বরিশালের গৌরনদীতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যমুনা লাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে একটি রেস্তোরাঁর সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বাসটি প্রায় ৩০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা অভিমুখে যাচ্ছিল। পথে খাঞ্জাপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হন।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। গুরুতর আহত চারজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসীন বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৩২
সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিহতের প্রতিবাদে এবং তার পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়ককে অবরোধ ছিল।
এর আগে দুপুরে ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় দুর্ঘটনার পর সঠিক সময়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের শাস্তির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি নিহত ইয়াসিনের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলেন তারা।
বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরের সামনে ইয়াসিন আরাফাতের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বিআরটিসির পক্ষ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা এই ক্ষতিপূরণ প্রত্যাখ্যান করে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে দুর্ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডির দায়িত্বশীলদের ভূমিকা খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, আমরা দুপুরে আলোচনা করে ভেবেছিলাম, প্রশাসন আমাদের দাবিগুলো মেনে নেবে। প্রক্টরিয়াল বডির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দুপুর গড়িয়ে রাত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। আবার নামে মাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মামুন আর রশিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা। তারপরও আমি ১০ লাখ টাকার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া বিআরটিসি ও সড়ক ও জনপথ বিভাগ মিলে আরও সাত লাখ টাকা দিতে চেয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধের কারণে সড়কের উভয় পাশে বিপুলসংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিহতের প্রতিবাদে এবং তার পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়ককে অবরোধ ছিল।
এর আগে দুপুরে ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় দুর্ঘটনার পর সঠিক সময়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের শাস্তির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি নিহত ইয়াসিনের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলেন তারা।
বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরের সামনে ইয়াসিন আরাফাতের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বিআরটিসির পক্ষ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা এই ক্ষতিপূরণ প্রত্যাখ্যান করে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে দুর্ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডির দায়িত্বশীলদের ভূমিকা খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, আমরা দুপুরে আলোচনা করে ভেবেছিলাম, প্রশাসন আমাদের দাবিগুলো মেনে নেবে। প্রক্টরিয়াল বডির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দুপুর গড়িয়ে রাত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। আবার নামে মাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মামুন আর রশিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা। তারপরও আমি ১০ লাখ টাকার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া বিআরটিসি ও সড়ক ও জনপথ বিভাগ মিলে আরও সাত লাখ টাকা দিতে চেয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধের কারণে সড়কের উভয় পাশে বিপুলসংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৩
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৪৬
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পাবেন।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারবেন। ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবেঃ
নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে দেওয়া ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
উল্লেখ্য, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনও অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনও আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পাবেন।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারবেন। ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবেঃ
নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে দেওয়া ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
উল্লেখ্য, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনও অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনও আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

২৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০৭
বরিশালের গৌরনদীতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যমুনা লাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে একটি রেস্তোরাঁর সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বাসটি প্রায় ৩০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা অভিমুখে যাচ্ছিল। পথে খাঞ্জাপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হন।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। গুরুতর আহত চারজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসীন বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮