
২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৩
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে বেপরোয়াগতির যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মহাসড়কের বাটাজোর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক তাজ আনন্দ পরিবহনের বাসটি ভাঙচুর করেছেন। তবে চালক-হেলপার কৌশলে পালিয়ে গেছে।
এসময় দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং সড়কের দুপাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলযোগে উজিরপুরের বাসিন্দা ফিরোজ মাহমুদ (৩৭) তার স্ত্রী মনিয়া বেগম এবং শিশু সন্তান জান্নাতকে নিয়ে উজিরপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে যানজটের কারণে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ডে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে রাখা হয়। এসময় তাজ আনন্দ পরিবহনের বরিশালগামী একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী ফিরোজ মাহমুদ, স্ত্রী মনিরা বেগম ও শিশু মেয়ে জান্নাত নিহত হন। নিহত ফিরোজ মাহমুদ উজিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাস জব্দ করা হয়েছে। যানজট নিরসনের চেষ্টা চলছে। ঘাতক বাসটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশাল আসছিল। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালক হেলপারকে আটকে অভিযান চলছে।'

২৬ মে, ২০২৬ ১৩:১৮
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনার শাখা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবিতে ৩ জন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
সোমবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার মেঘনা নদীর ধুলখোলা ইউনিয়ন অংশে এ ঘটনা ঘটেছে। জানা যায় ট্রলারে থাকা ৮ জন যাত্রীর মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় । বাকি ৩ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ হওয়ার ব্যক্তিরা হলেন ধূলখোলা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত জাফর জমাদারের ছেলে নূর ইসলাম জমাদার(৪৫) ও নাতি ইব্রাহিম (৯) এছাড়াও নিখোঁজ একই গ্রামের রয়েছেন হামিদ বিশ্বাসের ছেলে হারুন বিশ্বাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ধূলখোলা ইউনিয়ন থেকে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে ট্রলার যোগে বাড়িতে ফেরার পথে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয় তাঁরা।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও থানা পুলিশ একযোগে প্রায় তিন ঘন্টা উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এখন পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরো জানান, আগামীকাল সকাল থেকে উদ্ধারের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে বেপরোয়াগতির যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মহাসড়কের বাটাজোর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক তাজ আনন্দ পরিবহনের বাসটি ভাঙচুর করেছেন। তবে চালক-হেলপার কৌশলে পালিয়ে গেছে।
এসময় দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং সড়কের দুপাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলযোগে উজিরপুরের বাসিন্দা ফিরোজ মাহমুদ (৩৭) তার স্ত্রী মনিয়া বেগম এবং শিশু সন্তান জান্নাতকে নিয়ে উজিরপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে যানজটের কারণে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ডে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে রাখা হয়। এসময় তাজ আনন্দ পরিবহনের বরিশালগামী একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী ফিরোজ মাহমুদ, স্ত্রী মনিরা বেগম ও শিশু মেয়ে জান্নাত নিহত হন। নিহত ফিরোজ মাহমুদ উজিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাস জব্দ করা হয়েছে। যানজট নিরসনের চেষ্টা চলছে। ঘাতক বাসটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশাল আসছিল। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালক হেলপারকে আটকে অভিযান চলছে।'
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনার শাখা নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবিতে ৩ জন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
সোমবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার মেঘনা নদীর ধুলখোলা ইউনিয়ন অংশে এ ঘটনা ঘটেছে। জানা যায় ট্রলারে থাকা ৮ জন যাত্রীর মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় । বাকি ৩ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ হওয়ার ব্যক্তিরা হলেন ধূলখোলা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত জাফর জমাদারের ছেলে নূর ইসলাম জমাদার(৪৫) ও নাতি ইব্রাহিম (৯) এছাড়াও নিখোঁজ একই গ্রামের রয়েছেন হামিদ বিশ্বাসের ছেলে হারুন বিশ্বাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ধূলখোলা ইউনিয়ন থেকে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে ট্রলার যোগে বাড়িতে ফেরার পথে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয় তাঁরা।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও থানা পুলিশ একযোগে প্রায় তিন ঘন্টা উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এখন পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরো জানান, আগামীকাল সকাল থেকে উদ্ধারের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
২৬ মে, ২০২৬ ১৬:৩৮
২৬ মে, ২০২৬ ১৬:২৩
২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৪১
২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৩