আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ড. ফয়জুল হক।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার প্রার্থীতা ঘোষণা করা হবে।
ড. ফয়জুল হক ওলীয়ে কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুর (রহ.) এর নাতি। তিনি ১৯৮৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার পশ্চিম চাড়াখালী গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে বিএ ও এমএ পাস করেন ফয়জুল হক। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, মালয়েশিয়া থেকে ২০১৯ সালে পিএইচডি ও ২০২৩ সালে পোস্ট-ডক্টোরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন।
তিনি বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মুজ্জাম্মিলুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। বড় ভাই অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ছাইফুল হক, মেজো ভাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহীদুল হক এবং সেজো ভাই আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আমিনুল হক।
গত ১৬ বছর ধরে সোচ্চার সকল অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ড. ফয়জুল হক কথা বলেন। অনলাইনে টকশো, লাইভ ও লেখালেখির মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। জুলাই বিপ্লবের পক্ষে প্রবাসে থেকেও জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
ড. ফয়জুল হক বলেন, দাঁড়িপাল্লার মনোনয়ন পেয়ে আমি আনন্দিত এবং গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। এ দেশে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে একটি দেশপ্রেমিক সংগঠনের নেতৃত্বে সবাই মিলে সরকার গঠিত হবে। সেই সরকারের পার্ট ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।
তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি-১ আসনের জনগণ বসে আছেন সত্যের পক্ষে, দেশপ্রেমিক জনতার পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য। এ অঞ্চলের সকল দলমতের মানুষরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবারের ভোট দাঁড়িপাল্লায় হবে।
ড. ফয়জুল হক বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে, যিনি আমাকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি অর্জনে সর্বদা সাহস দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদ পতনের পর তিনি তার দল থেকে আমাকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করার সুযোগ করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর সাহেব, ছারছিনা, কায়েদ সাহেব হুজুর নেছারাবাদসহ সকল পীর মাসায়েক, আলেম-ওলামা, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কৃষক, শ্রমিক জনতা সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ধন্যবাদ জানাই। আমার বিশ্বাস সবাই মিলে বিপ্লব ঘটাবে যেটা বিগত দিনের সব রেকর্ড ভেঙে যাবে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৬
বর্ষা এলেই জমিতে পানি জমে থাকত। আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির জন্য কৃষকদের ছুটতে হতো অন্য উৎসের কাছে। পলি ও মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পাঁচটি খাল দিয়ে ঠিকমতো পানি চলাচল করছিল না। এতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই ভোগান্তিতে ছিলেন কৃষকেরা।
দীর্ঘদিন পর খালগুলো পুনঃখনন করায় সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে কয়েক হাজার কৃষকের মধ্যে। তাঁরা বলছেন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকটও অনেকটা কমবে।
পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন দিয়াকুল ড্রেনেজ উপ প্রকল্পের মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। পাঁচটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ২৫ কিলোমিটার।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন পলি জমে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতো না। ফলে কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকত। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হতো। পুনঃখননের পর খালে পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকেরা দুই ধরনের সমস্যারই সমাধান আশা করছেন।
রাজাপুর এলাকার কৃষক আবদুর রব হাওলাদার বলেন, ‘আগে বৃষ্টি হলে জমির পানি সহজে নামত না। খাল ভরাট থাকায় পানি আটকে থাকত। এখন খাল পুনঃখনন হওয়ায় পানি দ্রুত নামবে। এতে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি কমবে।’
মহাদিপুর এলাকার কৃষক বাদল খান বলেন, সেচের জন্য অনেক সময় বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়েছে। খালে পানি থাকলে সেই খরচ কমবে। সময়মতো জমিতে পানি দেওয়া যাবে। এতে কৃষিকাজ সহজ হবে।
নাগপাড়া এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার খাল সচল হয়েছে। বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত বের হয়ে যাবে, আর শুকনো মৌসুমে সেচের পানিও পাওয়া যাবে। এতে আমরা কৃষকেরা উপকৃত হব।’
দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, পলি জমে খালগুলো দীর্ঘদিন ভরাট থাকায় পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই কৃষকেরা সমস্যায় ছিলেন। পুনঃখননের ফলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রয়োজনের সময় কৃষকেরা সেচের পানি পাবেন এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। তবে এই সুফল ধরে রাখতে খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
পোনাবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান মাস্টার বলেন, কৃষির জন্য পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালগুলো পুনঃখননের ফলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা কমবে। এর সুফল ধরে রাখতে খালগুলো দখল ও ভরাট হওয়া থেকে রক্ষা করা দরকার।
সদর উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী সনজিৎ কুমার বলেন, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কৃষকদের পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেই খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে বর্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। খালগুলোর সুফল দীর্ঘদিন ধরে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ প্রয়োজন।
বর্ষা এলেই জমিতে পানি জমে থাকত। আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির জন্য কৃষকদের ছুটতে হতো অন্য উৎসের কাছে। পলি ও মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পাঁচটি খাল দিয়ে ঠিকমতো পানি চলাচল করছিল না। এতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই ভোগান্তিতে ছিলেন কৃষকেরা।
দীর্ঘদিন পর খালগুলো পুনঃখনন করায় সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে কয়েক হাজার কৃষকের মধ্যে। তাঁরা বলছেন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকটও অনেকটা কমবে।
পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন দিয়াকুল ড্রেনেজ উপ প্রকল্পের মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। পাঁচটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ২৫ কিলোমিটার।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন পলি জমে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতো না। ফলে কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকত। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হতো। পুনঃখননের পর খালে পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকেরা দুই ধরনের সমস্যারই সমাধান আশা করছেন।
রাজাপুর এলাকার কৃষক আবদুর রব হাওলাদার বলেন, ‘আগে বৃষ্টি হলে জমির পানি সহজে নামত না। খাল ভরাট থাকায় পানি আটকে থাকত। এখন খাল পুনঃখনন হওয়ায় পানি দ্রুত নামবে। এতে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি কমবে।’
মহাদিপুর এলাকার কৃষক বাদল খান বলেন, সেচের জন্য অনেক সময় বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়েছে। খালে পানি থাকলে সেই খরচ কমবে। সময়মতো জমিতে পানি দেওয়া যাবে। এতে কৃষিকাজ সহজ হবে।
নাগপাড়া এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার খাল সচল হয়েছে। বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত বের হয়ে যাবে, আর শুকনো মৌসুমে সেচের পানিও পাওয়া যাবে। এতে আমরা কৃষকেরা উপকৃত হব।’
দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, পলি জমে খালগুলো দীর্ঘদিন ভরাট থাকায় পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই কৃষকেরা সমস্যায় ছিলেন। পুনঃখননের ফলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রয়োজনের সময় কৃষকেরা সেচের পানি পাবেন এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। তবে এই সুফল ধরে রাখতে খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
পোনাবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান মাস্টার বলেন, কৃষির জন্য পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালগুলো পুনঃখননের ফলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা কমবে। এর সুফল ধরে রাখতে খালগুলো দখল ও ভরাট হওয়া থেকে রক্ষা করা দরকার।
সদর উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী সনজিৎ কুমার বলেন, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কৃষকদের পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেই খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে বর্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। খালগুলোর সুফল দীর্ঘদিন ধরে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ প্রয়োজন।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:২৫
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় স্ত্রীর ঋণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী খায়রুল ইসলাম পলাশের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজা হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে আঘাত করলে পলাশের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে—চার বছর বয়সী জায়ান ও দুই মাস বয়সী রুকাইয়া।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশ ইসরাত জাহান লিজাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় লিজার কোলে দুই মাস বয়সী রুকাইয়া ও পাশে চার বছর বয়সী জায়ানকে দেখা যায়।
এ ঘটনায় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনের বিরুদ্ধে কাঠালিয়া থানায় হত্যা মামলা করেছেন পলাশের চাচাতো ভাই মিরাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কাঠালিয়া উপজেলার দক্ষিণ আউড়া গ্রামে পলাশের শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ পেশায় একজন ওষুধ ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে। কিছুদিন আগে দ্বিতীয় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে নিয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউড়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফার্মেসিও চালু করেন তিনি।
অনেক দিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। স্বামী পলাশকে না জানিয়ে স্ত্রী লিজা যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি ঋণ গ্রহণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার লিজা ও পলাশের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লিজা প্রথমে হাতুড়ি এবং পরে শাবল দিয়ে পলাশকে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ঝালকাঠির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম সাংবাদিকদের জানান, ইসরাত জাহান লিজাকে গ্রেপ্তার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার সঙ্গে দুটি অবুঝ কন্যাসন্তান রয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় স্ত্রীর ঋণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী খায়রুল ইসলাম পলাশের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজা হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে আঘাত করলে পলাশের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে—চার বছর বয়সী জায়ান ও দুই মাস বয়সী রুকাইয়া।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশ ইসরাত জাহান লিজাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় লিজার কোলে দুই মাস বয়সী রুকাইয়া ও পাশে চার বছর বয়সী জায়ানকে দেখা যায়।
এ ঘটনায় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনের বিরুদ্ধে কাঠালিয়া থানায় হত্যা মামলা করেছেন পলাশের চাচাতো ভাই মিরাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কাঠালিয়া উপজেলার দক্ষিণ আউড়া গ্রামে পলাশের শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ পেশায় একজন ওষুধ ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে। কিছুদিন আগে দ্বিতীয় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে নিয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউড়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফার্মেসিও চালু করেন তিনি।
অনেক দিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। স্বামী পলাশকে না জানিয়ে স্ত্রী লিজা যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি ঋণ গ্রহণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার লিজা ও পলাশের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লিজা প্রথমে হাতুড়ি এবং পরে শাবল দিয়ে পলাশকে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ঝালকাঠির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম সাংবাদিকদের জানান, ইসরাত জাহান লিজাকে গ্রেপ্তার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার সঙ্গে দুটি অবুঝ কন্যাসন্তান রয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০২:১৫
বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতা ও চেঁচরীরামপুর এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান (৪৮)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁঠালিয়া থানার ওসি আবু নাছের রায়হান।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের মরিচবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক।
কাঁঠালিয়া থানার ওসি আবু নাছের রায়হান জানান, উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতা ও চেঁচরীরামপুর এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান (৪৮)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁঠালিয়া থানার ওসি আবু নাছের রায়হান।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের মরিচবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক।
কাঁঠালিয়া থানার ওসি আবু নাছের রায়হান জানান, উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:১৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ড. ফয়জুল হক।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার প্রার্থীতা ঘোষণা করা হবে।
ড. ফয়জুল হক ওলীয়ে কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুর (রহ.) এর নাতি। তিনি ১৯৮৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার পশ্চিম চাড়াখালী গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে বিএ ও এমএ পাস করেন ফয়জুল হক। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, মালয়েশিয়া থেকে ২০১৯ সালে পিএইচডি ও ২০২৩ সালে পোস্ট-ডক্টোরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন।
তিনি বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা মুজ্জাম্মিলুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। বড় ভাই অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ছাইফুল হক, মেজো ভাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহীদুল হক এবং সেজো ভাই আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আমিনুল হক।
গত ১৬ বছর ধরে সোচ্চার সকল অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ড. ফয়জুল হক কথা বলেন। অনলাইনে টকশো, লাইভ ও লেখালেখির মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। জুলাই বিপ্লবের পক্ষে প্রবাসে থেকেও জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
ড. ফয়জুল হক বলেন, দাঁড়িপাল্লার মনোনয়ন পেয়ে আমি আনন্দিত এবং গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা ও জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। এ দেশে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে একটি দেশপ্রেমিক সংগঠনের নেতৃত্বে সবাই মিলে সরকার গঠিত হবে। সেই সরকারের পার্ট ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।
তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি-১ আসনের জনগণ বসে আছেন সত্যের পক্ষে, দেশপ্রেমিক জনতার পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য। এ অঞ্চলের সকল দলমতের মানুষরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবারের ভোট দাঁড়িপাল্লায় হবে।
ড. ফয়জুল হক বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে, যিনি আমাকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি অর্জনে সর্বদা সাহস দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদ পতনের পর তিনি তার দল থেকে আমাকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করার সুযোগ করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর সাহেব, ছারছিনা, কায়েদ সাহেব হুজুর নেছারাবাদসহ সকল পীর মাসায়েক, আলেম-ওলামা, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কৃষক, শ্রমিক জনতা সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ধন্যবাদ জানাই। আমার বিশ্বাস সবাই মিলে বিপ্লব ঘটাবে যেটা বিগত দিনের সব রেকর্ড ভেঙে যাবে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪