
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৪
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৪৩ জনের নামোল্লেখ করে মামলা করা হয়। এই মামলায় আসামির তালিকায় দুইজন সাংবাদিক নেতাও আছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পুরো হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও, আলোচিত এ মামলার ২১ নাম্বার আসামি করা হয়েছে সংবাদ সংগ্রহের জন্য থানা কম্পাউন্ডে যাওয়া আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাজমুল রিপন এবং ২৩ নাম্বার আসামি করা হয়েছে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলামকে। তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে আসামিদের উস্কানি বা প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও মামলার আসামি এফএম নাজমুল রিপন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সম্প্রতি সময়ে প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান তার (নাজমুল রিপন) বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন। ওসির ওই জিডি প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে মানববন্ধন করা হয়।
সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ওসি ষড়যন্ত্র মূলকভাবে আলোচিত এ মামলায় আমাদের দুইজনকে আসামি করেছেন। এছাড়াও দেশে না থাকা অনেক ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যা বাস্তব ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের এবং প্রাথমিক তদন্তে গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা চালানোর ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’
ওসি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠে তদন্ত করছেন। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত না থাকলে তাকে কোনো ধরনের হয়রানি করা হবেনা। বরং মামলার এজাহারে তাদের নাম থাকলেও অব্যাহতি দেওয়া হবে।
এদিকে পুলিশ বাদী হয়ে দুই সাংবাদিক নেতাকে মামলায় আসামি করার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে একটি মামলার সন্দেহভাজন আসামি ফুলশ্রী গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রিয়াজ ফকিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই থানা হেফাজতে লোহার দরজায় নিজের মাথায় নিজেই আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন রিয়াজ। পরে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকিরকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরেরদিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকির পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করেছে বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিয়াজের বাবা-মা, বোনসহ আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী ওইদিন বিকেলে মিছিল নিয়ে প্রকাশ্যে থানায় ঢুকে হামলা, ভাঙচুরসহ একাধিক পুলিশ সদস্যকে মারধর করে আহত করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৪৩ জনের নামোল্লেখ করে মামলা করা হয়। এই মামলায় আসামির তালিকায় দুইজন সাংবাদিক নেতাও আছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পুরো হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও, আলোচিত এ মামলার ২১ নাম্বার আসামি করা হয়েছে সংবাদ সংগ্রহের জন্য থানা কম্পাউন্ডে যাওয়া আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাজমুল রিপন এবং ২৩ নাম্বার আসামি করা হয়েছে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলামকে। তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে আসামিদের উস্কানি বা প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও মামলার আসামি এফএম নাজমুল রিপন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সম্প্রতি সময়ে প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান তার (নাজমুল রিপন) বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন। ওসির ওই জিডি প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে মানববন্ধন করা হয়।
সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ওসি ষড়যন্ত্র মূলকভাবে আলোচিত এ মামলায় আমাদের দুইজনকে আসামি করেছেন। এছাড়াও দেশে না থাকা অনেক ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যা বাস্তব ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের এবং প্রাথমিক তদন্তে গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা চালানোর ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’
ওসি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠে তদন্ত করছেন। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত না থাকলে তাকে কোনো ধরনের হয়রানি করা হবেনা। বরং মামলার এজাহারে তাদের নাম থাকলেও অব্যাহতি দেওয়া হবে।
এদিকে পুলিশ বাদী হয়ে দুই সাংবাদিক নেতাকে মামলায় আসামি করার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে একটি মামলার সন্দেহভাজন আসামি ফুলশ্রী গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রিয়াজ ফকিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই থানা হেফাজতে লোহার দরজায় নিজের মাথায় নিজেই আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন রিয়াজ। পরে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকিরকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরেরদিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকির পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করেছে বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিয়াজের বাবা-মা, বোনসহ আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী ওইদিন বিকেলে মিছিল নিয়ে প্রকাশ্যে থানায় ঢুকে হামলা, ভাঙচুরসহ একাধিক পুলিশ সদস্যকে মারধর করে আহত করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৭
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার রথখোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আহতদের স্বজনরা জানান, বিকেলের দিকে একটি বেওয়ারিশ কুকুর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এরপর সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে কুকুরটিকে ধাওয়া করে হত্যা করেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাবেয়া আক্তার (১০), মনিরা বেগম (৪৫), বেল্লাল (১০), সাহেব আলী (৬৫), আতাই (২), আরাফাত (৬), আয়ান (৫), আল আমিন (৪৩), মিনারা বেগম (৬০), জিদনী (২৫) এবং তাওহীদসহ (২৪) প্রমুখ।
আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত আরও দুজনের অবস্থা তুলনামূলক গুরুতর হওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মো. মাহামুদুল হাসান আরও জানান, জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি থাকায় তাদের সবাইকে দ্রুত প্রতিষেধক টিকা বা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার রথখোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আহতদের স্বজনরা জানান, বিকেলের দিকে একটি বেওয়ারিশ কুকুর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এরপর সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে কুকুরটিকে ধাওয়া করে হত্যা করেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাবেয়া আক্তার (১০), মনিরা বেগম (৪৫), বেল্লাল (১০), সাহেব আলী (৬৫), আতাই (২), আরাফাত (৬), আয়ান (৫), আল আমিন (৪৩), মিনারা বেগম (৬০), জিদনী (২৫) এবং তাওহীদসহ (২৪) প্রমুখ।
আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত আরও দুজনের অবস্থা তুলনামূলক গুরুতর হওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মো. মাহামুদুল হাসান আরও জানান, জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি থাকায় তাদের সবাইকে দ্রুত প্রতিষেধক টিকা বা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১১:২৫
বরিশালসহ দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।'
বরিশালসহ দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।'

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
শুক্রবার (১০ জুলাই) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে সরকারকে এ পরামর্শ দেন তিনি।
ফয়জুল করিম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো বিদেশি আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ মেনে নেবে না। অতীতে জনগণ রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষা করেছে, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, ভারতের কিছু রাজনৈতিক ও মতাদর্শিক গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশকে নিয়ে ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণা প্রচার করে থাকে। তার দাবি, এ ধরনের চিন্তাভাবনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে চায় এবং কোনো বিদেশি শক্তির কর্তৃত্ব বা প্রভাব মেনে নেবে না। দেশের জনগণ জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা রক্ষায় সবসময় সচেতন থাকবে এবং প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধভাবে তা রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের বিরুদ্ধে চলমান বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করা। কিন্তু কিছু মহল ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে দেশে বিভাজন সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মাবলম্বীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, অপমান বা বৈষম্য সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
শায়েখে চরমোনাই অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও আন্দোলনের চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
শুক্রবার (১০ জুলাই) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে সরকারকে এ পরামর্শ দেন তিনি।
ফয়জুল করিম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো বিদেশি আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ মেনে নেবে না। অতীতে জনগণ রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষা করেছে, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, ভারতের কিছু রাজনৈতিক ও মতাদর্শিক গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশকে নিয়ে ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণা প্রচার করে থাকে। তার দাবি, এ ধরনের চিন্তাভাবনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে চায় এবং কোনো বিদেশি শক্তির কর্তৃত্ব বা প্রভাব মেনে নেবে না। দেশের জনগণ জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা রক্ষায় সবসময় সচেতন থাকবে এবং প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধভাবে তা রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের বিরুদ্ধে চলমান বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করা। কিন্তু কিছু মহল ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে দেশে বিভাজন সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মাবলম্বীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, অপমান বা বৈষম্য সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
শায়েখে চরমোনাই অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও আন্দোলনের চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’