ছবি:সংগ্রহীত
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
কাতারের লুসাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বাবুল আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল আহমেদ ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বাসিন্দা। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে কাতারে বসবাস করছিলেন।
জানা গেছে, লুসাইল থেকে ফেরার পথে বাবুল আহমেদের ব্যবহৃত গাড়িতে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে তিনি গাড়িটি সড়কের পাশে থামিয়ে সমস্যাটি পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাবুল আহমেদকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি একজন মিশরীয় নাগরিক চালাচ্ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহত বাবুল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে কাতারে প্রবাসজীবন কাটাচ্ছিলেন। বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা মাহবুব আলমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে তিনি কাতারে বসবাস করছিলেন।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুবাদে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ ছিল। হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রবাসীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
দুর্ঘটনার পর বাবুল আহমেদের মরদেহ কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে।
সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে কাতার থেকে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে স্বজনরা প্রিয়জনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
বাবুল আহমেদ দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে বর্তমানে কাতারেই প্রবাসী হিসেবে বসবাস করছেন। বাবার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
প্রায় দুই দশক ধরে প্রবাসে জীবন কাটানোর পর সড়ক দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যেও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
স্বজন ও পরিচিতজনরা জানান, কর্মজীবনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কাতারের বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বাবুল আহমেদ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
কাতারের লুসাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বাবুল আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল আহমেদ ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বাসিন্দা। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে কাতারে বসবাস করছিলেন।
জানা গেছে, লুসাইল থেকে ফেরার পথে বাবুল আহমেদের ব্যবহৃত গাড়িতে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে তিনি গাড়িটি সড়কের পাশে থামিয়ে সমস্যাটি পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাবুল আহমেদকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি একজন মিশরীয় নাগরিক চালাচ্ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহত বাবুল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে কাতারে প্রবাসজীবন কাটাচ্ছিলেন। বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা মাহবুব আলমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে তিনি কাতারে বসবাস করছিলেন।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুবাদে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ ছিল। হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রবাসীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
দুর্ঘটনার পর বাবুল আহমেদের মরদেহ কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে।
সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে কাতার থেকে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে স্বজনরা প্রিয়জনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
বাবুল আহমেদ দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে বর্তমানে কাতারেই প্রবাসী হিসেবে বসবাস করছেন। বাবার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
প্রায় দুই দশক ধরে প্রবাসে জীবন কাটানোর পর সড়ক দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যেও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
স্বজন ও পরিচিতজনরা জানান, কর্মজীবনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কাতারের বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বাবুল আহমেদ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা ঠেকানোকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও কেন্দ্র পরিদর্শকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে জাহিদ (২২) ও রাসেল (২০) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী নকলের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। দায়িত্ব পালনরত কেন্দ্র পরিদর্শকরা বিষয়টি শনাক্ত করে নকলের খাতা জব্দ করেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাদের সহযোগিতা করেন।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নকল করতে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা বহিরাগত যুবকরা কলেজের বাইরে জড়ো হন। পরে কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব শেষে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয় এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
দুলারহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা মিলিয়ে মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন আলম চৌধুরী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশের ওপর পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা ঠেকানোকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও কেন্দ্র পরিদর্শকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে জাহিদ (২২) ও রাসেল (২০) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী নকলের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। দায়িত্ব পালনরত কেন্দ্র পরিদর্শকরা বিষয়টি শনাক্ত করে নকলের খাতা জব্দ করেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাদের সহযোগিতা করেন।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নকল করতে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা বহিরাগত যুবকরা কলেজের বাইরে জড়ো হন। পরে কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব শেষে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয় এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
দুলারহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা মিলিয়ে মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন আলম চৌধুরী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশের ওপর পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪১