Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ জুন, ২০২৫ ১৩:৫০
নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিএনপির একপক্ষের ঈদ পুনর্মিলনী সমাবেশে যাওয়ার পথে অন্য পক্ষের হামলা ও উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ৩৫ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত চারজনকে সেখান থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের বলীর পুলের পশ্চিম পাশে রাস্তার মাথায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন তমরদ্দি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সানা উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, নুর ইসলাম, খোকন, দিদার, এনায়েত হোসেন, জাহাজমারা ইউনিয়নের মো. হানিফ, বুড়িরচর ইউনিয়নের রুবেল, চরকিং ইউনিয়নের নোমান, সাগরসহ ৩৫ জন।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তমরুদ্দি বাজারে মঙ্গলবার বেলা ৩টায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি অংশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান ওরফে শামীমকে। এদিন আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে শামীমের অনুসারীরা অনুষ্ঠানে আসা শুরু করেন। পথে তমরুদ্দি বাজারে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
শামীমের অনুসারীদের অভিযোগ, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর কবিরের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।
এ নিয়ে বাজারের আশপাশে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৩৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ২৫ জন হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
হামলায় আহত তাঁতিদলের তমরদ্দি ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহেদ বলেন, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমের ঈদ পুনর্মিলনী কর্মসূচিতে আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা ১নং খিরিদিয়া ওয়ার্ড থেকে মিছিলযোগে রওনা হয়েছিলাম।
হঠাৎ করে আমাদের মিছিলের পেছন দিয়ে কয়েকজন অস্ত্রধারী হামলা চালায়। এ সময় আমিসহ আমাদের প্রায় ৩৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। হামলাকারীরা হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরের অনুসারি।
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, হাতিয়া উপজেলায় কিছু বহিরাগত লোকজন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে আমাদের ঘাটের কয়েকজন শ্রমিকের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হন। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়নি।
হামলার বিষয়ে জানতে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের মুঠেফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম আজমল হুদা বলেন, দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের খবর শুনেছি। তবে আমাদের কাছে এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, হামলায় আহতদের দেখতে রাত পৌনে ১১টার দিকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। সেখানে চিকিৎসারতদের তিনি সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় গণমাধ্যমকে হান্নান মাসউদ বলেন, হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে সেখানে চিকিৎসারত রোগীদের খোঁজখবর নিয়েছি। এখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি। কোনো ধরনের সংঘাত সংঘর্ষ আমাদের কাম্য নয়।
নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিএনপির একপক্ষের ঈদ পুনর্মিলনী সমাবেশে যাওয়ার পথে অন্য পক্ষের হামলা ও উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ৩৫ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত চারজনকে সেখান থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের বলীর পুলের পশ্চিম পাশে রাস্তার মাথায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন তমরদ্দি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সানা উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, নুর ইসলাম, খোকন, দিদার, এনায়েত হোসেন, জাহাজমারা ইউনিয়নের মো. হানিফ, বুড়িরচর ইউনিয়নের রুবেল, চরকিং ইউনিয়নের নোমান, সাগরসহ ৩৫ জন।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তমরুদ্দি বাজারে মঙ্গলবার বেলা ৩টায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি অংশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান ওরফে শামীমকে। এদিন আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে শামীমের অনুসারীরা অনুষ্ঠানে আসা শুরু করেন। পথে তমরুদ্দি বাজারে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
শামীমের অনুসারীদের অভিযোগ, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর কবিরের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।
এ নিয়ে বাজারের আশপাশে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৩৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ২৫ জন হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
হামলায় আহত তাঁতিদলের তমরদ্দি ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহেদ বলেন, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমের ঈদ পুনর্মিলনী কর্মসূচিতে আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা ১নং খিরিদিয়া ওয়ার্ড থেকে মিছিলযোগে রওনা হয়েছিলাম।
হঠাৎ করে আমাদের মিছিলের পেছন দিয়ে কয়েকজন অস্ত্রধারী হামলা চালায়। এ সময় আমিসহ আমাদের প্রায় ৩৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। হামলাকারীরা হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরের অনুসারি।
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, হাতিয়া উপজেলায় কিছু বহিরাগত লোকজন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে আমাদের ঘাটের কয়েকজন শ্রমিকের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হন। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়নি।
হামলার বিষয়ে জানতে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের মুঠেফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম আজমল হুদা বলেন, দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের খবর শুনেছি। তবে আমাদের কাছে এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, হামলায় আহতদের দেখতে রাত পৌনে ১১টার দিকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। সেখানে চিকিৎসারতদের তিনি সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় গণমাধ্যমকে হান্নান মাসউদ বলেন, হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে সেখানে চিকিৎসারত রোগীদের খোঁজখবর নিয়েছি। এখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি। কোনো ধরনের সংঘাত সংঘর্ষ আমাদের কাম্য নয়।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।