
১৫ জুন, ২০২৫ ১১:৩৬
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে সাত লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এনিয়ে আদালতে মামলা করায় হুমকির মুখে নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত সাহীফুল ইসলাম বুলবুল উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমন্বয়ক।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সারিয়াকান্দি থানা ও সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। তবে আইনজীবীর লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল পাওয়া গেছে। বাদী আব্দুল মান্নান উপজেলার ফুলবাড়ী (বালুচড়া) দক্ষিণপাড়ার জামাল আকন্দের ছেলে। তিনিও এনসিপি সমর্থক বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, কয়েকমাস আগে চাকরির প্রলোভনে আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেন এনসিপি নেতা বুলবুল। তিনি সারিয়াকান্দি উপজেলার চর-গোদাগাড়ী এলাকার মোস্তাফিজার রহমানের ছেলে এবং অভিযোগকারীর নিকটাত্মীয়।
চাকরি না হলে এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দেওয়ার শর্তে তিনি জমি ও গরু বিক্রি করে টাকা দেন। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে একটি ব্যাংক চেক দেন এনসিপি নেতা। ব্যাংকে যাওয়ার পর চেক ডিজঅনার হলে বগুড়ার আদালতে অর্থ আত্মসাৎ (প্রতারণা) মামলা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুকমি দিচ্ছেন বুলবুল।
ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেন, মামলা করার কারণে তিনি নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন। বুলবুল এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক হওয়ায় প্রশাসন নাকি কিছুই করতে পারবে না। মামলা তুলে না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছে।
এদিকে থানা এবং সেনাবাহিনীর কাছে দেওয়া অভিযোগের সঙ্গে লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। নোটিশে চাকরি নয়, ব্যবসায়িক লেনদেনের কথা উল্লেখ করেন মান্নানের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা। বলা হয়, বুলবুলের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সাত লাখ টাকা লেনদেন সংক্রান্তে চেক ডিজঅনার হয়েছে।
টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত এনসিপি নেতা সাহীফুল ইসলাম বুলবুল। তার দাবি, চাকরি প্রলোভনের বিষয়টি মিথ্যা, ভিত্তিহীন। ধান-চালের চাতাল ব্যবসার অংশীদার হিসেবে তিন লাখ টাকা নিয়ে মান্নানকে একটি ফাঁকা চেক দিয়েছিলেন। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় সাত লাখ টাকা লিখে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি মো. জামিরুল ইসলাম জানান, চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাৎ ও আদালতে মামলা করায় হুমকির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আব্দুল্লাহ আল সানী বলেন, আমাদের সংগঠনে প্রতারক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস বা অন্যায়কারীর ঠাঁই নেই। বিষয়টি জেনেই সারিয়াকান্দি উপজেলার সমন্বয়ক বুলবুলকে মৌখিকভাবে শোকজ করেছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনা মিথ্যা হলে বাদীর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতা করব।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে সাত লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এনিয়ে আদালতে মামলা করায় হুমকির মুখে নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত সাহীফুল ইসলাম বুলবুল উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমন্বয়ক।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সারিয়াকান্দি থানা ও সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। তবে আইনজীবীর লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল পাওয়া গেছে। বাদী আব্দুল মান্নান উপজেলার ফুলবাড়ী (বালুচড়া) দক্ষিণপাড়ার জামাল আকন্দের ছেলে। তিনিও এনসিপি সমর্থক বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, কয়েকমাস আগে চাকরির প্রলোভনে আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেন এনসিপি নেতা বুলবুল। তিনি সারিয়াকান্দি উপজেলার চর-গোদাগাড়ী এলাকার মোস্তাফিজার রহমানের ছেলে এবং অভিযোগকারীর নিকটাত্মীয়।
চাকরি না হলে এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দেওয়ার শর্তে তিনি জমি ও গরু বিক্রি করে টাকা দেন। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে একটি ব্যাংক চেক দেন এনসিপি নেতা। ব্যাংকে যাওয়ার পর চেক ডিজঅনার হলে বগুড়ার আদালতে অর্থ আত্মসাৎ (প্রতারণা) মামলা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুকমি দিচ্ছেন বুলবুল।
ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেন, মামলা করার কারণে তিনি নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন। বুলবুল এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক হওয়ায় প্রশাসন নাকি কিছুই করতে পারবে না। মামলা তুলে না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছে।
এদিকে থানা এবং সেনাবাহিনীর কাছে দেওয়া অভিযোগের সঙ্গে লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। নোটিশে চাকরি নয়, ব্যবসায়িক লেনদেনের কথা উল্লেখ করেন মান্নানের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা। বলা হয়, বুলবুলের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সাত লাখ টাকা লেনদেন সংক্রান্তে চেক ডিজঅনার হয়েছে।
টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত এনসিপি নেতা সাহীফুল ইসলাম বুলবুল। তার দাবি, চাকরি প্রলোভনের বিষয়টি মিথ্যা, ভিত্তিহীন। ধান-চালের চাতাল ব্যবসার অংশীদার হিসেবে তিন লাখ টাকা নিয়ে মান্নানকে একটি ফাঁকা চেক দিয়েছিলেন। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় সাত লাখ টাকা লিখে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি মো. জামিরুল ইসলাম জানান, চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাৎ ও আদালতে মামলা করায় হুমকির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আব্দুল্লাহ আল সানী বলেন, আমাদের সংগঠনে প্রতারক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস বা অন্যায়কারীর ঠাঁই নেই। বিষয়টি জেনেই সারিয়াকান্দি উপজেলার সমন্বয়ক বুলবুলকে মৌখিকভাবে শোকজ করেছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনা মিথ্যা হলে বাদীর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতা করব।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫৫
২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৫
২৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:৪৩
২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩