
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩২
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ একটা পরিবর্তান চায় এবং ১৩ তারিখ থেকে মানুষ পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে। ১৩ তারিখ যে পরিবর্তনটা আসবে এটি আসবে যুব সমাজের ওপর ভর করে।
আমাদের মায়েদের নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। গোটা দেশের ইজ্জতের ওপর ভর করে। আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদকে মানবো না, কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশের মানুষ, আলেম ওলামা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন, সিভিল সোসাইটির সদস্য, সাংবাদিক বন্ধু, এক কথায় দেশবাসী মজলুম ছিলেন, আমরাও মজুলুম ছিলাম। আমরা আশা করছি এখনো যারা মজুলুম, তাদের পক্ষে এই বাংলাদেশ থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একটা কথা পরিষ্কার করতে বলতে চাই আমরা দলীয় কোনো শাসন এ দেশে দেখতে চাচ্ছি না, জামায়াতের বিজয় চাচ্ছি না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে আমাদের ১১ দলের সবার বিজয়।
আপনারা যদি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ওপর আস্থা রাখেন, আপনাদের পবিত্র ভোটের মাধ্যমে তাকে যদি বেছে নেন মন্ত্রিপরিষদে একজন সিনিয়র সদস্য এই চৌদ্দগ্রামবাসী পাবে, ইনশাআল্লাহ। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের। চৌদ্দগ্রামবাসী এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কিনা এটা চৌদ্দগ্রাম বাসীর সিদ্ধান্ত।
অন্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ৫ তারিখের পর আপনারা দেখেছেন কার কী কর্মকাণ্ড, কার কী চরিত্র। আগেরটা রাখলাম, অতীতের খাতায়, বর্তমান বিবেচনায় নিলে দেশের মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে না। যারা আমার সম্পদেও হাত দেয়, যারা আমার জীবনেও হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেও শেষ করে দেয় এবং যারা আমাদের মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, আমার মায়ের পেটে লাথি মারে, আমার মায়ের কাপড় খুলে নেয়ার হুঙ্কার দেয় তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা কি নিরাপদ?
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজিসহ যত দুর্নীতি আছে, এগুলার গোড়া কেটে দিতে চাই। এতে কারও ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। এই অপকর্ম ছেড়ে দেন, জাতীকে আর কষ্ট দিয়েন না। এক সময় আপনারাও মজলুম ছিলেন, কেন এখন জালিম হতে গেলেন? আমরা আশা করবো সংসধন হবেন।
জুলাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছিল তারা কি বেকার ভাতার জন্য যুদ্ধ করেছিল? তারা তাদের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছিল।
এই জন্যই তো আবু সাইদ রাস্তায় নেমে বলেছিল হয় আমার অধিকার দে, না হয় একটা গুলি দে। সে ডানা মেলে বলেছিল বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুকের পেতেছি গুলি কর।
অধিকারের জন্য গুলি খেয়েছে। জীবন উপহার দিয়ে আমাদের মুক্তি এনে দিয়েছে। আমরা সেই জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাড়ে ১৫ বছর ধরে যারা লড়াই করে মজলুম হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে এবং নির্যাতিত হয়েছেন আমরা করো অবদানকে অস্বীকার করতে চাই না।
কওমি মাদরাসা বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের সুযোগ দেন তাহলে কওমি মাদরাসার নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কওমি মাদরাসার উৎকর্ষ সাধনের জন্য যা কিছু করা দরকার তা করতে বদ্ধ পরিকর।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওলানা আবদুল হালিম, শিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ একটা পরিবর্তান চায় এবং ১৩ তারিখ থেকে মানুষ পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে। ১৩ তারিখ যে পরিবর্তনটা আসবে এটি আসবে যুব সমাজের ওপর ভর করে।
আমাদের মায়েদের নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। গোটা দেশের ইজ্জতের ওপর ভর করে। আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদকে মানবো না, কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশের মানুষ, আলেম ওলামা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন, সিভিল সোসাইটির সদস্য, সাংবাদিক বন্ধু, এক কথায় দেশবাসী মজলুম ছিলেন, আমরাও মজুলুম ছিলাম। আমরা আশা করছি এখনো যারা মজুলুম, তাদের পক্ষে এই বাংলাদেশ থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একটা কথা পরিষ্কার করতে বলতে চাই আমরা দলীয় কোনো শাসন এ দেশে দেখতে চাচ্ছি না, জামায়াতের বিজয় চাচ্ছি না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে আমাদের ১১ দলের সবার বিজয়।
আপনারা যদি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ওপর আস্থা রাখেন, আপনাদের পবিত্র ভোটের মাধ্যমে তাকে যদি বেছে নেন মন্ত্রিপরিষদে একজন সিনিয়র সদস্য এই চৌদ্দগ্রামবাসী পাবে, ইনশাআল্লাহ। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের। চৌদ্দগ্রামবাসী এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কিনা এটা চৌদ্দগ্রাম বাসীর সিদ্ধান্ত।
অন্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ৫ তারিখের পর আপনারা দেখেছেন কার কী কর্মকাণ্ড, কার কী চরিত্র। আগেরটা রাখলাম, অতীতের খাতায়, বর্তমান বিবেচনায় নিলে দেশের মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে না। যারা আমার সম্পদেও হাত দেয়, যারা আমার জীবনেও হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেও শেষ করে দেয় এবং যারা আমাদের মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, আমার মায়ের পেটে লাথি মারে, আমার মায়ের কাপড় খুলে নেয়ার হুঙ্কার দেয় তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা কি নিরাপদ?
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজিসহ যত দুর্নীতি আছে, এগুলার গোড়া কেটে দিতে চাই। এতে কারও ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। এই অপকর্ম ছেড়ে দেন, জাতীকে আর কষ্ট দিয়েন না। এক সময় আপনারাও মজলুম ছিলেন, কেন এখন জালিম হতে গেলেন? আমরা আশা করবো সংসধন হবেন।
জুলাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছিল তারা কি বেকার ভাতার জন্য যুদ্ধ করেছিল? তারা তাদের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছিল।
এই জন্যই তো আবু সাইদ রাস্তায় নেমে বলেছিল হয় আমার অধিকার দে, না হয় একটা গুলি দে। সে ডানা মেলে বলেছিল বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুকের পেতেছি গুলি কর।
অধিকারের জন্য গুলি খেয়েছে। জীবন উপহার দিয়ে আমাদের মুক্তি এনে দিয়েছে। আমরা সেই জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাড়ে ১৫ বছর ধরে যারা লড়াই করে মজলুম হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে এবং নির্যাতিত হয়েছেন আমরা করো অবদানকে অস্বীকার করতে চাই না।
কওমি মাদরাসা বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের সুযোগ দেন তাহলে কওমি মাদরাসার নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কওমি মাদরাসার উৎকর্ষ সাধনের জন্য যা কিছু করা দরকার তা করতে বদ্ধ পরিকর।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওলানা আবদুল হালিম, শিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৩
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:৪৩
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #

২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৮
দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, যিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ব্যাপক নির্যাতন-হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই আলোচিত আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি আজ বুধবার (২৫ মার্চ) জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।
দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, যিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ব্যাপক নির্যাতন-হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই আলোচিত আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি আজ বুধবার (২৫ মার্চ) জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.