
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৭
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ৭৮৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে হামে কারো মৃত্যু হয়নি। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫৩ জনের মৃত্যু হলো।
এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ৭০২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এনিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে একই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৪১০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮৯ হাজার ৭৬২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ছবি- সংগৃহীত
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ৭৮৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে হামে কারো মৃত্যু হয়নি। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫৩ জনের মৃত্যু হলো।
এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ৭০২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এনিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে একই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৪১০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮৯ হাজার ৭৬২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৮

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪১
সাতক্ষীরায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে যুব জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ফিরোজ শাহ্কে দলীয় পদ ও সাংগঠনিক সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১২ নম্বর বল্লী ইউনিয়ন শাখার আমীর মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ ফিরোজ শাহ ওই ইউনিয়ন শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিভিন্ন পত্রিকা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ফিরোজ শাহকে তার স্ত্রী হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় পার্কে উপস্থিত লোকজনের সামনে তাদের মধ্যে উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। উপস্থিত কয়েকজন দর্শনার্থী পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।
পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলা সংগঠনের নির্দেশনায় দলীয় শৃঙ্খলা, আদর্শ ও নীতিমালাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ফিরোজ শাহর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি পদসহ সংগঠনের সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।’

০৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৭
দেশজুড়ে হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৬ জন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮১৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৯৮ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর আসছে। ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মূল্যস্ফীতির কারণে আর্থিক সংকটে পড়ে অনেকেই ধার-দেনা ও ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন, যা তাদের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সরকার মনে করছে, রেশন সুবিধা চালু হলে এই মানসিক চাপ কমবে এবং কর্মচারীদের কাজে মনোযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এই রেশন সুবিধা চালুর প্রস্তাবে ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি মিলেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গত জুন মাসে অর্থ বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই চিঠিতে তিন মাস পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবদের নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে কাজের অগ্রগতি উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাসিক অগ্রগতিও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শাখায় পাঠাতে বলা হয়েছে।
মূলত, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে ১২ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। গত ৩ মে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে এই প্রস্তাবটি তুলে ধরা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, রেশন সুবিধা চালু হলে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা অনেক সহজ হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপ-সচিব মো. মামুন জানান, ডিসি সম্মেলনে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা বই আকারে প্রকাশের কাজ করছে বিজি প্রেস এবং সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের চিঠি দিয়ে তাদের করণীয় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘রেশন সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবটি ইতিবাচক এবং সময়োপযোগী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অনেকে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অজুহাত হিসেবে সুযোগ-সুবিধার অভাবের কথা বলেন, রেশন সুবিধা চালু হলে এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকারকে এই রেশন বিতরণ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে, যেন কোনো অনিয়ম না হয় এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা এই সুবিধা পান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপসচিব মো. মামুন বলেন, ডিসি সম্মেলনের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে সুলভ মূল্যে রেশন সুবিধা পাচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
১২তম গ্রেডের পদগুলোর মধ্যে রয়েছে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, হিসাব সহকারী, ক্যাশিয়ার, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, গুদামরক্ষক, নিরাপত্তা পরিদর্শক, ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার, অডিটর ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর। অন্যদিকে ২০তম গ্রেড সরকারি চাকরির সর্বনিম্ন স্তর, যেখানে অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, নৈশপ্রহরী, পিয়ন, মালী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতো পদ অন্তর্ভুক্ত।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি কর্মচারীরা রেশনসহ বিভিন্ন ভাতার দাবিতে আন্দোলন করেন। সে সময় খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম রেশন সুবিধা চালুর পক্ষে মত দিয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠান। এরপর থেকেই বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর আসছে। ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মূল্যস্ফীতির কারণে আর্থিক সংকটে পড়ে অনেকেই ধার-দেনা ও ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন, যা তাদের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সরকার মনে করছে, রেশন সুবিধা চালু হলে এই মানসিক চাপ কমবে এবং কর্মচারীদের কাজে মনোযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এই রেশন সুবিধা চালুর প্রস্তাবে ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি মিলেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গত জুন মাসে অর্থ বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই চিঠিতে তিন মাস পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবদের নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে কাজের অগ্রগতি উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাসিক অগ্রগতিও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শাখায় পাঠাতে বলা হয়েছে।
মূলত, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে ১২ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। গত ৩ মে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে এই প্রস্তাবটি তুলে ধরা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, রেশন সুবিধা চালু হলে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা অনেক সহজ হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপ-সচিব মো. মামুন জানান, ডিসি সম্মেলনে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা বই আকারে প্রকাশের কাজ করছে বিজি প্রেস এবং সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের চিঠি দিয়ে তাদের করণীয় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘রেশন সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবটি ইতিবাচক এবং সময়োপযোগী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অনেকে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অজুহাত হিসেবে সুযোগ-সুবিধার অভাবের কথা বলেন, রেশন সুবিধা চালু হলে এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকারকে এই রেশন বিতরণ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে, যেন কোনো অনিয়ম না হয় এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা এই সুবিধা পান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপসচিব মো. মামুন বলেন, ডিসি সম্মেলনের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে সুলভ মূল্যে রেশন সুবিধা পাচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
১২তম গ্রেডের পদগুলোর মধ্যে রয়েছে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, হিসাব সহকারী, ক্যাশিয়ার, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, গুদামরক্ষক, নিরাপত্তা পরিদর্শক, ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার, অডিটর ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর। অন্যদিকে ২০তম গ্রেড সরকারি চাকরির সর্বনিম্ন স্তর, যেখানে অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, নৈশপ্রহরী, পিয়ন, মালী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতো পদ অন্তর্ভুক্ত।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি কর্মচারীরা রেশনসহ বিভিন্ন ভাতার দাবিতে আন্দোলন করেন। সে সময় খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম রেশন সুবিধা চালুর পক্ষে মত দিয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠান। এরপর থেকেই বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
সাতক্ষীরায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে যুব জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ফিরোজ শাহ্কে দলীয় পদ ও সাংগঠনিক সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১২ নম্বর বল্লী ইউনিয়ন শাখার আমীর মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ ফিরোজ শাহ ওই ইউনিয়ন শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিভিন্ন পত্রিকা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ফিরোজ শাহকে তার স্ত্রী হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় পার্কে উপস্থিত লোকজনের সামনে তাদের মধ্যে উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। উপস্থিত কয়েকজন দর্শনার্থী পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।
পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলা সংগঠনের নির্দেশনায় দলীয় শৃঙ্খলা, আদর্শ ও নীতিমালাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ফিরোজ শাহর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি পদসহ সংগঠনের সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।’
দেশজুড়ে হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৬ জন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮১৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৯৮ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৭
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৪