
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৩৭
গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমা। পুরো ময়দানে ছামিয়ানা টানিয়ে মুসল্লিরা অংশ নিয়েছে এই ইজতেমায়।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা। আগামী মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এই জোড় ইজতেমা শেষ হবে।
আগত মুসল্লিরা জানান, প্রতিবছর ইজতেমার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে এই জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে তাবলিগের সাথীরা পুরো বছরের কাজের কারগুজারি পেশ করেন। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের শুরায়ী নেজামের প্রবীণ মুরুব্বিগণ টঙ্গীর তুরাগ তীরের ময়দানে সমবেত হয়েছেন।
৫ দিনব্যাপী এই জোড় থেকে যারা দাওয়াতের দায়িত্বে রয়েছেন তারা সারা বছরের দাওয়াতি কাজের পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা লাভ করবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
পাঁচ দিনের জোড় তাবলীগ জামাত সোনালি ঐতিহ্য। দাওয়াতের কাজের চেতনার স্পন্দন জাগানো একটি বিশেষ আয়োজন। এখান থেকেই সারা বছরের কাজের সঠিক নকশা ও দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হয়। দাঈদের আমল, দাওয়াত, তরতিব এবং দেশের প্রেক্ষাপটে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান উপস্থাপন করেন বড়রা। যা একজন সাথীর দুনিয়া ও আখেরাতের জিন্দেগি পরিচালনায় দিশা দেয়।
তাবলিগ জামাত শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, জোড় ইজতেমায় কেবল ৩ চিল্লার সাথী ও কমপক্ষে ১ চিল্লা সময় লাগানো আলেমরা অংশ নিতে পারেন। এতে জোড়ের স্বতন্ত্র মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় থাকে।
জোড় ইজতেমাকে সফল করার লক্ষ্যে ময়দানের উত্তর পাশে বিশাল ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে কয়েক লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অবস্থান নিয়েছেন। ৫ দিন তারা সেখানে অবস্থান করবেন।
গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দানে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমা। পুরো ময়দানে ছামিয়ানা টানিয়ে মুসল্লিরা অংশ নিয়েছে এই ইজতেমায়।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা। আগামী মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এই জোড় ইজতেমা শেষ হবে।
আগত মুসল্লিরা জানান, প্রতিবছর ইজতেমার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে এই জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে তাবলিগের সাথীরা পুরো বছরের কাজের কারগুজারি পেশ করেন। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের শুরায়ী নেজামের প্রবীণ মুরুব্বিগণ টঙ্গীর তুরাগ তীরের ময়দানে সমবেত হয়েছেন।
৫ দিনব্যাপী এই জোড় থেকে যারা দাওয়াতের দায়িত্বে রয়েছেন তারা সারা বছরের দাওয়াতি কাজের পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা লাভ করবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
পাঁচ দিনের জোড় তাবলীগ জামাত সোনালি ঐতিহ্য। দাওয়াতের কাজের চেতনার স্পন্দন জাগানো একটি বিশেষ আয়োজন। এখান থেকেই সারা বছরের কাজের সঠিক নকশা ও দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হয়। দাঈদের আমল, দাওয়াত, তরতিব এবং দেশের প্রেক্ষাপটে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান উপস্থাপন করেন বড়রা। যা একজন সাথীর দুনিয়া ও আখেরাতের জিন্দেগি পরিচালনায় দিশা দেয়।
তাবলিগ জামাত শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, জোড় ইজতেমায় কেবল ৩ চিল্লার সাথী ও কমপক্ষে ১ চিল্লা সময় লাগানো আলেমরা অংশ নিতে পারেন। এতে জোড়ের স্বতন্ত্র মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় থাকে।
জোড় ইজতেমাকে সফল করার লক্ষ্যে ময়দানের উত্তর পাশে বিশাল ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে কয়েক লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অবস্থান নিয়েছেন। ৫ দিন তারা সেখানে অবস্থান করবেন।
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:১৯
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৫৮
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:২৪

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৫৮
নওগাঁর মহাদেবপুরে এক কৃষক দল নেতার গাঁজা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
গাঁজা সেবনকারী ওই কৃষক দল নেতার নাম ওয়াজেদ আলী ওরফে আলী। তিনি মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের সহসভাপতি।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার গো-হাটির চৌখন্ডিতে (বসার স্থান) পা ঝুলিয়ে বসে আছেন কৃষক দল নেতা ওয়াজেদ আলী। হাতে একটি কাগজে মোড়ানো গাঁজা, নাকে শুকুতে শুকতে বলতে শোনা যাচ্ছে এইশালা এগুলো খাওয়া যাবে? আবার বলতে শোনা যাচ্ছে তামুক কিন্তু এটা মাটির তলে থোয়া (রাখা)। আড়ালে থাকা একজনকে এগিয়ে দিয়ে বলছে দানা আছে, একবার শুঁকে দেখ। এরপর গাঁজা থেকে কিছু ফেলে দিচ্ছেন তিনি নিজেই। পরবর্তীতে হাতের তালুতে নিয়ে আঙুল দিয়ে ডলতে দেখা যায়। সর্বশেষ গুঁড়ো করে একটি সিগারেটে উঠিয়ে সিগারেটটি টানতে দেখা যায় তাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘আমি মিথ্যে কথা বলার লোক না। এটা আমাকে একজন ব্ল্যাকমেইল করেছে। আমি সেবন করি না। একজন আমাকে হাতে দিয়েছিল, আমি ওভাবে হাতে নিয়ে ধরেছিলাম। তবে আমি গাঁজা খাই না। সিগারেট খাই।’
মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রাজু বলেন, ওয়াজেদ আলীর মাদক সেবনের একটা ছবি পেয়েছি। আমরা থানা কমিটি বসব। দলে নেশাখোর ও চাঁদাবাজের স্থান হবে না।
নওগাঁ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব এ টি এম ফিরোজ দুলু বলেন, ‘বিষয়টি অবগত আছি। তার বিরুদ্ধ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস
নওগাঁর মহাদেবপুরে এক কৃষক দল নেতার গাঁজা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
গাঁজা সেবনকারী ওই কৃষক দল নেতার নাম ওয়াজেদ আলী ওরফে আলী। তিনি মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের সহসভাপতি।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার গো-হাটির চৌখন্ডিতে (বসার স্থান) পা ঝুলিয়ে বসে আছেন কৃষক দল নেতা ওয়াজেদ আলী। হাতে একটি কাগজে মোড়ানো গাঁজা, নাকে শুকুতে শুকতে বলতে শোনা যাচ্ছে এইশালা এগুলো খাওয়া যাবে? আবার বলতে শোনা যাচ্ছে তামুক কিন্তু এটা মাটির তলে থোয়া (রাখা)। আড়ালে থাকা একজনকে এগিয়ে দিয়ে বলছে দানা আছে, একবার শুঁকে দেখ। এরপর গাঁজা থেকে কিছু ফেলে দিচ্ছেন তিনি নিজেই। পরবর্তীতে হাতের তালুতে নিয়ে আঙুল দিয়ে ডলতে দেখা যায়। সর্বশেষ গুঁড়ো করে একটি সিগারেটে উঠিয়ে সিগারেটটি টানতে দেখা যায় তাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘আমি মিথ্যে কথা বলার লোক না। এটা আমাকে একজন ব্ল্যাকমেইল করেছে। আমি সেবন করি না। একজন আমাকে হাতে দিয়েছিল, আমি ওভাবে হাতে নিয়ে ধরেছিলাম। তবে আমি গাঁজা খাই না। সিগারেট খাই।’
মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রাজু বলেন, ওয়াজেদ আলীর মাদক সেবনের একটা ছবি পেয়েছি। আমরা থানা কমিটি বসব। দলে নেশাখোর ও চাঁদাবাজের স্থান হবে না।
নওগাঁ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব এ টি এম ফিরোজ দুলু বলেন, ‘বিষয়টি অবগত আছি। তার বিরুদ্ধ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নারী সেজে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি এবং সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান ইসলামকে থানায় ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে তিনি কসবা থানায় হাজির হয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ‘তৌহিদী জনতা’ ব্যানারে রেদোয়ান ইসলাম ও রিংকু সরকার রবিনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তাদের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নারী সেজে বিভিন্ন আপত্তিকর কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তারা প্রকাশ্যে ও অনলাইনে অশালীন কনটেন্ট প্রচার করছেন, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নৈতিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করলে পুলিশ দুজনকেই থানায় তলব করে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে রেদোয়ান ইসলামকে ডাকা হয়েছিল। তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি একজন পুরুষ এবং ভবিষ্যতে নারী সেজে কোনো ধরনের অশালীন কনটেন্ট তৈরি বা প্রচার করবেন না এ মর্মে লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পূর্বের পাঁচ সদস্যের কমিটির পরিবর্তে সম্প্রতি ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়, যেখানে রেদোয়ান ইসলাম সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। তবে এ ঘটনার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নারী সেজে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি এবং সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান ইসলামকে থানায় ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে তিনি কসবা থানায় হাজির হয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ‘তৌহিদী জনতা’ ব্যানারে রেদোয়ান ইসলাম ও রিংকু সরকার রবিনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তাদের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নারী সেজে বিভিন্ন আপত্তিকর কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তারা প্রকাশ্যে ও অনলাইনে অশালীন কনটেন্ট প্রচার করছেন, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নৈতিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করলে পুলিশ দুজনকেই থানায় তলব করে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে রেদোয়ান ইসলামকে ডাকা হয়েছিল। তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি একজন পুরুষ এবং ভবিষ্যতে নারী সেজে কোনো ধরনের অশালীন কনটেন্ট তৈরি বা প্রচার করবেন না এ মর্মে লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পূর্বের পাঁচ সদস্যের কমিটির পরিবর্তে সম্প্রতি ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়, যেখানে রেদোয়ান ইসলাম সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। তবে এ ঘটনার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফুটবল খেলতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো- আদনান ও আব্রাহাম। তারা কুষ্টিয়ার পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে। পরিবারসহ তারা রায়েরটেক খান বাড়ির নিজাম উদ্দিন খানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রনি মিয়া জানান, দুই ভাই পুকুরপাড়ে ফুটবল খেলছিল। এক পর্যায়ে বলটি পুকুরে পড়ে গেলে তারা হয়ত সেটি তুলতে পানিতে নামে। এরপর দীর্ঘ সময় তাদের দেখা না গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে এক নারীর কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করে এবং একে একে দুই ভাইকে উদ্ধার করে।
উদ্ধারের পর দ্রুত তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিবুল্লাহ জানান, পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।
নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এমন দুর্ঘটনা এড়াতে শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফুটবল খেলতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো- আদনান ও আব্রাহাম। তারা কুষ্টিয়ার পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে। পরিবারসহ তারা রায়েরটেক খান বাড়ির নিজাম উদ্দিন খানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রনি মিয়া জানান, দুই ভাই পুকুরপাড়ে ফুটবল খেলছিল। এক পর্যায়ে বলটি পুকুরে পড়ে গেলে তারা হয়ত সেটি তুলতে পানিতে নামে। এরপর দীর্ঘ সময় তাদের দেখা না গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে এক নারীর কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করে এবং একে একে দুই ভাইকে উদ্ধার করে।
উদ্ধারের পর দ্রুত তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিবুল্লাহ জানান, পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।
নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এমন দুর্ঘটনা এড়াতে শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.