
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৭
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানানিয়েছে, মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।Executive
প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাকে এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সাথে আন্তরিকভাবে মিশে যান। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সাথে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।
মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় তাকে।সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ
পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সঙ্কট মোকাবেলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে একটি সেনা পরিবারে বড় হয়েছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার ভালো লাগে এবং শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে। সেনাসদস্যদের সাথে কথা বলা ও তাদের সান্নিধ্যে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে তিনি যেন শৈশবে ফিরে যান।’
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরো সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানানিয়েছে, মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।Executive
প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাকে এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সাথে আন্তরিকভাবে মিশে যান। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সাথে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।
মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় তাকে।সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ
পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সঙ্কট মোকাবেলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে একটি সেনা পরিবারে বড় হয়েছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার ভালো লাগে এবং শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে। সেনাসদস্যদের সাথে কথা বলা ও তাদের সান্নিধ্যে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে তিনি যেন শৈশবে ফিরে যান।’
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরো সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩

১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নিতে হিজলা থেকে রওনা দেওয়া লঞ্চ ডুবোচরে আটকা পড়েছে। সেই লঞ্চ থেকে নেতাদের উদ্ধার করতে গিয়ে ডুবে গেছে আরেক নৌকা। মেঘনার শাখা নদী হিজলা উপজেলার বাউশিয়া এলাকায় সোমবার বেলা ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হিজলা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল এই তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
হিজলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সজল জানান, অভ্যন্তরীণ রুটের অভিযান-৫ লঞ্চে হিজলা উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বরিশাল যাওয়ার কথা ছিল। লঞ্চটি উপজেলার দুইটি ঘাট থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে পুরাতন হিজলা লঞ্চঘাটের উদ্দেশ্যে আসে। ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছে চরে আটকে যায়।
তিনি বলেন, “একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নেতাদের লঞ্চ থেকে আনতে যায়। বেশি যাত্রী উঠে পড়ায় নৌকাটি ডুবে যায়। তবে কারও কোনো ক্ষতি হয়নি। পরে স্পিডবোটে বরিশাল নগরীতে এসে তারা প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন”।
হিজলা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল বরিশালটাইমসকে বলেন, “ডুবোচরে লঞ্চটি আটকা পড়ে। নৌকাটিতে পানি উঠে ডুবে গেছে। বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা হয়নি”।
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘মাত্র কদিন আগের কথা, আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সকলে মিলে স্বৈরাচারকে হটিয়েছি। তার মানে আমরা কাঁধে কাঁধ রেখে দেশের জন্য যে কাজগুলো ভালো, সেই কাজগুলো করলে সকলে উপকৃত হবে। আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। এলাকার পরিবেশের যদি খেয়াল না রাখি, তাহলে ভুক্তভোগী আমরাই হব।’
আজ সোমবার দুপুরে বরিশাল নগরের কীর্তনখোলা নদীর শাখা সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী এক দিনের সফরে এসে প্রথম গৌরনদী এবং পরে বরিশাল নগরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জাঁকজমকহীন এবং সাদামাটাভাবে এ কর্মসূচি হলেও দিনভর নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক ভিতকে ঝাঁকি দিয়ে সতেজ করে দিয়ে গেলেন দলীয় প্রধান।
প্রধানমন্ত্রী দুপুরে সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণকালে আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা প্রতিশ্রুতি দিই আমাদের দেশের পরিবেশ যেন সুন্দর থাকে। আমরা যেখানে বসবাস করি, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।’ তিনি এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, এই সাগরদী খালের পাড়ে সাড়ে তিন শ গাছ রোপণ করা হবে। এলাকাবাসীর দায়িত্ব হলো এসব গাছের যত্ন নেওয়া।
প্রধানমন্ত্রীর এ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সারওয়ার এমপি, উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং জেলা পরিষদ সদস্য আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাটাজোর অশ্বিনীকুমার ইনস্টিটিউশন মাঠে প্রধানমন্ত্রী উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও শিক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে নারীদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি মেধাবী ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে দেশের ৪ কোটি পরিবারের নারীপ্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। গড়ে প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার পরিবার এ সুবিধা পাবে।
সরকারপ্রধান বললেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য প্রথম শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকার স্নাতক পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষার সুযোগ চালু করবে। যেসব ছাত্রী ভালো ফল করবে, তাদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।
বিকেলে বরিশাল নগরের শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক সভায় দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ভাঙা-কুয়াকাটা ৬ লেন করে পায়রা বন্দরকে সচল করার আহ্বান জানান। দেশের অর্থনীতিতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি। এ সময় হলভর্তি নেতা-কর্মীরাও ৬ লেনের দাবি জানান।
তবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আপনারা আশা করেছেন ৬ লেনের কথা বলব। আমি কিন্তু হ্যাঁ বলিনি। কেননা, বুঝেসুঝে কথা দিতে হয়।’
সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান বলেন, ‘দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শিগগির শুরু করব। কিন্তু এ কার্যক্রম করতে গিয়ে হাইব্রিড এবং গুপ্ত—এই দুটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দলে মতপার্থক্য থাকতে পারে; কিন্তু অনৈক্য করা যাবে না। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে হাইব্রিড, গুপ্ত ফ্যাসিস্ট ঢুকতে পারবে না।’
প্রধানমন্ত্রী নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রায় একটি চক্র অঘটন ঘটাতে পারে। আপনারা প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক থাকবেন।’
মজিবর রহমান সরওয়ারের সভাপতিত্বে সাংগঠনিক এ সভায় প্রায় ৬০০ নেতা-কর্মী অংশ নেন। সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘মাত্র কদিন আগের কথা, আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সকলে মিলে স্বৈরাচারকে হটিয়েছি। তার মানে আমরা কাঁধে কাঁধ রেখে দেশের জন্য যে কাজগুলো ভালো, সেই কাজগুলো করলে সকলে উপকৃত হবে। আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। এলাকার পরিবেশের যদি খেয়াল না রাখি, তাহলে ভুক্তভোগী আমরাই হব।’
আজ সোমবার দুপুরে বরিশাল নগরের কীর্তনখোলা নদীর শাখা সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী এক দিনের সফরে এসে প্রথম গৌরনদী এবং পরে বরিশাল নগরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জাঁকজমকহীন এবং সাদামাটাভাবে এ কর্মসূচি হলেও দিনভর নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক ভিতকে ঝাঁকি দিয়ে সতেজ করে দিয়ে গেলেন দলীয় প্রধান।
প্রধানমন্ত্রী দুপুরে সাগরদী খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণকালে আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা প্রতিশ্রুতি দিই আমাদের দেশের পরিবেশ যেন সুন্দর থাকে। আমরা যেখানে বসবাস করি, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।’ তিনি এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, এই সাগরদী খালের পাড়ে সাড়ে তিন শ গাছ রোপণ করা হবে। এলাকাবাসীর দায়িত্ব হলো এসব গাছের যত্ন নেওয়া।
প্রধানমন্ত্রীর এ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সারওয়ার এমপি, উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং জেলা পরিষদ সদস্য আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাটাজোর অশ্বিনীকুমার ইনস্টিটিউশন মাঠে প্রধানমন্ত্রী উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও শিক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে নারীদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি মেধাবী ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে দেশের ৪ কোটি পরিবারের নারীপ্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। গড়ে প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার পরিবার এ সুবিধা পাবে।
সরকারপ্রধান বললেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য প্রথম শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকার স্নাতক পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষার সুযোগ চালু করবে। যেসব ছাত্রী ভালো ফল করবে, তাদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।
বিকেলে বরিশাল নগরের শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক সভায় দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ভাঙা-কুয়াকাটা ৬ লেন করে পায়রা বন্দরকে সচল করার আহ্বান জানান। দেশের অর্থনীতিতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি। এ সময় হলভর্তি নেতা-কর্মীরাও ৬ লেনের দাবি জানান।
তবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আপনারা আশা করেছেন ৬ লেনের কথা বলব। আমি কিন্তু হ্যাঁ বলিনি। কেননা, বুঝেসুঝে কথা দিতে হয়।’
সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান বলেন, ‘দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শিগগির শুরু করব। কিন্তু এ কার্যক্রম করতে গিয়ে হাইব্রিড এবং গুপ্ত—এই দুটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দলে মতপার্থক্য থাকতে পারে; কিন্তু অনৈক্য করা যাবে না। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে হাইব্রিড, গুপ্ত ফ্যাসিস্ট ঢুকতে পারবে না।’
প্রধানমন্ত্রী নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রায় একটি চক্র অঘটন ঘটাতে পারে। আপনারা প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক থাকবেন।’
মজিবর রহমান সরওয়ারের সভাপতিত্বে সাংগঠনিক এ সভায় প্রায় ৬০০ নেতা-কর্মী অংশ নেন। সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’
বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নিতে হিজলা থেকে রওনা দেওয়া লঞ্চ ডুবোচরে আটকা পড়েছে। সেই লঞ্চ থেকে নেতাদের উদ্ধার করতে গিয়ে ডুবে গেছে আরেক নৌকা। মেঘনার শাখা নদী হিজলা উপজেলার বাউশিয়া এলাকায় সোমবার বেলা ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হিজলা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল এই তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
হিজলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সজল জানান, অভ্যন্তরীণ রুটের অভিযান-৫ লঞ্চে হিজলা উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বরিশাল যাওয়ার কথা ছিল। লঞ্চটি উপজেলার দুইটি ঘাট থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে পুরাতন হিজলা লঞ্চঘাটের উদ্দেশ্যে আসে। ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছে চরে আটকে যায়।
তিনি বলেন, “একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নেতাদের লঞ্চ থেকে আনতে যায়। বেশি যাত্রী উঠে পড়ায় নৌকাটি ডুবে যায়। তবে কারও কোনো ক্ষতি হয়নি। পরে স্পিডবোটে বরিশাল নগরীতে এসে তারা প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন”।
হিজলা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) গৌতম চন্দ্র মন্ডল বরিশালটাইমসকে বলেন, “ডুবোচরে লঞ্চটি আটকা পড়ে। নৌকাটিতে পানি উঠে ডুবে গেছে। বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা হয়নি”।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩