
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩২
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ একটা পরিবর্তান চায় এবং ১৩ তারিখ থেকে মানুষ পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে। ১৩ তারিখ যে পরিবর্তনটা আসবে এটি আসবে যুব সমাজের ওপর ভর করে।
আমাদের মায়েদের নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। গোটা দেশের ইজ্জতের ওপর ভর করে। আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদকে মানবো না, কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশের মানুষ, আলেম ওলামা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন, সিভিল সোসাইটির সদস্য, সাংবাদিক বন্ধু, এক কথায় দেশবাসী মজলুম ছিলেন, আমরাও মজুলুম ছিলাম। আমরা আশা করছি এখনো যারা মজুলুম, তাদের পক্ষে এই বাংলাদেশ থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একটা কথা পরিষ্কার করতে বলতে চাই আমরা দলীয় কোনো শাসন এ দেশে দেখতে চাচ্ছি না, জামায়াতের বিজয় চাচ্ছি না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে আমাদের ১১ দলের সবার বিজয়।
আপনারা যদি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ওপর আস্থা রাখেন, আপনাদের পবিত্র ভোটের মাধ্যমে তাকে যদি বেছে নেন মন্ত্রিপরিষদে একজন সিনিয়র সদস্য এই চৌদ্দগ্রামবাসী পাবে, ইনশাআল্লাহ। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের। চৌদ্দগ্রামবাসী এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কিনা এটা চৌদ্দগ্রাম বাসীর সিদ্ধান্ত।
অন্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ৫ তারিখের পর আপনারা দেখেছেন কার কী কর্মকাণ্ড, কার কী চরিত্র। আগেরটা রাখলাম, অতীতের খাতায়, বর্তমান বিবেচনায় নিলে দেশের মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে না। যারা আমার সম্পদেও হাত দেয়, যারা আমার জীবনেও হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেও শেষ করে দেয় এবং যারা আমাদের মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, আমার মায়ের পেটে লাথি মারে, আমার মায়ের কাপড় খুলে নেয়ার হুঙ্কার দেয় তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা কি নিরাপদ?
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজিসহ যত দুর্নীতি আছে, এগুলার গোড়া কেটে দিতে চাই। এতে কারও ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। এই অপকর্ম ছেড়ে দেন, জাতীকে আর কষ্ট দিয়েন না। এক সময় আপনারাও মজলুম ছিলেন, কেন এখন জালিম হতে গেলেন? আমরা আশা করবো সংসধন হবেন।
জুলাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছিল তারা কি বেকার ভাতার জন্য যুদ্ধ করেছিল? তারা তাদের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছিল।
এই জন্যই তো আবু সাইদ রাস্তায় নেমে বলেছিল হয় আমার অধিকার দে, না হয় একটা গুলি দে। সে ডানা মেলে বলেছিল বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুকের পেতেছি গুলি কর।
অধিকারের জন্য গুলি খেয়েছে। জীবন উপহার দিয়ে আমাদের মুক্তি এনে দিয়েছে। আমরা সেই জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাড়ে ১৫ বছর ধরে যারা লড়াই করে মজলুম হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে এবং নির্যাতিত হয়েছেন আমরা করো অবদানকে অস্বীকার করতে চাই না।
কওমি মাদরাসা বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের সুযোগ দেন তাহলে কওমি মাদরাসার নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কওমি মাদরাসার উৎকর্ষ সাধনের জন্য যা কিছু করা দরকার তা করতে বদ্ধ পরিকর।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওলানা আবদুল হালিম, শিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ একটা পরিবর্তান চায় এবং ১৩ তারিখ থেকে মানুষ পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে। ১৩ তারিখ যে পরিবর্তনটা আসবে এটি আসবে যুব সমাজের ওপর ভর করে।
আমাদের মায়েদের নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। গোটা দেশের ইজ্জতের ওপর ভর করে। আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদকে মানবো না, কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশের মানুষ, আলেম ওলামা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন, সিভিল সোসাইটির সদস্য, সাংবাদিক বন্ধু, এক কথায় দেশবাসী মজলুম ছিলেন, আমরাও মজুলুম ছিলাম। আমরা আশা করছি এখনো যারা মজুলুম, তাদের পক্ষে এই বাংলাদেশ থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একটা কথা পরিষ্কার করতে বলতে চাই আমরা দলীয় কোনো শাসন এ দেশে দেখতে চাচ্ছি না, জামায়াতের বিজয় চাচ্ছি না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে আমাদের ১১ দলের সবার বিজয়।
আপনারা যদি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ওপর আস্থা রাখেন, আপনাদের পবিত্র ভোটের মাধ্যমে তাকে যদি বেছে নেন মন্ত্রিপরিষদে একজন সিনিয়র সদস্য এই চৌদ্দগ্রামবাসী পাবে, ইনশাআল্লাহ। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের। চৌদ্দগ্রামবাসী এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কিনা এটা চৌদ্দগ্রাম বাসীর সিদ্ধান্ত।
অন্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ৫ তারিখের পর আপনারা দেখেছেন কার কী কর্মকাণ্ড, কার কী চরিত্র। আগেরটা রাখলাম, অতীতের খাতায়, বর্তমান বিবেচনায় নিলে দেশের মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে না। যারা আমার সম্পদেও হাত দেয়, যারা আমার জীবনেও হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকেও শেষ করে দেয় এবং যারা আমাদের মায়েদের ইজ্জতে হাত দেয়, আমার মায়ের পেটে লাথি মারে, আমার মায়ের কাপড় খুলে নেয়ার হুঙ্কার দেয় তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা কি নিরাপদ?
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজিসহ যত দুর্নীতি আছে, এগুলার গোড়া কেটে দিতে চাই। এতে কারও ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। এই অপকর্ম ছেড়ে দেন, জাতীকে আর কষ্ট দিয়েন না। এক সময় আপনারাও মজলুম ছিলেন, কেন এখন জালিম হতে গেলেন? আমরা আশা করবো সংসধন হবেন।
জুলাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছিল তারা কি বেকার ভাতার জন্য যুদ্ধ করেছিল? তারা তাদের অধিকারের জন্য যুদ্ধ করেছিল।
এই জন্যই তো আবু সাইদ রাস্তায় নেমে বলেছিল হয় আমার অধিকার দে, না হয় একটা গুলি দে। সে ডানা মেলে বলেছিল বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুকের পেতেছি গুলি কর।
অধিকারের জন্য গুলি খেয়েছে। জীবন উপহার দিয়ে আমাদের মুক্তি এনে দিয়েছে। আমরা সেই জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাড়ে ১৫ বছর ধরে যারা লড়াই করে মজলুম হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে এবং নির্যাতিত হয়েছেন আমরা করো অবদানকে অস্বীকার করতে চাই না।
কওমি মাদরাসা বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহ যদি আমাদের সুযোগ দেন তাহলে কওমি মাদরাসার নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কওমি মাদরাসার উৎকর্ষ সাধনের জন্য যা কিছু করা দরকার তা করতে বদ্ধ পরিকর।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম, মাওলানা আবদুল হালিম, শিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৬
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৯
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২