ছবি: সংগৃহীত
আলোচিত চরমোনাইপন্থী ইসলামি বক্তা ও ‘৩১৩ প্রোপার্টিজ’-এর চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগে মামলা হয়েছে। তার পঞ্চম স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইন ৩ ধারায় গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এ মামলা করেন।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম মামলাটি নিয়ে আসামি মিসবাহকে আদালতে হাজির হতে সমন করেছেন, যা আজ শনিবার জানা গেছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম ইবরাহিম খলিল মামলা ও সমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে আসামি মিসবাহর সাথে হুমায়রা জান্নাতের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিসবাহ’ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের সময় মিসবাহ তার পূর্বের চারটি বিয়ের তথ্য গোপন করা হয়। পরে হুমায়রা জানতে পারেন, তাকে ছাড়াও মিসবাহ মোট নয়টি বিয়ে করেছেন। এসব বিয়ের কোনোটিই কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়নি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ বি এম ইবরাহিম খলিল বলেন, ‘আসামি মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহ সাথে বাদী হুমায়রা জান্নাতের সাথে ফেসবুকে যোগাযোগের সূত্র ধরে তাদের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে হুমায়রা জান্নাতকে যাত্রাবাড়ীতে নিজের বাসায় নিয়ে যান মিসবাহ। বিয়ের আগেই তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরে তারা বিয়ে করেন এবং তাদের একটি সন্তান রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হুমায়রা জান্নাত তার পঞ্চম স্ত্রী। এরপরও তিনি আরও চারটি বিয়ে করেছেন। এ হিসেবে তার মোট নয়টি বিয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সাথে তার একাধিক নারীর সাথে পরকীয়ার অভিযোগও রয়েছে। মিসবাহ ধর্মীয় প্রচারের পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন নারীর সাথে সম্পর্ক তৈরি করেছেন।’

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে রোববার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্র যেমন স্বীকৃতি দিয়েছে ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করেছে। ঠিক তেমনি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যাদের অপরিসীম ত্যাগ রয়েছে—যারা গুম হয়েছেন, নির্মমভাবে খুন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে আর পরিবারে ফিরে আসেননি, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন কিংবা শত শত মিথ্যা মামলায় নিঃস্ব হয়ে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন—রাষ্ট্র তাদের এই ত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি এভাবে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হয়ে স্বজন হারাতে না হয়, সেটির স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও অধিদপ্তর গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল—মানুষ স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করবে, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে, রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ হবে এবং প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই মৌলিক ভাবমূর্তি পদদলিত করা হয়েছে।
‘তাই আমাদের ওপর একটা দায়িত্ব বর্তায় যে, এই যে বিশাল একটা সংখ্যা জনগোষ্ঠী, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শ সেটাকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন দিলেন, অত্যাচারিত হলেন, গুম হলেন, আর্থিকভাবে তারা নিঃস্ব হয়ে গেলেন, তাদের জন্য আমরা কিছু করতে পারি কি না।’ যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালি বা ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ‘সিডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে এ নতুন দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার নীতিগত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপলস অ্যান্ড গাইডলাইনস অন দ্য রাইট টু আ রেমেডি অ্যান্ড রিপারেশন’ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুসরণ করে এই কল্যাণমূলক লক্ষ্য অর্জনে তিনটি প্রধান বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।
এর মধ্যে রয়েছে- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা; গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ভুক্তভোগী ও পরিবারের পূর্ণ অধিকার এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন ও ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’র ‘স্কেডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলিতে এ সংক্রান্ত দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য সেবা, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে রোববার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্র যেমন স্বীকৃতি দিয়েছে ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করেছে। ঠিক তেমনি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যাদের অপরিসীম ত্যাগ রয়েছে—যারা গুম হয়েছেন, নির্মমভাবে খুন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে আর পরিবারে ফিরে আসেননি, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন কিংবা শত শত মিথ্যা মামলায় নিঃস্ব হয়ে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন—রাষ্ট্র তাদের এই ত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি এভাবে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হয়ে স্বজন হারাতে না হয়, সেটির স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও অধিদপ্তর গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল—মানুষ স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করবে, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে, রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ হবে এবং প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই মৌলিক ভাবমূর্তি পদদলিত করা হয়েছে।
‘তাই আমাদের ওপর একটা দায়িত্ব বর্তায় যে, এই যে বিশাল একটা সংখ্যা জনগোষ্ঠী, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শ সেটাকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন দিলেন, অত্যাচারিত হলেন, গুম হলেন, আর্থিকভাবে তারা নিঃস্ব হয়ে গেলেন, তাদের জন্য আমরা কিছু করতে পারি কি না।’ যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালি বা ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ‘সিডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে এ নতুন দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার নীতিগত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপলস অ্যান্ড গাইডলাইনস অন দ্য রাইট টু আ রেমেডি অ্যান্ড রিপারেশন’ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুসরণ করে এই কল্যাণমূলক লক্ষ্য অর্জনে তিনটি প্রধান বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।
এর মধ্যে রয়েছে- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা; গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ভুক্তভোগী ও পরিবারের পূর্ণ অধিকার এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন ও ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’র ‘স্কেডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলিতে এ সংক্রান্ত দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য সেবা, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত এক মিয়ানমার নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় নৌকায় থাকা আরও তিনজন মাদক পাচারকারী নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।
শনিবার (২২ আগস্ট) ভোরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে সাবরাং এলাকা দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অত্যাধুনিক ফ্যান্টম বোট নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে সাবরাং বিওপির নিকটবর্তী নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান নেয়।
পরে সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে মিয়ানমার জলসীমা থেকে একটি কাঠের নৌকা বাংলাদেশের জলসীমার দিকে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিজিবির নৌ-টহলদল দ্রুত নৌকাটির দিকে এগিয়ে গিয়ে সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে।
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা মাদক পাচারকারীদের মধ্যে তিনজন নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। তবে অভিযানে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত এক মিয়ানমার নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি।
আটক ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম (৫০)। তিনি মিয়ানমারের মংডু থানার পুইমালি গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ফজল করিম এবং মায়ের নাম মরিয়ম খাতুন।
পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি গোপন কুঠুরিতে কৌশলে লুকিয়ে রাখা তিনটি প্যাকেট থেকে মোট ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি হস্তচালিত কাঠের নৌকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সদস্যদের প্রযুক্তিগত নজরদারি, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আভিযানিক দক্ষতার কারণে মাদকের বড় এই চালান বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশসহ সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। বিশেষ করে ভয়াবহ মাদক ক্রিস্টাল মেথ (আইস) পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ, নৌ-টহল ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
আটক ব্যক্তি, উদ্ধারকৃত ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং অন্যান্য জব্দ আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত এক মিয়ানমার নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় নৌকায় থাকা আরও তিনজন মাদক পাচারকারী নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।
শনিবার (২২ আগস্ট) ভোরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে সাবরাং এলাকা দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অত্যাধুনিক ফ্যান্টম বোট নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে সাবরাং বিওপির নিকটবর্তী নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান নেয়।
পরে সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে মিয়ানমার জলসীমা থেকে একটি কাঠের নৌকা বাংলাদেশের জলসীমার দিকে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিজিবির নৌ-টহলদল দ্রুত নৌকাটির দিকে এগিয়ে গিয়ে সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে।
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা মাদক পাচারকারীদের মধ্যে তিনজন নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। তবে অভিযানে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত এক মিয়ানমার নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি।
আটক ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম (৫০)। তিনি মিয়ানমারের মংডু থানার পুইমালি গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ফজল করিম এবং মায়ের নাম মরিয়ম খাতুন।
পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি গোপন কুঠুরিতে কৌশলে লুকিয়ে রাখা তিনটি প্যাকেট থেকে মোট ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি হস্তচালিত কাঠের নৌকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সদস্যদের প্রযুক্তিগত নজরদারি, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আভিযানিক দক্ষতার কারণে মাদকের বড় এই চালান বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশসহ সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। বিশেষ করে ভয়াবহ মাদক ক্রিস্টাল মেথ (আইস) পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ, নৌ-টহল ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
আটক ব্যক্তি, উদ্ধারকৃত ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং অন্যান্য জব্দ আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৪
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ১৮০ গ্রাম উচ্চমূল্যের মাদক ‘কুশ’ উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় দুটি ভারতীয় পাসপোর্টের ফটোকপিও পাওয়া যায়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বহনকারী দুই ভারতীয় নাগরিক ট্রলি ফেলে পালিয়ে যান।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের নিচতলায় আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, একটি গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের একটি বিশেষ দল বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান নেয়। সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে দলটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেখানে নজরদারি শুরু করে।
এর কিছুক্ষণ পর ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের TG321 ফ্লাইটে করে দুই ভারতীয় নাগরিক আকাশ দুবে (২৮) ও আকাশ পান্ডে (৩৪) ঢাকায় আসেন। গ্রিন চ্যানেল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা সঙ্গে থাকা দুটি ট্রলি ফেলে দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।
পরে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ও সাক্ষীদের সামনে ট্রলি দুটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে মোট ৪ হাজার ১৮০ গ্রাম ‘কুশ’ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি পাওয়া যায় দুই ভারতীয় নাগরিকের পাসপোর্টের ফটোকপি।
ডিএনসি জানিয়েছে, পলাতক দুই ব্যক্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বাসিন্দা। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রো (উত্তর) বিমানবন্দর সার্কেলের উপপরিদর্শক রোকেয়া আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
পলাতক দুই আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ১৮০ গ্রাম উচ্চমূল্যের মাদক ‘কুশ’ উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় দুটি ভারতীয় পাসপোর্টের ফটোকপিও পাওয়া যায়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বহনকারী দুই ভারতীয় নাগরিক ট্রলি ফেলে পালিয়ে যান।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের নিচতলায় আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, একটি গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের একটি বিশেষ দল বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান নেয়। সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে দলটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেখানে নজরদারি শুরু করে।
এর কিছুক্ষণ পর ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের TG321 ফ্লাইটে করে দুই ভারতীয় নাগরিক আকাশ দুবে (২৮) ও আকাশ পান্ডে (৩৪) ঢাকায় আসেন। গ্রিন চ্যানেল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা সঙ্গে থাকা দুটি ট্রলি ফেলে দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।
পরে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ও সাক্ষীদের সামনে ট্রলি দুটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে মোট ৪ হাজার ১৮০ গ্রাম ‘কুশ’ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি পাওয়া যায় দুই ভারতীয় নাগরিকের পাসপোর্টের ফটোকপি।
ডিএনসি জানিয়েছে, পলাতক দুই ব্যক্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বাসিন্দা। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রো (উত্তর) বিমানবন্দর সার্কেলের উপপরিদর্শক রোকেয়া আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
পলাতক দুই আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫২
আলোচিত চরমোনাইপন্থী ইসলামি বক্তা ও ‘৩১৩ প্রোপার্টিজ’-এর চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগে মামলা হয়েছে। তার পঞ্চম স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইন ৩ ধারায় গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এ মামলা করেন।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম মামলাটি নিয়ে আসামি মিসবাহকে আদালতে হাজির হতে সমন করেছেন, যা আজ শনিবার জানা গেছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম ইবরাহিম খলিল মামলা ও সমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে আসামি মিসবাহর সাথে হুমায়রা জান্নাতের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিসবাহ’ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের সময় মিসবাহ তার পূর্বের চারটি বিয়ের তথ্য গোপন করা হয়। পরে হুমায়রা জানতে পারেন, তাকে ছাড়াও মিসবাহ মোট নয়টি বিয়ে করেছেন। এসব বিয়ের কোনোটিই কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়নি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ বি এম ইবরাহিম খলিল বলেন, ‘আসামি মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহ সাথে বাদী হুমায়রা জান্নাতের সাথে ফেসবুকে যোগাযোগের সূত্র ধরে তাদের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে হুমায়রা জান্নাতকে যাত্রাবাড়ীতে নিজের বাসায় নিয়ে যান মিসবাহ। বিয়ের আগেই তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরে তারা বিয়ে করেন এবং তাদের একটি সন্তান রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হুমায়রা জান্নাত তার পঞ্চম স্ত্রী। এরপরও তিনি আরও চারটি বিয়ে করেছেন। এ হিসেবে তার মোট নয়টি বিয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সাথে তার একাধিক নারীর সাথে পরকীয়ার অভিযোগও রয়েছে। মিসবাহ ধর্মীয় প্রচারের পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন নারীর সাথে সম্পর্ক তৈরি করেছেন।’
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭