০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৩২
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রোগীসেবা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দালাল, প্রতারক ও বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার পরিচালকের কার্যালয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে পরিচালকসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিট ঘুরে দেখেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর।
উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলু, এনেসথেসিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাফিকুল ইসলাম, সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আহসান হাবিবসহ অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— মেডিসিন ভবনে অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকায় পুরাতন ভবনে বিভাগ সম্প্রসারণ করা হবে। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতাল এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোগী দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম চালু করা হবে।
ওয়ার্ড বা ইউনিট অপরিচ্ছন্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বেতন কর্তনের নীতিও চালু করা হয়েছে। বাহিরের ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো প্রতিনিধি বা রোগীর দালালকে হাসপাতালে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে।
এই নির্দেশনার আলোকে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) পুলিশ ও আনসার বাহিনী অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন ভবন থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী পরিচয়ধারী তপু সিকদারকে আটক করে থানায় পাঠায়। তবে পরে তিনি মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান বলে জানা গেছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রোগীসেবা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দালাল, প্রতারক ও বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার পরিচালকের কার্যালয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে পরিচালকসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিট ঘুরে দেখেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর।
উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলু, এনেসথেসিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাফিকুল ইসলাম, সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আহসান হাবিবসহ অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— মেডিসিন ভবনে অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকায় পুরাতন ভবনে বিভাগ সম্প্রসারণ করা হবে। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতাল এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোগী দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম চালু করা হবে।
ওয়ার্ড বা ইউনিট অপরিচ্ছন্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বেতন কর্তনের নীতিও চালু করা হয়েছে। বাহিরের ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো প্রতিনিধি বা রোগীর দালালকে হাসপাতালে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে।
এই নির্দেশনার আলোকে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) পুলিশ ও আনসার বাহিনী অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন ভবন থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী পরিচয়ধারী তপু সিকদারকে আটক করে থানায় পাঠায়। তবে পরে তিনি মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান বলে জানা গেছে।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ২০:৫৫
বরিশাল জিলা স্কুলের প্রাঙ্গণ ভরে উঠেছে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে। চোখে কৌতূহল, মুখে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। চারপাশে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অংশগ্রহণকারীদের মিলেমিশে তৈরি করেছে উৎসবের আমেজ।
দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এসেছেন পরিবেশ নিয়ে প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। এই ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগের নাম ইকো অলিম্পিয়াড-২০২৫। পরিবেশগত ও জলবায়ু শিক্ষা প্রচারে এই উদ্যোগটি আন্দোলন আকারে ছড়িয়ে পড়ছে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা এই অলিম্পিয়াডে অংশ নেয় বরিশালের ১০টি বিদ্যালয়।
অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয়গুলো হলো: বরিশাল জিলা স্কুল, বরিশাল সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আছমত আলী খান (এ.কে) ইনস্টিটিউশন, গির্জামহল্লা, সদর, হলিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রূপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলেকান্দা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কাউনিয়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সচেতনতার বার্তা ছড়াতে এতে শামিল হয়েছিল দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, প্রথম রাউন্ড শেষে বাছাই করা হবে ৬০ জন শিক্ষার্থীকে, যারা দ্বিতীয় রাউন্ডে অংশ নেবে। অলিম্পিয়াডের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সচেতন করা।
বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক (সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক) ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোই অন্যতম উদ্দেশ্য। ধাপে ধাপে দেশের ৬৪ জেলায় প্রতিযোগিতা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়।ইকো-অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়া স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিশাত বলেন, “আমরা প্রতিদিন প্লাস্টিক ব্যবহার করি, কিন্তু এটা যে নদী, মাটি ও সমুদ্রের জন্য এত ক্ষতিকর, আগে বুঝিনি। এখন মনে হচ্ছে, আমি নিজেই পরিবর্তন শুরু করতে পারি।” অন্য শিক্ষার্থী রাব্বি যোগ করেন, “আমরা শুধু প্রতিযোগিতা করছি না, বরং শিখছি কিভাবে ছোট ছোট উদ্যোগেও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।” কর্মসূচির আহ্বায়ক আরিফুর রহমান শুভ বলেন, “বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় তরুণদের সংগঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য। তারই ধারাবাহিকতায় এ অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ উপকূলে লবণাক্ততা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, অস্বাভাবিক বন্যা ও খরার মতো চ্যালেঞ্জের মুখে। এসব সমস্যা সমাধানে তরুণদের জ্ঞান ও নেতৃত্বই বড় শক্তি।” ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়ক সোহানুর রহমান বলেন, “পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণদের শিক্ষার প্রসার একটি আন্দোলনে পরিণত করতে চাই আমরা।
ইকো অলিম্পিয়াড সেই আন্দোলনেরই অংশ।” পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল বিভাগের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে।
ভবিষ্যত প্রজন্মকে সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ উপহার দিতে হলে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা জরুরি।” অলিম্পিয়াড শেষে শিক্ষার্থীরা প্রতিজ্ঞা করে যে, সবুজ পৃথিবী গড়ার আন্দোলন যেন এখানেই থেমে না যায়। ছোট্ট উদ্যোগে শুরু হলেও তরুণদের চোখে ফুটে উঠেছে বড় স্বপ্ন—একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, ন্যায্য ও টেকসই বাংলাদেশ।
বরিশাল জিলা স্কুলের প্রাঙ্গণ ভরে উঠেছে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে। চোখে কৌতূহল, মুখে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। চারপাশে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অংশগ্রহণকারীদের মিলেমিশে তৈরি করেছে উৎসবের আমেজ।
দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এসেছেন পরিবেশ নিয়ে প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। এই ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগের নাম ইকো অলিম্পিয়াড-২০২৫। পরিবেশগত ও জলবায়ু শিক্ষা প্রচারে এই উদ্যোগটি আন্দোলন আকারে ছড়িয়ে পড়ছে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা এই অলিম্পিয়াডে অংশ নেয় বরিশালের ১০টি বিদ্যালয়।
অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয়গুলো হলো: বরিশাল জিলা স্কুল, বরিশাল সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আছমত আলী খান (এ.কে) ইনস্টিটিউশন, গির্জামহল্লা, সদর, হলিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রূপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলেকান্দা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কাউনিয়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সচেতনতার বার্তা ছড়াতে এতে শামিল হয়েছিল দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, প্রথম রাউন্ড শেষে বাছাই করা হবে ৬০ জন শিক্ষার্থীকে, যারা দ্বিতীয় রাউন্ডে অংশ নেবে। অলিম্পিয়াডের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সচেতন করা।
বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক (সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক) ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোই অন্যতম উদ্দেশ্য। ধাপে ধাপে দেশের ৬৪ জেলায় প্রতিযোগিতা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়।ইকো-অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়া স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিশাত বলেন, “আমরা প্রতিদিন প্লাস্টিক ব্যবহার করি, কিন্তু এটা যে নদী, মাটি ও সমুদ্রের জন্য এত ক্ষতিকর, আগে বুঝিনি। এখন মনে হচ্ছে, আমি নিজেই পরিবর্তন শুরু করতে পারি।” অন্য শিক্ষার্থী রাব্বি যোগ করেন, “আমরা শুধু প্রতিযোগিতা করছি না, বরং শিখছি কিভাবে ছোট ছোট উদ্যোগেও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।” কর্মসূচির আহ্বায়ক আরিফুর রহমান শুভ বলেন, “বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় তরুণদের সংগঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য। তারই ধারাবাহিকতায় এ অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ উপকূলে লবণাক্ততা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, অস্বাভাবিক বন্যা ও খরার মতো চ্যালেঞ্জের মুখে। এসব সমস্যা সমাধানে তরুণদের জ্ঞান ও নেতৃত্বই বড় শক্তি।” ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়ক সোহানুর রহমান বলেন, “পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণদের শিক্ষার প্রসার একটি আন্দোলনে পরিণত করতে চাই আমরা।
ইকো অলিম্পিয়াড সেই আন্দোলনেরই অংশ।” পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল বিভাগের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে।
ভবিষ্যত প্রজন্মকে সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ উপহার দিতে হলে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা জরুরি।” অলিম্পিয়াড শেষে শিক্ষার্থীরা প্রতিজ্ঞা করে যে, সবুজ পৃথিবী গড়ার আন্দোলন যেন এখানেই থেমে না যায়। ছোট্ট উদ্যোগে শুরু হলেও তরুণদের চোখে ফুটে উঠেছে বড় স্বপ্ন—একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, ন্যায্য ও টেকসই বাংলাদেশ।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ২০:০৪
বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে বরিশাল বিভাগের জুলাই যোদ্ধা, শহীদ জুলাই যোদ্ধা পরিবারের স্বজন, রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জুলাই যোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জুলাই যোদ্ধারা ঐক্যবদ্ধ হবে। এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে প্রত্যাশা সেটি পূরণ হবে এমনটা ব্যক্ত করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আজম ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। আয়োজকরা বলেন, সুন্দর একটি দেশ গড়তে জুলাই যোদ্ধারা এখনও প্রস্তুত রয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধারা ঐক্যবদ্ধ হবে, এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের। আলোচনা শেষে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে বরিশাল বিভাগের জুলাই যোদ্ধা, শহীদ জুলাই যোদ্ধা পরিবারের স্বজন, রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জুলাই যোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জুলাই যোদ্ধারা ঐক্যবদ্ধ হবে। এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে প্রত্যাশা সেটি পূরণ হবে এমনটা ব্যক্ত করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আজম ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। আয়োজকরা বলেন, সুন্দর একটি দেশ গড়তে জুলাই যোদ্ধারা এখনও প্রস্তুত রয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধারা ঐক্যবদ্ধ হবে, এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের। আলোচনা শেষে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:২৮
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর জাতীয় পার্টি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টায় গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলা ও মহানগরের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটির শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এসে শেষ হয়।
এরপর সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করে গণধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। এসময় নেতাকর্মীরা নূরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান। পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অন্যথায় আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ার দেন তারা। এদিকে, গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক কমিটি।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর জাতীয় পার্টি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টায় গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলা ও মহানগরের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটির শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এসে শেষ হয়।
এরপর সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করে গণধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। এসময় নেতাকর্মীরা নূরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান। পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অন্যথায় আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ার দেন তারা। এদিকে, গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক কমিটি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.