Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:২৪
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় বাস্তবায়িত একটি প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পরিচালিত এ প্রকল্পে ভুয়া শিক্ষার্থী ও ভুয়া শিখনকেন্দ্র দেখিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৭ ডিসেম্বর দুদকের নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. আল মামুন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার আসামিরা হলেন আয়েশা আক্তার, গাউসুল আজম, মোখছেদ আলী, কাজী মনোয়ারুল হাসান, টুকটুক তালুকদার, ডা. হাসান আলী, নীলিমা জাহান, আনোয়ার আলী, জান্নাত আরা তিথি, আবুল হায়াত, শামিমা আক্তার জাহান, অরুণ চন্দ্র রায় ও তৌহিদা মোহতামিম। এদের মধ্যে তিনজন এনজিও কর্মী। এছাড়া রাজশাহী এডিসি শিক্ষা ও আইসিটি টুকটুক তালুকদারসহ অন্যরা সরকারি কর্মচারী।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। তবে বাস্তবে তা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। প্রকৃত যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে জরিপ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এজাহার অনুযায়ী, মোট এক হাজার ৬৫৭ জন ভুয়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে কাগজে-কলমে ৫৫টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় বা শিখনকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা দেখানো হয়, যা বাস্তবে চালু ছিল না। এসব ভুয়া শিখনকেন্দ্রের নামে শিক্ষক বেতন, প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের পোশাক ও স্কুল ব্যাগ, শিখনকেন্দ্র স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা খরচসহ বিভিন্ন খাতে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পের চুক্তিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে শিক্ষক বেতন বাবদ প্রায় এক কোটি ৩২ লাখ টাকা, প্রশিক্ষণ খাতে ৩৪ লাখ টাকার বেশি, পোশাক ও স্কুল ব্যাগ বাবদ প্রায় ৫০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য খরচসহ মোট তিন কোটি ৫৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৩২ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসব অর্থ আত্মসাতে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা, সহযোগী এনজিও এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ভেরিফিকেশন এজেন্সির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজশে জড়িত ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদক আরও জানায়, ইন্ডিপেনডেন্ট ভেরিফিকেশন এজেন্সির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রকৃত যাচাই না করেই সব কার্যক্রম সন্তোষজনক উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেন। এর ফলে ভুয়া শিক্ষার্থী ও ভুয়া শিখনকেন্দ্রের তথ্য বৈধতা পায় এবং অর্থ আত্মসাৎ সহজ হয়।
দুদকের নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. আল মামুন বলেন, মামলার তদন্ত কাজ চলছে। তদন্তকালে যদি আরও কারোর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় বাস্তবায়িত একটি প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পরিচালিত এ প্রকল্পে ভুয়া শিক্ষার্থী ও ভুয়া শিখনকেন্দ্র দেখিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৭ ডিসেম্বর দুদকের নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. আল মামুন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার আসামিরা হলেন আয়েশা আক্তার, গাউসুল আজম, মোখছেদ আলী, কাজী মনোয়ারুল হাসান, টুকটুক তালুকদার, ডা. হাসান আলী, নীলিমা জাহান, আনোয়ার আলী, জান্নাত আরা তিথি, আবুল হায়াত, শামিমা আক্তার জাহান, অরুণ চন্দ্র রায় ও তৌহিদা মোহতামিম। এদের মধ্যে তিনজন এনজিও কর্মী। এছাড়া রাজশাহী এডিসি শিক্ষা ও আইসিটি টুকটুক তালুকদারসহ অন্যরা সরকারি কর্মচারী।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। তবে বাস্তবে তা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। প্রকৃত যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে জরিপ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এজাহার অনুযায়ী, মোট এক হাজার ৬৫৭ জন ভুয়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে কাগজে-কলমে ৫৫টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয় বা শিখনকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা দেখানো হয়, যা বাস্তবে চালু ছিল না। এসব ভুয়া শিখনকেন্দ্রের নামে শিক্ষক বেতন, প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের পোশাক ও স্কুল ব্যাগ, শিখনকেন্দ্র স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা খরচসহ বিভিন্ন খাতে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, প্রকল্পের চুক্তিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে শিক্ষক বেতন বাবদ প্রায় এক কোটি ৩২ লাখ টাকা, প্রশিক্ষণ খাতে ৩৪ লাখ টাকার বেশি, পোশাক ও স্কুল ব্যাগ বাবদ প্রায় ৫০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য খরচসহ মোট তিন কোটি ৫৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৩২ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসব অর্থ আত্মসাতে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা, সহযোগী এনজিও এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ভেরিফিকেশন এজেন্সির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজশে জড়িত ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদক আরও জানায়, ইন্ডিপেনডেন্ট ভেরিফিকেশন এজেন্সির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রকৃত যাচাই না করেই সব কার্যক্রম সন্তোষজনক উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেন। এর ফলে ভুয়া শিক্ষার্থী ও ভুয়া শিখনকেন্দ্রের তথ্য বৈধতা পায় এবং অর্থ আত্মসাৎ সহজ হয়।
দুদকের নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. আল মামুন বলেন, মামলার তদন্ত কাজ চলছে। তদন্তকালে যদি আরও কারোর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬