
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৭
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় এক যুবককে জনতা আটক করে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: মোস্তফা তালুকদার, সিনিয়র শিক্ষক উত্তম সাহা ও রাশিদা খানম প্রমুখ। এ সময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও জড়িতদের পুরোপুরি শনাক্ত করা হয়নি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাড়েরহাটের সাইফুল ইসলামের ছেলে তাকরিম (২৪)কে স্থানীয় জনতা হামলার সাথে সজড়িত থাকার সন্দেহে ‘মল্লিক বাড়ি’ এলাকায় মোটরসাইকেলসহ আটক করেন।
পরে তাঁকে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) এবং তাঁর ভাইপো রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপুর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এতে দুজনই শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নাসির মল্লিকের অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় এক যুবককে জনতা আটক করে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: মোস্তফা তালুকদার, সিনিয়র শিক্ষক উত্তম সাহা ও রাশিদা খানম প্রমুখ। এ সময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও জড়িতদের পুরোপুরি শনাক্ত করা হয়নি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাড়েরহাটের সাইফুল ইসলামের ছেলে তাকরিম (২৪)কে স্থানীয় জনতা হামলার সাথে সজড়িত থাকার সন্দেহে ‘মল্লিক বাড়ি’ এলাকায় মোটরসাইকেলসহ আটক করেন।
পরে তাঁকে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) এবং তাঁর ভাইপো রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপুর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এতে দুজনই শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নাসির মল্লিকের অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় লাইসেন্সবিহীন ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ‘পপুলার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের সরকারি হাসপাতালের পেছনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স বা ল্যাব পরিচালনার অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এছাড়া অভিযানের সময় হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক, প্যাথলজিস্ট কিংবা টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি। এমনকি অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পালিয়ে যান।
অভিযানে উপস্থিত থাকা মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত সনদ ছাড়াই হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম দূর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় লাইসেন্সবিহীন ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ‘পপুলার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের সরকারি হাসপাতালের পেছনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স বা ল্যাব পরিচালনার অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এছাড়া অভিযানের সময় হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক, প্যাথলজিস্ট কিংবা টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি। এমনকি অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পালিয়ে যান।
অভিযানে উপস্থিত থাকা মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত সনদ ছাড়াই হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম দূর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের রোপণ করা দুটি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ঢেপসাবুনিয়া গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের লাগানো গাছ দুটি কেটে নেন বালিপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ও আ. মান্নান হাওলাদারের ছেলে মাসুম হাওলাদার ছগির। পরে শ্রমিক দিয়ে গাছগুলো নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় এলাকাবাসী বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করা হয় বলে জানান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ. সোবাহান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আ. মজিদের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কয়েকশ মেহগনি গাছ রোপণ করা হয়েছিল।
অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদার ছগির এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল সাংবাদিকদের বলেন, গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের কোনো অনুমতি ছাড়াই কেটে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গাছগুলো সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন সেন্টুর জিম্মায় রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের রোপণ করা দুটি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ঢেপসাবুনিয়া গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের লাগানো গাছ দুটি কেটে নেন বালিপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ও আ. মান্নান হাওলাদারের ছেলে মাসুম হাওলাদার ছগির। পরে শ্রমিক দিয়ে গাছগুলো নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় এলাকাবাসী বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করা হয় বলে জানান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ. সোবাহান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আ. মজিদের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কয়েকশ মেহগনি গাছ রোপণ করা হয়েছিল।
অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদার ছগির এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল সাংবাদিকদের বলেন, গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদের কোনো অনুমতি ছাড়াই কেটে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গাছগুলো সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন সেন্টুর জিম্মায় রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৩
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৪
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৫
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫১