Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ জুন, ২০২৬ ২০:৩৩
দেশের পাঁচ জেলায় পুলিশ সুপার (এসপি) পদে রদবদল আনা হয়েছে। জেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী, ঝিনাইদহ এবং ফেনী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়। রাষ্ট্রপতি আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব নাসরীন সুলতানা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আবু সাইমকে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার, পঞ্চগড় থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মনিরুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলামকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনকে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেনকে সিআইডির পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, প্রসিকিউশন) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানকে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার, ঝিনাইদহ থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজালকে এপিবিএনে, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি আদেশপ্রাপ্ত) প্রত্যুষ কুমার মজুমদারকে ফেনীর পুলিশ সুপার, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত এবং পুলিশ সদরদপ্তরে রিপোর্টকৃত) মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়াও পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রাজীব ফরহানকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ানকে সংযুক্ত করা হয়েছে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে।
ছবি: সংগৃহীত
দেশের পাঁচ জেলায় পুলিশ সুপার (এসপি) পদে রদবদল আনা হয়েছে। জেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী, ঝিনাইদহ এবং ফেনী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়। রাষ্ট্রপতি আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব নাসরীন সুলতানা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আবু সাইমকে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার, পঞ্চগড় থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মনিরুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলামকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনকে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেনকে সিআইডির পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, প্রসিকিউশন) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানকে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার, ঝিনাইদহ থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজালকে এপিবিএনে, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি আদেশপ্রাপ্ত) প্রত্যুষ কুমার মজুমদারকে ফেনীর পুলিশ সুপার, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত এবং পুলিশ সদরদপ্তরে রিপোর্টকৃত) মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়াও পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রাজীব ফরহানকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ানকে সংযুক্ত করা হয়েছে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে।

১১ জুন, ২০২৬ ১৮:৪৪

০৯ জুন, ২০২৬ ২১:৪৭
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের চতুর্থ দফায় আরও ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় এনিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৮৪ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।
এর আগে, সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশওি স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুল করিম ওরফে বাবুর নেতৃত্বে বাঁধেরহাট বাজারের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রলীগের হাজার খানেক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল চলাকালে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার সূত্র ধরে পরের দিন শনিবার বিকেলে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
একই দিন রাত ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে পাল্টা কালাদরাপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর করে এবং তার একটি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে বাঁধেরহাটের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৯ জুন, ২০২৬ ২১:২২
সরকারের নির্ধারণ করা হার্টের (হৃদরোগ) ২৯ ধরনের রিংয়ের (স্টেন্ট) দাম বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। হৃদরোগের চিকিৎসা দেওয়া হাসপাতালগুলোকে নতুন দামে রিং বিক্রির বিষয়ে চিঠি দিয়েছে নিয়ন্ত্রণক সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিজিডিএ’র মহাপরিচালক মোহা. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চূড়ান্ত গৃহীত হওয়া নতুন দামে এক হাজার থেকে শুরু করে ৪৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে স্টেন্টের (রিং) দাম।
চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বিশেষজ্ঞ কমিটির পঞ্চম ও ষষ্ঠ সভায় সুপারিশের আলোকে স্টেন্টের (রিং) দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় কিছু প্রতিষ্ঠানের মূল্য পুনর্বিবেচনার আবেদন পর্যালোচনা করে নতুন দাম চূড়ান্ত করা হয়।
নির্দেশনা বলা হয়েছে, স্টেন্টসমূহের (রিং) হালনাগাদ মূল্য তালিকা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট সকল হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে উম্মুক্ত স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য অনুসরণ করে ক্রয় ও বিক্রয় করতে হবে। তবে কোনোভাবেই চিকিৎসা প্যাকেজের মধ্যে এই মূল্য অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না।
পাশাপাশি স্টেন্টের (রিং) নাম, সর্বোচ্চ মূল্য ও উৎপাদনকারীর নাম উল্লেখসহ পৃথক ক্যাশমেমো প্রদান করতে হবে। এছাড়াও ব্যবহৃত স্টেন্টের প্যাকেটটি রোগীকে সরবরাহের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এনসিপি নেতা আশরাফ শেখকে অবরুদ্ধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। হবু স্ত্রীর সঙ্গে এসএসসির পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে এই ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ঘটে এই ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা চলছে। আজ সকালে ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. আশরাফ তাঁর হবু স্ত্রীর সঙ্গে পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে আসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে কিছু পরীক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়া বন্ধ করে দেয়।
একপর্যায়ে এনসিপির নেতাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ধাওয়া দেয় কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে কেন্দ্রসচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন এনসিপির নেতা। তখন স্কুলের কয়েক শিক্ষক এগিয়ে এলে ইটের আঘাতে আহত হন প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া অবরুদ্ধ অবস্থায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের সঙ্গে বহিরাগতদেরও স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত আজকের পত্রিকাকে বলেন, এনসিপি নেতা আশরাফ প্রতিটি পরীক্ষায় তাঁর হবু স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিল। পরীক্ষা শুরুর আগেই অভিভাবকদের সঙ্গে সে কেন্দ্রে অবস্থান করে থাকে। আজও পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে এসেছিল এবং তাঁর হবু স্ত্রীর কক্ষের কয়েকজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হলে ঘটনাটি ঘটে। এতে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা শুরু হয়।
এই ঘটনার পর ভাঙ্গা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ কয়েক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানান, ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই এনসিপি নেতা আশরাফ শেখ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তাঁর হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন। সেই সুবাদে প্রত্যেক পরীক্ষায় কেন্দ্রে ঢুকে বিভিন্নভাবে তাঁর স্ত্রীকে সহায়তা করছিলেন। আজও পরীক্ষা শুরু হতেই তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষায় সহায়তা করছিলেন।
আওয়ামী লীগ নেতাদের পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছেন বলে এনসিপি নেতা আশরাফ বলেন, পারিবারিকভাবে আমাদের বাগ্দান হয়েছে। তাকে আমি প্রায়ই কেন্দ্রে দিয়ে আসি। এর মধ্যে আমার হবু স্ত্রীকে কয়েক দিন ধরে বখাটে পরীক্ষার্থীরা উত্ত্যক্ত করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আজ গিয়ে প্রতিবাদ করলে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা করা হয়। হামলাকারী সবাই ছাত্রলীগের কর্মী এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সন্তান।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এনসিপির নেতাকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এনসিপি নেতা আশরাফ শেখকে অবরুদ্ধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। হবু স্ত্রীর সঙ্গে এসএসসির পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে এই ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ঘটে এই ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা চলছে। আজ সকালে ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. আশরাফ তাঁর হবু স্ত্রীর সঙ্গে পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে আসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে কিছু পরীক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়া বন্ধ করে দেয়।
একপর্যায়ে এনসিপির নেতাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ধাওয়া দেয় কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে কেন্দ্রসচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন এনসিপির নেতা। তখন স্কুলের কয়েক শিক্ষক এগিয়ে এলে ইটের আঘাতে আহত হন প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া অবরুদ্ধ অবস্থায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের সঙ্গে বহিরাগতদেরও স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত আজকের পত্রিকাকে বলেন, এনসিপি নেতা আশরাফ প্রতিটি পরীক্ষায় তাঁর হবু স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিল। পরীক্ষা শুরুর আগেই অভিভাবকদের সঙ্গে সে কেন্দ্রে অবস্থান করে থাকে। আজও পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে এসেছিল এবং তাঁর হবু স্ত্রীর কক্ষের কয়েকজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হলে ঘটনাটি ঘটে। এতে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা শুরু হয়।
এই ঘটনার পর ভাঙ্গা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ কয়েক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানান, ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই এনসিপি নেতা আশরাফ শেখ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তাঁর হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন। সেই সুবাদে প্রত্যেক পরীক্ষায় কেন্দ্রে ঢুকে বিভিন্নভাবে তাঁর স্ত্রীকে সহায়তা করছিলেন। আজও পরীক্ষা শুরু হতেই তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষায় সহায়তা করছিলেন।
আওয়ামী লীগ নেতাদের পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছেন বলে এনসিপি নেতা আশরাফ বলেন, পারিবারিকভাবে আমাদের বাগ্দান হয়েছে। তাকে আমি প্রায়ই কেন্দ্রে দিয়ে আসি। এর মধ্যে আমার হবু স্ত্রীকে কয়েক দিন ধরে বখাটে পরীক্ষার্থীরা উত্ত্যক্ত করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আজ গিয়ে প্রতিবাদ করলে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা করা হয়। হামলাকারী সবাই ছাত্রলীগের কর্মী এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সন্তান।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এনসিপির নেতাকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের চতুর্থ দফায় আরও ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় এনিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৮৪ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।
এর আগে, সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশওি স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুল করিম ওরফে বাবুর নেতৃত্বে বাঁধেরহাট বাজারের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রলীগের হাজার খানেক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল চলাকালে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার সূত্র ধরে পরের দিন শনিবার বিকেলে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
একই দিন রাত ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে পাল্টা কালাদরাপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর করে এবং তার একটি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে বাঁধেরহাটের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
সরকারের নির্ধারণ করা হার্টের (হৃদরোগ) ২৯ ধরনের রিংয়ের (স্টেন্ট) দাম বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। হৃদরোগের চিকিৎসা দেওয়া হাসপাতালগুলোকে নতুন দামে রিং বিক্রির বিষয়ে চিঠি দিয়েছে নিয়ন্ত্রণক সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিজিডিএ’র মহাপরিচালক মোহা. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চূড়ান্ত গৃহীত হওয়া নতুন দামে এক হাজার থেকে শুরু করে ৪৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে স্টেন্টের (রিং) দাম।
চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বিশেষজ্ঞ কমিটির পঞ্চম ও ষষ্ঠ সভায় সুপারিশের আলোকে স্টেন্টের (রিং) দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় কিছু প্রতিষ্ঠানের মূল্য পুনর্বিবেচনার আবেদন পর্যালোচনা করে নতুন দাম চূড়ান্ত করা হয়।
নির্দেশনা বলা হয়েছে, স্টেন্টসমূহের (রিং) হালনাগাদ মূল্য তালিকা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট সকল হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে উম্মুক্ত স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য অনুসরণ করে ক্রয় ও বিক্রয় করতে হবে। তবে কোনোভাবেই চিকিৎসা প্যাকেজের মধ্যে এই মূল্য অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না।
পাশাপাশি স্টেন্টের (রিং) নাম, সর্বোচ্চ মূল্য ও উৎপাদনকারীর নাম উল্লেখসহ পৃথক ক্যাশমেমো প্রদান করতে হবে। এছাড়াও ব্যবহৃত স্টেন্টের প্যাকেটটি রোগীকে সরবরাহের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল টাইমস