
১০ মে, ২০২৬ ২১:২১
প্রেম করে বিয়ের পর দাম্পত্য কলহ, নির্যাতনের অভিযোগ ও বিচার না পাওয়ার হতাশার জেরে ফেনীতে আদালতের এজলাসেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তাহমিনা আক্তার মোহনা নামে এক নারী বিচারপ্রার্থী। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রোববার (১০ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ফুলগাজী আমলী আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে ২০২৫ সালে ফুলগাজী উপজেলার চার সন্তানের জনক আকবর হোসেনকে বিয়ে করেন মোহনাকে। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
মোহনার দাবি, তিনি জানতেন না আকবরের আগের সংসারে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন মোহনা। রোববার ছিল মামলার ধার্য তারিখ। শুনানির সময় মোহনা ও তার স্বামী আকবর হোসেন উভয়ই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুনানি শেষে আদালত আকবর হোসেনকে জামিন দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে হঠাৎ আদালত কক্ষেই বিষপান করেন মোহনা।
পরে তিনি ছটফট করতে শুরু করলে উপস্থিত আইনজীবী, পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জহির উদ্দিন মামুন বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ, স্বামীর নির্যাতন ও বিচার না পাওয়ার হতাশা থেকেই মোহনা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করছি। এমন চরম সিদ্ধান্ত মানুষ এক দিনে নেয় না।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোহনা বলেন, দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের পর আকবর আমাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের আগে আমি জানতাম না তার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
আদালতের শরণাপন্ন হয়েও বিচার পাইনি। আদালতে ওঠার আগে আমি তাকে বলেছিলাম, আজ বিষ খাব, দেখিয়েছিও। পরে আদালতে তার জামিনের পর বিষ খেয়ে ফেলেছি।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রোকন উদ্দৌলা বলেন, বিষক্রিয়ার লক্ষণ নিয়ে মোহনাকে হাসপাতালে আনা হয়।
প্রাথমিক চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার পাকস্থলী ওয়াশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি।
সম্ভবত ওই নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করেন। মামলার ধার্য্য তারিখে আদালত তার স্বামীকে জামিন দিলে তিনি এজলাসে বিষপান করেন। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রেম করে বিয়ের পর দাম্পত্য কলহ, নির্যাতনের অভিযোগ ও বিচার না পাওয়ার হতাশার জেরে ফেনীতে আদালতের এজলাসেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তাহমিনা আক্তার মোহনা নামে এক নারী বিচারপ্রার্থী। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রোববার (১০ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ফুলগাজী আমলী আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে ২০২৫ সালে ফুলগাজী উপজেলার চার সন্তানের জনক আকবর হোসেনকে বিয়ে করেন মোহনাকে। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
মোহনার দাবি, তিনি জানতেন না আকবরের আগের সংসারে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন মোহনা। রোববার ছিল মামলার ধার্য তারিখ। শুনানির সময় মোহনা ও তার স্বামী আকবর হোসেন উভয়ই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুনানি শেষে আদালত আকবর হোসেনকে জামিন দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে হঠাৎ আদালত কক্ষেই বিষপান করেন মোহনা।
পরে তিনি ছটফট করতে শুরু করলে উপস্থিত আইনজীবী, পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জহির উদ্দিন মামুন বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ, স্বামীর নির্যাতন ও বিচার না পাওয়ার হতাশা থেকেই মোহনা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করছি। এমন চরম সিদ্ধান্ত মানুষ এক দিনে নেয় না।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোহনা বলেন, দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের পর আকবর আমাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের আগে আমি জানতাম না তার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
আদালতের শরণাপন্ন হয়েও বিচার পাইনি। আদালতে ওঠার আগে আমি তাকে বলেছিলাম, আজ বিষ খাব, দেখিয়েছিও। পরে আদালতে তার জামিনের পর বিষ খেয়ে ফেলেছি।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রোকন উদ্দৌলা বলেন, বিষক্রিয়ার লক্ষণ নিয়ে মোহনাকে হাসপাতালে আনা হয়।
প্রাথমিক চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার পাকস্থলী ওয়াশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি।
সম্ভবত ওই নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করেন। মামলার ধার্য্য তারিখে আদালত তার স্বামীকে জামিন দিলে তিনি এজলাসে বিষপান করেন। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১৭:২১
১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৭
১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
১২ মে, ২০২৬ ১৬:৪৪

১২ মে, ২০২৬ ১২:২৩
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।

১১ মে, ২০২৬ ১৯:৪৫
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।

১১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৮
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.