বরিশালের বাবুগঞ্জে ইদিলকাঠী বাহেরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এডহক) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা আহবায়ক যুবনেতা রকিবুল হাসান খান রাকিব। সোমবার (২৯ জুন) তাকে সভাপতি নির্বাচিত করে পরিপত্র জারি করেছে বরিশালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এদিকে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করায় আনন্দোচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী। জাতীয়তাবাদী যুবদল ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের শুভেচ্ছা অভিনন্দনে ভাসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অনেকেই অভিনন্দন জানিয়ে বিভিন্ন প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেছেন। যুবদলের নেতাকর্মীদের মাঝেও উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
উল্লেখ্য, যুবনেতা রকিবুল হাসান খান রাকিব ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্ন থেকে অবসরপ্রাপ্ত সকল শিক্ষকদের রাজসিক বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়ে সর্বমহলে ব্যাপক আলোচিত এবং প্রশংসিত হন। এছাড়াও তিনি কৃতি শিক্ষার্থীদের অনুদান, বৃত্তি, সংবর্ধনা প্রদান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকাসহ দেহেরগতি ইউনিয়নের শিক্ষাবিস্তারে দীর্ঘদিন বিভিন্ন অবদান রেখে আসছেন। এলাকায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশেও তিনি বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা ও এতিমখানা উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। এছাড়াও ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশে মৌসুমভিত্তিক বিভিন্ন ক্রীড়া উৎসব এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নিয়মিত আয়োজন করে আসছেন তিনি।
ইদিলকাঠী বাহেরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক এবং অভিভাবকরা বলেন, 'শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক যুবনেতা রকিবুল হাসান খান রাকিবকে সভাপতি হিসেবে পেয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধন্য এবং গর্বিত। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কিছু নিতে নয়, সবসময় দিতে আসেন। এমন একজন আলোকিত মানুষকে নির্বাচিত করায় বরিশাল শিক্ষাবোর্ডকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আরো গতিশীল হবে। তাঁর হাত ধরেই দেহেরগতি ইউনিয়নের এই গ্রামীণ জনপদে শিক্ষার বিস্তারের মাধ্যমে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়বে।' #

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪০
বণিক বার্তার বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তান, পিতা ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাইকে রেখে গেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর প্রাথমিক বায়োপসিতে তার নন হজকিং লিম্ফোমা ধরা পড়ে। এরপর থেকে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এম. মিরাজ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বরিশাল প্রেসক্লাব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’সহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন।
এম. মিরাজ হোসেনের অকাল প্রয়াণে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’ গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’
বণিক বার্তার বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তান, পিতা ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাইকে রেখে গেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর প্রাথমিক বায়োপসিতে তার নন হজকিং লিম্ফোমা ধরা পড়ে। এরপর থেকে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এম. মিরাজ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বরিশাল প্রেসক্লাব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’সহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন।
এম. মিরাজ হোসেনের অকাল প্রয়াণে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’ গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩১
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’
হাসিবুল ইসলাম, সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
barishaltimes@gmail.com
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’
হাসিবুল ইসলাম, সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
barishaltimes@gmail.com

৩০ জুন, ২০২৬ ২৩:২৭
বরিশালের বাবুগঞ্জে ইদিলকাঠী বাহেরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এডহক) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা আহবায়ক যুবনেতা রকিবুল হাসান খান রাকিব। সোমবার (২৯ জুন) তাকে সভাপতি নির্বাচিত করে পরিপত্র জারি করেছে বরিশালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এদিকে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করায় আনন্দোচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী। জাতীয়তাবাদী যুবদল ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের শুভেচ্ছা অভিনন্দনে ভাসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অনেকেই অভিনন্দন জানিয়ে বিভিন্ন প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেছেন। যুবদলের নেতাকর্মীদের মাঝেও উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
উল্লেখ্য, যুবনেতা রকিবুল হাসান খান রাকিব ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্ন থেকে অবসরপ্রাপ্ত সকল শিক্ষকদের রাজসিক বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়ে সর্বমহলে ব্যাপক আলোচিত এবং প্রশংসিত হন। এছাড়াও তিনি কৃতি শিক্ষার্থীদের অনুদান, বৃত্তি, সংবর্ধনা প্রদান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকাসহ দেহেরগতি ইউনিয়নের শিক্ষাবিস্তারে দীর্ঘদিন বিভিন্ন অবদান রেখে আসছেন। এলাকায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশেও তিনি বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা ও এতিমখানা উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। এছাড়াও ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশে মৌসুমভিত্তিক বিভিন্ন ক্রীড়া উৎসব এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নিয়মিত আয়োজন করে আসছেন তিনি।
ইদিলকাঠী বাহেরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক এবং অভিভাবকরা বলেন, 'শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক যুবনেতা রকিবুল হাসান খান রাকিবকে সভাপতি হিসেবে পেয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধন্য এবং গর্বিত। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কিছু নিতে নয়, সবসময় দিতে আসেন। এমন একজন আলোকিত মানুষকে নির্বাচিত করায় বরিশাল শিক্ষাবোর্ডকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আরো গতিশীল হবে। তাঁর হাত ধরেই দেহেরগতি ইউনিয়নের এই গ্রামীণ জনপদে শিক্ষার বিস্তারের মাধ্যমে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়বে।' #
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭