
১৬ জুন, ২০২৫ ১৫:২৮
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) সকাল পর্যন্ত গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থী বিথি দেবনাথ (১৬) গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বড় চৌদ্দআনী গ্রামের অবনি অশোক দেবনাথের কন্যা। সে উলানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়েছিল।
বিথির চাচা অবনি দেবনাথ জানান, "শুক্রবার বিথির পেটে ব্যথা ও বমি হলে প্রথমে তাকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা বরিশাল রেফার করলে আমরা আরিফ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানেই রবিবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথির মৃত্যু হয়।"
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে রয়েছেন- গলাচিপা পৌরসভার লিহা (১০) ও হনুফা বেগম (৪৫), কালিকাপুর গ্রামের তাসফিহা (১৩), রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বেল্লাল হোসেন (২০) ও শারমিন আক্তার (১৯), ডাকুয়া গ্রামের তহমিনা বেগম (৩৫), উলানিয়ার ফরহাত হোসেন (২২), গজালিয়ার সুজন (১৪) ও দশমিনা উপজেলার রনগোপালদির লাইলি বেগম (৩৮) ভর্তি হয়েছে জ্বর নিয়ে। পরে পরীক্ষায় ধরা পরে ডেঙ্গু আক্রান্ত।
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের হাসপাতালে বর্তমানে বেশ কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে তারা সুস্থ হয়ে উঠছে। এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় কেউ মারা যায়নি।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, গলাচিপা ইউনিটের টিম লিডার ফিরোজ মাহামুদ বলেন,আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন করেছি। এছাড়াও প্রস্তুতি নিয়েছি স্কুল-কলেজ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশন পরিচালনা করব। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিই এখন মূল লক্ষ্য।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহামুদুল হাসান বলেন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মশকনিধনের ওষুধ ও ওষুধ ছিটানোর যন্ত্র (স্প্রে/ফগারসহ যাবতীয় যন্ত্রাংশ ক্রয় করা হয়েছে।
পৌরসভা ও প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদকে মশক নিধন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে বলা হয়েছে একইভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এ কার্যক্রম চলবে। আর ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় গলাচিপা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গলাচিপাবাসীর মাঝে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জোরালো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) সকাল পর্যন্ত গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থী বিথি দেবনাথ (১৬) গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বড় চৌদ্দআনী গ্রামের অবনি অশোক দেবনাথের কন্যা। সে উলানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে অংশ নিয়েছিল।
বিথির চাচা অবনি দেবনাথ জানান, "শুক্রবার বিথির পেটে ব্যথা ও বমি হলে প্রথমে তাকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা বরিশাল রেফার করলে আমরা আরিফ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানেই রবিবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথির মৃত্যু হয়।"
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে রয়েছেন- গলাচিপা পৌরসভার লিহা (১০) ও হনুফা বেগম (৪৫), কালিকাপুর গ্রামের তাসফিহা (১৩), রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বেল্লাল হোসেন (২০) ও শারমিন আক্তার (১৯), ডাকুয়া গ্রামের তহমিনা বেগম (৩৫), উলানিয়ার ফরহাত হোসেন (২২), গজালিয়ার সুজন (১৪) ও দশমিনা উপজেলার রনগোপালদির লাইলি বেগম (৩৮) ভর্তি হয়েছে জ্বর নিয়ে। পরে পরীক্ষায় ধরা পরে ডেঙ্গু আক্রান্ত।
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের হাসপাতালে বর্তমানে বেশ কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে তারা সুস্থ হয়ে উঠছে। এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় কেউ মারা যায়নি।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, গলাচিপা ইউনিটের টিম লিডার ফিরোজ মাহামুদ বলেন,আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন করেছি। এছাড়াও প্রস্তুতি নিয়েছি স্কুল-কলেজ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশন পরিচালনা করব। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিই এখন মূল লক্ষ্য।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহামুদুল হাসান বলেন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মশকনিধনের ওষুধ ও ওষুধ ছিটানোর যন্ত্র (স্প্রে/ফগারসহ যাবতীয় যন্ত্রাংশ ক্রয় করা হয়েছে।
পৌরসভা ও প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদকে মশক নিধন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে বলা হয়েছে একইভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এ কার্যক্রম চলবে। আর ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় গলাচিপা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গলাচিপাবাসীর মাঝে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জোরালো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.