
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নির্বাচনের আগে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় ফেনীতে জামায়াত কর্মীর দাড়ি ধরে এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করেছেন ধানের শীষ প্রতীকের কর্মীরা। এসময় ওই জামায়াত কর্মীর দাড়ি উপড়ে ফেলেন তারা। শনিবার দুপুরে (১৪ ফেব্রুয়ারি) জেলার দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভবানিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্র জানায়, আহত জামায়াত কর্মী নুরুল আবছার স্থানীয় ইব্রাহীম মুন্সি বাড়ির ও হামলাকারী যুবদল কর্মী বেলাল হোসেন পাশের বাড়ির বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী নুরুল আবছার জানান, দুপুরে নামাজ শেষে ঘরে প্রবেশ করা মাত্রই স্থানীয় যুবদল কর্মী বেলাল হোসেন হঠাৎ তার ঘরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তার স্ত্রী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও হেনস্তা করা হয়।
নুরুল আবছারের স্ত্রী জানান, এর আগেও নির্বাচনি প্রচারণার সময় একাধিকবার তার স্বামীকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন অভিযুক্ত বেলাল। দাড়ি ধরে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়। মাটিতে ফেলে মারধরের সময় স্বামীকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে তাকেও লাঞ্ছিত করেন বেলাল।
দাগনভূঞা উপজেলা জামায়াতের আমির গাজী সালেহ উদ্দিন জানান, তারা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছেন। আহত নুরুল আবছারকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন বলেন, জনগণের ওপর কোনো প্রকার অত্যাচার মেনে নেওয়া হবে না। হামলাকারী দলের যত বড় ত্যাগী নেতা হোক, তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বিএনপি বদ্ধপরিকর। কারো আচরণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে, এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া হবে না।
জানতে চাইলে ফেনীর সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আহতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে আছেন। অভিযুক্ত বেলালকে এলাকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনের আগে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় ফেনীতে জামায়াত কর্মীর দাড়ি ধরে এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করেছেন ধানের শীষ প্রতীকের কর্মীরা। এসময় ওই জামায়াত কর্মীর দাড়ি উপড়ে ফেলেন তারা। শনিবার দুপুরে (১৪ ফেব্রুয়ারি) জেলার দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভবানিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্র জানায়, আহত জামায়াত কর্মী নুরুল আবছার স্থানীয় ইব্রাহীম মুন্সি বাড়ির ও হামলাকারী যুবদল কর্মী বেলাল হোসেন পাশের বাড়ির বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী নুরুল আবছার জানান, দুপুরে নামাজ শেষে ঘরে প্রবেশ করা মাত্রই স্থানীয় যুবদল কর্মী বেলাল হোসেন হঠাৎ তার ঘরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তার স্ত্রী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও হেনস্তা করা হয়।
নুরুল আবছারের স্ত্রী জানান, এর আগেও নির্বাচনি প্রচারণার সময় একাধিকবার তার স্বামীকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন অভিযুক্ত বেলাল। দাড়ি ধরে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়। মাটিতে ফেলে মারধরের সময় স্বামীকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে তাকেও লাঞ্ছিত করেন বেলাল।
দাগনভূঞা উপজেলা জামায়াতের আমির গাজী সালেহ উদ্দিন জানান, তারা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছেন। আহত নুরুল আবছারকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন বলেন, জনগণের ওপর কোনো প্রকার অত্যাচার মেনে নেওয়া হবে না। হামলাকারী দলের যত বড় ত্যাগী নেতা হোক, তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বিএনপি বদ্ধপরিকর। কারো আচরণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে, এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া হবে না।
জানতে চাইলে ফেনীর সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আহতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে আছেন। অভিযুক্ত বেলালকে এলাকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩২
টিকটক থেকে পরিচয় হয় ভৈরবের মেয়ে নদী (১৮) ও ফেনীর মেয়ে ফারহানা (২৩) নামের দুই নারীর। দিনভর মোবাইলে কথোপকথন থেকে সম্পর্ক গভীর হয় তাদের।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থেকে স্বামীর সংসার ও ১৫ মাসের বাচ্চা রেখে পালিয়ে যায় নদী। এ বিষয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে থানা সামনে কথাগুলো বলছিলেন স্বামী কাউসার মিয়া।
স্বামী কাউসার মিয়ার নিজ বাড়ি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ছনছাড়া গ্রামে। তিনি একজন পাদুকা শ্রমিক। ভাড়া থাকেন উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পাদুকা মার্কেট এলাকায়। তার স্ত্রী নদী বেগমের বাড়ি একই ইউনিয়নের টানকৃষ্ণনগর গ্রামে। অপর দিকে অভিযুক্ত নারী ফারহানা বেগমের শ্বশুর বাড়ি নোয়াখালী জেলা সেনবাগ থানার রাজারামপুর এলাকায়।
কাউসার মিয়া বলেন, ‘আমি গত প্রায় ২ বছর আগে নদীকে বিবাহ করি। আমাদের বিবাহের পর আমাদের সংসার খুবই ভালো চলছিল এবং আমার স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক ছিল। আমাদের ১৫ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার স্ত্রী টিকটকে আসক্ত ছিল। সেই সুবাদে নোয়াখালীর ফারহানা নামের এক নারীর সাথে পরিচয় হয়। তারা প্রতিনিয়ত ফোনে কথা বলত। এমনকি আমিও মাঝে মধ্যে নোয়াখালীর মেয়ের সাথে কথা বলতাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী গত ১ সপ্তাহ আগে আমার দুধের বাচ্চাকে আমার মায়ের কাছে রেখে আমার আলমারিতে রাখা ৭ হাজার টাকা এবং আমার মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আমি নোয়াখালী যোগাযোগ করলে জানতে পারি সেই মেয়েটিও বাড়িতে নাই। আমরা উভয় পরিবারই থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমার জন্য না হোক আমার দুধের বাচ্চার জন্য আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাই।’
ফারহানা বেগমের ভাই ফায়েজ মিয়া বলেন, ১ সপ্তাহ আগে আমার বোন তার ৪ বছরের মেয়েকে আমাদের বাড়িতে রেখে নিখোঁজ হয়েছে। ভৈরব থেকে কাউসার জানিয়েছে তার বউ বাড়িতে নাই। যদিও নদী ও ফারহানার মাঝে সুসম্পর্ক ছিল। আমার বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছে কোনো এক ছেলের সাথে সম্পর্কের কারণে আমার বোন পালিয়েছে। বিদেশে আমার বোন জামাই কান্নাকাটি করছে। আমরা জানি না কীভাবে কী হয়েছে। আমরা চাই আমার বোন ও ভৈরবের মেয়েকে উদ্ধার করা হোক।’
ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, এক নারীর সাথে আরেক নারী কোথাও যাওয়া ভিন্ন ব্যাপার; কিন্তু তাদের সম্পর্কের বিষয়টাও ভিত্তি নেই। তবে নোয়াখালী এলাকার নারীর স্বামী যেহেতু বিদেশে থাকে সেটা সন্দেহজনক। এক মেয়ের প্ররোচনায় আরেক মেয়ে বিদেশ যাচ্ছে এমনও অনেক বিষয় থাকে। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত উদ্ধার করা চেষ্টা চলছে।
টিকটক থেকে পরিচয় হয় ভৈরবের মেয়ে নদী (১৮) ও ফেনীর মেয়ে ফারহানা (২৩) নামের দুই নারীর। দিনভর মোবাইলে কথোপকথন থেকে সম্পর্ক গভীর হয় তাদের।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থেকে স্বামীর সংসার ও ১৫ মাসের বাচ্চা রেখে পালিয়ে যায় নদী। এ বিষয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে থানা সামনে কথাগুলো বলছিলেন স্বামী কাউসার মিয়া।
স্বামী কাউসার মিয়ার নিজ বাড়ি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ছনছাড়া গ্রামে। তিনি একজন পাদুকা শ্রমিক। ভাড়া থাকেন উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পাদুকা মার্কেট এলাকায়। তার স্ত্রী নদী বেগমের বাড়ি একই ইউনিয়নের টানকৃষ্ণনগর গ্রামে। অপর দিকে অভিযুক্ত নারী ফারহানা বেগমের শ্বশুর বাড়ি নোয়াখালী জেলা সেনবাগ থানার রাজারামপুর এলাকায়।
কাউসার মিয়া বলেন, ‘আমি গত প্রায় ২ বছর আগে নদীকে বিবাহ করি। আমাদের বিবাহের পর আমাদের সংসার খুবই ভালো চলছিল এবং আমার স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক ছিল। আমাদের ১৫ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার স্ত্রী টিকটকে আসক্ত ছিল। সেই সুবাদে নোয়াখালীর ফারহানা নামের এক নারীর সাথে পরিচয় হয়। তারা প্রতিনিয়ত ফোনে কথা বলত। এমনকি আমিও মাঝে মধ্যে নোয়াখালীর মেয়ের সাথে কথা বলতাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী গত ১ সপ্তাহ আগে আমার দুধের বাচ্চাকে আমার মায়ের কাছে রেখে আমার আলমারিতে রাখা ৭ হাজার টাকা এবং আমার মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আমি নোয়াখালী যোগাযোগ করলে জানতে পারি সেই মেয়েটিও বাড়িতে নাই। আমরা উভয় পরিবারই থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমার জন্য না হোক আমার দুধের বাচ্চার জন্য আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাই।’
ফারহানা বেগমের ভাই ফায়েজ মিয়া বলেন, ১ সপ্তাহ আগে আমার বোন তার ৪ বছরের মেয়েকে আমাদের বাড়িতে রেখে নিখোঁজ হয়েছে। ভৈরব থেকে কাউসার জানিয়েছে তার বউ বাড়িতে নাই। যদিও নদী ও ফারহানার মাঝে সুসম্পর্ক ছিল। আমার বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছে কোনো এক ছেলের সাথে সম্পর্কের কারণে আমার বোন পালিয়েছে। বিদেশে আমার বোন জামাই কান্নাকাটি করছে। আমরা জানি না কীভাবে কী হয়েছে। আমরা চাই আমার বোন ও ভৈরবের মেয়েকে উদ্ধার করা হোক।’
ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, এক নারীর সাথে আরেক নারী কোথাও যাওয়া ভিন্ন ব্যাপার; কিন্তু তাদের সম্পর্কের বিষয়টাও ভিত্তি নেই। তবে নোয়াখালী এলাকার নারীর স্বামী যেহেতু বিদেশে থাকে সেটা সন্দেহজনক। এক মেয়ের প্ররোচনায় আরেক মেয়ে বিদেশ যাচ্ছে এমনও অনেক বিষয় থাকে। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত উদ্ধার করা চেষ্টা চলছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৯
ময়মনসিংহের ভালুকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছেন পুলিশ সদস্য। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসী তাকে আটক করার পর খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেন।
আটক পুলিশ সদস্যের নাম এএসআই আজহার উদ্দীন রাকিব (৩২)। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় কর্মরত বলে জানা গেছে। তার বাড়ি ভালুকা উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের মধ্য রাজৈ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে এবং প্রবাসীর চাচাত ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার রাতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করে রাকিবকে হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ভালুকা থানা পুলিশ বিষয়টি ভালুকা আর্মি ক্যাম্পকে জানায়। পরে সকাল ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে। পরে তাকে ভালুকা মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক পুলিশ সদস্যকে প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছেন পুলিশ সদস্য। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসী তাকে আটক করার পর খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেন।
আটক পুলিশ সদস্যের নাম এএসআই আজহার উদ্দীন রাকিব (৩২)। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় কর্মরত বলে জানা গেছে। তার বাড়ি ভালুকা উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের মধ্য রাজৈ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে এবং প্রবাসীর চাচাত ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার রাতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করে রাকিবকে হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ভালুকা থানা পুলিশ বিষয়টি ভালুকা আর্মি ক্যাম্পকে জানায়। পরে সকাল ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে। পরে তাকে ভালুকা মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক পুলিশ সদস্যকে প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে খাসির মাংস বলে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তোপের মুখে দ্রুত দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাটের নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ে খাসির মাংস বিক্রি করতেন স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মৌলভি। তারা নিয়মিত বাড়ি থেকে মাংস এনে বাজারে বিক্রি করতেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এনতাজুলের বাড়িতে কুকুর ধরে জবাই করার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বাজারে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তরা দ্রুত মাংস ফেলে দোকান থেকে পালিয়ে যায়। অল্প সময়েই শতশত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত এনতাজুল ও দুলু মৌলভি পলাতক রয়েছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই তাৎক্ষণিক ঘটিনাস্থলে একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে জবাইকৃত কুকুরের মাথা, চামড়া ও মাংস জব্দ করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে খাসির মাংস বলে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তোপের মুখে দ্রুত দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাটের নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ে খাসির মাংস বিক্রি করতেন স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মৌলভি। তারা নিয়মিত বাড়ি থেকে মাংস এনে বাজারে বিক্রি করতেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এনতাজুলের বাড়িতে কুকুর ধরে জবাই করার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বাজারে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তরা দ্রুত মাংস ফেলে দোকান থেকে পালিয়ে যায়। অল্প সময়েই শতশত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত এনতাজুল ও দুলু মৌলভি পলাতক রয়েছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই তাৎক্ষণিক ঘটিনাস্থলে একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে জবাইকৃত কুকুরের মাথা, চামড়া ও মাংস জব্দ করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.