দোকান এবং একটি মুদি দোকানে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম শনাক্ত হয়। এসব অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সম্মিলিতভাবে ২৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রানী মিত্র এবং বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী দাস।
অভিযান শেষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, বাজারে ভোক্তার অধিকার ও ব্যবসায়িক শৃঙ্খলার মধ্যে যে ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভোক্তার স্বার্থকে উপেক্ষা করে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, বাজারে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল নগরীর বাজারব্যবস্থায় অনিয়মের লাগাম টানতে ফের মাঠে নেমেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত তদারকি অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ মেলায় ৯ প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর স্টিমার ঘাট, স্বরোড, নবগ্রাম রোড ও চৌমাথা এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে বাজারের নিত্যদিনের কেনাবেচার অন্তরালে থাকা নানা অসংগতি খতিয়ে দেখেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। বিশেষ করে ফল, গ্যাস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পণ্যের বিক্রয়ব্যবস্থা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং ভোক্তা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় ছয়টি ফলের দোকান, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি ওষুধের দোকান এবং একটি মুদি দোকানে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম শনাক্ত হয়। এসব অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সম্মিলিতভাবে ২৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রানী মিত্র এবং বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী দাস।
অভিযান শেষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, বাজারে ভোক্তার অধিকার ও ব্যবসায়িক শৃঙ্খলার মধ্যে যে ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভোক্তার স্বার্থকে উপেক্ষা করে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, বাজারে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৪৫
বরিশালের উজিরপুরে বাবা আলী আকবর হাওলাদারকে হত্যার দায়ে ছেলে পলাশ হাওলাদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দীর্ঘ ১৬ বছর পর এ মামলার রায় দেয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশালের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় পলাশ আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলার অপর দুই আসামি কাওসার হাওলাদার ও মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মোহাম্মদ তুহিন মোল্লা।
মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, পলাশ হাওলাদার উজিরপুর উপজেলার পরমানন্দ সাহা গ্রামের মৃত আলী আকবর হাওলাদারের ছেলে। ২০১০ সালের ২ মে সন্ধ্যার পর পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বাবা-ছেলের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। ওই রাতেই পলাশসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন আলী আকবরকে ঘর থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়।
পরদিন ৩ মে ভোরে প্রতিবেশী আলমগীর হাওলাদার পাশের একটি ধানক্ষেতে আলী আকবরকে হাত-পা ও চোখ-মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী শহিদ হাওলাদারের করা এজাহারে বলা হয়, পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসতে চাইলে আলী আকবর তাতে আপত্তি জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ছাড়া প্রথম স্ত্রীকে ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় পলাশ কারাভোগ করেছিলেন।
এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মামলায় বাবার ইন্ধন রয়েছে—এমন ধারণা থেকে আলী আকবরের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন পলাশ। ঘটনার রাতে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পরদিন ধানক্ষেত থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২৫ মার্চ উজিরপুর মডেল থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার রায় পলাশ হাওলাদারসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এরপর সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণসহ দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত পলাশ হাওলাদারকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কাওসার হাওলাদার ও মিজান হাওলাদারকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৩
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৯
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৪৫
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২১